জাতীয়

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,০৩২

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ০৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দেশে হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৩২ শিশু।

 

শনিবার (৬ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে ঢাকায় দুই শিশু এবং সিলেটে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে দেশে ৫২২ শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। একই সময়ে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে আরও ৯১ শিশু। ফলে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১৩ জনে।

 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে ৭৭ হাজার ৭৯১ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে ৬৩ হাজার ১৩৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৫৮ হাজার ৯৬৪ শিশু।

 

এ ছাড়া, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে ৯ হাজার ৬২০ শিশুর শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর কৌশলগত সম্পর্কের পথে প্রথম পদক্ষেপ: প্রধানমন্ত্রী

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের ঢাকা সফর বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ককে কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করার পথে প্রথম পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৫ জুন) দুপুরে বাংলাদেশ সফররত হাকান ফিদান তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ সন্ধ্যায় তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও এক্স হ্যান্ডলারে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সম্পর্ককে পরের ধাপে নেওয়ার অংশ হিসেবে দুই পক্ষ দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের অংশগ্রহণে প্রতিবছর ‘২+২ বৈঠক’ আয়োজনে সম্মত হয়েছে। এর পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক বৈঠক পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। অন্যদিকে, তিন দিনের সফর শেষে হাকান ফিদান নিজের এক্স হ্যান্ডলারে লিখেছেন, ‘তুরস্ক ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব কেবল অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে নয়; এটি এমন দুটি জাতির বন্ধুত্ব, যারা কঠিন সময়ে একে অপরের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে। আমরা ভবিষ্যতেও এই বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তুলব।’ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অধীনে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে। দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা ওই কমিটিতে প্রতিনিধিত্ব করবেন। বাংলাদেশে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তিন দিনের সফরের শেষ কার্যক্রম ছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ। তাদের আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। তবে আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন ও সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সফরের জন্য তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিকট ভবিষ্যতে দুই পক্ষের জন্য সুবিধাজনক সময়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিদান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। যা লিখেছেন হাকান ফিদান বাংলাদেশ সফর নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে নিজের এক্স হ্যান্ডলারে হাকান ফিদান লিখেছেন, ‘এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল সফরের চতুর্থ ও শেষ গন্তব্য ছিল বাংলাদেশ। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বিস্তারিত বৈঠক করেছি। পুরো সফরে আমরা বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনা প্রত্যক্ষ করেছি।’ তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিখেছেন, ‘ফেব্রুয়ারির নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে দেশটি একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে এবং বাংলাদেশের ভাইবোনেরা যাতে শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার মধ্যে বসবাস করতে পারেন, সে লক্ষ্যে যে ব্যাপক প্রচেষ্টা চলছে, সেটাও আমরা দেখেছি। আমরা উপলব্ধি করেছি যে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অত্যন্ত দৃঢ় ভিত্তির ওপর আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। ভবিষ্যতে আমরা সব ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং একই অঙ্গীকার নিয়ে বাংলাদেশের ভাইবোনদের পাশে থাকব।’ সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান হাকান ফিদান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খলিলুর রহমান অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরের সময় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে কক্সবাজার যান তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ নিয়ে তিনি বলেন, ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলমানকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ একটি বিশাল দায়িত্ব পালন করছে। রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী ও ন্যায়সংগত সমাধান খুঁজে বের করাই আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য। কক্সবাজারে আমরা তুরস্কের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, টিকা (টিআইকেএ), তুর্কি রেড ক্রিসেন্ট, তুরস্ক দিয়ানেত ফাউন্ডেশন এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমও সরেজমিনে ঘুরে দেখেছি। তুরস্ক-বাংলাদেশ মানবিক সহায়তা হাসপাতালে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গেও আমরা সাক্ষাৎ করেছি।’ তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, ‘তুরস্ক ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব কেবল অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে নয়; এটি এমন দুটি জাতির বন্ধুত্ব, যারা কঠিন সময়ে একে অপরের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে। আমরা ভবিষ্যতেও এই বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তুলব।’

মারিয়া রহমান জুন ০৬, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা আর বাসযোগ্য নয়, গ্রামের বাড়িতে থাকতে চাই: মির্জা ফখরুল

ছবি: সংগৃহীত

সীমান্তে বিজিবির কঠোর অবস্থানে পুশইন ব্যর্থ, ১৭ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

ছবি: সংগৃহীত
ভূমি কর্মকর্তাদের সম্পদের তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ - ভূমি মন্ত্রণালয়ের

মাঠপর্যায়ে কর্মরত ভূমি প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব সংগ্রহে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। আগামী ২৫ জুনের মধ্যে নির্ধারিত ছকে সম্পদের বিবরণী মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।   সম্প্রতি দেশের জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন রাজস্ব প্রশাসনে কর্মরত কানুনগো, সার্ভেয়ার, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে।   মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এর আগে উপজেলা ভূমি অফিস, রাজস্ব সার্কেল অফিস ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত বিভিন্ন শ্রেণির কর্মচারীদের সম্পদের বিবরণী পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানানো হলেও এখন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায়নি।   চিঠিতে আরও বলা হয়, মাঠপর্যায়ের ভূমি প্রশাসনে কর্মরত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব নির্ধারিত ছক অনুযায়ী প্রস্তুত করে আগামী ২৫ জুনের মধ্যে আবশ্যিকভাবে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।   এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সম্পদের হিসাব বিবরণী প্রস্তুতের জন্য নির্ধারিত ফরম্যাট বা ছকও চিঠির সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।   সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মাঠপর্যায়ের ভূমি প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে এই তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আক্তারুজ্জামান জুন ০৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বাজারে ওজন বিতর্ক, ৪০ কেজির বদলে ৫৪ কেজিতে ‘এক মণ’!

ছবি: সংগৃহীত

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,০৩২

ছবি: সংগৃহীত

ইউনূসের থ্রি ইডিয়টস

ছবি: সংগৃহীত
ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আজীবন সহায়তার ঘোষণা আদ্-দ্বীনের

রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দীর্ঘমেয়াদে থাকার অঙ্গীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরিবারগুলোর জন্য চিকিৎসা, শিক্ষা, চাকরি ও ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।   শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভুক্তভোগী পরিবার এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির।   ঘোষণা অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যরা—বাবা, মা, ভাই-বোন ও সন্তানরা—জীবনভর আদ্-দ্বীন হাসপাতাল এবং এর আওতাধীন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ওষুধ ছাড়া অন্যান্য চিকিৎসাসেবা বিনামূল্যে গ্রহণ করতে পারবেন।   এছাড়া আদ্-দ্বীন পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির যোগ্যতা অর্জনকারী পরিবারের সদস্যদের বিনা বেতনে লেখাপড়ার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে মেডিকেল কলেজ বা ব্যয়বহুল পেশাগত শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ বৃত্তি, টিউশন ফি মওকুফ অথবা আর্থিক সহায়তার বিষয়টি পৃথকভাবে বিবেচনা করা হবে।   হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, ভুক্তভোগী পরিবারের উপযুক্ত ও আগ্রহী সদস্যদের চাকরির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য সম্মানজনক ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও করা হবে।   অনুষ্ঠানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেয়।

আক্তারুজ্জামান জুন ০৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

প্রকল্পে জনগণ কতটা উপকৃত হচ্ছে, তার মূল্যায়ন জরুরি: মির্জা ফখরুল

রোববার খুলছে স্কুল-কলেজ। সংগৃহীত ছবি

রোববার থেকে খুলছে স্কুল-কলেজ

ছবি: সংগৃহীত

বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা

0 Comments