বিশ্ব

গ্রেপ্তারের পর ছাড়া পেলেন অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন উইন্ডসর, তদন্ত চলবে

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬

সাবেক ব্রিটিশ রাজপুত্র অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরকে সরকারি পদে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অন্যান্য অভিযোগের সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হলেও তাকে পরে পরে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্ত চলমান থাকবে।

টেমস ভ্যালি পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে নরফোক থেকে ৬০ বছর বয়সী একজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বার্কশায়ার ও নরফোকের ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হয়েছে।

অ্যান্ড্রুর গ্রেপ্তারের প্রতিক্রিয়ায় রাজা চার্লস বলেছেন, ‘আইনকে অবশ্যই তার নিজস্ব গতিতে চলতে হবে।


’ পুলিশকে পূর্ণ সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। অ্যান্ড্রু রাজা চার্লসের ছোট ভাই।
পুলিশ আগে বলেছিল, তারা যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিন-এর সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্কের অভিযোগ এবং গোপন তথ্য লেনদেনের অভিযোগ যাচাই করছে। মার্কিন সরকার সম্প্রতি প্রকাশিত ফাইলেও এ সম্পর্কের তথ্য এসেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং নরফোকে তাদের তল্লাশিও শেষ হয়েছে। আইলসহ্যাম থানা থেকে বের হয়ে অ্যান্ড্রুকে গাড়ির পেছনের সিটে বসে যেতে দেখা গেছে।

প্রথমবার অ্যান্ড্র গ্রেপ্তার হলেন। যদিও তিনি সব সময় এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।


পুলিশ জানিয়েছে, ‘বিস্তারিত পর্যালোচনার’ পর একটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে।
ফেব্রুয়ারিতে একটি পৃথক অভিযোগে বলা হয়, ২০১০ সালে এপস্টিন আরেকজন নারীকে অ্যান্ড্রুর সঙ্গে যৌন সম্পর্কের জন্য যুক্তরাজ্যে পাঠিয়েছিলেন। ওই নারীর বয়স তখন ২০-এর মধ্যে ছিল এবং তিনি ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন না।

বিবিসি নিউজ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের আগে টেমস ভ্যালি পুলিশ হোম অফিসকে আগাম জানিয়েছিল। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় স্যান্ড্রিংহামে গ্রেফতারের ঘটনাটি যৌন অপরাধের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত ছিল না।


উইন্ডসর গ্রেট পার্কে অ্যান্ড্রুর পুরনো বাড়ি ‘রয়েল লজ’-এও পুলিশ তল্লাশি চালিয়েছে। সেখানে গেটের বাইরে কয়েকজন ইউনিফর্মধারী অফিসার দেখা গেছে।

‘জাতীয় নির্দেশিকা অনুসারে’ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়নি। মামলা চলমান থাকায় আদালত অবমাননার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে। সহকারী চিফ কনস্টেবল অলিভার রাইট বলেছেন, ‘মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। আমরা উপযুক্ত সময়ে নতুন তথ্য জানাবো।’

সাবেক ডিউক অ্যান্ড্রু ২০০১–২০১১ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তখন বিশ্বজুড়ে সরকারি ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগও পেয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ২০১০ সালে ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর এবং চীন সফরের সরকারি প্রতিবেদন এপস্টিনের কাছে পাঠিয়েছিলেন অ্যান্ড্রু।

রাজা চার্লস বলেছেন, তিনি ভাইয়ের গ্রেপ্তারের খবর ‘গভীর উদ্বেগের সাথে’ জেনেছেন। তিনি বলেন, ‘এটি পূর্ণাঙ্গ, ন্যায্য এবং যথাযথভাবে তদন্ত করা হবে। আইনকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে হবে।’ রাজা চার্লসের বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন ওয়েলসের যুবরাজ এবং রাজকুমারী।

অ্যান্ড্রুর ৬৬তম জন্মদিনে গ্রেপ্তারের আগে রাজা বা বাকিংহাম প্যালেস কাউকেই আগাম সতর্ক করা হয়নি বলে মনে করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারের মধ্যেও রাজপরিবার তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্কের কোনো অন্যায় কাজের অভিযোগ সবসময় অ্যান্ড্রু অস্বীকার করেছেন। ২০২২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দেওয়ানি মামলা দায়ের হওয়ার পর তিনি সামরিক উপাধি ও রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতা হারান। ২০২৫ সালের অক্টোবরে রাজকীয় উপাধি কেড়ে নেওয়া হয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রেপ্তারের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমি মনে করি এটা খুবই দুঃখজনক। আমার মনে হয় এটি রাজপরিবারের জন্য খুব খারাপ।’

সূত্র: বিবিসি বাংলা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বের সবচেয়ে দামি মিয়াজাকি আম লাগিয়ে বিপাকে কৃষক

গাছে ধরেছে এক দুষ্প্রাপ্য আম, যা আন্তর্জাতিক বাজারে কেজিপ্রতি বিক্রি হয় প্রায় ৩ লাখ রুপিতে! বিশ্বখ্যাত এই আম ফলিয়ে রাতারাতি সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে এসেছেন ভারতের ওডিশার এক কৃষক। তবে এমন মূল্যবান আম ফলিয়ে যেখানে খুশিতে আত্মহারা হওয়ার কথা, সেখানে এক অদ্ভুত বিপাকে পড়েছেন তিনি। এই আম কীভাবে, কার কাছে বিক্রি করবেন, তা ভেবে পাচ্ছেন না; আর সেই চিন্তায় এখন আবাদি খেতে বিনিদ্র রাত কাটছে তার।   ওডিশার মালকানগিরি জেলার তামাসা গ্রামের কৃষক দেবা পাধিয়ামি তার বাগানে সফলভাবে চাষ করেছেন জাপানি জাতের এই মিয়াজাকি আম। বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় চার বছর আগে এক সমাজকর্মীর কাছ থেকে এই আমের একটি চারা পেয়েছিলেন দেবা। বছরের পর বছর ধরে নানা প্রতিকূল আবহাওয়া ও কঠিন কৃষিকাজের মধ্যেও পরম যত্নে চারাটিকে বড় করে তোলেন তিনি। দীর্ঘদিনের ধৈর্য ও পরিশ্রমের পর অবশেষে সেই গাছে ফল এসেছে।   তবে এই বিরল ও মূল্যবান আম পাকার পর থেকেই দেবার মনে আনন্দ ছাপিয়ে ভর করেছে তীব্র আতঙ্ক আর দুশ্চিন্তা। তিনি জানান, চোরের ভয়ে তিনি এখন দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টা বাগান পাহারা দিচ্ছেন এবং রাত কাটানোর জন্য আস্ত খাট নিয়ে আমের গাছের নিচেই ঘুমানোর ব্যবস্থা করেছেন!   বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম ফলিয়েও দেবা এখনও জানেন না এই আমের জন্য কত দাম চাওয়া উচিত। মিয়াজাকির মতো বিলাসবহুল ফল অত্যন্ত নাজুক ও সংবেদনশীল হওয়ায় এর জন্য বিশেষ প্যাকেজিং এবং সঠিক পরিবহনের প্রয়োজন। সাধারণত শৌখিন সংগ্রাহক, অভিজাত ফলের দোকান, রফতানিকারক কিংবা নামী হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোই এই আমের মূল ক্রেতা। কোনও বিপণন ব্যবস্থা বা ক্রেতা খুঁজে না পাওয়ায় দেবা এখন এই আম বিক্রির জন্য সরকার ও কৃষি বিশেষজ্ঞদের সাহায্য এবং পরামর্শ কামনা করছেন।   ভারতে সাধারণত আমের মিষ্টি ও রসাল স্বাদের কদর থাকলেও মিয়াজাকি আমের আভিজাত্য সম্পূর্ণ আলাদা। বিশ্বজুড়ে এই আমটি তার গাঢ় লাল রঙ, চমৎকার স্বাদ এবং দুষ্প্রাপ্যতার জন্য সমাদৃত। সাধারণ হলুদ আমের চেয়ে ভিন্ন এই আম পাকার পর প্রায় উজ্জ্বল লাল বর্ণ ধারণ করে। এর বিশেষ আকৃতি ও উজ্জ্বল রঙের কারণে অনেকেই একে ‘ডাইনোসরের ডিম’-এর সঙ্গে তুলনা করেন।   জাপানের বিলাসবহুল ফলের বাজার ও নিলামে অত্যন্ত চড়া দামে বিক্রি হওয়া এই আমের প্রতিটি ফলের ওজন সাধারণত ৩৫০ গ্রামের বেশি হয় এবং এতে শর্করার পরিমাণ থাকে অন্তত ১৫ শতাংশ। নিখুঁত রঙ, মিষ্টি ও আকারের জন্য কঠোর গুণগত পরীক্ষা পার করার পরই জাপানে একে ‘তায়েও নো তামাগো’ বা ‘সূর্যের ডিম’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।   সূত্র: এনডিটিভি

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৮, ২০২৬

আর্সেনাল পাঞ্জাবিতে ঈদের নামাজ মামদানির, ব্রঙ্কসে বাংলাদেশিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা

লন্ডনে ক্রয়ডনের নতুন সিভিক মেয়র: ব্রিটিশ-বাংলাদেশি মুহাম্মদ ইসলাম

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন জানালেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আর্মেনিয়ার আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও প্রার্থী নিকোল পাশিনিয়ানকে সমর্থন জানিয়েছেন। জনমত জরিপ অনুযায়ী এই নির্বাচন খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে যাচ্ছে।   খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।   আগামী ৭ জুনের পার্লামেন্ট নির্বাচনকে আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান-এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ এই নির্বাচন তার সেই নীতির ওপর জনগণের মতামত যাচাই করবে। যেখানে তিনি আর্মেনিয়ার রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার চেষ্টা করছেন।   দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলটি এখনো ২০২৩ সালে আজারবাইজানের সামরিক অভিযানের পর কারাবাখ অঞ্চল দখল এবং সেখানে বসবাসকারী প্রায় ১ লাখ জাতিগত আর্মেনিয়ানের ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির প্রভাব কাটিয়ে উঠতে পারেনি।   মার্কিন মধ্যস্থতায় একটি শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে আর্মেনিয়া তার ভূখ-ের মধ্য দিয়ে একটি ট্রানজিট করিডোর স্থাপন করতে সম্মত হয়েছে, যা আজারবাইজানকে তার নাখচিভান ছিটমহলের সাথে সংযুক্ত করবে। এই করিডোরকে ট্রাম্প রুট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি (ট্রিপ) নামে উল্লেখ করা হচ্ছে।    ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লিখেছেন, ‘শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্র ও আর্মেনিয়া একসঙ্গে এই প্রকল্পের ভিত্তি স্থাপন করবে,’ যা দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলে বড় পরিবর্তন আনবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি কোম্পানিগুলোকে মধ্য এশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত প্রবেশের সুযোগ দেবে।   তিনি পাশিনিয়ানকে ‘একজন ভালো বন্ধু ও নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, তিনি তার দেশকে ‘শক্তিশালী, ধনী এবং আরও নিরাপদ’ করছেন।   ট্রাম্প আরও লেখেন, ‘নিকোল সম্পূর্ণভাবে আমার শান্তি ও সমৃদ্ধির দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে একমত।’   তিনি ঘোষণা করেন, ‘এই কারণে, আমি ৭ জুন ২০২৬ সালের নির্বাচনে নিকোল পাশিনিয়ানকে সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক সমর্থন দিচ্ছি।’   মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাঁর কয়েকদিনের ভারত সফর শেষে আর্মেনিয়া সফরের একদিন পর এই সমর্থনটি আসে।   ট্রাম্প আরও দাবি করেন, রুবিও দুই দেশের জন্য বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি এগিয়ে নিয়েছেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কেনিয়ার স্কুলে আগুন, বিপুল শিক্ষার্থীর প্রাণহানির আশঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাব: আতঙ্ক, অবিশ্বাস ও মৃত্যুর ছায়া

ছবি: সংগৃহীত

লন্ডনের ইহুদি অধ্যুষিত গোল্ডার্স গ্রিনে অগ্নিকাণ্ড

ছবি: সংগৃহীত
জাপানে নতুন গোয়েন্দা কাউন্সিল গঠনের আইন পাস

জাপানের সংসদ বুধবার একটি আইন পাস করেছে, যার মাধ্যমে দেশটির নিরাপত্তা সক্ষমতা জোরদার করতে একটি নতুন গোয়েন্দা কাউন্সিল গঠন করা হবে। এটি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির নিরাপত্তা নীতিকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।   খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।   জাপানের কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন যে বিদেশি গুপ্তচরবৃত্তি ঠেকানো, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, সংবেদনশীল প্রযুক্তি সুরক্ষা ও জাতীয় নিরাপত্তাকে অধিকতর উন্নত করতে গোয়েন্দা সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।   গুপ্তচরবৃত্তির বিরুদ্ধে জাপানের বর্তমান নীতি ও আইন প্রয়োগকে অনেকেই তুলনামূলকভাবে যথেষ্ট কঠোর নয় বলে মনে করেন। এই কারণে কিছু সমালোচক জাপানকে ‘গুপ্তচরদের স্বর্গ’ বলেও অভিহিত করে থাকেন।   চীন-জাপান কূটনৈতিক উত্তেজনার পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়।  বিশেষ করে গত, নভেম্বরে  প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি মন্তব্য করেছিলেন যে চীন যদি তাইওয়ান দখলের চেষ্টা করে, তবে জাপান সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারে। আর এরপর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়।   মঙ্গলবার সংসদে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেন, নতুন ব্যবস্থা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা গোয়েন্দা কার্যক্রমÑ যেমন পুলিশ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজ একত্রিত করতে সহায়তা করবে।   তিনি আরও বলেন, ‘শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখার পাশাপাশি আগে থেকেই বড় ধরনের সংকট ঠেকাতে নীতি নির্ধারকদের জন্য শক্তিশালী গোয়েন্দা সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’   নতুন আইনের অধীনে বিদ্যমান গোয়েন্দা সংস্থাকে উন্নীত করে একটি কেন্দ্রীয় কাঠামো তৈরি করা হবে, যা নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করবে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

লাওসের গুহায় আটকে পড়া ৭ জনকে উদ্ধারে প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন ডুবুরিরা

হামাসের আল কাশেম ব্রিগেড প্রধান মোহাম্মএদ ওদেহ। ছবি: সংগৃহীত

সদ্য নিয়োগ পাওয়া হামাস প্রধানকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

ছবি : সংগৃহীত

আব্রাহাম চুক্তি : ট্রাম্পের আহ্বান নাকচ করল সৌদি আরব ও পাকিস্তান

0 Comments