আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলের ই১ বসতি প্রকল্পে আন্তর্জাতিক ও আরব বিশ্বের তীব্র বিরোধিতা

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ই১ বসতি প্রকল্পের জন্য ইসরায়েলের দেওয়া নির্মাণ দরপত্র বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, কানাডা ও নরওয়ে। বৃহস্পতিবার রাতে ইরাকি বার্তা সংস্থা শাফাক নিউজ এ খবর জানিয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো বলেছে, ই১ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন অংশের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এতে ভবিষ্যতে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

 

সাত দেশ ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছে। তারা বলেছে, আন্তর্জাতিক আইনে অধিকৃত এলাকায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপন অবৈধ।

 

একই সঙ্গে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই প্রকল্পের দরপত্রে অংশ না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রকল্পে অংশ নিলে আইনি ও সুনামগত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

 

মিশর ও জর্ডানও ই১ প্রকল্পের নিন্দা জানিয়েছে। মিশর বলেছে, এই প্রকল্প পূর্ব জেরুজালেমের ওপর প্রভাব ফেলবে। জর্ডানের অভিযোগ, ইসরায়েল এই প্রকল্পের মাধ্যমে দখলদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে চাইছে।

 

আরব লীগের মহাসচিব নাবিল ফাহমি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি নিরাপত্তা পরিষদের ২৩৩৪ নম্বর প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করেন। ওই প্রস্তাবে ১৯৬৭ সাল থেকে অধিকৃত এলাকায় ইসরায়েলি বসতিকে ‘আইনি বৈধতাহীন’ বলা হয়েছে।

 

ফিলিস্তিনের জাতীয় পরিষদের সভাপতি রুহি ফাত্তুহ বলেন, ই১ প্রকল্পের দরপত্র প্রকাশের ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আরও কাছে চলে গেছে। এতে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ভিত্তি হুমকির মুখে পড়বে।

 

মঙ্গলবার ই১ এলাকায় ১ হাজার ২৩৪টি বাড়ি নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করে ইসরায়েল। ২০২৫ সালের আগস্টে ওই এলাকায় মোট ৩ হাজার ৪০১টি আবাসন ইউনিট নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

 

প্রায় ১২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ই১ এলাকা পূর্ব জেরুজালেম ও ইসরায়েলি বসতি মালে আদুমিমের মাঝামাঝি অবস্থিত। সেখানে নির্মাণকাজ হলে পশ্চিম তীরের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

ইসরায়েল ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে। বর্তমানে এসব এলাকায় প্রায় ৭ লাখ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী এবং প্রায় ৩৩ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করছে।

 

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অধিকাংশই এসব ইসরায়েলি বসতিকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন মনে করে। তবে ইসরায়েল এই অবস্থান প্রত্যাখ্যান করে।

 

ইসরায়েলের বসতি স্থাপনের বিরোধী সংগঠন পিস নাও বলেছে, সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে বসতি সম্প্রসারণ ও পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে।

 

সংগঠনটি আরও সতর্ক করেছে, ই১ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে খান আল-আহমারসহ কয়েকটি বেদুইন সম্প্রদায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে এবং অনেক বাসিন্দাকে তাদের জমি থেকে উচ্ছেদের ঝুঁকি তৈরি হবে।

 

সূত্র: শাফাক নিউজ

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের ই১ বসতি প্রকল্পে আন্তর্জাতিক ও আরব বিশ্বের তীব্র বিরোধিতা

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ই১ বসতি প্রকল্পের জন্য ইসরায়েলের দেওয়া নির্মাণ দরপত্র বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, কানাডা ও নরওয়ে। বৃহস্পতিবার রাতে ইরাকি বার্তা সংস্থা শাফাক নিউজ এ খবর জানিয়েছে।   বৃহস্পতিবার এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো বলেছে, ই১ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন অংশের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এতে ভবিষ্যতে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।   সাত দেশ ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছে। তারা বলেছে, আন্তর্জাতিক আইনে অধিকৃত এলাকায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপন অবৈধ।   একই সঙ্গে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই প্রকল্পের দরপত্রে অংশ না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রকল্পে অংশ নিলে আইনি ও সুনামগত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।   মিশর ও জর্ডানও ই১ প্রকল্পের নিন্দা জানিয়েছে। মিশর বলেছে, এই প্রকল্প পূর্ব জেরুজালেমের ওপর প্রভাব ফেলবে। জর্ডানের অভিযোগ, ইসরায়েল এই প্রকল্পের মাধ্যমে দখলদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে চাইছে।   আরব লীগের মহাসচিব নাবিল ফাহমি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি নিরাপত্তা পরিষদের ২৩৩৪ নম্বর প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করেন। ওই প্রস্তাবে ১৯৬৭ সাল থেকে অধিকৃত এলাকায় ইসরায়েলি বসতিকে ‘আইনি বৈধতাহীন’ বলা হয়েছে।   ফিলিস্তিনের জাতীয় পরিষদের সভাপতি রুহি ফাত্তুহ বলেন, ই১ প্রকল্পের দরপত্র প্রকাশের ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আরও কাছে চলে গেছে। এতে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ভিত্তি হুমকির মুখে পড়বে।   মঙ্গলবার ই১ এলাকায় ১ হাজার ২৩৪টি বাড়ি নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করে ইসরায়েল। ২০২৫ সালের আগস্টে ওই এলাকায় মোট ৩ হাজার ৪০১টি আবাসন ইউনিট নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।   প্রায় ১২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ই১ এলাকা পূর্ব জেরুজালেম ও ইসরায়েলি বসতি মালে আদুমিমের মাঝামাঝি অবস্থিত। সেখানে নির্মাণকাজ হলে পশ্চিম তীরের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   ইসরায়েল ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে। বর্তমানে এসব এলাকায় প্রায় ৭ লাখ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী এবং প্রায় ৩৩ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করছে।   আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অধিকাংশই এসব ইসরায়েলি বসতিকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন মনে করে। তবে ইসরায়েল এই অবস্থান প্রত্যাখ্যান করে।   ইসরায়েলের বসতি স্থাপনের বিরোধী সংগঠন পিস নাও বলেছে, সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে বসতি সম্প্রসারণ ও পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে।   সংগঠনটি আরও সতর্ক করেছে, ই১ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে খান আল-আহমারসহ কয়েকটি বেদুইন সম্প্রদায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে এবং অনেক বাসিন্দাকে তাদের জমি থেকে উচ্ছেদের ঝুঁকি তৈরি হবে।   সূত্র: শাফাক নিউজ

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিনের সংকট ও খাবারের অভাবে পশ্চিম এশিয়া ছাড়ল মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকন

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের পাশে তুরস্কের নৌবাহিনী এলে ‘ছিন্নভিন্ন’ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ভারতের

ছবি: সংগৃহীত

সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে মমতাকে দায়ী করলেন অমিত শাহ

ছবি: সংগৃহীত
পিতৃত্বের স্বীকৃতি, সাবেক কার সেলসম্যান হলেন বেলজিয়ামের রাজপুত্র

পিতৃত্বের আইনি স্বীকৃতি পাওয়ার পর বেলজিয়ামের রাজপুত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ২৬ বছর বয়সী সাবেক গাড়ি বিক্রেতা (কার সেলসম্যান) ক্লেমেন্ট ভ্যান্ডেনকারকহোভ। তিনি দেশটির রাজপুত্র লরেন্ট এবং বেলজিয়ান গায়িকা ওয়েন্ডি ভ্যান ওয়ান্টেনের সন্তান।   প্রায় ছয় মাস আগে নগর ভবনে এক অনুষ্ঠানে রাজপুত্র লরেন্ট আইনিভাবে তাকে নিজের সন্তান ও উত্তরাধিকারী হিসেবে মেনে নেন। তবে সম্প্রতি ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে। রাজপুত্রের স্বীকৃতি পেলেও তিনি কোনও রাজকীয় ভাতা পাবেন না এবং রাজপরিবারের উত্তরাধিকারের তালিকায়ও তার নাম থাকবে না। ফলে রাজকীয় কোনও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি অংশ নেবেন না।   নিজের বাবার পদবি স্যাক্স-কোবার্গ ব্যবহার করবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত নন ক্লেমেন্ট।   ওয়েন্ডি ভ্যান ওয়ান্টেনের আসল নাম আইরিস ভ্যান্ডেনকারকহোভ। ২০০৩ সালে প্রিন্সেস ক্লেয়ারকে বিয়ের আগে তার সঙ্গে রাজপুত্র লরেন্টের সম্পর্ক ছিল। ভ্যালেন্টাইন ড্রোন প্রামাণ্যচিত্রে ক্লেমেন্ট জানান, ২০১৩ সালে একটি শপিং সেন্টারে না চিনেও বাবার সঙ্গে তার হঠাৎ দেখা হয়েছিল। ১৬ বছর বয়সে মা তার কাছে বাবার পরিচয় প্রকাশ করেন। এরপর বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে ডিএনএ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেন তারা। পরীক্ষায় ৯৯.৫ শতাংশ ডিএনএ মিলে গেলে রাজপুত্র লরেন্ট তাকে সন্তান হিসেবে মেনে নেন।   লরেন্টের এই ডিএনএ পরীক্ষা তার বাবা সাবেক রাজা দ্বিতীয় অ্যালবার্টের কথা মনে করিয়ে দেয়। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ২০২০ সালে আলবার্ট তার এক কন্যা সন্তানকে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হন। সে সময় শিল্পী ডেলফাইন বোয়েল রাজকীয় অধিকার পান এবং তিনি নিজেকে ডেলফাইন ডি স্যাক্স-কোবার্গ হিসেবে পরিচয় দেন। ২০১৩ সালে বেলজিয়ামের আইন পরিবর্তনের পর থেকে শুধু কয়েকজন নির্দিষ্ট সদস্য রাজকীয় ভাতা পান।   সূত্র: বিবিসি

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির নেতাদের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত

আলাস্কায় যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত

ছবি: সংগৃহীত

হাসপাতাল থেকে আবারও কারাগারে ইমরান খান

ট্রাম্পের কঠোর অর্থনৈতিক চাপে কি নতি স্বীকার করবে ইরান?

ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করতে অর্থনৈতিক চাপ আরও জোরদার করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের তেল রাজস্ব ও আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেনের পথ বন্ধ করে দেশটির অর্থনীতিকে এমন পর্যায়ে নিতে চাইছে ওয়াশিংটন, যাতে ইরান শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের শর্তে সমঝোতায় আসতে বাধ্য হয়। তবে এই কৌশল কতটা কার্যকর হবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে চীনের ওপর।   প্রায় ছয় মাসের যুদ্ধের পর ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক অভিযান শুরু করেছেন ট্রাম্প। তিনি এটিকে ‘যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে এযাবৎকালের সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। শুধু ইরান নয়, দেশটির অর্থনীতিকে সচল রাখতে সহায়তা করা ব্যাংক, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন দেশের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।   ওয়াশিংটনের নতুন কৌশলের লক্ষ্য হলো ইরানকে বৈশ্বিক অর্থনীতি থেকে যতটা সম্ভব বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া। তেহরানের তেল বিক্রির আয়, ব্যাংকিং ব্যবস্থা, শিপিং নেটওয়ার্ক এবং নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর বিভিন্ন বাণিজ্যিক পথ বন্ধ করতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র।   তেল রপ্তানিতে বড় ধাক্কা   ইরানের বৈদেশিক আয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস তেল। তাই দেশটির তেল রফতানি বন্ধ করাই ট্রাম্পের পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।   ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধের কারণে দেশটির তেলবাহী ট্যাংকারে পণ্য বোঝাই ইতোমধ্যে ব্যাপকভাবে কমে গেছে। কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের তুলনায় ইরানের তেল চালান উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।   ইরানের তেল পরিবহনে সহায়তাকারী জাহাজ, ট্যাংকার, জাহাজ নিবন্ধনকারী প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।   এর পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে অর্থ লেনদেনে জড়িত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও চাপ বাড়ানো হচ্ছে। নগদ অর্থ স্থানান্তর, বিনিময় কেন্দ্র, ভুয়া বা বেনামি কোম্পানি এবং নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর বিভিন্ন বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ট্রাম্পের এই নীতিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্যর্থ নীতির’ ধারাবাহিকতা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তাঁর দাবি, অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানো হলে তা শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের জন্যই নতুন পরাজয় ডেকে আনবে। যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ ব্যবহারের অভিযোগও করেছেন তিনি।   কেন চীন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ   ট্রাম্পের পরিকল্পনার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হতে পারে চীনকে ঘিরে। ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় অবশিষ্ট ক্রেতা চীন। ফলে তেহরানের তেল বিক্রির পথ পুরোপুরি বন্ধ করতে হলে চীনা প্রতিষ্ঠান ও আর্থিক ব্যবস্থার ওপরও চাপ দিতে হবে ওয়াশিংটনকে।   এখানেই ট্রাম্পের জন্য তৈরি হচ্ছে বড় কূটনৈতিক ঝুঁকি। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে চীনের বড় ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে বেইজিংয়ের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত তৈরি হতে পারে। তবে চীনের মতো বড় ক্রেতার মাধ্যমে ইরানের তেল বিক্রি অব্যাহত থাকলে ট্রাম্পের ‘নজিরবিহীন বিচ্ছিন্নতা’ তৈরির পরিকল্পনা কতটা সফল হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন থাকবে।   এরই মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে তেহরানের অর্থনৈতিক যোগাযোগের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ সংকুচিত হয়েছে।   অর্থনৈতিক সংকটে ইরান   দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা ও যুদ্ধের প্রভাবে ইরানের অর্থনীতি ইতোমধ্যেই গভীর সংকটে রয়েছে।   আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের আশঙ্কা, চলতি বছর ইরানের অর্থনীতি ৫ শতাংশের বেশি সংকুচিত হতে পারে। এটি প্রায় চার দশকের মধ্যে দেশটির সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সংকোচন হতে পারে।   একই সময়ে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৮০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। ডলারের বিপরীতে ইরানি রিয়ালের দরও রেকর্ড পরিমাণ কমেছে। ফলে সাধারণ মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাসহ মৌলিক চাহিদা পূরণে ক্রমেই বেশি চাপের মুখে পড়ছেন।   তেলের ওপর নতুন করে অবরোধ পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে। অবরোধের বাইরে ইরানের কাছে এখনও প্রায় ৮ কোটি ব্যারেল তেল রয়েছে। এর বড় অংশ চীনে সরবরাহের জন্য নির্ধারিত। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী, এই তেল থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১৫০ কোটি ডলার আয় হতে পারে।   তবে দৈনিক প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল হারে তেল রপ্তানি হলে এই মজুত থেকে প্রায় চার মাসের রপ্তানি আয় পাওয়া সম্ভব।   কেপলারের অপরিশোধিত তেল বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান হোমায়ুন ফালাকশাহি ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিকে আকস্মিক পতনের বদলে ‘ধীর মৃত্যুর’ সঙ্গে তুলনা করেছেন।   অর্থনৈতিক চাপেই কি ভেঙে পড়বে তেহরান?   এখানেই ট্রাম্পের কৌশলের সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা। দশকের পর দশক ধরে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে টিকে থাকতে ইরান বিকল্প ব্যাংকিং ব্যবস্থা, শিপিং কোম্পানি, মধ্যস্থতাকারী ও বাণিজ্যপথের একটি জটিল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। ফলে নতুন নিষেধাজ্ঞা দেশটির অর্থনীতিতে বড় আঘাত করলেও তেহরান কত দ্রুত নতি স্বীকার করবে, তা নিশ্চিত নয়।   ইউরেশিয়া গ্রুপের সিনিয়র বিশ্লেষক গ্রেগরি ব্রু মনে করেন, ইরানের নেতৃত্ব আরও দীর্ঘ সময় অর্থনৈতিক দুর্ভোগ সহ্য করতে প্রস্তুত। তাঁর মতে, তেহরান বছরের পর বছর নিষেধাজ্ঞা এবং মাসের পর মাস যুদ্ধ সহ্য করেছে।   ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার গবেষণা বিভাগের ইরান শাখার সাবেক প্রধান ড্যানিয়েল সিট্রিনোভিচও মনে করেন, কেবল অর্থনৈতিক চাপের কারণে ইরান ভেঙে পড়বে— এমন ধারণা ভুল হতে পারে। তাঁর মতে, কঠোর অর্থনৈতিক চাপও তেহরানের কৌশলগত হিসাব-নিকাশে মৌলিক পরিবর্তন নাও আনতে পারে।   এখন পর্যন্ত অর্থনৈতিক সংকট সত্ত্বেও ইরানে এমন কোনো ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা যায়নি, যা সরাসরি দেশটির শাসনব্যবস্থার জন্য বড় হুমকি তৈরি করেছে।   এবার লড়াইটা সহনশীলতার   ট্রাম্পের পরিকল্পনা সফল হবে কি না, তা শেষ পর্যন্ত নির্ভর করতে পারে কোন পক্ষ বেশি সময় ধরে চাপ সহ্য করতে পারে তার ওপর।   ইরানের অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু তেহরান হয়তো হিসাব করছে, অর্থনৈতিক দুর্ভোগ, তেলের উচ্চমূল্য, যুদ্ধের রাজনৈতিক ব্যয় এবং আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের চাপ ট্রাম্পের জন্যও বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে।   যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের গড় দাম ইতোমধ্যে প্রতি গ্যালন ৪ ডলারের বেশি। ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে গিয়ে যদি তেলের বাজারে আরও অস্থিরতা তৈরি হয়, তাহলে তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে মার্কিন ভোক্তাদের ওপর।   অন্যদিকে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়লে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। তেলের দাম বাড়লে ট্রাম্পকে সামরিক সংঘাত আরও বাড়ানো অথবা দেশের অভ্যন্তরে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ মোকাবিলা— এই দুইয়ের মধ্যে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।   তাই ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের নতুন অর্থনৈতিক অভিযান কেবল নিষেধাজ্ঞার লড়াই নয়; এটি হয়ে উঠেছে দীর্ঘস্থায়ী সহনশীলতার প্রতিযোগিতা।   প্রশ্ন এখন শুধু যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর কতটা অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারবে, তা নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে— এই চাপের মধ্যে কোন পক্ষ আগে পিছু হটবে, ওয়াশিংটন নাকি তেহরান?

মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ২১, ২০২৬

ত্রাণকর্মী হত্যার তদন্ত বন্ধের ঘটনায় ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতকে তলব পোল্যান্ডের

নাইজেরিয়ায় নৌকাডুবিতে প্রাণ গেল ৪৬ জনের

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দরে আবারও ঊর্ধ্বগতি

0 Comments