খেলাধুলা

বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-১৯কে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল পাকিস্তান

মোঃ ইমরান হোসেন ডিসেম্বর ১০, ২০২৫ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজার একাডেমি মাঠে সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে বড় লক্ষ্য দাঁড় করিয়েও শেষ রক্ষা হলো না বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের। স্বাগতিকদের ৬ উইকেটে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-২ সমতা ফেরাল পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে তোলে ১২৬ রান, যা চলমান সিরিজে তাদের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। আগের তিন ম্যাচের কোনোটিতেই এই রানের কাছাকাছি যেতে পারেনি দল। তবে সেই পুঁজি খুব একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারেনি সফরকারীদের জন্য। ১১ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান।

বাংলাদেশের ইনিংসে তিন নম্বরে নেমে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন অচেনা জান্নাত। তার ৩৪ বলের ইনিংসটি ছিল তুলনামূলক লড়াকু। এছাড়া মাইমুনা নাহার ২৪ এবং সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা যোগ করেন ২০ রান। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়ায় বড় সংগ্রহ গড়া সম্ভব হয়নি।

পাকিস্তানের পক্ষে বল হাতে সফল ছিলেন রোজিনা আকরাম ও মেমুনা খালিদ। দুজনেই ২টি করে উইকেট শিকার করে বাংলাদেশের রান তোলার গতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে দারুণ আক্রমণাত্মক ছিলেন ফিজা ফিয়াজ। ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় মাত্র ৩৫ বলে অপরাজিত ৫২ রান করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন তিনি। তার সঙ্গে শেষ পর্যন্ত দৃঢ়ভাবে লড়াইয়ে ছিলেন দলপতি ইমা নাসির, যিনি অপরাজিত থাকেন ৪২ রানে। দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠা ৬৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতেই মূলত বাংলাদেশের আশায় জল পড়ে।

এই মাঠেই শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টি, যেখানে নির্ধারিত হবে সিরিজ জয়ী দলের নাম। দুই দলই এখন সমান অবস্থানে থাকায় শেষ ম্যাচটি হতে যাচ্ছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উত্তেজনাপূর্ণ।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
রিশাদ ও বাংলাদেশের সাবেক স্পিন বোলিং কোচ সাকলায়েন মুশতাক। ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকাপ ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন সাকলায়েন মুশতাক

বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। ফলে আইসিসি বাংলাদেশের বিকল্প দল হিসেবে স্কটল্যান্ডকে খেলার সুযোগ করে দিয়েছে। আর এমন সিদ্ধান্তে গোটা ক্রিকেট দুনিয়া রীতিমতো তোলপাড়। এ ব্যাপারে পক্ষে-বিপক্ষে কথা বলছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটাররা। এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি সরব পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। ওয়াসিম আকরাম-শহীদ আফ্রিদিসহ আরও অনেকেই এ নিয়ে কথা বলেছেন। এবার তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন দেশটির সাবেক অফ স্পিনার সাকলায়েন মুশতাক। খেলাধুলায় রাজনীতি মেশানো ঠিক নয়—পুরোনো কথাটিই নতুন করে বললেন সাকলায়েন মুশতাক। বাংলাদেশের টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলা নিয়ে যখন ক্রিকেট বিশ্ব তোলপাড়, সেই সময়ে প্রসঙ্গটা তুললেন পাকিস্তানের সাবেক অফ স্পিনার। তবে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে নয়, ভারত–পাকিস্তান ক্রিকেট সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়েই রাজনীতির তীব্র সমালোচনা করলেন বাংলাদেশের সাবেক স্পিন বোলিং কোচ। সাকলায়েনের মতে, রাজনীতি শুধু ক্রিকেটের জন্যই নয়, মানবতার জন্যও ক্ষতিকর। তিনি বলেছেন ক্রিকেটের কাজ দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য গড়া, বিভাজন তৈরি করা নয়। ভারত ও পাকিস্তান সর্বশেষ দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলেছে ২০১২–১৩ মৌসুমে। সে সময় ভারত সফরে গিয়েছিল পাকিস্তান। তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছিল দুই দল। টি-টুয়েন্টি সিরিজটি ১–১ সমতায় শেষ হলেও ওয়ানডে সিরিজ ২–১ ব্যবধানে জিতেছিল পাকিস্তান। এর পর থেকে মহাদেশীয় ও বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট ছাড়া আর ক্রিকেট মাঠে দেখা হয়নি দুই দলের। ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সাকলায়েন বলেন, ‘আমি মনে করি রাজনীতি নির্মূল হওয়া উচিত, কারণ এটি মানবতার জন্য ক্ষতিকর। রাজনীতি আমাদের শত্রু। এটি শুধু ক্রিকেট নয়, পুরো মানবসমাজকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ক্রিকেটের উদ্দেশ্য দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য তৈরি করা, দূরত্ব বাড়ানো নয়।’ সাকলায়েনের মতে, রাজনীতি কিংবা সংঘাত নয়, ক্রিকেট শুধু বিনোদনের মাধ্যমই হওয়া উচিত। বাংলাদেশের বিশ্বকাপে না থাকা নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি সাকলায়েন, ‘ক্রিকেট মানে বিনোদন। এটি কোনো যুদ্ধ বা যুদ্ধক্ষেত্র নয়। বাংলাদেশের ভারতের মাটিতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। আমি তো আগেই স্পষ্ট করে বলেছি আমি রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না।’

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
দ্রো ফার্নান্দেজ। ছবি : সংগৃহীত

বার্সার ‘ভবিষ্যৎ’ কেড়ে নিল পিএসজি!

ছবি : সংগৃহীত

ক্রিকেটের ময়দানে বাংলাদেশ-ভারতের ‘গুলিবিহীন যুদ্ধ’

ছবি : সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ডাক পেতে পারে বাংলাদেশ

স্কটল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী ট্রুডি লিন্ডব্লেড (বাঁয়ে)। ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করলেন ট্রুডি লিন্ডব্লেড

ভারতে অনুষ্ঠেয় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার জন্য ইউরোপীয় অঞ্চলের বাছাইপর্বে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি স্কটল্যান্ড। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) এক সিদ্ধান্তে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায় স্কটিশরা।   আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর বিশ্বকাপে বাংলাদেশের নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ কারণে ভারতে অনুষ্ঠেয় ম্যাচগুলোর ভেন্যু পরিবর্তন করে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের আবেদন জানানো হয় আইসিসির কাছে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের পর শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেয় আইসিসি। র‍্যাংকিং বিবেচনায় সেই শূন্যস্থান পূরণ করে স্কটল্যান্ড। তবে এভাবে বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ায় স্বস্তিতে নেই স্কটল্যান্ড ক্রিকেটও। দলটির অস্ট্রেলিয়ান প্রধান নির্বাহী ট্রুডি লিন্ডব্লেড জানিয়েছেন, এই প্রক্রিয়ায় বিশ্বকাপে অংশ নিতে চাননি তারা। বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য আমাদের সহানুভূতি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সত্যি বলতে তারা কখনোই এভাবে বিশ্বকাপে যেতে চাননি। বিশ্বকাপে খেলার একটি নির্দিষ্ট যোগ্যতা অর্জনের প্রক্রিয়া রয়েছে এবং কেউই এভাবে সুযোগ বা আমন্ত্রণ পেতে চায় না। স্কটল্যান্ডের অংশগ্রহণ পুরোপুরি ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির ফল বলেও স্বীকার করেন তিনি। সে কারণেই বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জন্য তাদের খারাপ লাগছে বলে জানান লিন্ডব্লেড।   এভাবে বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়তে হতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে স্কটল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী বলেন, তিনি ওই ধরনের ভাষা ব্যবহার করতে চান না। মানুষের নিজস্ব মতামত থাকবে এবং তা প্রকাশের অধিকারও তাদের আছে। তবে এটুকু স্পষ্ট করেন যে আইসিসি তাদের বিশ্বকাপে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, স্কটল্যান্ড আইসিসি টি–টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে ১৪ নম্বরে থাকা একটি শক্তিশালী দল, যারা সারা বছর নিয়মিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে থাকে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। ছবি : সংগৃহীত

চমক রেখে বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা ওয়েস্ট ইন্ডিজের

ছবি : সংগৃহীত

সাফে ব্যর্থতার নেপথ্যে কি ইনতিশার!

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশি সব সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করল আইসিসি

ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপ বিতর্কে পিসিবি সভাপতির প্রতি খোঁচা হারভজনের

ভারত উপমহাদেশের ক্রিকেটে রাজনীতি আবারও বড় প্রভাব ফেলছে। দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের বিরোধ প্রধানত ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের সঙ্গে জড়িত থাকলেও, এবার বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক কারণে বাংলাদেশকে ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।   এ ঘটনার মধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি হঠাৎ হুমকি দিয়েছিলেন যে, পাকিস্তানও সরকারিক পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্বকাপ থেকে সরে যেতে পারে। প্রাক্তন ভারতীয় স্পিনার হারভজন সিং এটা শুনে বলেন, ‘পাকিস্তান অপ্রয়োজনীয়ভাবে হস্তক্ষেপ করছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শুধু বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা।’ তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ দল ভারতীয় পিচে ভালো খেলতে পারত এবং বিশ্বকাপে কিছু চমক দেখাতে পারত। হারভজনের মতে, বিসিবির উচিত ছিল আইসিসির সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা রাখা, সরাসরি ‘না’ বলা নয়। অন্যদিকে, মহসিন নকভির হুমকি ভিত্তিহীন ছিল এবং শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান তাদের দল ঘোষণা করেছে। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘ বৈরিতা থাকা সত্ত্বেও তারা আইসিসি ইভেন্টে নিরপেক্ষ ভেন্যু নীতি অনুসরণ করে, যা কমপক্ষে প্রতিযোগিতার সততা বজায় রাখে। কিন্তু বাংলাদেশকে এমন কোনো সুরক্ষা নেই। ভারতের সঙ্গে পূর্বে মসৃণ সম্পর্ক থাকার কারণে তাদের প্রস্তুতি বা বিকল্প ব্যবস্থা ছিল না।   ফলে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য ক্ষতি অত্যন্ত বড়  বিশ্বকাপ থেকে বাদ, রাজস্ব হ্রাস এবং খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক মঞ্চে কম সুযোগ।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ বয়কট ইস্যুতে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক: জানা গেল মূল সিদ্ধান্ত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের গ্রুপে এবার ভারত ও পাকিস্তান

ছবি: সংগৃহীত

দেশত্যাগের গুঞ্জনে বিরক্ত বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম

0 Comments