ঢাকা-৮ আসন থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও প্রথম ধাপে মনোনয়ন পাননি জুলাই অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের স্যালুট জানিয়ে দেশব্যাপী আলোড়ন তোলা সেই রিকশাচালক সুজন।
আজ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রাথমিক মনোনয়ন ঘোষণা করেছে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রথম ধাপে ১২৫ আসনে প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা হয়েছে। ঘোষিত তালিকায় ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানের নেতৃস্থানীয় তরুণ ও নতুন মুখদের প্রাধান্য দেখা গেছে। উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—মো. সারজিস আলম (পঞ্চগড়–১), হাসনাত আবদুল্লাহ (কুমিল্লা–৪), মো. নাহিদ ইসলাম (ঢাকা–১১), আখতার হোসেন (রংপুর–৪), ডা. তাসনিম জারা (ঢাকা–৯) এবং নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী (ঢাকা–১৮)।
ঢাকার ২০টি সংসদীয় আসনের বেশিরভাগেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে এনসিপি। তবে এখনও ফাঁকা রয়েছে ২, ৩, ৬, ৮, ১০ ও ১৪ নম্বর আসন। এর মধ্যে ঢাকা–৮ (মতিঝিল–শাহজাহানপুর–রমনা) আসনটি নানা কারণে বিশেষভাবে আলোচনায়। এ আসনে বিএনপি ইতোমধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছে। একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে এনসিপি থেকে গত ২০ নভেম্বর মনোনয়ন নিয়েছিলেন রিকশাচালক সুজন। তবে প্রথম ধাপে এ আসনে কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি দলটি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী জানান, প্রথম ধাপে ১২৫ জনের নাম ঘোষণা করা হলেও পরবর্তী তালিকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামের সংস্কারপন্থী নেতাদের সুযোগ দেওয়া হবে। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
একই অনুষ্ঠানে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা সংখ্যালঘু, আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুপাত অনুযায়ী প্রার্থী দেব। কোনো বিশেষ ব্যক্তির জন্য কোনো আসন ফাঁকা রাখা হয়নি। প্রার্থীদের তালিকা জনগণের সামনে উন্মুক্ত করা হলো। কারও বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি বা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠলে তাৎক্ষণিকভাবে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।’ তিনি আরও জানান, ৩০০ আসনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত যাচাই–বাছাই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।
২০ নভেম্বর মনোনয়ন নেওয়ার পর নির্বাচনে আসার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সুজন বলেছিলেন, ‘এতিমের টাকা মেরে যখন সংসদে দাঁড়ানো যায়, তখন আমি রিকশা চালক হয়ে কেন দাঁড়াতে পারব না? যাত্রাপালায় নেচে যদি সংসদে যাওয়া যায়, তখন রিকশাওয়ালা কেন যেতে পারবে না?’ তিনি বলেন, জনগণ, রিকশাচালক ও শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে কথা বলতে এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তিনি নির্বাচন করতে চান।
উল্লেখ্য, একই আসনে আগে জামায়াতে ইসলাম ড. অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিনকে মনোনয়ন দিয়েছিল। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, বর্তমানে দলটির ভেতরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
ময়মনসিংহ বিভাগের নির্বাচনী সমাবেশ মঞ্চে উঠেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এটি নির্বাচনী প্রচারের পঞ্চম দিনে ঢাকার বাইরে তার তৃতীয় সমাবেশ। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউস মাঠে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৪টা ৩ মিনিটে তিনি মঞ্চে ওঠেন। পূর্বে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, বেলা ২টা ৩০ মিনিটে তার বক্তব্য শোনা যাবে। মঞ্চে ওঠার আগে তারেক রহমান সমাবেশস্থলের পাশে থাকা জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। সমাবেশে স্থানীয় নেতাকর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে তাকে স্বাগত জানান। তারা ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ এবং ‘আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’ স্লোগান দেন। ময়মনসিংহের পক্ষ থেকে তাকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। মঞ্চে ওঠার পর তার কাছে স্থানীয় নেতারা তারাকান্দাকে পৌরসভায় রূপান্তরের দাবি জানান। মঞ্চে ওঠার আগে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন। প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন ইকবাল হোসেন, সুলতানা আহমেদ বাবু, মোতায়ের হোসেন বাবু, মাহমুদুল হক, ফরিদুল কবির তালুকদার, সিরাজুল হক, মাহবুব রহমান লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু ও লৎফুরজ্জামান বাবর। তারা নিজেদের মধ্যকার দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান এবং স্লোগান দেন—‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’। লৎফুরজ্জামান বাবর বলেন, আমরা ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসন তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই এবং আগামী দিনে তাকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। সরেজমিনে দেখা গেছে, সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশই মধ্যবয়সী ছিলেন। তারা স্মৃতিচারণ করে বলেন, এই মাঠেই তারা এর আগে সদ্যপ্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার সমাবেশে অংশ নিয়েছিলেন।
২২ বছর পর আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় সার্কিট হাউস মাঠে নির্বাচনি জনসভায় ভাষণ দেবেন তিনি। এ জনসভায় স্মরণকালের সবচেয়ে বড় জমায়েত হবে বলে আশা করছেন নেতাকর্মীরা। জনসভায় ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থীদের এক মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দেবেন তারেক রহমান এবং তাদের পক্ষে ভোট চাইবেন। একই সঙ্গে দলকে বিজয়ী করতে আগামীর পথচলা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবেন তিনি। জনসভায় সভাপতিত্ব করবেন জেলা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন। দলীয় সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে চার জেলা ছাড়াও ময়মনসিংহ মহানগর, দক্ষিণ ও উত্তর জেলা এবং বিভিন্ন উপজেলার নেতাদের সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক সভা সম্পন্ন হয়েছে। সব ইউনিটের নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মূল মঞ্চ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। পুরো এলাকা জনসমুদ্রে রূপ নেবে ধরে নিয়ে সমাবেশস্থলের বিভিন্ন পয়েন্টে এলইডি স্ক্রিন স্থাপন করা হচ্ছে। নারীদের জন্যও আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিএনপি নেতারা জানান, সর্বশেষ ২০০৪ সালে ময়মনসিংহে ইউনিয়ন প্রতিনিধি সভায় অংশ নিয়েছিলেন তারেক রহমান। প্রায় ২২ বছর পর তার আগমনকে ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। সার্কিট হাউস মাঠ ছাড়াও পুরো শহরজুড়ে বিপুল লোকসমাগমের আশা করা হচ্ছে। জনসভাস্থলে সুপেয় পানির ব্যবস্থা রাখা হবে এবং পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে বলেও নেতারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান ইউনিটের স্নাতক (আন্ডারগ্র্যাজুয়েট) প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর বিজ্ঞান ইউনিটে মোট ১ হাজার ৮৯১টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেন ১ লাখ ১৪ হাজার ১১৪ জন। ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ২ হাজার ৯৩ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭ হাজার ৬২১ শিক্ষার্থী। পাসের হার ৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ। গত ২৭ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। উত্তীর্ণদের মধ্যে বিজ্ঞান শাখা থেকে ৭ হাজার ২১২ জন, মানবিক শাখা থেকে ৩০০ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ১০৯ জন রয়েছেন। এছাড়া অনিয়মের কারণে ৪ হাজার ২৭৮ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের নাফিম ফুয়াদ ফাতিন প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। দ্বিতীয় হয়েছেন নটর ডেম কলেজের মাহির আহমেদ এবং তৃতীয় হয়েছেন নটর ডেম কলেজের নাবিদ হাসান। ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইট admission.eis.du.ac.bd-এ পাওয়া যাবে। এছাড়া গ্রামীণফোন, বাংলালিংক বা টেলিটক মোবাইল নম্বর থেকে DU SCI লিখে ১৬৩২১ নম্বরে পাঠিয়ে ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে জানা যাবে ফল। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আগামী ২৭ জানুয়ারি বিকেল ৩টা থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিস্তারিত ফরম ও বিষয় পছন্দক্রমের ফরম পূরণ করতে পারবেন। বিভিন্ন কোটায় আবেদনকারীদের আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট কোটার ফরম সংগ্রহ করে যথাযথভাবে পূরণ করে ওই সময়ের মধ্যেই জমা দিতে হবে। ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসে আবেদন করা যাবে। পুনঃনিরীক্ষণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জানানো হবে।