বিশ্ব

চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমেছে তেলের দাম

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে থাকা আরও কয়েকটি তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন ইঙ্গিত পাওয়ার পর তেলের দাম কমেছে। রয়টার্স জানিয়েছে, বুধবার (২৪ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে গত চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি লেনদেন হচ্ছে।

 

বুধবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৭ সেন্ট বা ০.৫ শতাংশ কমে ৭৬.৭১ ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দাম ৩৬ সেন্ট বা ০.৫ শতাংশ কমে ৭২.৮৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার লক্ষণ দেখা যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা কমেছে। এর ফলে তেলের দামের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে এবং দাম টানা নিম্নমুখী রয়েছে।

মিৎসুবিশি ইউএফজে রিসার্চ অ্যান্ড কনসাল্টিংয়ের সিনিয়র ইকোনমিস্ট তোমোমিচি আকুতা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা প্রশমনের আশা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে পুনরায় তেল সরবরাহ শুরু হওয়ার কারণে অপরিশোধিত তেলের বাজারে এই নিম্নমুখী প্রবণতা। পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা যদি আরও ইতিবাচকভাবে এগোয়, তবে তেলের দাম যুদ্ধপূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যেতে পারে।

জাহাজ ট্র্যাকিং ডেটা দেখাচ্ছে, উপসাগরে আটকে থাকা তিনটি সুপারট্যাঙ্কার মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে। জাতিসংঘ শিপিং এজেন্সির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর সেখানে আটকে থাকা ১১ হাজার নাবিকসহ শত শত জাহাজ নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার (ইভাকুয়েশন প্ল্যান) কাজ চলছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ডের নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিদিন সীমিত সংখ্যার জাহাজকে পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে তেলের বাজারে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের আবেদনে আসছে অনলাইন বাধ্যবাধকতা

অভিবাসনসংক্রান্ত বিভিন্ন সুবিধার জন্য শিগগিরই অনলাইনে আবেদন বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় গ্রিন কার্ড, নাগরিকত্ব ও আশ্রয়ের আবেদনও থাকবে।     আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করা এবং পরিচালন ব্যয় কমানোই এই পরিবর্তনের প্রধান লক্ষ্য। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ধরনের অভিবাসন সুবিধার আবেদন অনলাইনে জমা দেওয়ার সুযোগ অন্তত ১৮০ দিন ধরে থাকলে সেটি অনলাইনেই জমা দিতে হবে। অর্থাৎ, ওই আবেদন আর কাগজে জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) সোমবার ফেডারেল রেজিস্টারে নতুন নিয়মটি প্রকাশ করেছে।     একই সঙ্গে ভবিষ্যতে আরো কিছু আবেদন শুধু অনলাইনে জমা দেওয়ার সুযোগ চালুর প্রক্রিয়াও নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে কোনো আবেদন পুরোপুরি অনলাইনে নেওয়ার আগে অন্তত ৬০ দিনের নোটিশ দিতে হবে।     নতুন নিয়ম কার্যকর হলে অভিবাসনসংক্রান্ত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আবেদনে পরিবর্তন আসবে। এর মধ্যে রয়েছে— গ্রিন কার্ডের নতুন আবেদন ও নবায়ন পরিবারের মাধ্যমে করা অভিবাসনের আবেদন মার্কিন নাগরিকত্বের আবেদন আশ্রয়ের আবেদন কাজের অনুমতিপত্রের আবেদন সাময়িক সুরক্ষিত মর্যাদার আবেদন   আবেদনকারীদের সাধারণত ইউএসসিআইএসের অনলাইন অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে আবেদন করতে হবে।     তারা সরাসরি অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন। আবার আগে পূরণ করা আবেদনপত্রের পিডিএফ কপি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও অনলাইনে আপলোড করা যাবে।     ইউএসসিআইএস বলেছে, কাগজের আবেদন থেকে দ্রুত অনলাইন ব্যবস্থায় যাওয়ার লক্ষ্যেই এই নিয়ম করা হয়েছে। এর ফলে ডাকযোগে পাঠানো কাগজপত্র গ্রহণ ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য আলাদা ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা কমবে। ইউএসসিআইএসের মতে, অনলাইনে আবেদন নেওয়া হলে পুরো প্রক্রিয়া দ্রুত করা সম্ভব হবে।       একই সঙ্গে আবেদনপত্রে ভুলও কমবে। অনলাইনে জমা দেওয়া তথ্য সহজে খুঁজে পাওয়া ও বিশ্লেষণ করা যাবে। এতে জালিয়াতি শনাক্ত করা এবং আবেদনকারীদের নিরাপত্তা যাচাই আরো কার্যকরভাবে করা সম্ভব হবে।      তবে যেসব আবেদনকারী অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন না, তাদের জন্য ছাড়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ জন্য তাদের আলাদা একটি আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। ইউএসসিআইএস প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেবে, ওই ব্যক্তিকে কাগজে আবেদন করার অনুমতি দেওয়া হবে কি না। তবে এ ধরনের ছাড়ের আবেদন করতে ২৫ মার্কিন ডলার ফি দিতে হবে।      অভিবাসন আবেদন ব্যবস্থায় কাগজের ব্যবহার কমানোর অন্যতম কারণ হলো এর বিপুল খরচ। ২০২৫ অর্থবছরে ইউএসসিআইএস ১ কোটি ৪০ লাখের বেশি অভিবাসন সুবিধার আবেদন প্রক্রিয়া করেছে। একই সময়ে ডাকযোগে আসা কাগজপত্র গ্রহণের কেন্দ্রগুলো প্রায় ৪৫ কোটি ৩০ লাখ পৃষ্ঠা কাগজের আবেদন সামলেছে। এই কাগজের আবেদন গ্রহণ ও প্রক্রিয়াকরণের ব্যবস্থা পরিচালনায় ইউএসসিআইএসের প্রায় ৩৯ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার খরচ হয়েছে। শুধু ডাক খরচেই ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ডলারের বেশি।     মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা দপ্তর বলেছে, অনলাইনে আবেদন বাধ্যতামূলক হলে কাগজপত্র হাতে নেওয়া, তথ্য কম্পিউটারে তোলা, ডাকযোগে পাঠানো, সংরক্ষণ এবং স্ক্যান করার খরচ কমবে। এতে শুধু খরচই কমবে না, আবেদন যাচাই এবং সিদ্ধান্ত দেওয়ার কাজও দ্রুত হবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। নতুন ব্যবস্থার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে কাগজের আবেদন থেকে পুরোপুরি ডিজিটাল ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাবে। তবে অনলাইনে আবেদন করতে অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য ছাড়ের সুযোগ রাখা হচ্ছে।

মারিয়া রহমান আগস্ট ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মেটার নতুন এআই মডেল ‘মিউজ গ্লিমার’, ওপেন এআই ইস্যুতে নতুন বিতর্ক

ছবি : সংগৃহীত

লিবিয়ার জাওয়িয়া তেল শোধনাগারে আগুন

ছবি : সংগৃহীত

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৩২, জরুরি অবস্থা জারি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী ‘এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রকল্প’-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।   প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত গ্রামগুলো হলো- রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর।   এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের আলোকে এই গ্রামগুলোতে পর্যায়ক্রমে দারিদ্র্য হ্রাস, জলাবদ্ধতা নিরসন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমানো এবং বিশুদ্ধ পানি ও আধুনিক স্যানিটেশনের ব্যবস্থা করা হবে।   দেশের টেকসই উন্নয়নে বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি আগস্ট ১০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিম ইউরোপে ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ জুন-জুলাই: কপারনিকাস

ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে ৫০ হাজার সেনা দেবে উত্তর কোরিয়া: জেলেনস্কি

চীনে শক্তিশালী টাইফুন, ঘর ছাড়লেন ১০ লাখের বেশি মানুষ

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধে ৫৫ বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন

  ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে এখন পর্যন্ত ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। খবর শাফাক নিউজের।   সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, ৯ আগস্ট পর্যন্ত দুটি জাহাজ অচল করে দেওয়া হয়েছে এবং আরও দুটি জাহাজে মার্কিন বাহিনী উঠে তল্লাশি চালিয়েছে।   ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ কার্যকর করতে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ২০টিরও বেশি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে। এসব জাহাজ বিভিন্ন সামরিক অভিযানের পাশাপাশি অবরোধ কার্যকর করার কাজেও অংশ নিচ্ছে।   তবে এর মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর বদলে অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।   অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আপাতত ইরানের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশটির অর্থনৈতিক সংকট ও মূল্যস্ফীতির ওপর নজর রাখছে।   এদিকে হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ওমানের মধ্যে একটি সমঝোতার চেষ্টা চলছে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলে ইরানকে আংশিক নিয়ন্ত্রণ দেওয়ার কথা রয়েছে।   তবে প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়ার আগে কয়েকটি শর্ত দিয়েছে ইরান। এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন নৌ অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ইরানের আশপাশ থেকে মার্কিন বাহিনী সরিয়ে নেওয়া, ইরান ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করা, জব্দ করা ইরানি অর্থ ছাড় করা এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি আগস্ট ১০, ২০২৬

গ্রিনল্যান্ডে তেল অনুসন্ধানে গেছে ট্রাম্প-সংশ্লিষ্ট কোম্পানি

কেপটাউনে পৃথক তিনটি বন্দুক হামলায় নিহত ১১

দক্ষিণ লেবাননকে নিজেদের অংশ করা মানচিত্র সরাল ইসরায়েল

0 Comments