বিশ্ব

এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় অধিকতর তদন্তের দাবি পাইলটদের

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ০৫, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

গত বছরের ভয়াবহ এয়ার ইন্ডিয়া বিমান দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে পাইলটের ভুল নয়, বরং বৈদ্যুতিক ত্রুটি দায়ী হতে পারে বলে দাবি করেছে ভারতের একটি পাইলট সংগঠন। 

এ বিষয়ে তারা বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে।

৫ সহস্রাধিক সদস্যের ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান পাইলটস (এফআইপি), চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের আগে তাদের এই প্রস্তাবনা সামনে এলো। 

২০২৫ সালের ১২ জুন উড্ডয়নের পরপরই বিধ্বস্ত হওয়া বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার। ওই দুর্ঘটনায় ২৬০ জন আরোহীর মৃত্যু হয়।

মুম্বাই থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, ভারতের এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) দুর্ঘটনার এক মাস পর ১২ জুলাই একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। 

পশ্চিম ভারতের আহমেদাবাদ থেকে উড্ডয়নের পরপরই বিমানটি বিস্ফোরিত হয়।

ওই ১৫-পৃষ্ঠার নথিতে বলা হয়েছে, উড্ডয়নের ঠিক আগ মুহূর্তে জেটটির ইঞ্জিনগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, যা পাইলটের সম্ভাব্য ভুলের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

এতে উল্লেখ করা হয়নি যে জ্বালানি সুইচগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়াটা পাইলটের কৌশলের কারণে, না কি অন্য কোনো ধরণের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে হয়েছিল।

এএফপি’র দেখা, ১ মে তারিখের এফআইপি’র চিঠিতে একটি কারিগরি নোট দেওয়া হয়েছে, যা একটি বিশ্বাসযোগ্য কারণ খুঁজে পেতে আরও তদন্তের প্রয়োজন— এমন ইঙ্গিত দেয়।

এতে লেখা আছে, ‘উড্ডয়নের ঠিক আগে কোনো বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে, পাইলটের হস্তক্ষেপ ছাড়াই অনিচ্ছাকৃতভাবে রিলে চালু হয়ে যেতে পারে এবং দুটি ইঞ্জিনেরই জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’

দুর্ঘটনার এক বছরের মধ্যেই আগামী মাসে চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সৌদি আরবে শুটিংয়ে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ হলিউড অভিনেতার

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেতা জানকার্লো এস্পোসিতো। টেলিভিশন সিরিজ ‘ব্রেকিং ব্যাড’-এ ‘গাস ফ্রিং’ চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া এই অভিনেতা সৌদি আরব সফরের সময় ইসলামে দীক্ষিত হন। সৌদি আরবের জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান তুর্কি আল-শেখ সামাজিক মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।    তুর্কি আল-শেখ জানান, জানকার্লো এস্পোসিতো আনুষ্ঠানিকভাবে কালেমা শাহাদাত পাঠ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। এরপর মরক্কোর একটি মসজিদে তার শুটিং ইউনিটের সদস্যদের সঙ্গে নামাজেও অংশ নেন বলেও জানান।    ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে এই অভিনেতাকে মসজিদের ভেতর প্রোডাকশন টিমের সদস্যদের সঙ্গে সারিবদ্ধভাবে নামাজ আদায় করতে দেখা গেছে।   সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবে অবস্থানকালে সেখানকার মুসলিম জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা এবং তাদের জীবনযাত্রা জানকার্লোকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। বিশেষ করে শুটিং চলাকালীন স্থানীয়দের আতিথেয়তা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ তাকে মুগ্ধ করেছে; যা শেষ পর্যন্ত তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে অনুপ্রাণিত করে।    বর্তমানে তিনি সৌদি আরবে নির্মাণাধীন বড় বাজেটের চলচ্চিত্র ‘সেভেন ডগস’-এর শুটিংয়ের কাজে সেখানে অবস্থান করছেন।   কয়েক দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে জানকার্লো এস্পোসিতো হলিউডের অসংখ্য চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন সিরিজে অভিনয় করেছেন। তবে ‘ব্রেকিং ব্যাড’, ‘বেটার কল সল’ এবং ‘দ্য ম্যান্ডালোরিয়ান’ সিরিজে তার অভিনয় বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মাঝে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। বিশেষ করে ‘গাস ফ্রিং’ চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য তিনি আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতি অর্জন করেন এবং একাধিক মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের মনোনয়ন পান।   সূত্র : সৌদি গ্যাজেট

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে না : নেতানিয়াহু

ছবি : সংগৃহীত

১৫ বছরের কম বয়সীদের সামাজিকমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

লেবাননে ইরানি প্রক্সিদের তৎপরতা বন্ধ না হলে ফের হামলা: ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত
হরমুজে টোল নেবে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান নয়: ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালিতে চলমান ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি মেয়াদে কোনো ধরনের নৌ-টোল বা ফি আরোপ করা হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে চূড়ান্ত চুক্তি না হলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই ফি আরোপ করতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।   শনিবার (২০ জুন) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, কোনো টোল থাকবে না। যদি না তা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে আরোপ করা হয়।   তিনি জানান, ৬০ দিনের অন্তর্বর্তীকালীন সময় শেষ হওয়ার পরও যদি একটি চূড়ান্ত চুক্তি না হয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র যে অভিভাবকসুলভ ভূমিকা পালন করেছে, তার ব্যয় আদায়ের জন্য ফি আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।   ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের এক ঘোষণার পর ট্রাম্প এই মন্তব্য করলেন। সেখানে দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করেছে এবং লেবাননে ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হবে।   তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। সেন্টকম জানিয়েছে, চুক্তির সব শর্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে মার্কিন বাহিনী সতর্ক ও সক্রিয় রয়েছে এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক আছে।   সেন্টকমের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে নেই।   বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) উল্লেখযোগ্য অংশ পরিবাহিত হয়। ফলে এই নৌপথে যেকোনো উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলবে। সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ফ্লুর থাবা, আক্রান্ত ২০০

পাঁচ দিনের যুদ্ধ প্রস্তুতি মহড়া পরিচালনা করবে তাইওয়ান। ছবি : সংগৃহীত

চীনা যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ, পাঁচ দিনের যুদ্ধ মহড়ায় তাইওয়ান

ছবি : সংগৃহীত

বড় সংকটে ক্যালিফোর্নিয়া, জারি হলো জরুরি অবস্থা

ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েলিদের বড় অংশই শঙ্কিত: যুদ্ধে ইরান লাভবান হয়েছে, দুর্বল হয়েছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা

সাম্প্রতিক যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তির পর ইরান আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে বলে মনে করেন অধিকাংশ ইসরায়েলি। রোববার (২১ জুন) প্রকাশিত এক জনমত জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।   জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয় এবং আগাম ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এ জরিপে ৩ হাজার ৬৪৪ জন অংশ নেন। জরিপটি ১৭ থেকে ২০ জুনের মধ্যে পরিচালিত হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পর ইসরায়েলিদের জনমতের একটি চিত্র ফুটে উঠেছে। খবর আল জাজিরার।   জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৯২ দশমিক ১ শতাংশ মনে করেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরানই জয়ী হয়েছে বা বেশি সুবিধা পেয়েছে। অন্যদিকে ৮২ দশমিক ৯ শতাংশের মতে, এ পরিস্থিতির ফলে ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা দুর্বল হয়েছে।   জরিপে আরও দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থি জোটের সমর্থকদের মধ্যেও একই ধরনের মনোভাব রয়েছে। এ গোষ্ঠীর ৯৩ দশমিক ১ শতাংশ মনে করেন, যুদ্ধে ইরানই লাভবান হয়েছে।     এদিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির বিরোধিতাও ছিল ব্যাপক। জরিপে অংশ নেওয়া ৬৩ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ চুক্তির বিরোধিতা করেছেন। বিপরীতে মাত্র ১২ দশমিক ১ শতাংশ এ চুক্তির পক্ষে মত দিয়েছেন।

মারিয়া রহমান জুন ২১, ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

ভোটের বিপর্যয়ের পর এবার বড় ধাক্কা: তৃণমূলের ৪৪০ কোটি রুপির অ্যাকাউন্ট অবরুদ্ধ

সংগৃহীত ছবি

ইরান নয়, হরমুজে টোল নিলে যুক্তরাষ্ট্র নেবে

ছবি : সংগৃহীত

‘নিজের জনপ্রিয়তার দিকে নজর দিন’: ছবি তোলা বিতর্কে ট্রাম্পকে মেলোনির কড়া জবাব

0 Comments