অন্যান্য

খুনিকে জীবিত গ্রেপ্তার চাই, ‘বন্দুকযুদ্ধের নাটক’ নয় : ইনকিলাব মঞ্চ

মো: দেলোয়ার হোসাইন ডিসেম্বর ২২, ২০২৫

শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চ বলেছে, খুনিকে দ্রুত জীবিত গ্রেফতার চাই, বন্দুকযুদ্ধের কোনো নাটক দেখতে চাই না।

 

রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ইনকিলাব মঞ্চের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি জানানো হয়।

এর আগে, ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত খুনিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করার ঘোষণা দেয় সাংস্কৃতিক সংগঠনটি।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় শহীদ হাদি চত্বর (শাহবাগ) থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত এ বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

এদিকে ওসমান হাদির হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান রাহুলের দেশত্যাগে আজ নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন আদালত।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) জানায়, ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাবে ১২৭ কোটি টাকার বেশি অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

অন্যান্য

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
৭০ বছরের যাত্রা শেষে বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গরূপে কেমব্রিজ

বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের রূপান্তর ও তরুণ প্রজন্মের বৈশ্বিক দক্ষতা উন্নয়নে বড় ধরনের বিনিয়োগ ও অংশীদারত্বের ঘোষণা দিয়েছে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট। ১৯৫১ সাল থেকে দীর্ঘ সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকার পর, এবার ঢাকায় আনুষ্ঠানিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশে তাদের পূর্ণাঙ্গ ও সরাসরি উপস্থিতি নিশ্চিত করল আন্তর্জাতিক এই প্রতিষ্ঠানটি। গতকাল ১৬ জুন রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে জমকালো এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক যাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।   উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেমব্রিজের ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন বিভাগের গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর রড স্মিথ, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অরুণ রাজামানি এবং বাংলাদেশের কান্ট্রি লিড সারোওয়াত রেজা। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তারাও এই বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী হতে অনুষ্ঠানে যোগ দেন।   নতুন এই প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ফলে কেমব্রিজ এখন থেকে বাংলাদেশের স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিল্প খাতের সঙ্গে সরাসরি ও আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার সুযোগ পাবে। এর মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের জন্য স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিশ্বমানের সহায়তা, আধুনিক পাঠ্যক্রম এবং মূল্যায়ন পদ্ধতি নিশ্চিত করা।   অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে দক্ষতাভিত্তিক ও ভবিষ্যৎমুখী শিক্ষাব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে আধুনিক পাঠ্যক্রম, দক্ষ শিক্ষক ও প্রযুক্তির সমন্বয় অপরিহার্য। এই রূপান্তরের সময়ে কেমব্রিজের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সরাসরি বিনিয়োগ ও সম্পৃক্ততা বাংলাদেশের শিক্ষা সংস্কারকে আরও গতিশীল করবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বমানের সুযোগ তৈরি করবে।   বর্তমানে বাংলাদেশের ১২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কেমব্রিজের শিক্ষাকাঠামোর সুফল পাচ্ছে। বিশ্বের ৭৫টিরও বেশি দেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করার বিশাল বৈশ্বিক অভিজ্ঞতাকে এবার বাংলাদেশের স্থানীয় চাহিদার আলোকে কাজে লাগিয়ে দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নতুন কিসওয়ায় সজ্জিত হলো পবিত্র কাবা শরিফ

ছবি: সংগৃহীত

১৫ বার পেছাল হাদি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের সময়, নতুন তারিখ ২৮ জুন

আ. লীগ নেতা আসাদুজ্জামান লিটন মুন্সি (ডানে) ও তার মুক্তির দাবিতে মিছিল (বামে)। ছবি : সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

ছবি: সংগৃহীত
বাবা ‘যুদ্ধে শহীদ’ বলা জামায়াত এমপির জন্মসাল ১৯৮১

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের’ সন্তান বলে সংসদে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিমের বক্তব্যের পর তা নিয়ে বিতর্কের মধ্যে জানা গেল তার জন্ম ১৯৮১ সালে।   নীলফামারী ৪ আসনের এ সংসদ সদস্য রোববার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন চলাকালে সম্পূরক বাজেটের আলোচনাকালে ‍মুক্তিযুদ্ধে তাদের পরিবারের অবদান ছিল দাবি করে বলেন, তার বাবা একজন ‘যুদ্ধে শহীদ’।   ৪৫ বছর বয়সি এই সংসদ সদস্যের নিজের বাবাকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ‘শহীদ’ দাবি করা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাস্যরসও ছড়িয়েছে।   তিনি বলেন, আমার বাবা, আমার দাদা যুদ্ধে শহীদ। আমার আব্বারা সাত ভাই- চারজন মুক্তিযোদ্ধা; আমার দাদারা ১৯ জনের ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা।   “আমার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠকদের একজন কিন্তু আমি আজকে মুক্তিযুদ্ধের কথা বললেই কেউ অনেক কিছু বলে ফেলে।   তার বক্তব্য সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। তখন প্রশ্ন ওঠে ১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া এ সংসদ সদস্যের বাবা ‘যুদ্ধশহীদ’ হন কীভাবে।   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আব্দুল মুনতাকিমের দেওয়া হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তার জন্ম ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি। সে হিসাবে তার বয়স ৪৫ বছরের কিছু বেশি। তার বাবার নাম মো. আব্দুল কাদের সৈয়দী।   এ নিয়ে বিতর্ক ওঠার পর মঙ্গলবার রাতে এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুনতাকিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমার বাবা এখনও আছেন। আমার দাদা যুদ্ধ শহীদ। তিনি আমার বাবার চাচা।   আমি বোঝাতে চেয়েছি আমার বাবা-দাদাদের মধ্যে যুদ্ধে শহীদ আছেন। আমি আক্ষরিকভাবে আমার বাবা যুদ্ধে শহীদ তা বোঝাইনি। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কোনো ধরনের মিথ্যাচার কাম্য নয়। তারওপরে একজন আইন প্রণেতার জাতীয় সংসদে এ ধরনের বিকৃত তথ্য উপস্থাপন কোনভাবেই কাম্য নয়। এরমাধ্যমে তারা আবার প্রমাণ করলেন, তারা কী রাজনীতি করেন।   লেখক আখতারুজ্জামান আজাদ মঙ্গলবার তার ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন, “আব্দুল মুনতাকিমের দাবি অনুযায়ী তার দাদাও ‘যুদ্ধে শহীদ’, বাবাও ‘যুদ্ধে শহীদ’। মুনতাকিমের দাদা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হতেই পারেন, এটি অসম্ভব নয়। এমনও হতে পারে–আলোচ্য দাদা মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে নিহত হয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে নিহত হওয়া দাদাদের নাতিরাও নিজ-নিজ দাদাকে ‘যুদ্ধে শহীদ’ দাবি করতেই পারেন। যেসব দাদা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষে কাজ করে মুক্তিযুদ্ধের হাতে ধরা পড়ে নিহত হয়েছেন, নিজ-নিজ দাদাকে ‘যুদ্ধে শহীদ’ দাবি করা থেকে তাদের নাতিদেরকে নিবৃত্ত করার আইনি সুযোগ নেই।   চট্টগ্রামের সূর্য কুমার সেন উপমহাদেশের জনসাধারণের কাছে মাস্টারদা এবং শহীদ, কিন্তু ইংরেজদের কাছে সন্ত্রাসী। পাকিস্তান থেকে বিমান ছিনিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে এসে যুদ্ধ করতে চাওয়া মতিউর রহমান বাংলাদেশের কাছে বীরশ্রেষ্ঠ, কিন্তু পাকিস্তান ও জামায়াতে ইসলামীর কাছে গাদ্দার; বিমান ছিনতাইয়ে মতিউর রহমানকে বাধা দিয়ে নিহত হওয়া রশিদ মিনহাজ বাংলাদেশের কাছে পাকসেনা, কিন্তু পাকিস্তান ও জামায়াতে ইসলামির কাছে বীর শহীদ। ফলে, মুন্তাকিমের দাদা যদি একাত্তরে নিহত হয়ে থাকেন, তা হলে তিনি যাদের হাতেই নিহত হন না কেন; কোনো-না-কোনো মাপকাঠিতে তিনি নিশ্চয়ই ‘শহীদ’।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৭, ২০২৬
ছবি - সংগৃহীত

সংবিধান সংস্কারে বিশেষ কমিটি চায় বিরোধী দল

ছবি - সংগৃহীত

রাজধানীর জলাবদ্ধতা কমাতে ৩ পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত

জুলাই সনদ ইস্যুতে সংসদে সমাধান না হলে আন্দোলন রাজপথে: ডা. শফিকুর

ছবি: সংগৃহীত
তারেক রহমান মুজিববাদের পথ ধরে মোদির কাছে নজরানা দিচ্ছেন: পাটওয়ারী

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবৈধ পুশইন ও হত্যাকাণ্ড বন্ধের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি ও সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। সোমবার (১৫ জুন) ১১ দলীয় ঐক্যের ডাকা এই কর্মসূচিতে তিনি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির দাবি জানান।   সমাবেশে বক্তব্যে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় দেশের ওপর ‘মুজিববাদী বয়ান’ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের আন্দোলনের রক্তের মধ্য দিয়ে সেই ধারা থেকে বেরিয়ে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি, ইসলাম ও সার্বভৌমত্বের স্বপ্ন দেখা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। যার বাপ বলেছিলেন ‘উই রিভল্ট’, তারই সন্তান তারেক রহমান মুজিববাদের পথ ধরে মোদির কাছে আবার নজরানা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমালোচনা করে বলেন, ‘আপনি যদি মুজিববাদের পথে যেতে চান, মনে রাখবেন আওয়ামী লীগের চেয়ে বড় মুজিববাদী হতে পারবেন না।’ তিনি দাবি করেন, জনগণ এ ধরনের রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে। সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা যদি সীমান্তে পুশইন, সীমান্ত হত্যা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে না পারেন, তাহলে আপনারা নাকে খত দিয়ে পদত্যাগ করুন। আর যদি সম্মানের সঙ্গে পদত্যাগ না করেন, তাহলে এ দেশের জনগণ টেনে-হিঁচড়ে পদত্যাগ করাতে বাধ্য হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের সভাপতি হয়েছেন, কিন্তু তিনি আমাদের সীমান্তের হত্যাকাণ্ড, পুশইন দেখেন না। আপনার চোখে শুধু ভিন্ন দেশের করায়ত্তের মধ্য থেকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব জলাঞ্জলি দেওয়া যায় সেই পথে আপনি তারেক রহমানের পথ ধরে হাঁটছেন। প্রিয় খলিল ভাই, এই খলিল ভাই আপনি ছিলেন না। যদি আপনিও মুজিববাদের পথ ধরে হাঁটার চেষ্টা করেন, তাহলে আপনাকেও শায়েস্তা করার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। তখন আপনি কোন খলিল ভাই, আমরা তা চিনব না।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আজ রাতে নতুন গিলাফে সাজবে পবিত্র কাবা

ছবি: সংগৃহীত

হলফনামায় মিথ্যা তথ্যের অভিযোগ, এমপি পদ নিয়ে চাপে হান্নান মাসউদ

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের পরিবর্তে ক্ষুধার্তদের চাহিদা পূরণের আহ্বান শায়খ আহমাদুল্লার

0 Comments