সারাদেশ

গাইবান্ধায় ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই জনের

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ০৫, ২০২৬ 0
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

 

গাইবান্ধার ট্রাকের ধাক্কায় অপর একটি ট্রাকের চালক ও হেলপার (সহকারী) নিহত হয়েছেন। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত ৮ টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের গোপিনাথপুর এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত দুইজনের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের বুনোতলা গ্রামের চান মিয়া (৫৫)।


নিহত অপর ব্যক্তির পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 
স্থানীয়রা জানান, ঘটনার সময় গোপীনাথপুরে মহাসড়কের পাশে একটি পাথরবোঝাই ট্রাক দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় একটি বালুবাহী ট্রাক পেছন থেকে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বালুবাহী ট্রাকটির চালক ও সহকারী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।


এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার তৎপরতা শুরু  করেছে। নিহতদের সর্ম্পকে জানতে পুলিশ কাজ করছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
পরিচ্ছন্নতাকর্মীর দেওয়া ইনজেকশনে নবজাতকের মৃত্যু

হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর দ্বারা ইনজেকশন পুশ করানোর পর এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত ১০টার দিকে সদর হাসপাতালের স্ক্যানু ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।   নিহত নবজাতকের বাবা রফিক মিয়া বানিয়াচং উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। নবজাতকের বাবা বলেন, আমার ছেলেটা জন্মের সময় একদম সুস্থ ছিল। কিন্তু হাসপাতালের অবহেলায় আমার সন্তানকে হারাতে হলো। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন বলে জানান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে রফিক মিয়ার স্ত্রী খাদিজা আক্তারের প্রসব ব্যথা ওঠে। পরে তাকে শহরের সেন্ট্রাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পিজি হাসপাতালের অধ্যাপিকা তৃপ্তি দাশের তত্ত্বাবধানে তার সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। স্বজনদের দাবি, জন্মের সময় নবজাতকটি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু ইনজেকশন দেওয়ার প্রয়োজন হওয়ায় শিশুটিকে পরে সদর হাসপাতালের শিশুদের স্ক্যানু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। রফিক মিয়ার অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি করার পর সারাদিন ও রাতভর নবজাতকটি সুস্থ অবস্থায় ছিল। কিন্তু শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে নার্সের পরিবর্তে হাসপাতালের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী শিশুটিকে একসঙ্গে দুটি ইনজেকশন পুশ করেন। ইনজেকশন দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই নবজাতকের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় অভিযুক্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মী ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন। ঘটনার পরপরই হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করলে সেখানে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সদর হাসপাতালে এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়। এর আগে নানা অভিযোগ উঠলেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে সংশ্লিষ্টদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতা দিন দিন বেড়ে চলেছে। স্থানীয়রা দাবি করেন, অনেক সময় চিকিৎসকের পরিবর্তে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা রোগীর প্রেসক্রিপশন লিখে দেন। একইভাবে নার্স বা ব্রাদারের দায়িত্ব থাকলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে ওয়ার্ড বয়, ঝাড়ুদার বা পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ইনজেকশন পুশসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজ করে থাকেন। এতে চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং রোগীদের জীবনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক চিকিৎসক বলেন, নবজাতকের মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ভুল চিকিৎসা বা ভুল ওষুধ প্রয়োগে মৃত্যু হয়েছে কিনা, তা তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়। স্বজনরা অভিযোগ করতে পারেন, তবে প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত প্রয়োজন। মর্মান্তিক এ ঘটনার পর হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সাধারণ মানুষের দাবি, দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ০৭, ২০২৬ 0
এএসপি জহিরুল ইসলাম ।  ছবি : সংগৃহীত

এএসপি জহিরুল ইসলাম ক্লোজড

জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে কুয়াকাটার বিভিন্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ জেলিফিশ ভেসে এসেছিল।

কুয়াকাটায় ঢেউয়ের সঙ্গে ভেসে আসছে মৃত জেলিফিশ

নাশকতা মামলায় চট্টগ্রামে সাবেক শিবির নেতা গ্রেপ্তার

নাশকতা মামলায় চট্টগ্রামে সাবেক শিবির নেতা গ্রেপ্তার

সংগৃহীত ছবি
টঙ্গীতে আধিপত্য বিস্তারে দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি হামলা, আহত ২

  গাজীপুরের টঙ্গীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের বাইরে ও ভেতরে দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি হামলায় উভয় পক্ষের দুজন আহত হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত ১০টার দিকে স্থানীয় মধ্য আরিচপুর ও টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল  হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মানিক মিয়া (৪৭) ও মফিজ মিয়া (৩৫)। আহত মানিক জানায়, রাত ১০টার দিকে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন ৫৬নং ওয়ার্ডের মধ্য আরিচপুর শাহী মসজিদের সামনে রেললাইনের ওপর কালা, জয়, আমান, মফিজ, পাউডার মাসুদ, মিমসহ কতিপয় দুষ্কৃতিকারীরা হামলা করে তাকে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এদিকে উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষই টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে উত্তেজিত হয়ে মানিকের লোকজন প্রতিপক্ষ মফিজকে মারধর করে আহত করে। এ সময় টঙ্গী পূর্ব থানার এস আই বায়েজিদ নেওয়াজ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, দুটি মাদক বস্তি এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই পাল্টাপাল্টি হামলা হয়েছে। এরা দুই পক্ষই স্থানীয় এক বিএনপি নেতার অনুসারী। টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান কালের কণ্ঠকে বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মারিয়া রহমান মার্চ ০৭, ২০২৬ 0
গ্রেপ্তার জাহিদুল ইসলাম

গোবিন্দগঞ্জে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

ছবি : সংগৃহীত

স্ত্রী-কন্যাকে হত্যার পর আত্মহত্যা করলেন যুবক

ছবি : সংগৃহীত

স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের অপেক্ষায় তারাগঞ্জবাসী

টঙ্গী বাজারের রাবেয়া মার্কেটে আগুন

  গাজীপুরের টঙ্গী বাজারের রাবেয়া মার্কেটে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দিবাগত রাত ১২টার পর পর এই আগুনের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত ১২টার দিকে টঙ্গী বাজারের রাবেয়া মার্কেটে হঠাৎ আগুন লাগে। আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দারা যার যার মতো করে সাধ্যমতো আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। রাত পৌনে ১২টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অপরাধ দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার মহিউদ্দিন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

মারিয়া রহমান মার্চ ০৬, ২০২৬ 0

একযোগে এনসিপির সাত নেতার পদত্যাগ

মেঘনা ও পদ্মা অয়েল ডিপোতে নেই তেলের সংকট

চুরির অভিযোগে পিটিয়ে হত্যা : প্রধান আসামি ইউপি সদস্য সেলিম গ্রেপ্তার

0 Comments