খেলাধুলা

দারুণ জয়ে আর্সেনালের ওপর চাপ ধরে রাখল ম্যানচেস্টার সিটি

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

প্রথমার্ধে একের পর এক আক্রমণ করেও মিলল না সাফল্য। পরে দর্শনীয় এক গোলে দলকে পথ দেখালেন জেরেমি ডোকু। ব্রেন্টফোর্ডকে হারিয়ে লিগ শিরোপা লড়াইয়ে সম্ভাবনা উজ্জ্বল রাখল ম্যানচেস্টার সিটি।

 

ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শনিবার প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে ৩-০ গোলে জিতেছে পেপ গুয়ার্দিওলার দল। আর্লিং হলান্ড ব্যবধান দ্বিগুণ করার পর, তৃতীয় গোলটি করেন ওমার মার্মুশ।

 

ম্যাচে একচেটিয়া আধিপত্য করে সিটি। প্রায় ৬০ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে গোলের জন্য ২৫ শট নিয়ে ১০টি লক্ষ্যে রাখতে পারে তারা। ব্রেন্টফোর্ডের তিন শটের একটি লক্ষ্যে ছিল।

 

৩৫ ম্যাচে ২২ জয় ও আট ড্রয়ে ৭৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে সিটি। সমান ম্যাচে ২ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল।

 

এভারটনের মাঠে গত সপ্তাহের হোঁচটে এমনিতেই লাগাম হাতছাড়া হয়ে গেছে, নতুন কোনো ধাক্কায় ফিকে হয়ে যেতে পারে সম্ভাবনা- তাই জয়ের তাড়নায় ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের সূচনা করে সিটি। প্রথমার্ধের পুরো সময়ে চাপ ধরে রাখা তারা।

 

প্রথম আধা ঘণ্টায় দুইবার ডি-বক্সে ভালো পজিশনে বল পান হলান্ড, কিন্তু একবারও প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের কঠিন পরীক্ষা নিতে পারেননি নরওয়ে তারকা। ডোকু বারবার বাঁ দিক দিয়ে আক্রমণ করেছেন, তবে প্রতিবারই শেষটা হয়েছে হতাশায়।

 

প্রথমার্ধে কেবল একটি লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নিতে পারা ব্রেন্টফোর্ড ৫৫তম মিনিটে দ্বিতীয় শট নেয়। ইগর থিয়াগোর সেই প্রচেষ্টা ঝাঁপিয়ে আটকান জানলুইজি দোন্নারুম্মা।

 

৬০তম মিনিটে অবশেষে ডেডলক ভাঙতে পারে সিটি। সতীর্থের ছোট কর্নারে বল ধরে বাঁ দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে জোরাল শটে দূরের পোস্ট দিয়ে দারুণ গোলটি করেন ডোকু।

 

গত সপ্তাহে এভারটনের মাঠে ৩-৩ ড্র ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন এই বেলজিয়ান উইঙ্গার। এবারের লিগে তার গোল হলো পাঁচটি, মৌসুমে সব মিলিয়ে আটটি।

 

১৫ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হলান্ড এবং জয়ের পথে এগিয়ে যায় সিটি। অ্যান্টোয়ান সেমেনিওর বাড়ানো বল প্রতিপক্ষের গোলমুখে জটলার মধ্যে পেয়ে, দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় কোনোমতে ব্যাকহিলে গোলটি করেন হলান্ড।

 

লিগে টানা চার ম্যাচে জালের দেখা পেলেন হলান্ড। ২৬ গোল করে আবারও গোল্ডেন বুট জয়ের পথে আছেন তিনি।

 

৮২তম মিনিটে কাছ থেকে ফিল ফোডেনের একটি ফ্লিক অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় রুখে দেন কুইভিন কেলেহার। তবে যোগ করা সময়ে ঠিকই ব্যবধান বাড়ায় সিটি। হলান্ডের পাস ডি-বক্সে পেয়ে একজনের বাধা সামলে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন মিশরের ফরোয়ার্ড মার্মুশ।

 

রোববার ওয়েস্ট হ্যামের মাঠে জিততে পারলে আবার ৫ পয়েন্টে এগিয়ে যাবে আর্সেনাল। অন্যথায় ফের শিরোপা লড়াইয়ের লাগাম চলে যাবে সিটির হাতে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
শুক্কুরের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছে বাংলাদেশ এইচপি দল

অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দলটির নেতৃত্বে থাকছেন ইরফান শুক্কুর।   আগামী ১৪ আগস্ট অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ছাড়বে এইচপি দল। পুরো টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে ডারউইনে, আর খেলা শুরু হবে ২১ আগস্ট।   ঘোষিত দলে জায়গা পেয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার সাব্বির রহমান। এছাড়া আছেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী, রিপন মণ্ডল, মোহাম্মদ মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ও জিসান আলম।   এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে নেপাল জাতীয় দল, নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দল, বিগ ব্যাশের হোবার্ট হ্যারিকেন্স, ক্রিকেট ভিক্টোরিয়া, অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স এবং স্বাগতিক নর্দান টেরিটরি স্ট্রাইকের একাডেমি দল।   বাংলাদেশ এইচপি স্কোয়াড:  ইরফান শুক্কুর (অধিনায়ক), হাবিবুর রহমান সোহান, জিসান আলম, এস এম মেহেরোব হাসান, সামিউন বসির রাতুল, সাব্বির রহমান, রোহানাত দৌল্লাহ বর্ষণ, রাকিবুল হাসান, আরিফুল ইসলাম, আবদুল গাফফার সাকলাইন, রিপন মণ্ডল, মো. রুবেল, আবু হায়দার রনি, শামীম হোসেন পাটোয়ারী ও মোহাম্মদ মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ১১, ২০২৬
রোনালদো ও জর্জিনার বিয়ে নিয়ে তুলকালাম। ছবি: সংগৃহীত

রোনালদোর বিয়ে ভেবে অন্যের বিয়েতে ভক্তদের হট্টগোল

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশকে সঙ্গী করে বিশ্বকাপের টিকিট কাটল আফগানিস্তান

ছবি: সংগৃহীত

বাবার মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন মেসি, ইন্টার মায়ামির পরবর্তী ম্যাচে নামা অনিশ্চিত

ছবি: সংগৃহীত
বার্সেলোনা থেকে ধারে লিভারপুলে আরাউহো

সবকিছু একরকম নিশ্চিতই ছিল। এবার আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও এসে গেল। বার্সেলোনা থেকে এক মৌসুমের জন্য ধারে লিভারপুলে যোগ দিলেন ডিফেন্ডার রোনাল্‌দ আরাউহো।   প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি সোমবার এই ঘোষণা দিয়েছে। চোট জর্জরিত রক্ষণে শক্তি বাড়ানোর লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নিয়েছে তারা।   ব্রিটিশ গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ধারের মেয়াদ শেষে উরুগুয়ের ২৭ বছর বয়সী এই সেন্টার-ব্যাককে প্রায় ৪ কোটি ৭০ লাখ পাউন্ডে কিনে নেওয়ার শর্তও রাখা হয়েছে চুক্তিতে।   বার্সেলোনার হয়ে আরাউহো খেলেছেন দুইশর বেশি ম্যাচ, জিতেছেন তিনটি লা লিগা ও দুটি কোপা দেল রে শিরোপা। গোলরক্ষক মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেন ধারে চলে যাওয়ার পর, গত জানুয়ারিতে তাকে অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়।   কিন্তু গত মৌসুমে বার্সেলোনার ২৯তম লা লিগা শিরোপা জয়ের পথে লিগে মাত্র ১১টি ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন আরাউহো, যিনি রাইট-ব্যাক হিসেবেও খেলতে পারেন।   কাম্প নউয়ে তার চুক্তির মেয়াদ আছে ২০৩১ সাল পর্যন্ত।   আরাউহো এমন এক সময়ে লিভারপুলে যোগ দিলেন, যখন জো গোমেজসহ দলটির বেশ কয়েকজন ডিফেন্ডার চোটের কারণে বাইরে আছেন। ৩৫ বছর বয়সী অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক একমাত্র সিনিয়র সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার হিসেবে পুরোপুরি ফিট আছেন।   লিভারপুল তাদের প্রিমিয়ার লিগ অভিযান শুরু করবে আগামী ২৩ অগাস্ট, নিউক্যাসল ইউনাইটেডের মাঠে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে ফর্টিসের অভিষেক, সামনে কঠিন পরীক্ষা মুরাস ইউনাইটেড

ছবি: সংগৃহীত

বাবার শেষকৃত্যে ড্রোনের হানা, আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি মেসির

ছবি : সংগৃহীত

ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা, আরও পিছাতে পারে সিরিজ

ছবি: সংগৃহীত
মেসির বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুতে আর্জেন্টাইন ফুটবলে শোক

আর্জেন্টাইন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে দেশটির ক্রীড়াঙ্গনে। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর স্থানীয় সময় গত শুক্রবার তিনি মারা যান। বাবার মৃত্যুসংবাদ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই পরিবার নিয়ে রোজারিওর উদ্দেশে রওনা হন মেসি। একই দিন রাতে স্থানীয় সময় তার বিমান থেকে নামার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।   এই কঠিন সময়ে মেসির পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন তার জাতীয় দল সতীর্থ লিয়ান্দ্রো পারেদেস। আর্জেন্টিনার এই মিডফিল্ডার বলেন, ‘এখনও লিওর সঙ্গে কথা বলতে পারিনি। জানি ও তখন ভ্রমণে ছিল। আমরা অপেক্ষা করছি ও দেশে ফেরার, যাতে এই কঠিন সময়ে আমরা ওর পাশে থাকতে পারি। আমি নিশ্চিত, আমাদের পাশে পেলে ওর ভালো লাগবে।’   পারেদেস জানান, সতীর্থদের সঙ্গে কথা বলে আজ অথবা কালের মধ্যে মেসির সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তারা।   গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল ফেডারেশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া। এক বিবৃতিতে তিনি হোর্হে মেসিকে স্মরণ করে বলেন, তিনি এমন এক সন্তান গড়ে তুলেছেন যিনি ‘বিনয়ী, শ্রদ্ধাশীল ও মানুষের প্রতি গভীরভাবে নিবেদিত’।   হোর্হে মেসির স্মরণে আর্জেন্টিনার সব পর্যায়ের ম্যাচে এক মিনিট নীরবতা পালনের নির্দেশ দিয়েছে এএফএ। পাশাপাশি সব খেলোয়াড়, কোচ ও রেফারিদের কালো আর্মব্যান্ড পরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবল এক শোকবার্তায় জানিয়েছে, তারা ‘শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিয়ে লিওনেল ও তার পরিবারের পাশে’ আছে। অন্যদিকে হোর্হে মেসির ছেলেবেলার ক্লাব নিউয়েলস ওল্ড বয়েজ তাকে স্মরণ করেছে মেসির ক্যারিয়ারের ‘নির্ভরযোগ্য স্তম্ভ’ হিসেবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ০৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পিকে-শাকিরার সেই ‘প্রাসাদ’ কত দামে কিনলেন ইয়ামাল?

বাবার মৃত্যুতে জন্মশহরে মেসি, ম্যাচের আগে শ্রদ্ধা জানালো মায়ামি

ছবি: সংগৃহীত

৯ বছরের ছোট ক্রিকেটারের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন, ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ম্রুণালের

0 Comments