তারকাদের প্রেম, সম্পর্ক আর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই। আর সেই কৌতূহল থেকেই জন্ম নেয় নানা গুঞ্জন। তবে এসব গুঞ্জনের ডালপালা মেলার আগেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, বর্তমানে তিনি কোনো প্রেমের সম্পর্কে নেই এবং বিয়ের আগে ঢাকঢোল পিটিয়ে সম্পর্কের ঘোষণা দেওয়ার কোনো ইচ্ছাও তার নেই।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সোজাসাপ্টা উত্তর দিয়েছেন ভাবনা। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো সম্পর্কে নেই। যেদিন বিয়ে হবে, সেদিনই সবাই আমার সম্পর্কের কথা জানবে।’ সম্পর্কের সংজ্ঞাও নতুন করে ব্যাখ্যা করেছেন এই অভিনেত্রী। তার মতে, সম্পর্ক মানেই কেবল প্রেম নয়। নারী-পুরুষের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কও থাকতে পারে, যেখানে ভুল বোঝাবুঝি, মান-অভিমান কিংবা প্রতারণার মতো ঘটনা ঘটা স্বাভাবিক। তিনি বলেন, ‘জীবন তো সবসময় এক রকম চলে না। সম্পর্কগুলো বদলে যায়। প্রেম ছাড়াও নানা ধরনের সম্পর্ক হতে পারে, যেগুলো থেকেও বের হয়ে আসা যায়।’
ব্যক্তিগত জীবনের এই স্পষ্টতার পাশাপাশি কাজের জগতেও বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন ভাবনা। সম্প্রতি সুমন ধর পরিচালিত একটি নতুন ওয়েব ফিল্মের প্রথম লটের শুটিং শেষ করেছেন তিনি। আসন্ন ঈদে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা এই ফিল্মে তার সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন ইরফান সাজ্জাদ ও দীঘি। এছাড়া খুব শিগগিরই শাহরিয়ার নাজিম জয় পরিচালিত আরও একটি নতুন ওয়েব প্রজেক্টের কাজ শুরু করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা আর কাজের ব্যস্ততা— দুই মিলিয়েই এখন নিজের ছন্দে চলছেন ভাবনা।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
১৫ বছর বয়সে ‘চাঁদ সা রোশন চেহরা’ সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছেন তামান্না ভাটিয়া। এরপর অভিনয় জীবনের ২২টি বছর কাটিয়ে ফেলেছেন তিনি। ২০২৬ সালে ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রেমীদের কাছে অতি পরিচিত একটি নাম তামান্না ভাটিয়া। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অভিনয় করেছেন, ছবিতে আইটেম ডান্স করেছেন, একের পর এক পণ্যের বিজ্ঞাপনের মুখ হচ্ছেন, আবার তিনি নিজের ব্যবসাও চালাচ্ছেন। দুহাতে অর্থ উপার্জন করেছেন অভিনেত্রী। নিন্দুকেরা বলতেই পারেন, ৪০ বছরের উপান্তে এসে অর্থের পেছনে পাগলের মতো দৌড়াচ্ছেন অভিনেত্রী। কিন্তু তামান্না নিজে বলছেন, অর্থের প্রতি তার কোনো মোহই নেই। তিনি এসব কিছু করছেন, কেবল মাত্র একটি লক্ষ্যপূরণেই! অভিনয় জীবনের ২২টি বছর কাটিয়ে ফেলেছেন তিনি। ২০২৬ সালে ভারতীয় চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে তিনি অতি পরিচিত একটি নাম। তাই সেই অর্থে সফলও। তবে তামান্নার মোট সম্পত্তির পরিমাণ শুনলে চমকে যেতে হবে। সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রকাশ্যে আসা কিছু তথ্যে জানা গিয়েছে, তামান্না ১০০ কোটিরও বেশি অঙ্কের সম্পত্তির মালিক। মুম্বাইয়ের অভিজাত এলাকায় তার একটি সাজানো গোছানো সমুদ্রমুখী বিরাট অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। যার বারান্দায় রয়েছে বিলাসবহুল জাকুজি। আছে ওয়াক ইন ক্লজেট। শুধু খাওয়ার জায়গাটির সাজসজ্জা দেখলেই বিস্মিত হতে হয়। দামি সব আসবাব আর চিত্রকলা তো রয়েছেই। একা থাকেন। এতো সম্পদ নিয়ে করবেন কি? এক সাক্ষাৎকারে এ প্রশ্নের উত্তর দিয়ে তামান্না বলেছেন, জানি না এতো সম্পদ নিয়ে আমি কী করব। মৃত্যুর পর তো কেউ টাকা-পয়সা সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পারে না। তবু আমার নিজের মধ্যে একটা ঝোঁক কাজ করে। আমি সেই ঝোঁকের মাথাতেই কাজ করতে থাকি। তার মানে এই নয় যে আমি টাকার পেছনে ছুটি। চলতি বছরেই নিজের নতুন ব্যবসা শুরু করেছেন তামান্না। তৈরি করেছেন লাক্সারি জুয়েলারি ব্র্যান্ড ‘তামান্না ফাইন জুয়েলারি’। অর্থাৎ সফল অভিনেত্রী এখন উদ্যোক্তাও। ফলে শ্রীবৃদ্ধিও দ্বিগুণ। অর্থের জন্য যদি এসব না-ই করে থাকেন, তবে কী জন্য করছেন? তামান্না বলেছেন, আমার একটা অদ্ভুত লোভ আছে। আমি নিজেকে নতুন নতুন ভূমিকায় দেখতে ভালবাসি। আমি নিজের কাজের পরিধিকে আরও ছড়িয়ে দিতে ভালবাসি। আর এটাও মনে করি যে, কোনো কাজ করলে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে বৃহত্তর ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব ছড়িয়ে দেওয়া উচিত। আমি সেটাই করি। অর্থাৎ তামান্না নিজের কাজ করতে থাকেন, শ্রীবৃদ্ধি আপনিই হতে থাকে। তামান্নার দর্শনের সঙ্গে ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার আমির খান অভিনীত রাঞ্ছোড়দাস চাঁচড়ের সংলাপের বড্ড মিল। সেও বলেছিল, বেটা কাবিল বন, কামইয়াবি ঝক মারকে পিছে ভাগেগি। অর্থাৎ যোগ্য হও, তাহলে সাফল্য এবং শ্রীবৃদ্ধি নিজেই এসে ধরা দেবে।
বছর দুয়েক আগে অন্তর্জালে মুক্তি পেয়েছিল ‘ভ্যানিশিং ম্যান’। মুক্তির পর দর্শকের সাড়াও পেয়েছিল বেশ। সে ধারাবাহিকতায় কিছুদিন আগেই আসে নাটকটির সিক্যুয়াল। বরাবরের মতোই সিক্যুয়াল ‘ভ্যানিশিং ম্যান রিটার্নস’ দর্শকের মন জয় করেছে। ইতিমধ্যে নাটকটি দেখেছেন প্রায় ৬০ লাখ দর্শক। মন্তব্যের ঘরে জমা পড়েছে আড়াই হাজারেরও বেশি মন্তব্য। তবে নাটকটিতে দর্শকের কাছে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে জিয়াউল হক পলাশের বিপরীতে অভিনয় করা তরুণ অভিনেত্রী শেগুফতা আহমেদ জারবীনি। নবাগতার মিষ্টি চেহারা আর হাসির পাশাপাশি তার অভিনয়ও মুগ্ধ করেছে দর্শকদের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি ইউটিউবে মন্তব্যের ঘরে দেখা গেছে ইতিবাচক প্রশংসা। কেউ কেউ লিখেছেন, ‘নায়িকা অসাধারণ অভিনয় করেছে। একদম ন্যাচারাল, নো ওভার এক্টিং। আরো নাটকে দেখতে চাই’। আরেকজন লিখেন, ‘মেয়েটাকে দারুণ মানিয়েছে। পরিমিত অভিনয়।’ কাজটি নিয়ে দর্শকের সাড়া প্রসঙ্গে জারবীনি বলেন, ‘নাটকটি রিলিজের পর থেকে এখনো পর্যন্ত দর্শকদের কাছ থেকে এত বেশি সাড়া পাচ্ছি, তা অভাবনীয়। সত্যি বলতে এই অভিজ্ঞতা আমার জন্য একদমই নতুন। ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্ট এবং তাদের মন্তব্য দেখে আমি আপ্লুত। সবাই এত প্রশংসা করছেন আমি নিজেই খুব লজ্জা পাচ্ছি। বিষয়টি অনেক উপভোগ করছি।’ যদিও অভিনয়ে জারবীনি একেবারে নতুন নন। স্বপ্ন ছিল পাইলট হওয়ার, সেজন্য অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনাও শেষ করেছেন। এরমধ্যেই এলেন অভিনয়ে। এর আগে নাজমুল হুদা ঈমনের পরিচালনায় ‘কুড বি আস!’, ‘কুলেজ’-এ অভিনয় করলেও ‘ভ্যানিশিং ম্যান রিটার্নস’ দিয়ে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিষেক হয় জারবীনির। যদিও আগের কিস্তিতে তিনি অভিনয় করেছিলেন এবং তাতে পলাশের বিপরীতে দেখা গিয়েছিল সাফা কবিরকে। নবাগতা এই অভিনেত্রী বলেন, "যেহেতু ‘ভ্যানিশিং ম্যান’-এ আমি ছিলাম সেহেতু জানতাম যে এটার সিক্যুয়ালেও থাকব। কিন্তু আমি যে প্রটাগনিস্ট হিসেবে সুযোগ পাব এতে, এটা ভাবিনি। ভেবেছিলাম সাফা কবির আপুই থাকবেন। কিন্তু শুটিং শুরুর এক সপ্তাহ আগে জানতে পারি যে, এখানে একমাত্র মেয়ে চরিত্রে আমিই আছি। উচ্ছ্বসিত ছিলাম একইসঙ্গে নার্ভাসও। চেষ্টা করেছি নিজের সবটুকু দিয়ে কাজ করার। দর্শক যখন কাজটি পছন্দ করতে শুরু করল তখন ভালো লাগাটা বেড়ে গেল।" এদিকে নাটকটির নির্মাতা নাজমুল হুদা ইমন বলেন, ‘ভ্যানিশিং ম্যান’ নাটকটি যে পরিমাণ ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি সিক্যুয়ালটিতে তা তার চেয়েও অনেক বেশি। সবাই অনেক প্রশংসা করছেন, দর্শকরা উপভোগ করছেন কাজটি। পলাশের সঙ্গে জারবীনির জুটিটা দর্শক আরও বেশি পছন্দ করেছেন। নতুন হিসেবে সে অনেক ভালো পারফর্ম করেছে। যা দর্শকরাই বলছেন। ‘ভ্যানিশিং ম্যান রিটার্নস’- জিয়াউল হক পলাশ, জারবীনি ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন সৈয়দ বাচ্চু, এরফান মৃধা শিবলু, জাবেদ গাজি, ফরহাদ জুলফিকার, আনোয়ার হোসেন, শাহানা স্বপ্না এবং শরীফ আজম প্রমুখ।
কন্নড় সিনেমার জনপ্রিয় মডেল, অভিনেত্রী এবং ‘বিগ বস কন্নড়’র সাবেক প্রতিযোগী কৃষি থাপান্ডার ব্যাঙ্গালোরের ফ্ল্যাট থেকে এক ব্যবসায়ী যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনকি দীর্ঘদিন ধরে বিষণ্নতায়ও ভুগছিলেন। খবর-এনডিটিভির। গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটেছে এ ঘটনা। ঘটনার সময় অভিনেত্রী ইয়েলাহাঙ্কায় ছিলেন। মৃতের নাম বৈশাখ বলে শনাক্ত করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে তিনি অভিনেত্রীর ফ্ল্যাটে অবস্থান করছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোট বা চিরকুট পাওয়া যায়নি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। জানা গেছে, ব্যবসায়ী বৈশাখ বিষণ্নতার জন্য চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। কিছু ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তারা জানতে পেরেছেন, মাঝে মধ্যে কলহ হওয়ার কারণে প্রায় এক মাস ধরে স্ত্রীর থেকে আলাদা থাকছিলেন তিনি। এর আগে ব্যবসায়ী ও আইনজীবী অরবিন্দ রেড্ডির সঙ্গে জড়িত একটি হাই-প্রোফাইল চাঁদাবাজি এবং হুমকিমূলক চিঠির মামলায় পুলিশের নজরদারিতেও ছিলেন বৈশাখ। গত ফেব্রুয়ারিতে কুরিয়ারের মাধ্যমে রেড্ডিকে ৬-৭ কোটি টাকা অর্থ দাবি করে এবং ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান করে একটি হুমকিমূলক চিঠি পাঠানো হয়েছিল। তদন্তের সময় এইচএএল থানার পুলিশ বৈশাখকে গ্রেফতার করে। পুলিশের দাবি ছিল―এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কিত বিরোধের কারণে ওই চিঠি পাঠিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে মুক্তি পেয়েছিলেন এ ব্যবসায়ী। গত ৬ ফেব্রুয়ারি কর্ণাটক হাইকোর্ট বৈশাখের বিরুদ্ধে চলমান পরবর্তী তদন্তের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করে। এর আগে এইচএএল থানার পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে পাঁচদিন জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। এদিকে তার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানা গেছে। রাজারাজেশ্বরী নগর থানার পুলিশ একটি মামলা দায়ের করবে এবং ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে। তবে এই সময়ের মধ্যে যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।