বিনোদন

কাজের অভিজ্ঞতা জানালেন দিব্যা

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
দিব্যা দত্ত I ছবি: সংগৃহীত
দিব্যা দত্ত I ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় চলচ্চিত্রে দীর্ঘ ও সফল ক্যারিয়ারের অধিকারী অভিনেত্রী দিব্যা দত্ত। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক প্রশংসিত প্রজেক্টের মাধ্যমে আবারও আলোচনায় তিনি। সম্প্রতি পিঙ্কভিলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ারের নানা স্মৃতির পাশাপাশি আগের দিনের রোমান্টিক দৃশ্যের শুটিং অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী। সে সময় এখনকার মতো ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর না থাকায় এমন দৃশ্যের শুটিং কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল, সে কথাও খোলামেলা জানান তিনি।

২০১০ সালের ছবি ‘হিস’-এর শুটিং সেটের কথা স্মরণ করে দিব্যা দত্ত জানান, প্রয়াত অভিনেতা ইরফান খানের সঙ্গে একটি আবেগঘন রোমান্টিক দৃশ্য করতে গিয়ে তিনি বেশ নার্ভাস হয়ে পড়েছিলেন। ছবিতে তারা ছিলেন এক নিঃসন্তান দম্পতির চরিত্রে, যেখানে চোখের জল আর আবেগের মধ্যে ভালোবাসার দৃশ্য ফুটিয়ে তুলতে হয়েছিল।

দিব্যা দত্ত বলেন, ‘দৃশ্যটি ছিল অত্যন্ত সুন্দর হলেও সেটে উপস্থিত সবার মধ্যে এক ধরনের টানটান উত্তেজনা কাজ করছিল। কারণ, শটটি নিখুঁতভাবে ধারণ করা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। সেটের অর্ধেক টিম ছিল বিদেশি এবং বাকিরা ছিলেন স্থানীয়। সবাই চাইছিলেন দৃশ্যটি যেন ঠিকভাবে ফুটে ওঠে। সে সময় ইনটিমেসি ডিরেক্টর বা কো-অর্ডিনেটর না থাকায় শিল্পীদের নিজেদের মধ্যেই মানসিক প্রস্তুতি ও পারস্পরিক স্বাচ্ছন্দ্য গড়ে নিতে হতো।’

শুটিংয়ের আগে নিজের উৎকণ্ঠার কথা তুলে ধরে অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘তিনি তখন পরিচালককে জিজ্ঞেস করেছিলেন ইরফান কোথায় আছেন। উত্তরে পরিচালক জানান, ইরফান ছাদে বসে আছেন এবং তিনিও তার থেকেও বেশি নার্ভাস। এই স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে দিব্যা দত্ত হেসে বলেন, এমন আবেগঘন ও অন্তরঙ্গ দৃশ্যে সঠিক আবেগ তুলে ধরা, সহশিল্পীর স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা—সবকিছুই সমান গুরুত্বপূর্ণ। আর এ জায়গায় অফ-স্ক্রিন বন্ধুত্ব বড় ভূমিকা রাখে।

দিব্যা দত্তের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরফানের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বোঝাপড়াই দৃশ্যটি স্বাভাবিক ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে সাহায্য করেছিল। তিনি মনে করেন, সেই সময়কার অভিনেতারা অনেক ক্ষেত্রে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর ভর করেই এমন সংবেদনশীল দৃশ্যগুলো সম্পন্ন করতেন।

‘হিস’ ছবিতে একসঙ্গে কাজের পরও তাদের সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। ২০১৮ সালের ছবি ‘ব্ল্যাকমেইল’-এ তারা আবারও জুটি বেঁধে অভিনয় করেন, যেখানে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে দেখা যায় এই দুই অভিনেতাকে। এ কাজের মধ্য দিয়েও পর্দার বাইরের তাদের বন্ধন ও পেশাদার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।

দিব্যা দত্তের এই স্মৃতিচারণ শুধু একটি দৃশ্যের গল্প নয়; বরং এটি তুলে ধরে বলিউডের একসময়ের কাজের সংস্কৃতি, যেখানে সংবেদনশীল দৃশ্যে শিল্পীদের নিজেদের মধ্যকার বিশ্বাস, বন্ধুত্ব ও পেশাদারিত্বই ছিল প্রধান ভরসা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিনোদন

আরও দেখুন
ফাইল দিতে ব্যর্থ অনন্য মামুন, শাকিবের হলে ভাঙচুর । ছবি : সংগৃহীত
ফাইল দিতে ব্যর্থ অনন্য মামুন, শাকিবের হলে ভাঙচুর

২১ মার্চ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের সিনেমা হলগুলোতে মুক্তি পেয়েছে পাঁচটি ছবি। এগুলো হলো ‘প্রিন্স-ওয়ানস আপন আ টাইমস ইন ঢাকা’, ‘দম’, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’, ‘রাক্ষস’ ও ‘প্রেশার কুকার’। এর মধ্যে সর্বাধিক ১৩৩ হলে চলার কথা থাকলেও সার্ভার জটিলতায় দুপুর পর্যন্ত ৫০টির বেশি হলে শাকিব খান অভিনীত ‘প্রিন্স’ সিনেমাটির কোনো শো চলেনি। কাঙ্ক্ষিত সিনেমা দেখতে না পেরে বিক্ষুব্ধ দর্শকরা বেশ কয়েকটি সিনেমা হলে ভাঙচুর চালিয়েছেন।   আবু হায়াত মাহমুদ পরিচালিত এই সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন তাসনিয়া ফারিণ ও কলকাতার জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু। সিনেমা হল মালিকদের মধ্যকার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট ও ভয়েস রেকর্ড থেকে জানা যায় সার্ভার সমস্যার কারণে তারা সিনেমাটি চালাতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে অনেক হল মালিক সকালের শোয়ের টিকিটের টাকা দর্শকদের ফেরত দিয়েছেন।   নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক হল মালিক জানান অধিকাংশ সিনেমা হলে এক যুগের বেশি সময় ধরে জাজ মাল্টিমিডিয়ার সার্ভার ব্যবহার করা হচ্ছে। সম্প্রতি দেওয়া নতুন সার্ভারে সিনেমা চালাতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন তাঁরা। অধিকাংশ হলে সিনেমা চলছে না এবং যেখানে চলছে সেখানে শব্দ আসছে না। অনেকে ফাইল পেলেও পাসওয়ার্ড পাননি আবার অনেক হলের সার্ভারে দুপুর পর্যন্ত সিনেমাটি আপলোডই হয়নি। টেকের হাট সোনালী সিনেমা হলের মালিক রাহুল খান জানান কয়েক লাখ টাকা দিয়ে সিনেমাটি নিলেও সার্ভারে তা লোড হয়নি। বাধ্য হয়ে দুপুরের শোয়ের ১৫ হাজার টাকার টিকিট ফেরত দিয়েছেন তিনি। এর আগে সকালের শো চালাতে না পারায় বিক্ষুব্ধ দর্শকরা তার হলের চেয়ার ভাঙচুর করেছেন।   শুধু সাধারণ সিনেমা হল নয় দেশের সবচেয়ে বড় মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্সও এই সিনেমার কোনো ডিজিটাল সিনেমা প্রজেকশন বা ডিসিপি ফাইল পায়নি। স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া ও মার্কেটিং বিভাগের এজিএম মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ জানান ঈদের পাঁচটি সিনেমাই তারা চালাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দুপুর পর্যন্ত অন্য চারটির ফাইল পেলেও প্রিন্সের কোনো ফাইল তারা পাননি। তিনি আক্ষেপ করে জানান উৎসবের এই সময়ে দর্শকরা সিনেমা দেখতে আসেন কিন্তু প্রযোজকরা ঈদের দিনেও ফাইল দিতে না পারায় তাদের কয়েক লাখ টাকার বড় ক্ষতি হয়ে গেল।   প্রিন্স সিনেমার পরিবেশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে পরিচালক অনন্য মামুনের প্রতিষ্ঠান অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট। হল মালিকরা এই পরিস্থিতির জন্য তাকেই দোষারোপ করছেন এবং আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কমিটি গঠন করে ক্ষতিপূরণ চাওয়ার কথা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অনন্য মামুন ও প্রযোজনা সংস্থা ক্রিয়েটিভ ল্যান্ডসের কর্ণধার শিরিন সুলতনার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো সাড়া দেননি। তবে প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল জানিয়েছেন তারা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছেন।   ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের সিনেমা হলগুলোতে মুক্তি পেয়েছে পাঁচটি ছবি। এগুলো হলো ‘প্রিন্স-ওয়ানস আপন আ টাইমস ইন ঢাকা’, ‘দম’, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’, ‘রাক্ষস’ ও ‘প্রেশার কুকার’। এর মধ্যে সর্বাধিক ১৩৩ হলে চলার কথা থাকলেও সার্ভার জটিলতায় দুপুর পর্যন্ত ৫০টির বেশি হলে শাকিব খান অভিনীত ‘প্রিন্স’ সিনেমাটির কোনো শো চলেনি। কাঙ্ক্ষিত সিনেমা দেখতে না পেরে বিক্ষুব্ধ দর্শকরা বেশ কয়েকটি সিনেমা হলে ভাঙচুর চালিয়েছেন। আবু হায়াত মাহমুদ পরিচালিত এই সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন তাসনিয়া ফারিণ ও কলকাতার জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু। সিনেমা হল মালিকদের মধ্যকার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট ও ভয়েস রেকর্ড থেকে জানা যায় সার্ভার সমস্যার কারণে তারা সিনেমাটি চালাতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে অনেক হল মালিক সকালের শোয়ের টিকিটের টাকা দর্শকদের ফেরত দিয়েছেন।   নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক হল মালিক জানান অধিকাংশ সিনেমা হলে এক যুগের বেশি সময় ধরে জাজ মাল্টিমিডিয়ার সার্ভার ব্যবহার করা হচ্ছে। সম্প্রতি দেওয়া নতুন সার্ভারে সিনেমা চালাতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন তাঁরা। অধিকাংশ হলে সিনেমা চলছে না এবং যেখানে চলছে সেখানে শব্দ আসছে না। অনেকে ফাইল পেলেও পাসওয়ার্ড পাননি আবার অনেক হলের সার্ভারে দুপুর পর্যন্ত সিনেমাটি আপলোডই হয়নি। টেকের হাট সোনালী সিনেমা হলের মালিক রাহুল খান জানান কয়েক লাখ টাকা দিয়ে সিনেমাটি নিলেও সার্ভারে তা লোড হয়নি। বাধ্য হয়ে দুপুরের শোয়ের ১৫ হাজার টাকার টিকিট ফেরত দিয়েছেন তিনি। এর আগে সকালের শো চালাতে না পারায় বিক্ষুব্ধ দর্শকরা তার হলের চেয়ার ভাঙচুর করেছেন।   শুধু সাধারণ সিনেমা হল নয় দেশের সবচেয়ে বড় মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্সও এই সিনেমার কোনো ডিজিটাল সিনেমা প্রজেকশন বা ডিসিপি ফাইল পায়নি। স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া ও মার্কেটিং বিভাগের এজিএম মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ জানান ঈদের পাঁচটি সিনেমাই তারা চালাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দুপুর পর্যন্ত অন্য চারটির ফাইল পেলেও প্রিন্সের কোনো ফাইল তারা পাননি। তিনি আক্ষেপ করে জানান উৎসবের এই সময়ে দর্শকরা সিনেমা দেখতে আসেন কিন্তু প্রযোজকরা ঈদের দিনেও ফাইল দিতে না পারায় তাদের কয়েক লাখ টাকার বড় ক্ষতি হয়ে গেল।   প্রিন্স সিনেমার পরিবেশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে পরিচালক অনন্য মামুনের প্রতিষ্ঠান অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট। হল মালিকরা এই পরিস্থিতির জন্য তাকেই দোষারোপ করছেন এবং আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কমিটি গঠন করে ক্ষতিপূরণ চাওয়ার কথা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অনন্য মামুন ও প্রযোজনা সংস্থা ক্রিয়েটিভ ল্যান্ডসের কর্ণধার শিরিন সুলতনার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো সাড়া দেননি। তবে প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল জানিয়েছেন তারা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছেন।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ২১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

তাইওয়ানে বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার আলোচিত দুই ইউটিউবার

শবনম বুবলী । ছবি : সংগৃহীত

ছেলের জন্য দোয়া চাইলেন বুবলী

শাকিব খান। ছবি : সংগৃহীত

ঈদ বার্তায় যা বললেন শাকিব খান

জাকিয়া বারী মম। ছবি : সংগৃহীত
তবু আমাদের ধূসর জীবনে ঈদ আসে : মম

সারা দেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। নাড়ির টানে কেউ ফিরেছেন গ্রামে, কেউবা ব্যস্ত ইট-পাথরের রাজধানীর উৎসবে। সাধারণ মানুষের মতো শোবিজ তারকারাও মেতেছেন ঈদের আমেজে। তবে এই উৎসবের আবহেও বিশ্ব পরিস্থিতির অস্থিরতা নিয়ে নিজের বিষাদ মেশানো অনুভূতির কথা জানিয়েছেন জনপ্রিয় লাক্স তারকা ও অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম।   ঈদ উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মম। তবে তার সেই শুভেচ্ছাবার্তায় ফুটে উঠেছে চলমান বিশ্ব রাজনীতির অস্থিরতা এবং যুদ্ধবিগ্রহ নিয়ে গভীর উদ্বেগ। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতি এই অভিনেত্রীর মনকে ভারাক্রান্ত করে তুলেছে। নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ফেসবুকে ঈদবার্তায় মম লিখেছেন, ‘বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ। হতাশা-কান্না-অস্থিরতা-বিশ্বাসহীনতা; তবু আমাদের ধূসর জীবনে ঈদ আসে।‘ উৎসবের রঙিন দিনেও পৃথিবীর অন্য প্রান্তের মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কথা স্মরণ করে তিনি আরও যোগ করেন, ‘তারপরও এই ঈদ হোক পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহযোগিতা, সহমর্মিতা আর ভালোবাসার। সকলের জীবন হয়ে উঠুক নিরাপদ, সুস্থ ও মনের মতো। ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা সবাইকে। ঈদ মোবারক।’ মমর এই মানবিক ও সংবেদনশীল বার্তাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সাড়া ফেলেছে। ভক্ত-অনুরাগীরা যেমন তাকে ঈদের ফিরতি শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, তেমনি যুদ্ধের বিরুদ্ধে তার এই অবস্থানের প্রশংসাও করছেন সহকর্মীরা। ব্যক্তিগত জীবনে উৎসব পালন করলেও, বিশ্বশান্তির প্রতি তার এই আকুতি বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ২১, ২০২৬ 0
জয়া আহসান । ছবি : সংগৃহীত

খরগোশকে ঘিরে জয়ার মিষ্টি খুনসুটি

জি এম আশরাফ ও দোলা রহমান । ছবি : সংগৃহীত

আইটেম গানে দর্শকদের উচ্ছ্বাসে ভাসালেন আশরাফ ও দোলা

বিটিএস । ছবি : সংগৃহীত

চার বছর পর ‘সুইম’ গান দিয়ে ফিরল বিটিএস

আসিফ মাহমুদ । ছবি : সংগৃহীত
রবীন্দ্র সরোবরে গান শোনাবেন আসিফ মাহমুদ

রাজধানীর বুকে এক অনন্য সন্ধ্যার সাক্ষী হতে যাচ্ছে রবীন্দ্র সরোবর। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ), ঢাকার এই প্রাণকেন্দ্রে রাজনীতির কঠোর স্লোগান ছাপিয়ে শোনা যাবে সুরেলা কণ্ঠ। তিন দিনব্যাপী ‘নাগরিক ঈদ উৎসব’-এর প্রথম দিনে মাইক্রোফোন হাতে গান গাইতে মঞ্চে উঠছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।   ঢাকার প্রাচীন নাগরিক ঐতিহ্য ও উৎসবের সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে ফিরিয়ে লক্ষ্যে এই আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঈদ উৎসব আয়োজক কমিটি। ঈদ উৎসব আয়োজক কমিটির ভাষ্যমতে, যান্ত্রিক এই শহরে নাগরিকদের মাঝে সম্প্রীতি ও আনন্দের ছোঁয়া পৌঁছে দিতেই এই বর্ণাঢ্য আয়োজন। উৎসবের প্রথম দিন রবীন্দ্র সরোবরে মেহেদি উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন রয়েছে, ঈদের দিন আয়োজন করা হবে বর্ণাঢ্য ঈদ মিছিল, যা শুরু হবে হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে। উৎসবের তৃতীয় দিনে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে ঘুড়ি উৎসব। বিভিন্ন বয়সী মানুষের অংশগ্রহণে আকাশজুড়ে রঙিন ঘুড়ি উড়ানোর মধ্য দিয়ে ঈদের আনন্দ উদযাপন করা হবে।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ২০, ২০২৬ 0
আশনা হাবিব ভাবনা । ছবি : সংগৃহীত

কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই : ভাবনা

প্রতীকী ছবি

ঈদে রক্তচাপ বেড়ে গেলে যা করবেন

‘ডোরেমন’-এর পরিচালক সুতোমু শিবায়ামা। ছবি: সংগৃহীত

‘ডোরেমন’ নির্মার্তা সুতোমু শিবায়ামা মারা গেছেন

0 Comments