খেলাধুলা

কাঁধের ইনজুরির কারনে অবসরের ঘোষনা দিলেন কাসপার শিমিচেল

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কাঁধের গুরুতর ইনজুরির কারনে ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষনা দিয়েছেন লিস্টার সিটির সাবেক গোলরক্ষক কাসপার শিমিচেল। 

 

৩৯ বছর বয়সী এই ড্যানিশ সাবেক তারকা গোলরক্ষক পিটার শিমিচেলের ছেলে। ফেব্রুয়ারিতে স্টুটগার্টের বিরুদ্ধে ইউরোপা লিগের ম্যাচে সেল্টিকের হয়ে খেলতে গিয়ে তিনি ইনজুরিতে পড়েন। পরের মাসে তার কাঁধে অস্ত্রোপচার করা হলেও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। 

 

ড্যানিশ টেলিভিশন চ্যানেল টিভি২’তে শিমিচেল বলেন, ‘জুনে সেল্টিকের সাথে আমার চুক্তি শেষ হয়ে যাচ্ছে। 

 

তখনই আমি পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ার শেষ করতে যাচ্ছি। বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ সার্জনের সাথে পরামর্শ করেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তারা আমাকে জানিয়েছেন আমার আর ফুটবলে ফেরা সম্ভব নয়। এভাবে আমি ক্যারিয়ার শেষ করতে চাইনি। কিন্তু দিনের শেষে বলতেই হয়, সবকিছুরই শেষ আছে।’

 

বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে শিমিচেল ডেনমার্কের হয়ে ১২০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। ড্যানিশ খেলোয়াড় হিসেবে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার তালিকায় তিনি চতুর্থ স্থানে রয়েছেন। বাবা ছেলের তুলনায় ৯টি ম্যাচ বেশী খেলেছে। 

 

ম্যানচেস্টার সিটির একাডেমি থেকে উঠে আসা শিমিচেল ক্যারিয়ারের বেশীরভাগ সময়ই কাটিয়েছেন লিস্টারে। 

 

২০১৬ সালে লিস্টারের প্রিমিয়ার লিগ জয়ী দলে তিনি ছিলেন অবিচ্ছেদ্য অংশ। পাঁচ বছর পর লিস্টারকে এফএ কাপের শিরোপা উপহার দিয়েছিলেন। ফ্রেঞ্চ ক্লাব নিসে সংক্ষিপ্ত সময় কাটিয়ে তিনি স্কটল্যান্ডে পাড়ি জমান। সেল্টিকের হয়ে পরপর দুই মৌসুম লিগ শিরোপা জয় করেছেন।

 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
চোট সেরে উঠে নেদারল্যান্ডসের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ডিপাই

নেদারল্যান্ডসের কোচ রোনাল্ড কোমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য তাঁর ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন।   দলের মূল আকর্ষণ ও নেদারল্যান্ডসের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেমফিস ডিপাই উরুর আঘাত কাটিয়ে দলে ফিরেছেন। প্রায় দুই মাস মাঠের বাইরে থাকার পর গত ২৪ মে আতলেতিকো মিনেইরোর বিপক্ষে করিন্থিয়ান্সের ১-০ গোলের জয়ের ম্যাচে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে তিনি মাঠে নামেন। উত্তর আমেরিকার টিকিট পাওয়া 'অরেঞ্জ' শিবিরে তাঁর অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিতভাবেই বড় স্বস্তি।   ৩২ বছর বয়সী ডিপাইয়ের সঙ্গে আক্রমণভাগে থাকছেন কোডি গাকপো এবং ডনিয়েল মালেনের মতো তারকারা। উল্লেখ্য, গত জানুয়ারিতে অ্যাস্টন ভিলা থেকে ইতালিয়ান ক্লাব রোমাতে যোগ দেওয়ার পর সিরি-এ লিগে ১৮ ম্যাচে ১৪টি গোল করে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন মালেন।   বিশ্বকাপে ডাচ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেন দীর্ঘদেহী সেন্ট্রাল-ব্যাক ভার্জিল ভ্যান ডাইক। অন্যদিকে বার্সেলোনা মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংও দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তবে কোমানের এই স্কোয়াডে সবচেয়ে বড় চমক হলো ভ্যান ডাইকের লিভারপুল সতীর্থ জেরেমি ফ্রিম্পংয়ের বাদ পড়া।   তিনবারের ফাইনালিস্ট নেদারল্যান্ডস ১৪ জুন ডালাস স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচ খেলবে জাপানের সঙ্গে। ২০ জুন হিউস্টন স্টেডিয়ামে তাদের প্রতিপক্ষ সুইডেন। তিউনিসিয়ার সঙ্গে কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে শেষ ম্যাচ খেলবে ২৫ জুন।   নেদারল্যান্ডস স্কোয়াড গোলরক্ষক:  মার্ক ফ্লেকেন, রবিন রুফস ও বার্ট ভারব্রুগেন ডিফেন্ডার:  নাথান আকে, ডেঞ্জেল ডামফ্রিস, জোরেল হাটো, জুরিয়েন টিম্বার, জান পল ভ্যান হেকে, মিকি ভ্যান ডি ভেন এবং অধিনায়ক ভার্জিল ভ্যান ডাইক মিডফিল্ডার:  ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, মার্টেন ডি রুন, রায়ান গ্রাভেনবার্চ, তেউন কুপমেইনার্স, তিজানি রেইন্ডার্স, গুস তিল, কুইন্টেন টিম্বার ও ম্যাটস উইফার ফরোয়ার্ড:  ব্রায়ান ব্রোবি, মেমফিস ডিপাই, কোডি গাকপো, জাস্টিন ক্লুইভার্ট, নোয়া ল্যাং, ডনিয়েল মালেন, ক্রিসেনসিও সামারভিল ও ওয়াউট ওয়েঘর্স্ট

আবরার আল মামুন সাহাফ মে ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কাঁধের ইনজুরির কারনে অবসরের ঘোষনা দিলেন কাসপার শিমিচেল

ছবি: সংগৃহীত

মরক্কোর বিশ্বকাপ দলে বড় নাম হাকিমি-দিয়াজ

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের লক্ষ্য কানাডার

ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপে অভিজ্ঞ দল ঘোষনা করেছে পানামা

আসন্ন বিশ্বকাপের জন্য অভিজ্ঞ দল ঘোষনা করেছে পানামা। কোচ থমাস ক্রিস্টিয়ানসেনের দলে জায়গা পেয়েছেন অধিনায়ক আনিবাল গোডোয় ও মিডফিল্ডার আডালবার্তো কারাসকুইলা।  আট বছর আগে রাশিয়ায় অভিষেকের পর এনিয়ে দ্বিতীয়বারের মত বিশ্বকাপে খেলতে এসেছে পানামা। বাছাইপর্বে এল সালভাদোরকে হারিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট পায় দলটি।    কনকাকাফ বাছাইপর্বে পুরোটা সময় জুড়েই ক্রিস্টিয়ানসেন দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার গোডোয় এবারের বিশ্বকাপে পানামাকে নেতৃত্ব দিবেন বলেই ধারনা করা হচ্ছে। সাথে থাকবেন পুমাস ইউএনএএম মিডফিল্ডার কারাসকুইলা। ইনজুরি সত্তেও তিনি দলে ডাক পেয়েছেন।    ইনজুরির কারনে ২০১৮ বিশ্বকাপে খেলতে না পারা অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড আলবার্তো কুইনটেরোও এবারের দলে সুযোগ পেয়েছেন। ক্রিস্টিয়ানসেনের চূড়ান্ত তালিকায় বাদ পড়েছেন বোটাফোগোর মিডফিল্ডার কাদির বারিয়া।    পানামা খালের প্রশাসনিক ভবনে দল ঘোষণার অনুষ্ঠানে ক্রিস্টিয়ানসেন বলেন, “আমরা ইতিহাস গড়তে চাই, আমরা সুন্দর কিছু করতে চাই এবং আগের চেয়ে আরও ভালো করতে চাই। এই বিশ্বকাপের জন্য নির্বাচিত ২৬ জন খেলোয়াড়কে আমাদের সমর্থন করতে হবে। জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করা গর্বের বিষয়।”   কানাডার ওন্টারিওতে বিশ্বকাপ বেস ক্যাম্পে যাবার আগে পানামা প্রস্তুতি ম্যাচে ব্রাজিল ও বসনিয়ার-হার্জেগোভিনার মুখোমুখি হবে।    আগামী ১৭ জুন গ্রুপ-এল’এ ঘানার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে পানামা তাদের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে। গ্রুপের পরের দুই ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া। ২০১৮ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে একটি পয়েন্টও অর্জণ না করেই বিদায় নিতে হয়েছিল পানামাকে। এবার সেই ব্যর্থতা থেকে বেরিয়ে আসতে চায় তারা।   স্কোয়াড :   গোলরক্ষক : ওরলান্ডো মসকুয়েরা, লুইস মেজিয়া, সেজার সামুডিও   ডিফেন্ডার : সিজার ব্ল্যাকম্যান, জর্জ গুটিরেজ, আমির মুরিলো, ফিডেল এস্কোবার, আন্দ্রেস আনড্রাডে, এডগার্ডো ফারিনা, হোসে করডোবা, এরিক ডেভিস, জিওভানি রামোস, রডেরিক মিলার   মিডফিল্ডার : আনিবাল গোডোয়, আডালবার্তো কারাসকুইলা, কার্লোস হার্ভে, ক্রিস্টিয়ান মার্টিনেজ, হোসে লুইস রদ্রিগেজ, সিজার ইয়ানিস, ইউয়েল বারসেনাস, আলবার্তো কুইনটেরো, আজারিয়াস লন্ডোনো   ফরোয়ার্ড : ইসমাইল দিয়াজ, সেসিলিও ওয়াটারম্যান, হোসে ফায়ারডো, টমাস রড্রিগুয়েজ।  

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৭, ২০২৬
ফাইল ছবি

ভারতের বিপক্ষে আফগানদের টেস্ট-ওয়ানডে স্কোয়াড ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

২১ বছর বয়সেই নাইজেরিয়ান ফুটবলার ভিক্টর উদোহর রহস্যজনক মৃত্যু

ছবি : সংগৃহীত

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে বাংলাদেশের হয়ে দল পেলেন যারা

ছবি : সংগৃহীত
টানা দ্বিতীয়বার আইপিএলের ফাইনাল খেলবে বেঙ্গালুরু

রজত পাতিদারের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ভর করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে বেঙ্গালুরু। মঙ্গলবার (২৬ মে) রাতে গুজরাট টাইটান্সকে ৯২ রানে বড় ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপার আরও কাছে পৌঁছে গেছে দলটি। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৫৪ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় বেঙ্গালুরু। দলের নেতৃত্ব দেওয়া পাতিদার শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন এবং মাত্র ৩৩ বলে অপরাজিত ৯৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল ৯টি ছক্কা ও ৫টি চার। গুজরাটের একাদশ নির্বাচনের একটি সিদ্ধান্ত বেঙ্গালুরুর জন্য সুবিধাজনক হয়ে দাঁড়ায়। সম্প্রতি ভারত ‘এ’ দলে সুযোগ পাওয়া আরশাদ খানের পরিবর্তে একাদশে থাকা কুলওয়ান্ত খেজরোলিয়ার একটি ওভার থেকে ২৮ রান তুলে নেন পাতিদার। দলের হয়ে বিরাট কোহলি এবং ক্রুনাল পান্ডে সমান ৪৩ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। অন্যদিকে গুজরাটের হয়ে জেসন হোল্ডার দুটি উইকেট শিকার করেন। ২৫৫ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বিপাকে পড়ে গুজরাট। পাওয়ারপ্লের মধ্যেই সাই সুদর্শন, শুবমান গিল এবং জস বাটলারসহ শীর্ষ ব্যাটাররা ফিরে যান। শেষ পর্যন্ত ১৯.৩ ওভারে ১৬২ রানেই অলআউট হয় দলটি।

মারিয়া রহমান মে ২৭, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

বড় স্বপ্ন নিয়ে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা মরক্কোর

ছবি : সংগৃহীত

আফঈদার চাপ কমাতেই অধিনায়ক মারিয়া

সংগৃহীত ছবি

২০ ট্রফির মহাকাব্য লিখে সিটির অধ্যায় শেষ করলেন গার্দিওলা

0 Comments