অন্যান্য

ইতিহাসে প্রথমবার, সংসদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একক আসনে জয় পেয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বরগুনা-১ (আমতলী-তালতলী) আসনে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন দলটির মনোনীত প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম মোল্লাকে ৪ হাজার ১৭৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি।

 

বৃহস্পতিবার রাতে বেসরকারিভাবে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, অলি উল্লাহ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫১২ ভোট। অপরদিকে, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৩৩৬ ভোট। ‘হাতপাখা’ প্রতীকে নির্বাচন করা অলি উল্লাহর এই জয় ইসলামী আন্দোলনের জন্য একটি ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে ধরা হচ্ছে।

 

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে আসে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন। দলটি পৃথকভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নিলেও, একমাত্র বরগুনা-এ এই অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করে।

 

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অলি উল্লাহ বলেন, বরগুনার জনগণ এখন আমার জিম্মাদার। তাদের দেওয়া দায়িত্ব একটি আমানত। কীভাবে তাদের মনোবাসনা পূরণ করব, কীভাবে এলাকার উন্নয়ন করব- সে বিষয়টি নিয়েই আমি বেশি চিন্তিত।

 

তিনি আরও বলেন, কেউ যদি ক্ষমতার চেয়ারে বসে সে যেন আগুনের চাদর গায় দিলো, কারণ আমি মনে করি জনগণ যদি কষ্ট পায়, সে কষ্টটা আমার এবং আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অন্যান্য

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

পহেলা ফাগুনের রঙিন আবহে ৩৫ বছর পূর্ণ করে ৩৬তম বছরে পদার্পণ করেছে দেশের প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)। ১৯৯১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি শুরু হয়েছিল তিনটি বিভাগ, ১৩ জন শিক্ষক ও ২০৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে। আজ, ৩৬ বছর পর, এটি সাতটি অনুষদের অধীনে ২৮টি বিভাগ ও দুটি ইনস্টিটিউটে রূপান্তরিত হয়েছে এবং বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।   প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন শাবিপ্রবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা এবং কেক কাটার আয়োজন করা হবে। বসন্তের মেঘমালা, ফুলের রঙিন আবহে ক্যাম্পাসে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।   গবেষণা ও উদ্ভাবনে অনন্য অর্জন শাবিপ্রবি শুধুমাত্র শিক্ষা নয়, প্রযুক্তি উদ্ভাবনেও এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝুলিতে রয়েছে ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড অ্যাওয়ার্ড-২০১৭’। ২০১৮ সালে NASA Space Apps Challenge-এ অংশ নিয়ে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা ‘বেস্ট ডাটা ইউটিলাইজেশন’ ক্যাটাগরিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। এছাড়াও, শাবিপ্রবি প্রযুক্তিখাতে ‘ডিজিটাল ক্যাম্পাস অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির খ্যাতি আরো উজ্জ্বল করেছে।   বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাত ধরেই তৈরি হয়েছে দেশের প্রথম বাংলা সার্চ ইঞ্জিন ‘পিপীলিকা’, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ‘একুশে বাংলা কিবোর্ড’, কথা বলা রোবট ‘রিবো’, হাঁটতে সক্ষম রোবট ‘লি’ এবং চালকবিহীন ড্রোনসহ নানা উদ্ভাবন।   ডিজিটাল সেবায় অগ্রগামী শাবিপ্রবি প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনিক ব্যবস্থায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া, সেমিস্টার ফি প্রদান, অনলাইন ক্লিয়ারেন্স, ডি-নথির মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং সাপোর্ট সার্ভিস সিস্টেম চালুর মতো উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়টিকে ডিজিটাল সেবায় এগিয়ে রেখেছে।   অবকাঠামো উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বর্তমানে সাতটি অ্যাকাডেমিক ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য তিনটি করে মোট ছয়টি আবাসিক হল রয়েছে। আবাসন সংকটের সমাধানে নতুন একটি এক হাজার আসনবিশিষ্ট হল নির্মাণাধীন। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭টি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে।   ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, শাবিপ্রবি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সুনামের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে। বিদ্যমান সংকটগুলো সমাধানে আমরা কাজ করছি এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণামুখী ও পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে ১৩টি নতুন বিভাগ ও একটি ইনস্টিটিউট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।   এছাড়া, শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। শাবিপ্রবি আজ দেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। ৩৬ বছর পর, এই বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার নতুন স্বপ্ন ও প্রত্যয়ে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ভোট কারচুপির অভিযোগ করলেন অলি আহমদ

ছবি : সংগৃহীত

কুয়েটের ভিসিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বাসভবনে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা

ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের দৃষ্টিতে সুশাসন

ছবি : সংগৃহীত
ইতিহাসে প্রথমবার, সংসদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একক আসনে জয় পেয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বরগুনা-১ (আমতলী-তালতলী) আসনে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন দলটির মনোনীত প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম মোল্লাকে ৪ হাজার ১৭৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি।   বৃহস্পতিবার রাতে বেসরকারিভাবে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, অলি উল্লাহ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫১২ ভোট। অপরদিকে, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৩৩৬ ভোট। ‘হাতপাখা’ প্রতীকে নির্বাচন করা অলি উল্লাহর এই জয় ইসলামী আন্দোলনের জন্য একটি ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে ধরা হচ্ছে।   উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে আসে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন। দলটি পৃথকভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নিলেও, একমাত্র বরগুনা-এ এই অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করে।   নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অলি উল্লাহ বলেন, বরগুনার জনগণ এখন আমার জিম্মাদার। তাদের দেওয়া দায়িত্ব একটি আমানত। কীভাবে তাদের মনোবাসনা পূরণ করব, কীভাবে এলাকার উন্নয়ন করব- সে বিষয়টি নিয়েই আমি বেশি চিন্তিত।   তিনি আরও বলেন, কেউ যদি ক্ষমতার চেয়ারে বসে সে যেন আগুনের চাদর গায় দিলো, কারণ আমি মনে করি জনগণ যদি কষ্ট পায়, সে কষ্টটা আমার এবং আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

জুলাইযোদ্ধা সিয়ামের ওপর হামলা, মধ্যরাতে সাদিকের বিস্ফোরক স্ট্যাটাস

ছবি : সংগৃহীত

ভারতীয় নম্বর থেকে হত্যার হুমকি, জিডি করলেন ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক আলী

ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচনে আমার সঙ্গে না থাকলেও, সবাই নিরাপদে থাকবে : নুরুল ইসলাম নয়ন

ছবি : সংগৃহীত
বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির শফিকুর রহমান জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে শান্তিপূর্ণ ও দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন।   শুক্রবার মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে যারা পরিশ্রম করেছেন এবং নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হয়রানির মুখেও গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করেছেন, তাদের সাহস দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে।   নির্বাচনের ফল নিয়ে হতাশা থাকা স্বাভাবিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৭৭টি আসন পেয়ে দলটি সংসদে উপস্থিতি প্রায় চারগুণ বাড়িয়েছে এবং আধুনিক বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী বিরোধী ব্লকে পরিণত হয়েছে। এটিকে তিনি নতুন ভিত্তি হিসেবে দেখার আহ্বান জানান।   তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ৩০টি আসন পেয়েছিল। ১৮ বছর পর ২০২৬ সালে তারা সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। গণতান্ত্রিক রাজনীতির পথ দীর্ঘ—এ কথা উল্লেখ করে তিনি জনগণের আস্থা অর্জন, ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহির আওতায় রাখা এবং ভবিষ্যতের জন্য দায়িত্বের প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।   নির্বাচনের রায়কে সম্মান জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের আন্দোলন কখনও একক নির্বাচনের জন্য ছিল না; বরং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি শক্তিশালী করা, নাগরিক অধিকার রক্ষা ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও নীতিনিষ্ঠ রাজনীতিতে অটল থাকার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
ছবি ভিডিও থেকে নেওয়া।

নির্বাচনে ১০ শতাংশ ভোট কারচুপি করা হয়েছে : নাহিদ ইসলাম

ছবি: সংগৃহীত

জয় পাননি ৪২ রাজনৈতিক দলের কোনো প্রার্থী

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

৩ ইস্যুকে আগামী সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ মনে করছে বিএনপি

0 Comments