জাতীয়

ডোপ টেস্ট ‘পজিটিভ’ হলে সরকারি চাকরিতে অযোগ্য, নতুন বিধিমালা জারি

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

মাদকাসক্ত নিশ্চিত করতে ডোপ টেস্ট পরীক্ষার ফল পজিটিভ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সরকারি, আধা-সরকারি, স্থানীয় সরকার ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে অযোগ্য বিবেচিত হবেন। আর চাকরিরত হয়ে থাকলে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ অনুযায়ী তা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে। মাদকাসক্ত শনাক্ত হওয়ার পর নির্দেশনা অনুযায়ী চিকিৎসা না নিলে সেটিও হবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।


‘জৈব নমুনায় মাদকদ্রব্য শনাক্তকরণ (ডোপ টেস্ট) বিধিমালা-২০২৬’-এ এসব কথা বলা হয়েছে। গত সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।


উপসচিব মাহবুব আলম স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে ডোপ টেস্ট টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। সেখানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সভাপতি হবেন। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাদক অণুবিভাগের অন্যূন উপসচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন বিভাগের অধ্যাপক পদমর্যাদার প্রতিনিধি, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ–সিআইডির ডিআইজি (ফরেনসিক), ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল মেডিসিন সেন্টারের পরিচালক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালকসহ নয়জন বিশেষজ্ঞ কমিটিতে থাকবেন। প্রয়োজনে তারা সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবেন।


বিধিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি,

আধাসরকারি, স্থানীয় সরকার, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট প্রযোজ্য হবে। এসব প্রতিষ্ঠানে কেউ মাদক গ্রহণ করেন বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ হলে ডোপ টেস্ট করা যাবে। গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন চালানোর লাইসেন্স দেওয়া ও নবায়নের ক্ষেত্রে এবং কর্মরত অবস্থায় চালক মাদক গ্রহণ করেছেন সন্দেহ হলে এ পরীক্ষা করা যাবে।


স্থলযান ছাড়াও নৌযান ও আকাশযান চালানোর লাইসেন্স দেওয়া এবং নবায়নের ক্ষেত্রে, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া ও নবায়নের ক্ষেত্রে, বিদেশে যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের ক্ষেত্রে, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কারো বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ বা সন্দেহ থাকলে ডোপ টেস্ট প্রযোজ্য হবে।


পরীক্ষা নিয়ে সতর্কতা


বিধিমালা অনুযায়ী, যার ডোপ টেস্ট করা হবে, নমুনা দেওয়ার জন্য তাকে অবশ্যই নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিত থাকতে হবে। তার ছবি ও আঙুলের ছাপ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করতে হবে। নমুনা সংগ্রহ বা পরীক্ষার জন্য পাঠানোর সময় কোনো পক্ষকে অবহিত করা বা কোনো তথ্য দেওয়া যাবে না।


বিধিমালায় আরো বলা হয়, নমুনা পাঠানোর মোড়কে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম-ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র-পাসপোর্ট-জন্ম নিবন্ধন নম্বর বা প্রচলিত কোনো পরিচিতিমূলক তথ্য ব্যবহার করা যাবে না। নমুনা প্রেরণকারী কর্তৃপক্ষ বা তাদের মনোনীত প্রতিনিধি ছাড়া অন্য কাউকে পরীক্ষার ফল মৌখিক বা লিখিতভাবে জানানো যাবে না।


সতর্কতার অংশ হিসেবে বলা হয়েছে, ডোপ টেস্ট ল্যাবরেটরিতে কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া আর কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যাবে না। ল্যাবরেটরিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য ডিজিটাল ও ম্যানুয়াল উভয় পদ্ধতিতে রেজিস্ট্রার সংরক্ষণ করতে হবে। ল্যাবরেটরির ভেতরে, প্রবেশ ফটকে ও বাইরে অন্ধকারেও ভিডিওধারণে সক্ষম সিসি ক্যামেরা বসাতে ও সার্বক্ষণিক সচল রাখতে হবে।

 

ডেটাবেইজের সুরক্ষা


ল্যাবরেটরিতে সংগৃহীত নমুনার বিশ্লেষণপূর্ব ও পরবর্তী পরীক্ষার ফল ডোপ টেস্ট ডেটাবেইজে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। ডেটাবেইজ সুরক্ষিত রাখতে হবে এবং তথ্য সংরক্ষণের বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে। যাতে যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণে ডেটাবেইজ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বিকল্প উপায়ে পুনরায় উদ্ধার করা যায়।বিধিমালার উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে ডোপ টেস্ট ল্যাবরেটরির ডেটাবেইজে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া কারো প্রবেশাধিকার থাকবে না। কোনো ব্যক্তি নমুনা সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ বা সম্পর্কিত কোনো বিষয়ে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে, তা দায়িত্বে অবহেলা বা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে।


উল্লেখ্য, বিধিমালা সদ্য পাস হলেও কিছু সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কয়েক বছর ধরেই ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করেছিল। এখন বিধি হওয়ার ফলে এর আওতায় থাকা সবার জন্য এটি বাধ্যতামূলক হলো।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি সংশোধন করে প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
স্কুলের সংশোধিত ছুটির তালিকা প্রকাশ

সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি সংশোধন করে প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।  বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন এই তালিকা অনুযায়ী, শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি ব্যতিরেকে বছরে ছুটি থাকবে মোট ৬৭ দিন। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, বড় ছুটির মধ্যে পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত টানা ৩৬ দিন (সাপ্তাহিক ছুটিসহ) বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। যা আজ থেকেই শুরু হয়েছে। এছাড়া ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের জন্য ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ১০ দিন এবং বছরের শেষে শীতকালীন অবকাশ ও বড়দিন উপলক্ষে ২০ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮ দিন ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় দিবসের জন্য নির্দিষ্ট দিবসগুলোতে ছুটি থাকবে। প্রজ্ঞাপনে ছুটির তালিকার পাশাপাশি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচিও ঘোষণা করা হয়েছে।   সে অনুযায়ী অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা ২৮ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে। নির্বাচনি পরীক্ষা ২৮ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর এবং বার্ষিক পরীক্ষা ১৯ নভেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের জন্য মন্ত্রণালয় নির্দিষ্ট তারিখও নির্ধারণ করে দিয়েছে।   পরীক্ষা সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার সময়কাল ১২ কর্মদিবসের বেশি হবে না। বিদ্যালয়গুলোকে নিজস্ব প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিতে হবে; কোনোভাবেই বাইরে থেকে সংগৃহীত প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। বিশেষ কারণ ছাড়া পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা নিষিদ্ধ, তবে একান্ত প্রয়োজনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পূর্বানুমতি নিতে হবে।  এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন বা সংবর্ধনা উপলক্ষে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া বা শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ রাখা যাবে না। এমনকি পরিদর্শনের সময় শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।   তবে ভর্তি কার্যক্রম বা অন্য পরীক্ষার প্রয়োজনে ছুটির দিনেও বিদ্যালয় খোলা রাখা যাবে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু। ছবি : সংগৃহীত

পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যে বার্তা দিলেন নতুন অর্থমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

রোজায় ১০ লাখ পরিবারকে কম দামে দুধ-ডিম-মাংস দেবে সরকার

ছবি : সংগৃহীত

সচিবালয়ে দ্বিতীয় দিনে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিন বাহিনীর প্রধানরা। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই সাক্ষাৎ পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে, দ্বিতীয় দিনের মতো আজ সচিবালয়ে গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন তিনি। এর আগে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এদিকে, মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো সচিবালয়ে নির্ধারিত দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছেন তারেক রহমান। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মন্ত্রিসভা ও সচিবদের প্রায় সব বৈঠকই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন। রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

মেট্রোরেলে ইফতার নেওয়া যাবে কি না জানাল কর্তৃপক্ষ

ছবি : সংগৃহীত

নতুন প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়েই ‘ইতিবাচক পরিবর্তন’ শুরু

ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ

ছবি : সংগৃহীত
ভারতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক নৌ মহড়ায় বাংলাদেশসহ ৭০ দেশের নৌবাহিনী অংশগ্রহণ

ভারতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক নৌ মহড়ায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশসহ ৭০টি দেশের নৌবাহিনী। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য অন্ধ্রের বিশাখাপত্তমে হয়েছে এই মহড়া। মহড়ায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। নিজেদের ফ্রিগেট যুদ্ধজাহাজ ‘সমুদ্র অভিযান’-কে মহড়ায় অংশ নিতে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশের নৌবাহিনী। ১৬ ফেব্রুয়ারি সোমবারই ভারতে পৌঁছে গিয়েছিল ‘সমুদ্র অভিযান’। বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ডসহ ৭০টি দেশ তাদের একটি বা একাধিক যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে। ইন্দোনেশীয় নৌবাহিনীর ফ্রিগেট যুদ্ধজাহাজ কেআরআই বুং তোমো-৩৫৭ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুদ্ধজাহাজ আল ইমারাত মহড়ায় অংশ নিয়েছে। মহড়ায় ভারতীয় নৌবাহিনী প্রতিনিধিত্ব করেছে আইএনএস বিক্রান্ত। মহড়া শুরুর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, এই মহড়া বিভিন্ন দেশের সামুদ্রিক ঐতিহ্য, আস্থা, ঐক্য এবং শ্রদ্ধার প্রতিফলন। ভিন্ন ভিন্ন পতাকাবাহী জাহাজ এবং দেশের নৌ সেনারা ঐক্যের চেতনাকে তুলে ধরছে। মহড়ার থিম হলো সামুদ্রিক ঐক্য। তিনি আরও বলেন, সম্মিলিত নৌবাহিনীর সংকল্প সব বাধা অতিক্রম করতে পারে এবং এটি বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে একটি ইতিবাচক বার্তা। আন্তর্জাতিক সমুদ্র নীতিতে ভারতের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, সমুদ্রে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সহযোগিতা বজায় রাখতে আমরা সবাই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভারত আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘বিশ্ব পরিবার’ নীতিতে বিশ্বাস করে এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার জন্য এই নীতি অবলম্বন করে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ডোপ টেস্ট ‘পজিটিভ’ হলে সরকারি চাকরিতে অযোগ্য, নতুন বিধিমালা জারি

ছবি : সংগৃহীত

রমজানজুড়ে বদলে গেল মেট্রোরেলের সময়সূচি, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পুরোনো ছবি

লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন ড. ইউনূস

0 Comments