মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছেন, চলতি বছরই তিনি প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছরে সীমিত করতে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেবেন। এটি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর একটি।
কুয়ালালামপুর থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
আজ সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আনোয়ার ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার বিরুদ্ধে সতর্ক করেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, সবারই একটি মেয়াদসীমা আছে, সেখানে কোনো ব্যতিক্রম নেই।
নতুন বছর উপলক্ষে দেওয়া বিশেষ ঘোষণায় আনোয়ার বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিত করতে একটি বিল সংসদে উত্থাপন করব, যার মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ১০ বছর বা টানা দুই মেয়াদ।’
মেয়াদ শেষে দায়িত্ব পরবর্তী প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়াই শ্রেয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বর্তমানে মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী থাকার কোনো মেয়াদসীমা নেই। সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ প্রথম দফায় ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা ২২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন।
পরবর্তীতে মাহাথির অবসর ভেঙে একটি ভিন্নধর্মী বিরোধী জোটের নেতৃত্ব দেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে সেই জোট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়।
ওই বছর ৯২ বছর বয়সে পুনরায় শপথ নিয়ে মাহাথির বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী হন।
তবে, মেয়াদসীমা সংক্রান্ত বিলটি ঠিক কবে সংসদে তোলা হবে, সে ব্যাপারে আনোয়ার নির্দিষ্ট কওে কিছু বলেননি। চলতি মাসেই সংসদের এ বছরের প্রথম অধিবেশন বসবে।
আনোয়ারের জোট পাকাতান হারাপান (অ্যালায়েন্স অব হোপ) ২০২২ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ দুই দফায় সীমিত রাখার অঙ্গীকার করেছিল।
আনোয়ার জানান, সরকার সংসদে তথ্য অধিকার আইনও উত্থাপন করবে। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সবাইকে জবাবদিহির আওতায় থাকতে হবে এবং প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। সেক্ষেত্রে কোনো ব্যতিক্রম থাকবে না।
গত মাসে মালয়েশিয়ার হাইকোর্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে আরো ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেন।
এই অতিরিক্ত সাজা কার্যকর হবে নাজিবের বর্তমান ছয় বছরের কারাদণ্ড শেষ হওয়ার পর। ৭২ বছর বয়সী নাজিব ১এমডিবি সংক্রান্ত একটি মামলায় ওই সাজা ভোগ করছেন।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
শিশুদের ডিজিটাল ঝুঁকি ও ক্ষতিকর অনলাইন কনটেন্ট থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে ১৫ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। আমিরাতের মন্ত্রিসভার নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো শিশু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট, মন্তব্য, অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ, পাবলিক গ্রুপে যোগদান বা কোনো অনলাইন কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না। খবর গালফ নিউজের। ১৫ থেকে ১৬ বছর বয়সীদের জন্য বিশেষ শর্ত নতুন নীতিমালায় ১৫ থেকে ১৬ বছর বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হলেও তাদের জন্য কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকবে। এর মধ্যে বয়সভিত্তিক কনটেন্ট শ্রেণিবিন্যাস, ঝুঁকিপূর্ণ ফিচার বন্ধ রাখা এবং প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সক্রিয় রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর নতুন দায়িত্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ভরযোগ্য বয়স যাচাই ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এ জন্য ডিজিটাল পরিচয়পত্র, জাতীয় পরিচয় যাচাই, বায়োমেট্রিক মিল বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বয়স নির্ধারণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতে পারে। শিশুদের লক্ষ্য করে ট্র্যাকিংভিত্তিক বিজ্ঞাপন বা আচরণগত তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেন এই সিদ্ধান্ত? সরকার বলছে, বর্তমান প্রজন্ম ক্রমেই ডিজিটাল পরিবেশে বেড়ে উঠছে। প্রযুক্তি যেমন সুযোগ সৃষ্টি করছে, তেমনি নতুন ধরনের ঝুঁকিও তৈরি করছে। তাই শিশুদের নিরাপদ, ভারসাম্যপূর্ণ ও বয়সোপযোগী ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের মতে, এ সিদ্ধান্তের ফলে প্রযুক্তির সুফল থেকে শিশুরা বঞ্চিত হবে না। বরং তাদের মানসিক বিকাশ, সামাজিক সম্পর্ক ও বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতার সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহারকে ভারসাম্যপূর্ণ করা এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পরিবার ও স্কুলের ভূমিকা নতুন ব্যবস্থার আওতায় পরিবারগুলোকে নিরাপদ ডিজিটাল ব্যবহার, স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ এবং অনলাইন ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করতে বিভিন্ন নির্দেশনা ও সহায়ক উপকরণ দেওয়া হবে। একই সঙ্গে স্কুলগুলোতে ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানো হবে। শিক্ষক ও অভিভাবকদেরও শিশুদের নিরাপদ অনলাইন আচরণ গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেওয়া হবে। কোন প্ল্যাটফর্মগুলো এর আওতায় প্রাথমিকভাবে এই সিদ্ধান্ত নিম্নোক্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রযোজ্য হবে : এক্স (সাবেক টুইটার) ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম স্ন্যাপচ্যাট টিকটক
চলতি সপ্তাহে পাঁচ দিনের যুদ্ধ প্রস্তুতি মহড়া পরিচালনা করবে তাইওয়ানের সেনাবাহিনী। সামরিক প্রশিক্ষণকে আরও বাস্তবধর্মী ও যুদ্ধকেন্দ্রিক করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানায় দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ‘ইমিডিয়েট কমব্যাট রেডিনেস এক্সারসাইজ’ নামের এই মহড়া সোমবার (২২ জুন) শুরু হয়ে শুক্রবার পর্যন্ত চলবে। এটি তাইওয়ানের সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির অংশ। খবর রয়টার্সের। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মহড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন ইউনিটকে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মোতায়েন, যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশ এবং বাস্তব সামরিক কার্যক্রমের সঙ্গে আরও বেশি পরিচিত করে তোলা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এই মহড়ায় ‘প্রকৃত সেনাসদস্য ও সামরিক সরঞ্জাম’ ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে দ্রুত যুদ্ধকালীন প্রস্তুতিতে রূপান্তর, সেনা মোতায়েন এবং যৌথ সামরিক অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। এদিকে একই দিনে তাইওয়ান জানিয়েছে, দ্বীপটির আশপাশের আকাশসীমায় আবারও বড় সংখ্যায় সামরিক বিমান পাঠিয়েছে চীন। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২১টি চীনা সামরিক বিমান শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে জে-১৬ যুদ্ধবিমান, কেজে-৫০০ আকাশভিত্তিক সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণ বিমান এবং ওয়াই-২০ আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ছিল। এসব বিমানের মধ্যে ১৯টি তাইওয়ানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আকাশসীমা অতিক্রম করেছে। পাশাপাশি পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় দূরপাল্লার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বলে জানানো হয়েছে। প্রতিক্রিয়ায় তাইওয়ানও নিজস্ব বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে। উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতে তাইওয়ান যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি নতুন হিমার্স রকেট সিস্টেম ব্যবহার করে একটি মহড়া করে। দেশটির সবচেয়ে বড় বার্ষিক সামরিক মহড়া ‘হান কুয়াং’ আগামী আগস্টে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ওয়াশিংটন/তেহরান: গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই সামুদ্রিক রুটে ইরান কোনো ধরনের টোল আদায় করতে পারবে না এবং ভবিষ্যতে টোল আরোপ হলে তা যুক্তরাষ্ট্রই নির্ধারণ করবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির সময় হরমুজ প্রণালিতে কোনো টোল নেওয়া হবে না। তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, ওই সময়সীমা শেষ হলেও পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রই সিদ্ধান্ত নেবে সেখানে টোল আরোপ হবে কি না। সংঘাত ও সমঝোতার প্রেক্ষাপট রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এরপর হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়, যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হিসেবে পরিচিত। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির একটি সমঝোতা স্মারক সই হয় বলে দাবি করা হয়। ওই চুক্তির আওতায় ৬০ দিনের জন্য হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের টোল আদায় না করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন ঘোষণায় উত্তেজনা বৃদ্ধি তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ইরানের সামরিক কমান্ড লেবাননে চলমান হামলার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেয় বলে দাবি করা হয়। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয় এবং তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দেয়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং বড় কোনো বাধা সৃষ্টি হয়নি। বৈশ্বিক প্রভাব বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি ঘিরে এই ধরনের উত্তেজনা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলে, কারণ মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানির একটি বড় অংশ এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। সূত্র: আলজাজিরা