বিশ্ব

মেয়ে নাকি বোন

কিম জং উনের উত্তরসূরি কে?

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬

উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুকে ঘিরে আবারও দৃশ্যমান হয়েছে এক অদৃশ্য কিন্তু তীব্র পারিবারিক স্নায়ুযুদ্ধ। দেশটির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার ইঙ্গিত মিলছে বিভিন্ন মহল থেকে।

দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা (এনআইএস) জানিয়েছে, কিম জং উনের ১৩ বছর বয়সী কন্যা কিম জু আয়ে উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছেন। বিষয়টি এখন আর নিছক গুঞ্জন নয়, বরং ক্ষমতার কাঠামোর ভেতরে তা গুরুত্বসহকারে বিবেচিত হচ্ছে।


তবে এই সিদ্ধান্ত দেশটির প্রভাবশালী নেত্রী এবং কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং-এর সঙ্গে সম্ভাব্য ক্ষমতার সংঘাতের ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে। 

চলতি মাসের শেষ দিকে অনুষ্ঠিতব্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সম্মেলনে কিম জু আয়েকে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তরসূরি ঘোষণা করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনটি হলে উত্তর কোরিয়ার রক্ষণশীল ও পুরুষতান্ত্রিক নেতৃত্বে তা একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা করবে।

২০২২ সালের নভেম্বরে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময় প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে দেখা যায় কিম জু আয়েকে।

এরপর থেকে তিনি নিয়মিত বাবার সঙ্গে সামরিক মহড়া, শিল্পকারখানা পরিদর্শন এবং বিদেশ সফরে অংশ নিচ্ছেন। শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দারা বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিলেও, সম্প্রতি তাকে চীনের নেতার সঙ্গে বৈঠকে নিয়ে যাওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করার পর তাদের মূল্যায়ন বদলেছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, কিম জং উন পরিকল্পিতভাবেই তার কিশোরী কন্যাকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত করছেন।

তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় প্রতিবন্ধক হয়ে উঠতে পারেন ৩৮ বছর বয়সী কিম ইয়ো জং, যিনি বর্তমানে উত্তর কোরিয়ার দ্বিতীয় সর্বাধিক ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত।


আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার কঠোর ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য ইতিমধ্যেই ব্যাপক আলোচিত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কিম জং উনের আকস্মিক অসুস্থতা বা মৃত্যু ঘটলে রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে অভিজ্ঞ কিম ইয়ো জং-এর ক্ষমতায় বসার সম্ভাবনা কিশোরী কন্যার তুলনায় বেশি। গোয়েন্দা বিশ্লেষকদের অভিমত, কিম ইয়ো জং তার ভাইঝির হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে অনাগ্রহী হতে পারেন এবং নিজের রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ় অবস্থান নেবেন। এতে উত্তর কোরিয়ার অভ্যন্তরে বড় ধরনের ক্ষমতার দ্বন্দ্বের আশঙ্কা জোরদার হচ্ছে।

উত্তর কোরিয়ার পারিবারিক রাজনীতির ইতিহাস অতীতে রক্তাক্ত মোড় নিয়েছে।


ক্ষমতায় বসার পর কিম জং উন তার চাচা জ্যাং সং থেককে মৃত্যুদণ্ড দেন। পাশাপাশি তার সৎ ভাই কিম জং নাম মালয়েশিয়ায় রহস্যজনক হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।
বর্তমানে আনুমানিক ৫০ থেকে ৯০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং বিস্তৃত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে উত্তর কোরিয়া বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচিত। এমন প্রেক্ষাপটে দেশটির পরবর্তী নেতৃত্ব কার হাতে যাবে এবং পারিবারিক এই দ্বন্দ্ব কতদূর গড়াবে—তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
দেশীয় প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় সফল ভারত

দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি দীর্ঘ-পাল্লার স্থল হামলায় সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) ১৫ জুন (সোমবার) ওডিশা উপকূলের ড. এপিজে আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে দীর্ঘ-পাল্লার স্থল হামলা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উড্ডয়ন পরীক্ষা সম্পন্ন করে।   এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের দেশীয় সংস্করণ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানে এবং পূর্ববর্তী প্রকল্পগুলোর বেশ কিছু প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে।   ডিআরডিওর তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রটির সব উপ-ব্যবস্থা দেশীয়ভাবে তৈরি করা হয়েছে। পরীক্ষার সময় ভারতীয় নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।   বিশ্লেষকদের মতে, এটি আগে উন্নয়নাধীন থাকা নির্ভয় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির নতুন সংস্করণ। নতুন সংস্করণে পাল্ল ও লক্ষ্যভেদ সক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন আনা হয়েছে।   ডিআরডিও জানিয়েছে, পরীক্ষার সব লক্ষ্য পূরণ হয়েছে এবং বিভিন্ন ট্র্যাকিং ব্যবস্থার তথ্য ক্ষেপণাস্ত্রটির সফল কার্যকারিতা নিশ্চিত করেছে।   প্রতিরক্ষাবিদদের মতে, নিম্ন উচ্চতায় উড্ডয়ন করতে সক্ষম সাবসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো শত্রুপক্ষের রাডার এড়িয়ে দীর্ঘ দূরত্বে নির্ভুল হামলা চালাতে পারে। এ কারণে আধুনিক যুদ্ধে এ ধরনের অস্ত্রের গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে।   ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সফল এই পরীক্ষার জন্য ডিআরডিও ও সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।   সামরিক সূত্রগুলোর ধারণা, আগামী দুই বছরে আরও কয়েকটি উন্নয়নমূলক ও ব্যবহারকারী পর্যায়ের পরীক্ষা শেষে ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।   সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৮, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

২৫০ বছর টিকে থাকা নিয়ে সংশয়ে ৩৮% মার্কিনি

বুর্গেনস্টক রিসোর্টে। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি স্বাক্ষরের ভেন্যু নিয়ে পাকিস্তানের নতুন প্রস্তাব

ছবি : সংগৃহীত

যাত্রীদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে চাকরি গেল বিমানবালার

ছবি: সংগৃহীত
ইরান চুক্তির নথি দেখে ‘গেম চেঞ্জার’ বললেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে হওয়া প্রাথমিক সমঝোতা চুক্তিকে ‘গেম চেঞ্জার’ বা পরিস্থিতি বদলে দেওয়া উদ্যোগ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।     বুধবার (১৭ জুন) ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চুক্তির একটি নথি আমি দেখেছি এবং এটি আমার প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে।     কার্নি বলেন, চুক্তিটি নিয়ে আমরা খুবই সন্তুষ্ট। এটি ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সেই ভিত্তি তৈরি করেছে।     যদিও চুক্তির পূর্ণাঙ্গ শর্ত এখনো প্রকাশ করা হয়নি, তবে কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ৬০ দিনের আলোচনার পথ তৈরি হয়েছে।     প্রধানমন্ত্রী জানান, সমঝোতার আওতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়ও রয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।     তিনি বলেন, বিশ্বের অর্থনীতিকে একটি মাত্র কৌশলগত পথের ওপর নির্ভরশীল রাখা উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে তেল, গ্যাস ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের সরবরাহে কানাডা সহায়তা করতে পারে।     কার্নি আরও জানান, ভবিষ্যতে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল ও আটকে থাকা সম্পদ মুক্ত করার আর্থিক প্রক্রিয়াতেও কানাডা ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।     তবে তিনি চুক্তিতে ইসরায়েল বা হিজবুল্লাহর অংশগ্রহণ না থাকা নিয়ে ওঠা সমালোচনার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।   সূত্র : সিবিসি নিউজ

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১৭, ২০২৬

এআই রোবট তাঁদের কাজ কেড়ে নেবে, তবু তাদেরই প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন ভারতের শ্রমিকেরা

মিয়ানমারে নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান, মজুত ১০৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট

ছবি: সংগৃহীত

ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরাইল, প্রত্যাখ্যান করল যুক্তরাষ্ট্র

লন্ডনে সাইকেল ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ

লন্ডনে গত কয়েক বছরে সাইকেল ব্যবহারের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে শহরটিতে সাইকেল ব্যবহার বেড়েছে প্রায় ৪৩ শতাংশ। তবে এত উদ্যোগের পরও ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার প্রায় আগের অবস্থাতেই রয়ে গেছে।   সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে লন্ডনে গাড়িতে ভ্রমণের হার প্রায় ২০১৮ সালের সমান রয়েছে। অর্থাৎ, সাইকেল ও গণপরিবহনের ব্যবহার বাড়লেও ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর মানুষের নির্ভরতা তেমন কমেনি।   পরিবেশবান্ধব নগর গড়তে লন্ডন দীর্ঘদিন ধরে নানা উদ্যোগ নিয়েছে। শহরটিতে যানজট নিরসনে বিশেষ ফি আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি অনেক এলাকায় ‘কম যানবাহন অঞ্চল’ গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে ব্যক্তিগত গাড়ির চলাচল সীমিত করা হয়েছে। হাঁটা, সাইকেল চালানো ও গণপরিবহন ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহিত করতেও নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ।   বর্তমানে লন্ডনে মোট যাতায়াতের প্রায় এক-চতুর্থাংশই মানুষ হেঁটে সম্পন্ন করে। শহরের রাস্তায় সাইকেল আরোহীদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। এছাড়া হাজার হাজার বাস, যেগুলো বেশিরভাগই বৈদ্যুতিক এবং বিস্তৃত রেল নেটওয়ার্ক শহরের পরিবহন ব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ করেছে।   তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমাতে লন্ডনের উদ্যোগ এখনো যথেষ্ট নয়। তাদের মতে, সাইকেল ব্যবহারের হার বাড়লেও এটি এখনো মোট যাতায়াতের মাত্র প্রায় ৫ শতাংশ। অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসে প্রায় ২৭ শতাংশ যাতায়াত সাইকেলের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।   সূত্র : পেল্টিজেন

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১৭, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ড্রোন প্রযুক্তির উন্নতিতেই বাড়ছে ঝুঁকি, নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত জাপানের

ছবি : সংগৃহীত

পরীক্ষায় অনিয়ম ও বেকারত্ব ইস্যুতে কোটায় মাঠে নামছেন রাহুল, সরব বিজেপি

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বে মাছ উৎপাদন রেকর্ড উচ্চতায়, তবে জলবায়ু ঝুঁকি বাড়ছে

0 Comments