বিনোদন

মালদ্বীপের নীল স্বর্গে মুগ্ধ বিদ্যা সিনহা মিম

মোঃ ইমরান হোসেন ডিসেম্বর ২২, ২০২৫ 0
বিদ্যা সিনহা মিম I ছবি : সংগৃহীত
বিদ্যা সিনহা মিম I ছবি : সংগৃহীত

নীল আকাশের সঙ্গে মিশে থাকা নীল জলরাশি, সূর্যের আলোয় ঝিলমিল করা সমুদ্র—এই স্বপ্নিল আবহেই নিজেকে হারিয়ে ফেলেছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম। ব্যস্ত শহুরে জীবন থেকে খানিকটা বিরতি নিয়ে ছুটির আমেজে মালদ্বীপের অপরূপ সৌন্দর্যে ডুবে থাকা মিমের একগুচ্ছ ছবি ইতোমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে।

সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে মালদ্বীপ ভ্রমণের বেশ কয়েকটি ছবি শেয়ার করেছেন এই অভিনেত্রী। প্রকাশিত ছবিগুলোতে দেখা যায়, সমুদ্রঘেরা একটি কটেজের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন মিম। কানে গোঁজা কাঠগোলাপ, পরনে কালো ও অফ-হোয়াইট রঙের নজরকাড়া স্লিভলেস লং ড্রেস—সব মিলিয়ে একেবারে ছুটির মেজাজে ধরা দিয়েছেন তিনি। তার মোহময়ী চাহনি আর মিষ্টি হাসির ছোঁয়ায় ছবিগুলো যেন আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।

কখনো ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আলতো হাসি, আবার কখনো কাঠগোলাপের স্নিগ্ধ সৌন্দর্যকে ফোকাস করে ফ্রেমবন্দি—মিমের প্রতিটি ভঙ্গিই মুগ্ধ করেছে ভক্তদের। ছবিগুলো প্রকাশের পরপরই নেটিজেনদের প্রশংসা আর ভালোবাসায় ভরে উঠেছে মন্তব্যের ঘর।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে বিনোদন জগতে পথচলা শুরু করেন বিদ্যা সিনহা মিম। পরে হুমায়ুন আহমেদ পরিচালিত ‘আমার আছে জল’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের নজর কাড়েন তিনি।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আরিফিন শুভর বিপরীতে নতুন সিনেমা ‘মালিক’-এর কাজ শুরু করেছেন মিম। এই ছবির মাধ্যমে তৃতীয়বারের মতো বড় পর্দায় জুটি বাঁধছেন শুভ ও মিম। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ঈদুল ফিতরে সিনেমাটি মুক্তি পেতে পারে বলে জানা গেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিনোদন

আরও দেখুন
যাহের আলভী, রিমু রোজা খন্দকার ও ইফফাত আরা তিথি । ছবি : সংগৃহীত
সংসার ভাঙার পেছনে তিথি, আলভীর নারী আসক্তি নিয়ে রিমুর অভিযোগ

অভিনেতা যাহের আলভীর দেওয়া বিস্ফোরক স্ট্যাটাসের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পুরো ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন তারই প্রতিবেশী রিমু রোজা খন্দকার। শনিবার সকাল ১১টা ৭ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আলভীর উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি পোস্ট করেছেন তিনি। সেখানে তিনি আলভী ও অভিযুক্ত অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথির বিরুদ্ধে একাধিক চাঞ্চল্যকর ও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন।   মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসিন্দা রিমু তার দীর্ঘ পোস্টে দাবি করেন যে তিনি আলভী ও ইকরার পারিবারিক অনেক কিছুই খুব কাছ থেকে দেখেছেন। আলভী অসুস্থ থাকার সময় ইকরা কীভাবে তার সেবা করেছেন, সেটি তিনি নিজের চোখে দেখেছেন। আলভীর অতীত টেনে রিমু প্রশ্ন তুলেছেন যে ইকরা যদি অন্য কাউকে বিয়ে করেই থাকেন, তবে আলভী কেন তাকে পুনরায় গ্রহণ করেছিলেন। ইকরার বিরুদ্ধে ওঠা মদ্যপান ও নেশার অভিযোগের জবাবে রিমু আলভীকে উদ্দেশ্য করে জানতে চান তিনি নিজে কখনো এসব করেছেন কি না। উল্টো তিনি আলভীর বিরুদ্ধে জুয়া ও নারীতে আসক্তির ইঙ্গিত দিয়েছেন। এই পোস্টে রিমু দাবি করেছেন যে তিনি নিজে আলভী ও তিথিকে পুবাইল, তিনশ ফিট, মাওয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে দেখেছেন। তার দাবি অনুযায়ী এই বিষয়ে তিথিকে সতর্ক করা হলে তিনি জানিয়েছিলেন যে এসব তার ভালো লাগে। রিমু তার পোস্টে আরও এক বিস্ফোরক তথ্য দিয়ে জানান যে সাহিল রনি নামের এক ক্যামেরাম্যান এই তিথির প্রেমে পড়ে নিজের স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তিথিকে বিয়ে করে তাকেও ডিভোর্স দেন। শুধু তিথি নন, তার পরিবারের বিরুদ্ধেও গুরুতর নৈতিক স্খলনের অভিযোগ এনেছেন রিমু। তিথির বাবার বিরুদ্ধে তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ তোলার পাশাপাশি তার মায়ের অন্য সম্পর্ক থাকার বিষয়টিও পোস্টে উল্লেখ করেছেন তিনি। রিমু জানান গত বছর আলভীর জন্মদিনে ইকরা বাধ্য হয়ে তিথিকে দাওয়াত দিয়েছিলেন, কারণ ইকরার ভয় ছিল তিথিকে দাওয়াত না দিলে তাঁর সংসার ভেঙে যেতে পারে। নিজের স্ট্যাটাসে রিমু আরও উল্লেখ করেন যে আলভী ইকরাকে সময় দিতেন না বলেই হয়তো তার ছেলে বন্ধু থাকতে পারে। ইকরার মৃত্যুর পর আলভী ও তিথির ভাইরাল হওয়া এবং ফলোয়ার বাড়ার বিষয়টি উল্লেখ করে রিমু আক্ষেপ করে বলেন ভাইরাল হওয়া মানেই সব মিথ্যা সত্য হয়ে যায় না। পোস্টের শেষ অংশে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে তিথির পরিবার এখন ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার বা অন্য কারও ক্ষতি করতে পারে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ০৭, ২০২৬ 0
ন্যান্সি গ্রেওয়াল | ছবি : সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

যাহের আলভী ও আফরা ইভনাথ খান ইকরা I ছবি : সংগৃহীত

ইকরার নেশা ও গোপন বাসর ফাঁস; আলভীর বিস্ফোরক অভিযোগ

তানিয়া বৃষ্টি। ছবি: সংগৃহীত

অস্ত্রোপচারের পর ওজন বেড়েছে তানিয়ার, সুস্থ হয়ে অভিনয়ে ফিরবেন

সামিয়া অথৈ ও তানজিন তিশা। ছবি: সংগৃহীত
তিশার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ সামিয়া অথৈর

অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সম্প্রতি মারধরের অভিযোগ করেন তার সহশিল্পী সামিয়া অথৈ। তিনি দাবি করেন, মানিকগঞ্জে ‘পুতুলের বিয়ে’ নামের একটি নাটকের শুটিং চলাকালে তাকে চড় মেরেছেন তিশা। এই অভিনেত্রীর ভাষ্য, তিশা তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আঘাত ও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছেন।   এবার বিষয়টি নিয়ে ছোটপর্দার শিল্পীদের সংগঠন ‘অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ’-এ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ দিলেন অভিনেত্রী সামিয়া অথৈ। জানা যায়, বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় সংগঠনটিতে লিখিত অভিযোগ জমা দেন তিনি। এ প্রসঙ্গে অথৈ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গতকাল শিল্পীদের সংগঠন অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশে আমি লিখিত অভিযোগ গিয়েছে। বিষয়টি এখন তারাই দেখবে। আমার সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছি আমি তার বিচার চেয়েছি।’ বিষয়টি নিয়ে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু গণমাধ্যমকে জানান, এই সপ্তাহে কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর আগে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সামিয়া অথৈ ফেসবুক লাইভে অভিযোগ করেন, ‘পুতুলের বিয়ে’ নামের একটি নাটকের শুটিং চলাকালে তিশা তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আঘাত ও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছেন। পরে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিশা জানান, এটি কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ ছিল না; যা হয়েছে তা সম্পূর্ণ চরিত্রের প্রয়োজনে এবং গল্পের চাহিদা অনুযায়ী। অথৈর এমন অভিযোগকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ এবং ‘অপেশাদার আচরণ’ বলেও দাবি করেন তিনি।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ০৬, ২০২৬ 0
শাকিরা। ছবি: সংগৃহীত

মেক্সিকোর কনসার্টে শাকিরার নতুন রেকর্ড

ইত্যাদির নির্মাতা ও উপস্থাপক হানিফ সংকেত। ছবি : সংগৃহীত

স্বাধীনতা পুরস্কার যাদের প্রতি উৎসর্গ করলেন হানিফ সংকেত

লারা দত্ত । ছবি : সংগৃহীত

দুবাইয়ে আটকা পড়লেন জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী

রাশমিকা মান্দানা । ছবি : সংগৃহীত
বিয়ের সাজে ঝলমল ৩ কেজি স্বর্ণে রাশমিকা

দক্ষিণি সিনেমার আলোচিত জুটি বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা অবশেষে পর্দার প্রেমকে বাস্তবের সম্পর্কে রূপ দিলেন। গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঘনিষ্ঠজন ও তারকাদের উপস্থিতিতে সাতপাকে বাঁধা পড়েন তারা। তবে তাদের বিয়ের জমকালো আয়োজনের চেয়েও বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে আরেকটি বিষয়—বর-কনের শরীরজুড়ে ঝলমলে বিপুল স্বর্ণালঙ্কার। রাজকীয় সাজে সেজে ওঠা এই জুটির সেই সোনালি উপস্থিতি মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ভক্তদের কৌতূহল ও বিস্ময় দুটোই বাড়িয়ে দিয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, এই তারকা দম্পতির বিয়ের গহনাগুলো তৈরি করা হয়েছে হায়দরাবাদের এক বিখ্যাত জুয়েলারি হাউস থেকে। বিয়ের সাজে রাশমিকা মান্দানা বেছে নিয়েছিলেন দক্ষিণ ভারতের ঐতিহ্যবাহী আভিজাত্য। তার পরনে ছিল বিশেষ 'কাসু মালা', যা গলার লকেট থেকে কোমর পর্যন্ত বিস্তৃত। গহনাটিতে খোদাই করা ছিল দেবী লক্ষ্মীর প্রতিকৃতি ও নিপুণ কল্কার নকশা। মাথায় টায়রা-টিকলি, কানে ঝুমকা আর হাতে বাহারি চুড়ির সঙ্গে রাশমিকা পরেছিলেন বিশেষ 'হাতপদ্ম'। জানা গেছে, সব মিলিয়ে কনের অঙ্গে ছিল প্রায় তিন কেজি ওজনের স্বর্ণ । এদিকে পিছিয়ে ছিলেন না বর বিজয় দেবেরাকোন্ডাও। সিল্কের ধুতি আর লাল উত্তরীয়র সঙ্গে তিনি পরেছিলেন প্রায় আধা কেজির বেশি ওজনের স্বর্ণের অলঙ্কার। বিশেষ করে বিজয়ের কবজিতে থাকা 'বাহুবলী' সিনেমার আদলে তৈরি ব্রেসলেটটি ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। দুই তারকার আংটি থেকে শুরু করে প্রতিটি গহনাতেই ছিল মন্দির ও বিগ্রহের কারুকার্য। বর্তমানে বাজারে স্বর্ণের আকাশচুম্বী দামের মধ্যে এ দম্পতির এমন জাঁকজমকপূর্ণ সাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন ‘টক অব দ্য টাউন’।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ০৫, ২০২৬ 0
সুহানা খান ও কিম জুন-মিয়ন। ছবি : সংগৃহীত

কিমের সঙ্গে ডেটে যেতে চান সুহানা

কৃতিকা কামরা ও গৌরব কাপুর। ছবি : সংগৃহীত

বিয়ের আগেই বাড়ি সাজাতে ব্যস্ত কৃতিকা-গৌরব

যশ। ছবি : সংগৃহীত

মুক্তির তারিখ পিছিয়ে গেল ‘টক্সিক’

0 Comments