খেলাধুলা

চাকরি হারাতে পারেন সূর্য-পান্ডিয়াদের কোচ!

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত। কিন্তু চলমান বিশ্বকাপে সময়টা ভালো যাচ্ছে না টিম ইন্ডিয়ার। সেমিফাইনালে যেতে হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সুপার এইটের ম্যাচে জিততেই হবে সূর্যকুমার যাদবদের।

এর মধ্যেই গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, বিশ্বকাপ জিততে না পারলে ভারতের প্রধান কোচের চাকরি হারাতে পারেন গৌতম গম্ভীর। আর এমন মন্তব্য করেছেন সাবেক ইংলিশ পেসার স্টিভ হার্মিসন।

রাহুল দ্রাবিড়ের উত্তরসূরী হিসেবে ভারতের দায়িত্ব নিয়েছিলেন গৌতম গম্ভীর৷ তার অধীনেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল ভারত। ওয়ানডে ও টেস্ট সাফল্য ব্যর্থতার মিশ্রণ থাকলেও গম্ভীরের অধীনে টি-টোয়েন্টিতে অপ্রতিরোধ্য ভারত। এখন পর্যন্ত তার সময়ে একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজও হারেনি টিম ইন্ডিয়া।

তবে বিশ্বকাপ ধরে রাখার চ্যালেঞ্জে বেশ কঠিন অবস্থায় রয়েছে ভারত। গ্রুপপর্বে ভালো করলেও সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে কাজ কঠিন করে ফেলেছে ভারত। শেষ আটের শেষ ম্যাচে ক্যারিবীয়দের হারাতেই হবে সূর্যকুমার যাদবদের। অন্যথায় বিদায় নিতে হবে বিশ্বকাপ থেকে।

কোচিংয়ের প্রশংসা করলেও ভারত বিদায় নিলে গম্ভীরের চাকরি নিয়ে শঙ্কা দেখে হার্মিসন টকস্পোর্ট ক্রিকেটের ইউটিউব চ্যানেলে বলেন, ‘গম্ভীরকে পছন্দ করা কঠিন…সে খুবই রূঢ় স্বভাবের, আর ড্রেসিংরুমে সে কেমন আমি নিশ্চিত নই। ভারতীয় কোচ হিসেবে খুব কম অহংবোধ থাকলে, সফল হওয়ার সুযোগ থাকে। এই বিশ্বকাপ জিততে না পারলে সে দায়িত্ব হারাবে। তবে কোচিংয়ে সে যেভাবে এগিয়েছে, আমি তার প্রশংসা করি। খেলোয়াড় হিসেবে সে ছিল খিটখিটে মেজাজের ও একগুঁয়ে স্বভাবের।’

কোচিং প্যানেলে নেদারল্যান্ডসের রায়ান টেন ডেসকাট, দক্ষিণ আফ্রিকার মরনে মরকেলদের রেখেছেন গম্ভীর। তার এমন সাহসী সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন হার্মিসন। তিনি বলেন, ‘ভারতীয় গ্রেটদের নিজেদের সঙ্গে কোচিংয়ে সে(গম্ভীর) রাখেনি। বরং, মরনে মর্কেল ও রায়ান টেন ডেসকাটকে নিয়েছে, যারা তার চোখে তার কোচিংয়ের ধরনে দল পরিচালনার জন্য সেরা কোচ। সে যাদের পাশে চায়, তাদের প্রতি অনুগত, আর তার এই গুণের প্রশংসা করি।’

হার্মিসন এসময় আরও বলেন, ‘ভালো কোচের লক্ষণ হলো, ভুল করলে স্বীকার করা এবং সেটা শুধরানোর চেষ্টা করা। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে বলা যে, এভাবে কাজ হবে না, আমার ধরন পরিবর্তন করা দরকার। আমার মনে হয় না, গম্ভীর এই জায়গায় শক্তিশালী।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
সমালোচনার মুখে ফিজিওথেরাপিস্ট নিয়োগ দিলো বাফুফে

সমালোচনার মুখে শেষ মুহূর্তে নারী দলের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় স্থানীয় বাংলাদেশি ফিজিওথেরাপিস্ট নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার আগে হঠাৎ করেই অসুস্থ হযে পড়েন ফিজিও থেরাপিস্ট জাকিয়া রহমান। তার অনুপস্থিতিতে হন্যে হয়ে ফিজিও খোঁজায় নামে ফেডারেশন। যদিও সভাপতির দাবি ফিজিও নেই এটা নাকি তিনি জানতেন না। এ থেকেই আঁচ করা যায় ফেডারেশনের মাঝে সমন্বয়হীনতা কতটুকু! এতবড় একটা আসরের আগে এমন বেহাল দশা! শেষ মুহুর্তে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত ইসনাদ জামকনকে নিয়োগ দিয়েছে বাফুফে। তার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে লড়াইয়ের জন্য তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশ দল। এদিকে প্রস্তুতি ম্যাচে ফুটবলারদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট কোচ পিটার বাটলার। ছোটখাটো ঘটতির জায়গাগুলো নিয়ে কাজ করছেন কোচ। কখনো তীব্র রোদ আবার ভারী বৃষ্টি। সিডনির এমন কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে কষ্ট হলেও ইতিহাস গড়ার মঞ্চে নামার আগে প্রতিবন্ধকতা জয়ের লক্ষ ফুটবলারদের। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার শিউলি আজিম বলেন, ‘এখানে অনেক গরম, আসার পর আমরা মানিয়ে নিয়েছি। এখন আবার বৃষ্টি হচ্ছে। আগের চেয়ে অনেকটাই মানিয়ে নিয়েছি।’ আগামী ৩রা মার্চ চীনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এশিয়ান কাপ অভিযানে নামে বাংলাদেশ।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

আইসিসির মাসসেরার পুরস্কার জিতলেন বাংলাদেশি ক্রিকেটার

ছবি : সংগৃহীত

যেকোনো ফরম্যাটেই একাদশে থাকার যোগ্য সাকিব

ছবি : সংগৃহীত

চাকরি হারাতে পারেন সূর্য-পান্ডিয়াদের কোচ!

ছবি : ক্রিকইনফো
পাকিস্তানের অগ্নি-পরীক্ষার ম্যাচ, একাদশ সাজালেন আমির-ডু প্লেসিসরা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে নিজেদের শেষ ম্যাচে আজ শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। সেমিফাইনালে ‍উঠার ম্যাচে আশা থাকলেও, তাদের কাজটা বেশ কঠিন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বেশ বড় ব্যবধানে জিততে হবে সালমান আগার দলকে। আগে ব্যাট করলে ন্যূনতম ৬৪ রানের ব্যবধানে জয় এবং পরে ব্যাট করলে তাদের ১৩.১ ওভারের মধ্যেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। বাঁচা-মরার এই ম্যাচের আগে একাদশ সাজিয়ে দিচ্ছেন সাবেক ক্রিকেট তারকারা। পাকিস্তানের সাবেক পেসার মোহাম্মদ আমির ও ব্যাটার আহমেদ শেহজাদ একটি জায়গায় একমত হয়েছেন। আর তা হচ্ছে বাবর আজমকে একাদশের বাইরে রেখে খাজা নাফে–কে অন্তর্ভুক্ত করা। সংবাদমাধ্যম ‘জিও নিউজে’র ‘হারনা মানা হ্যায়’ অনুষ্ঠানে তারা পাকিস্তান দলের কম্বিনেশন নিয়ে আলোচনা করেন। পৃথক আরেকটি অনুষ্ঠানে ফখর জামানের ব্যাটিং পজিশন উপরের দিকে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি। আজ (শনিবার) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লড়বে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাকিস্তানের একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন দেখতে চান আমির। যদিও হঠাৎ করে একাদশে এত রদবদল অস্বাভাবিক মনে হতে পারে। আমিরের মতে– ‘শাহিবজাদা ফারহান, ফখর জামান, সালমান আলি আগা এবং খাজা নাফেকে নিয়ে টপঅর্ডার হবে। উইকেটরক্ষক ব্যাটার হিসেবে বাইরে রাখার সুযোগ নেই উসমান খানকে। এরপর আসবে শাদাব খান ও মোহাম্মদ নেওয়াজ। যদি সাইম (আইয়ুব) বাইরে থাকে, আবরার তার জায়গায় ঢুকবে। এ ছাড়া বাবরের পরিবর্তে নাফে এবং এরপর শাহিন (আফিদি), নাসিম (শাহ)।’ মজার বিষয় হচ্ছে– এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ম্যাচ খেলারই সুযোগ পাননি নাসিম শাহ। পেসবিভাগে শাহিন প্রায় নিয়মিত এবং সালমান মির্জা ৩ ম্যাচে খেলেছেন। শ্রীলঙ্কার মাটিতে পাকিস্তানের সব ম্যাচ হওয়ায় একাদশে আধিক্য ছিল স্পিনারদের। টুর্নামেন্টজুড়ে বেশ আলোচিত নাম উসমান তারিক, পারফরম্যান্সেও ছন্দময় ছিলেন এই ব্যতিক্রমী অ্যাকশনের স্পিনার। এ ছাড়া ওপেনার সাইম আইয়ুব ব্যাট হাতে খুব একটা কার্যকর না হলেও, বল হাতে ছিলেন প্রভাবক ভূমিকায়। সবমিলিয়ে আমির গঠিত একাদশ পছন্দ হয়নি আহমেদ শেহজাদের, ‘বিশেষজ্ঞদের খেলাতে হবে। দয়া করে কালকের (আজ) ম্যাচে দলকে অর্ধেক অর্ধেক ভাগ করে ফেলো না। হাতে থাকা তথ্য কাজে লাগিয়ে ব্যাটার এবং বোলারদের খেলাও। কারণ তোমাদের বেঞ্চে ডন ব্র্যাডম্যান (অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি) বসে নেই, সে কারণে দলে ছোট কিছু সমন্বয় করতে হবে। শান্ত মনোভাবে দেখলে শাদাবের জায়গায় আবরার এবং বাবরের পরিবর্তে নাফেকে সুযোগ দাও। তাহলে তোমার বোলিং-ব্যাটিং উভয় বিভাগই সামঞ্জস্য থাকবে।’ এদিকে, চলমান বিশ্বকাপে কেবল একটি ম্যাচ খেলেছেন ফখর জামান। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিজ্ঞ এই ব্যাটারকে পাঁচ নম্বরে ব্যাটিংয়ে পাঠানো হয়। তাকে আরও উপরের পজিশনে সুযোগ দেওয়ার কথা বললেন ফাফ ডু প্লেসি, ‘ফখরকে আমি তিনে দেখতে পছন্দ করব, আমার মতে এটি ইতিবাচক সমন্বয়। অতীতেও ওই পজিশনে সে সাফল্য পেয়েছে। ওয়ানডাউন অথবা চার নম্বর পজিশনে সে রান করেছে, সে কারণে তাকে উপরে খেলালে গঠনমূলক সিদ্ধান্ত হবে বলে আমার বিশ্বাস।’ সেমিফাইনালে উঠতে হলে ৬৪ রানের ব্যবধান কিংবা ১৩.১ ওভারের মধ্যে জিততে হবে পাকিস্তানকে। সে কারণে চাপ না নিয়ে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলার পরামর্শ দিলেন সাবেক এই প্রোটিয়া অধিনায়ক, ‘আপনাকে একটি দিক বেছে নিতে হবে যেখানে ইতিবাচক খেলার মানসিকতা থাকবে। নিজেকে জিজ্ঞেস করুন– আমি কি বৃষ্টিবিঘ্নিত ১৩ ওভারে লক্ষ্য তাড়ায় জিততে পারব অথবা প্রতিপক্ষকে নির্ধারিত ব্যবধানে রেখে আউট করব? সে অনুসারে আপনার দল সাজান।’

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

ভিনিসিয়ুসের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগে ৫ সমর্থক নিষিদ্ধ

ছবি : সংগৃহীত

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে পাকিস্তানের সেমিফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখল ইংল্যান্ড

ছবি : সংগৃহীত

ভারতের চাপ বাড়াচ্ছে পরিসংখ্যান

ছবি : সংগৃহীত
ভারতের বিপক্ষে হারা ম্যাচে যে ইতিহাস গড়লেন সিকান্দার রাজা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটে ভারতের বিপক্ষে নতুন রেকর্ড গড়েছেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক ও অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজা। দল হারলেও মাত্র দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে গড়েছেন বিরল কীর্তি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসরে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার এইটে পা রেখেছিল জিম্বাবুয়ে। তবে সেখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারতের বিপক্ষে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে সিকান্দার রাজার দলের। দল হারলেও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচেই বিরল রেকর্ড গড়েছেন৷ জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক ও অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজা। জিম্বাবুয়ের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে ১০০ উইকেটের মাইলফলক বিশ্বকাপের আগেই ছুঁয়েছেন রাজা। বিশ্বকাপে বৃহস্পতিবার ভারতের বিপক্ষে ৩১ রানের ইনিংস খেলার পথে তিনি স্পর্শ করেছেন তিন হাজার রান। এজন্য তার প্রয়োজন ছিল এদিন ১৫ রান। অক্ষর প্যাটেলকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে এই কীর্তি স্পর্শ করেন রাজা। আইসিসির পূর্ণ সদস্য দলগুলোর মধ্যে প্রথম ও সব দেশ মিলিয়ে দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৩ হাজার রান ও ১০০ উইকেটের ডাবল স্পর্শ করলেন ৩৯ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রাজার রানসংখ্যা এখন ৩০১৬, বল হাতে তার শিকার ১০৪ উইকেট। এর আগে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছিলেন মালয়েশিয়ার বিরানদীপ সিং। আইসিসির সহযোগী দেশটির হয়ে এখন পর্যন্ত ১১১ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ব্যাট হাতে ৩ হাজার ১৮০ রান করেছেন তিনি। পাশাপাশি বাঁ হাতে বল ঘুরিয়ে উইকেট শিকার করেছেন ১০৯টি। টি-টোয়েন্টিতে তিন হাজার রানের ক্লাবে ঢোকা ১৪তম ব্যাটার সিকান্দার রাজা। এই তালিকায় রয়েছেন পাকিস্তানের বাবর আজম, ভারতের বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা, অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্জসহ আরো অনেকে। রাজার ইতিহাস গড়ার দিনে ব্রায়ান বেনেটের অপরাজিত ৯৭ রানের পরও হেরে গেছে জিম্বাবুয়ে। ৭২ রানের পরাজয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে তাদের। টি-টোয়েন্টিতে ৩ হাজার রান ও ১০০ উইকেট : বিরানদীপ সিং ৩১৮০ রান, ১০৯ উইকেট,মালয়েশিয়া সিকান্দার রাজা ৩০১৬ রান, ১০৪ উইকেট, জিম্বাবুয়ে

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ছবি : ক্রিকইনফো

জিম্বাবুয়েকে বিদায় করে সেমির স্বপ্ন জাগাল ভারত

ছবি : সংগৃহীত

বিয়ে করাই তার নেশা!

ছবি- সংগৃহীত

ব্যাটিং ছেড়ে দর্শকের দিকে কেন তেড়ে গেলেন মিঠুন

0 Comments