প্রবাসী

দেশে ফেরা হলো না ইতালিপ্রবাসী ফখরুলের, বিমানে অসুস্থ হয়ে জর্জিয়ায় মৃত্যু

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ সাত বছর ইতালিতে কর্মজীবন শেষে পরিবারের কাছে ফেরার উদ্দেশ্যে দেশে রওনা দিয়েছিলেন মৌলভীবাজারের ফখরুল ইসলাম। কিন্তু সেই ফেরা আর হলো না। বাংলাদেশে আসার পথে বিমানে অসুস্থ হয়ে পড়লে জরুরি অবতরণের পর জর্জিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 

নিহত ফখরুল ইসলাম মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌর এলাকার মহুবন্দ গ্রামের বাসিন্দা এবং আবদুল অকিদের ছেলে।

 

পারিবারিক সূত্র জানায়, টার্কিশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ইতালি থেকে দেশে ফিরছিলেন ফখরুল। যাত্রাপথে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পাইলট জরুরি ভিত্তিতে জর্জিয়ায় বিমান অবতরণ করান। পরে দ্রুত তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। গত সোমবার (১৩ জুলাই) তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

 

ফখরুলের মামা লাল মিয়া জানান, সোমবার রাতেই তারা মৃত্যুর খবর পান। বর্তমানে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুত মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

 

ফখরুলের মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর শোকের ছায়া নেমে আসে মহুবন্দ গ্রামে। স্বজন, প্রতিবেশী ও বন্ধুদের মধ্যে গভীর শোক বিরাজ করছে। পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে দীর্ঘদিন প্রবাসে পরিশ্রম করা এই তরুণের এমন আকস্মিক মৃত্যু স্থানীয়দেরও মর্মাহত করেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

প্রবাসী

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
আবহা বিমানবন্দরে হামলার প্রভাব, সৌদিতে বাতিল হচ্ছে একের পর এক ফ্লাইট

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো একাধিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় কানাডা, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের নাগরিকদের জন্য নতুন ভ্রমণ সতর্কতাও জারি করেছে।   গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১৫ জুলাই) আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অন্তত ১১টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এর মধ্যে রিয়াদ ও জেদ্দাগামী চারটি করে, দুবাইগামী দুটি এবং শারজাহগামী একটি ফ্লাইট রয়েছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে সৌদিয়া এয়ারলাইনস, ফ্লাইআদেল, ফ্লাইদুবাই ও এয়ার অ্যারাবিয়ার সেবাও রয়েছে।   এর আগের দিন মঙ্গলবারও একই বিমানবন্দর থেকে রিয়াদ, জেদ্দা, দুবাই ও শারজাহগামী অন্তত ১০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল।   নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় কানাডা সরকার সৌদি আরব ভ্রমণসংক্রান্ত নির্দেশনা হালনাগাদ করেছে। বিশেষ করে আসির প্রদেশের আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইয়েমেন সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চল এবং সৌদি আরবের কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।   একই ধরনের সতর্কতা দিয়েছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রও। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর ইয়েমেন সীমান্তবর্তী এলাকায় ভ্রমণ না করার আহ্বান জানিয়েছে এবং সরকারি পরামর্শ অমান্য করলে ভ্রমণবিমার সুবিধা বাতিল হতে পারে বলে সতর্ক করেছে। এছাড়া সামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থেকে দূরে থাকার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।   অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের জন্য পূর্বঘোষিত ‘লেভেল-৩’ ভ্রমণ সতর্কতা বহাল রেখেছে এবং নাগরিকদের ভ্রমণ পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কিছু অঞ্চলের জন্য ‘লেভেল-৪’ বা ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনাও কার্যকর রয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) উপসাগরীয় অঞ্চলে বিমান চলাচলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৬, ২০২৬

সৌদি প্রবাসীদের সরকারি লোগো ব্যবহারে সতর্ক করল জেদ্দা কনস্যুলেটের

ছবি: সংগৃহীত

সৌদির কারখানায় মেশিন দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাংলাদেশি কর্মীর

ছবি: সংগৃহীত

দেশে ফেরা হলো না ইতালিপ্রবাসী ফখরুলের, বিমানে অসুস্থ হয়ে জর্জিয়ায় মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশি দুই ভাই

সৌদি আরবে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের দুই সহোদর ফয়েজ আহমেদ সজীব (২৯) ও ফরহাদ হোসেন সুজন (২১) নিহত হয়েছেন। তাদের মৃত্যুর খবরে নিজ গ্রাম গণিপুরে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।   বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টার দিকে রিয়াদ থেকে জেদ্দাগামী সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুই ভাই লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার গণিপুর গ্রামের বাসিন্দা ব্যবসায়ী আব্দুল মালেকের সন্তান।   পারিবারিক সূত্র জানায়, সৌদি আরবে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সজীব ও সুজন। ব্যবসায়িক মালামাল সংগ্রহের জন্য তারা রিয়াদে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে তাদের বহনকারী প্রাইভেটকারের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে গাড়িটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই ভাই গুরুতর আহত হন। পরে তাদের মৃত্যু হয়।   দুই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছানোর পর পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম শুরু হয়। বিশেষ করে তাদের মা ও স্বজনরা গভীর শোকে ভেঙে পড়েছেন।   নিহতদের বাবা আব্দুল মালেক সবার কাছে তার দুই ছেলের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া চেয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি তাদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।   চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

যেভাবে হজে যেতে পারবেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমিক নিয়োগে নতুন নীতিমালা, বদলে যাচ্ছে কোটা অনুমোদনের প্রক্রিয়া

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশসহ ৭ দেশের জন্য সৌদির নতুন ভিসা সুবিধা

ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় নির্মাণকাজের সময় ক্রেনের নিচে পড়ে প্রাণ গেল বাংলাদেশি কর্মীর

মালয়েশিয়ার জোহর বাহরুতে নির্মাণাধীন একটি ভবনে কাজ করার সময় দুর্ঘটনায় মো. শোয়েব বিশ্বাস (২৩) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) স্থানীয় সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।   নিহত শোয়েব বিশ্বাস ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের সুরুতিয়া গ্রামের বাসিন্দা। পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, তিনি একটি নির্মাণ প্রকল্পে অগ্নিনির্বাপক পাইপ স্থাপনের কাজ করছিলেন। এ সময় একটি বুম ক্রেনের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।   কোম্পানির বাংলাদেশি প্রতিনিধির মাধ্যমে পরিবারের কাছে দুর্ঘটনার খবর পৌঁছানো হয়। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ বাংলাদেশে পাঠাতে প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।   পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়ায় যান শোয়েব। চলতি বছরের এপ্রিলে দেশে এসে বিয়ে করেন। ছুটি শেষে গত ১ জুলাই আবার কর্মস্থলে ফিরে যান। তবে কাজে যোগ দেওয়ার মাত্র ১০ দিনের মাথায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়।   ফরিদপুর জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের (প্রবাসী কল্যাণ কেন্দ্র) সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আশিক সিদ্দিকী বলেন, শোয়েব বৈধভাবে মালয়েশিয়ায় গিয়ে থাকলে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে দ্রুত মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিপূরণসহ প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক সহায়তা পেতে পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল কুমিল্লার প্রবাসী যুবক জিহাদের

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশিদের জন্য সহজ হলো সৌদি পর্যটক ভিসা, দূতাবাসে যেতে হবে না

ছবি: সংগৃহীত

পরিবারকে নিয়ে নতুন জীবনের স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই না ফেরার দেশে ফ্রান্সপ্রবাসী আলতাফ

0 Comments