খেলাধুলা

ইংল্যান্ডের গোল ঘিরে বিতর্ক, বলে ক্যামেরার স্পর্শ নিয়ে ফিফার ব্যাখ্যা

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১২, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

ফুটবল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের সমতাসূচক গোলটি নিয়ে এক নজিরবিহীন ও প্রযুক্তিগত বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, যা আসরের ভাগ্য নির্ধারণে বড় প্রভাব ফেলতে পারত। প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে জুড বেলিংহামের গোলে ইংল্যান্ড ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফিরলেও, সেই গোলের বিল্ডআপে (আক্রমণ তৈরির মুহূর্তে) বলটি মাঠের ওপরে ঝুলন্ত ক্যামেরায় লেগেছিল বলে টেলিভিশনের রিপ্লেতে দেখা গেছে। 

 

ম্যাচ অফিশিয়ালদের চোখ এড়িয়ে যাওয়া এই ঘটনাটি নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

 

বিতর্কের সূত্রপাত হয় নরওয়ের গোলরক্ষক অরিয়ান নল্যান্ডের একটি গোল কিক থেকে। টিভি রিপ্লেতে স্পষ্ট দেখা যায়, বাতাসে ভাসমান বলটি মাঠের ওপর ঝুলে থাকা স্পাইডার ক্যামেরার তার বা কাঠামোতে আঘাত করে দিক পরিবর্তন করে এবং নিচে নেমে আসে। এরপরই বলের নিয়ন্ত্রণ নেন ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসন। তিনি বলটি অ্যান্থনি গর্ডনের দিকে বাড়িয়ে দিলে গর্ডনের পাস থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন বেলিংহাম। 

 

ফিফার স্পষ্ট নিয়ম অনুযায়ী, বল যদি মাঠের বাইরের কোনো বস্তু যেমন ক্যামেরা বা এর তারে আঘাত করে, তবে রেফারিকে সঙ্গে সঙ্গে খেলা থামিয়ে ‘ড্রপ বল’-এর মাধ্যমে পুনরায় খেলা শুরু করতে হবে। যেহেতু এই ঘটনাটি সরাসরি গোলের আগের আক্রমণভাগের অংশ ছিল, তাই ভিএআর প্রযুক্তি ব্যবহার করে গোলটি বাতিল করার পূর্ণ সুযোগ ছিল রেফারিদের সামনে।

 

ম্যাচ চলাকালীন ফক্স স্পোর্টসের সম্প্রচারে প্রিমিয়ার লিগের সাবেক প্রখ্যাত রেফারি মার্ক ক্ল্যাটেনবার্গ বলেন, কোনো গোল হওয়ার প্রক্রিয়ায় বল যদি ক্যামেরার তারে লাগে, তবে ভিএআর অবশ্যই সেখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে। এটি সম্পূর্ণ রিভিউ করার মতো একটি ঘটনা ছিল এবং অফিশিয়ালদের এটি ধরা উচিত ছিল। এই সিদ্ধান্তহীনতার কারণে প্রথমার্ধ শেষে টানেলে ঢোকার মুখে নরওয়ের কোচ স্টেল সলবাকেন এবং তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডসহ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়কে মাঠের প্রধান রেফারি ক্লেমেন্ট টারপিনের ওপর ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যায়।

 

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে এই বিতর্কের জবাবে ফিফার পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়। তারা জানায়, বলের ভেতরে থাকা আধুনিক ট্র্যাকিং প্রযুক্তি (Internal Tracking Technology) পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে এবং ক্যামেরার কাঠামোর সঙ্গে বলের কোনো অস্বাভাবিক সংঘর্ষ বা আঘাতের সংকেত মেলেনি। 

 

ফিফার এই আশ্বাসেও অবশ্য নরওয়ে শিবিরের ক্ষোভ কমেনি। প্রযুক্তি বনাম খালি চোখের এই লড়াই ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় রেফারিং বিতর্ক হিসেবে থেকে যাবে বলে মনে করছেন ফুটবলবোদ্ধারা।

সূত্র: মার্কা

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি- এএফপি
বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে প্রথমবার টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে স্টার্ক

বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাকাই টেস্টে বিধ্বংসী বোলিংয়ের পুরস্কার পেলেন মিচেল স্টার্ক। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো আইসিসি টেস্ট বোলিং র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছেন অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি পেসার। বুধবার প্রকাশিত আইসিসির সাপ্তাহিক হালনাগাদ র‍্যাঙ্কিংয়ে ভারতের জাসপ্রিত বুমরাহকে পেছনে ফেলে এক নম্বরে উঠে এসেছেন ৩৬ বছর বয়সী স্টার্ক। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১২ রানে ৬ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে আরও ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সেই দুই দিনের মধ্যে ইনিংস ও ৫১ রানে ম্যাচ জিতে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করে অস্ট্রেলিয়া। ম্যাকাই টেস্টের পারফরম্যান্সে ক্যারিয়ারসেরা ৮৭২ রেটিং পয়েন্ট পেয়েছে স্টার্ক। ১০ পয়েন্ট পিছিয়ে ৮৬২ রেটিং নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বুমরাহ। নিউজিল্যান্ডের ম্যাট হেনরিকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠেছেন অজি পেসার। প্রায় ১৫ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে দীর্ঘ সময় বোলিং র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে ছিলেন স্টার্ক। সম্প্রতি জায়গা করে নিয়েছিলেন সেরা তিনেও। এবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ১০ উইকেটের পারফরম্যান্স তাকে এনে দিল র‍্যাঙ্কিংয়ের মুকুট। অন্যদিকে ম্যাকাই টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে এক ইনিংসে ৭ উইকেট নিয়ে র‍্যাঙ্কিংয়েও বড় লাফ দিয়েছেন শরিফুল ইসলাম। ১৭ ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ারসেরা ৫৭তম স্থানে উঠে এসেছেন বাঁহাতি এই পেসার। বুমরাহর র‍্যাঙ্কিংয়ে অবনতির পেছনে বড় কারণ চলমান শ্রীলঙ্কা সফরের টেস্ট সিরিজে তার না খেলা। চোট ও ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণে সিরিজ থেকে বাইরে থাকা ভারতের এই পেসার ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট বোলিং র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছিলেন। এরপর মোট ৬৯৭ দিন এক নম্বরে থেকে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে রেকর্ড গড়েন তিনি।  র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে স্টার্কের দুই সতীর্থেরও। এক ধাপ এগিয়ে প্যাট কামিন্স উঠেছেন চতুর্থ স্থানে। দুই ধাপ উন্নতি করে শীর্ষ দশে ঢুকেছেন নাথান লায়ন, তার অবস্থান এখন দশম। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে বড় লাফ দিয়েছেন ইংল্যান্ডের ওলি রবিনসনও। দুই ইনিংসে ৫১ রানে ৫ ও ৩৯ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ১৫ ধাপ এগিয়ে ১১ নম্বরে উঠেছেন তিনি। ইংল্যান্ডের জশ টাং ১৬ ধাপ এগিয়ে আছেন ১৭তম স্থানে। ব্যাটিং র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ইংল্যান্ডের হ্যারি ব্রুক। ৮৫০ রেটিং নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা জো রুটের চেয়ে ২৪ পয়েন্ট এগিয়ে তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৯ ও ৬৬ রানের দুটি ইনিংস খেলে ছয় ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠেছেন ভারতের রিশাভ পান্ত।

মারিয়া রহমান আগস্ট ২৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

১০০ মিলিয়ন ইউরোয় মরক্কোর বিশ্বকাপ তারকাকে দলে নিল ম্যান সিটি

ছবি: সংগৃহীত

মেসির সামনে ক্যারিয়ারের বিরল এক রেকর্ডের শঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ফুটবল ক্লাব মালিক কারা?

ছবি: সংগৃহীত
ধ্বংসস্তূপ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর মিশনে পাকিস্তানের নেতৃত্বে ফিরছেন বাবর

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের আগে বড় সুখবর পেয়েছে পাকিস্তান। আঙুলের চোট কাটিয়ে লর্ডসে অনুষ্ঠেয় দ্বিতীয় টেস্টে ফিরতে চলেছেন পাকিস্তানের তারকা ব্যাটার ও অধিনায়ক বাবর আজম। ম্যাচ শুরুর দুই দিন আগে অনুশীলনে পুরো ব্যাটিং সেশন করেছেন তিনি এবং নেটে ব্যাট হাতে ভালোই ছন্দে ছিলেন বলে জানিয়েছেন দলের বোলিং কোচ উমর গুল।   গুল বলেন, বাবর নেটে ফাস্ট বোলার, স্পিনার ও থ্রোডাউনের বিপক্ষে ব্যাটিং করেছেন। পুরো সেশন ব্যাট করার পর তাকে বেশ ভালো দেখিয়েছে। ফলে দ্বিতীয় টেস্টে তার খেলা প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে।   ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে আঙুলে চোট পেয়েছিলেন বাবর। পরে বেকেনহ্যামে পাকিস্তানের প্রস্তুতি ম্যাচে একই আঙুলে আঘাত পাওয়ায় চোট আরও বেড়ে যায়। তবে এখন তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছেন।   বাবরের ফেরাটা পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে বড় স্বস্তি হয়ে আসছে। লিডসে সিরিজের প্রথম টেস্টে পাকিস্তানের ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। দুই ইনিংস মিলিয়ে মাত্র ৮৬ ওভারের মধ্যেই তাদের অলআউট করে দেয় ইংল্যান্ড। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন বাবর। দুই অর্ধশতকসহ ১৯৩ রান করেছিলেন তিনি।   বাবর ফিরলে ব্যাটিং অর্ডারেও পরিবর্তন আসতে পারে। আজান আওয়াইস একাদশ থেকে বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শান মাসুদ অথবা আবদুল্লাহ শফিকের একজন ওপেনিংয়ে উঠে আসবেন এবং বাবর খেলবেন চার নম্বরে।   ইংল্যান্ডের মাটিতে বাবরের রেকর্ডও বেশ ভালো। ছয় ইনিংসে তিনটি অর্ধশতকসহ সেখানে তার ব্যাটিং গড় ৬৫.৭৫। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৪ ইনিংসে তার গড় ৫৩.৮৩; এর মধ্যে সাত ইনিংসেই তিনি অর্ধশতক অথবা শতক পেয়েছেন।   তবে শুধু বাবরের ফেরায় সমস্যার সমাধান হবে না বলে সতর্ক করেছেন উমর গুল। তার মতে, টেস্ট জিততে হলে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং-সব বিভাগেই ভালো করতে হবে। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে পাকিস্তানের বোলারদের দায়িত্ব বেশি বলে মনে করেন তিনি।   গুল বলেন, টেস্ট জিততে হলে প্রতিপক্ষের ২০ উইকেট নিতে হবে। তাই আগের ম্যাচের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার পাকিস্তানকে সব বিভাগেই উন্নতি করতে হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ২৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি অর্থায়ন না থাকায় ব্রাজিল-বাংলাদেশ প্রীতি ম্যাচ নিয়ে অনিশ্চয়তা

ছবি: সংগৃহীত

লাল বলের লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ ‘এ’ দলে রিশাদ-সাইফউদ্দিন

ব্রাজিল ফুটবল দল। ছবি : এএফপি

সরকারি অর্থ নয়, স্পনসর আনলে ব্রাজিলের ঢাকা সফর সম্ভব: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
ভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

ভারতের বিপক্ষে ইব্রাহিম জাদরানকে অধিনায়ক করে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দল ঘোষণা করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)।   দলে ফেরানো হয়েছে পেস বোলার নবীন উল হককে। ডান কাঁধের চোটের জন্য কয়েক মাস মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। খেলতে পারেননি গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও। দলে রয়েছেন ফজল হক ফারুকি, আবদুল্লাহ আহমেদজাইয়ের মতো পেসার। অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ ওমরজাইও।     দলে ফেরানো হয়েছে অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার গুলবাদিন নাইবকেও। রশিদ খান, মোহাম্মদ নবি, নুর আহমেদ, নানগেলিয়া খারোতের মতো নিয়মিত ক্রিকেটারেরাও আসছেন ভারতে। প্রথম উইকেটরক্ষক হিসাবে দলে রয়েছেন রহমাউল্লাহ গুরবাজ। দ্বিতীয় উইকেটরক্ষক হিসাবে রয়েছেন নুর রহমান।   এসিবির সিইও নাসিব খান জানিয়েছেন, ভারসাম্যযুক্ত দল নির্বাচন করা হয়েছে। ব্যাটিং-বোলিং, স্পিন বোলিং-জোরে বোলিং, অভিজ্ঞতা-তারুণ্য সব কিছুরই ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।   ভারত-আফগানিস্তান টি-টোয়েন্টি সিরিজের সব ম্যাচই হবে দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে। ম্যাচগুলি হবে ১৩, ১৫ এবং ১৭ সেপ্টেম্বর।   আফগানিস্তান দল: ইবরাহিম জাদরান (অধিনায়ক), রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটরক্ষক), নুর রহমান (উইকেটরক্ষক), রশিদ খান, মোহাম্মদ নবি, সেদিকুল্লাহ অটল, দারউইশ রাসুলি, নবিন-উল হক, ফজল হক ফারুকি, আবদুল্লাহ আহমেদজাই, মুজিব-উর রহমান, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, গুলবাদিন নাইব, নুর আহমেদ, নানগেলিয়া খারোত।   রিজার্ভ: ইজাজ আহমেদজাই, শহিদুল্লাহ কামাল, ফরিদ আহমেদ মালিক।

মারিয়া রহমান আগস্ট ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কাউন্টিতে শরিফুলের বদলে কেন্টে যাচ্ছেন খালেদ

ছবি: সংগৃহীত

ফুলহ্যামকে হারিয়ে জয়ে প্রিমিয়ার লিগ শুরু চেলসির

ছবি: সংগৃহীত

ইনফান্তিনোর সমর্থনে মুখ খুললেন স্যামুয়েল ইতো

0 Comments