বিনোদন

বুবলীর পর অপুর ছবিতেও নায়ক সজল

মোঃ ইমরান হোসেন ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আব্দুন নূর সজল এখন পুরোদস্তুর ব্যস্ত বড় পর্দা নিয়ে। সদ্যই চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীর সঙ্গে শেষ করলেন ‘শাপলা শালুক’ সিনেমার শুটিং। আর দম ফেলার ফুরসত নেই, চলতি মাসের মাঝামাঝিতেই শুরু করতে যাচ্ছেন নতুন সিনেমা ‘দুর্বার’-এর কাজ। যেখানে প্রথমবারের মতো তার বিপরীতে নায়িকা হিসেবে থাকছেন ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস।

 

বুবলীর সঙ্গে ‘শাপলা শালুক’ ও অভিজ্ঞতা রাশেদা আক্তার লাজুক পরিচালিত ‘শাপলা শালুক’ সিনেমার শুটিং হয়েছে শেরপুরের বর্ডার এলাকার একটি গ্রামে। সদ্যই এর শেষ লটের কাজ সম্পন্ন করেছেন সজল। পরিচালক ও সহশিল্পী বুবলীকে নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত তিনি।

সজল বলেন, পরিচালক অসম্ভব যত্ন নিয়ে সিনেমাটি করেছেন। আর বুবলী ভীষণ সিনসিয়ার। মনেই হয়নি যে আমরা প্রথমবার একসঙ্গে সিনেমা করছি। কাজের প্রতি সে অনেক দায়িত্বশীল, আমাদের বোঝাপড়াটাও খুব ভালো ছিল।

কামরুল হাসান ফুয়াদ পরিচালিত ‘দুর্বার’ একটি থ্রিলার ঘরানার সিনেমা। এই সিনেমার মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো অপু বিশ্বাসের বিপরীতে কাজ করতে যাচ্ছেন সজল। শুটিংয়ের আগে ইতোমধ্যেই রিহার্সাল সেরে নিয়েছেন তারা।

সহশিল্পী অপু বিশ্বাস সম্পর্কে সজল বলেন, অপু বিশ্বাস অনেক সিনেমা করেছেন, তার অভিজ্ঞতা অনেক। তিনি ভীষণ আন্তরিক এবং সহযোগিতাপরায়ণ। সংলাপ ডেলিভারি খুব ভালো বোঝেন, আর তার জানার জায়গাটাও অনেক বড়। সজল জানান, ‘দুর্বার’ সিনেমায় অনেক চমক আছে, যা দর্শকদের ভালো লাগবে।

সজল জানান, অপু বিশ্বাসের সঙ্গে ‘দুর্বার’-এর শুটিং দিয়েই তার এই বছরের কাজ শেষ হবে। তবে ভক্তদের জন্য সুখবর হলো— আরও তিনটি নতুন সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি।

ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী অভিনেতা বলেন, আশা করছি, ২০২৬ সাল হবে সিনেমার বছর। আমার কোনো তাড়াহুড়া নেই। যে চরিত্রে ভিন্নতা আছে, গল্পে নতুনত্ব আছে— সেসব কাজই করতে চাই। দিন শেষে ভালো কাজ নিয়ে থাকতে চাই।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বিনোদন

আরও দেখুন
শাকিবের হাতে রোলেক্স ঘড়িটি তুলে দেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী
অপুর পর এবার শাকিবকে চ্যানেল আইয়ের চমকপ্রদ উপহার

চ্যানেল আইয়ের বিশেষ আয়োজনে আবারও আলোচনায় এসেছে তারকাদের ব্যতিক্রমী উপহার বিতরণ। এর আগে একই মঞ্চে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস পেয়েছিলেন সোনার কলস। সেই ঘটনার পর এবার ঢালিউক সুপারস্টার শাকিব খানকে দেওয়া হলো বিশ্বখ্যাত সুইস বিলাসবহুল ব্র্যান্ড রোলেক্সের একটি মূল্যবান ঘড়ি, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় সত্তর লাখ টাকা। ‘চাঁদ তারার গুঞ্জন’ নামের বিশেষ অনুষ্ঠানের ধারণকালে এই চমকপ্রদ আয়োজন করা হয়। চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের সেটে শাকিব খানকে ঘড়িটি উপহার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, যিনি শাকিব খানের কবজিতে ঘড়িটি পরিয়ে দেন। উপহার হিসেবে দেওয়া ঘড়িটি রোলেক্সের জনপ্রিয় ও অভিজাত মডেল ‘GMT-Master II Root Beer’ (Ref. 126715CHNR)। ঘড়িটির বডি ও ব্রেসলেট তৈরি হয়েছে রোলেক্সের নিজস্ব ১৮ ক্যারেট এভারোজ গোল্ড দিয়ে, যা দীর্ঘদিন উজ্জ্বলতা ও স্থায়িত্ব ধরে রাখার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ঘড়িটির অন্যতম আকর্ষণ এর দ্বি-রঙা সিরামিক বেজেল, যেখানে কালো ও চকোলেট ব্রাউন রঙের সমন্বয় রয়েছে। এই ডিজাইন ঘড়িটিকে ঘড়িপ্রেমীদের কাছে ‘রুট বিয়ার’ নামে পরিচিত করে তুলেছে। পাশাপাশি এতে রয়েছে জিএমটি ফাংশন, যার মাধ্যমে একই সঙ্গে একাধিক টাইম জোনের সময় দেখা সম্ভব, যা আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। এই ঘড়িটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর GMT ফিচার। এটি মূলত আন্তর্জাতিক বিমানচালক ও বিশ্বজুড়ে নিয়মিত ভ্রমণকারীদের জন্য তৈরি একটি বিশেষায়িত প্রযুক্তি। ডায়ালের তিনটি মূল কাঁটার পাশাপাশি এতে একটি অতিরিক্ত GMT কাঁটা এবং দ্বি-রঙা ঘূর্ণায়মান বেজেল রয়েছে, যার মাধ্যমে একই সঙ্গে বিশ্বের তিনটি ভিন্ন টাইম জোনের সময় ট্র্যাক করা যায়। আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই মডেলের রোলেক্স ঘড়িটির মূল্য অবস্থাভেদে পরিবর্তিত হয়। নতুন অবস্থায় এর অফিশিয়াল রিটেইল মূল্য প্রায় ৫৩ হাজার ১০০ মার্কিন ডলার। উপহার পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শাকিব খান বলেন, “এটি সাগর ভাইয়ের পক্ষেই সম্ভব। আমি আমার লাইফে যত গিফট পেয়েছি, টাকার অঙ্কের দিক থেকেও এটি অন্যতম বড়, আর ভালোবাসার দিক থেকেও এই গিফট আমার কাছে প্রাইসলেস।” তিনি আরও বলেন, “কিছুদিন আগে এক ছোটভাইয়ের সঙ্গে শেয়ার করছিলাম, একটা রোলেক্স ঘড়ি কেনার ইচ্ছা ছিল। কীভাবে যেন সেই কথা সাগর ভাইয়ের কান পর্যন্ত পৌঁছে যায়, এরপর যা হলো তা আমি সত্যিই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এটি যতটা না দামি, তার চেয়ে বেশি অমূল্য ভালোবাসার দিক থেকে।” শাকিব খান জানান, এই ঘড়িটি তিনি তার ব্যক্তিগত সংগ্রহশালায় সংরক্ষণ করে রাখবেন। অনুষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ‘চাঁদ তারার গুঞ্জন’-এর এই বিশেষ পর্বটি শিগগিরই প্রচারিত হবে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।

মারিয়া রহমান জুন ১৪, ২০২৬
শাকিব খান ও পূর্ণিমা

দীর্ঘ বিরতির পর এক ফ্রেমে শাকিব–পূর্ণিমা

ব্রাজিলের জার্সি গায়ে অপু ও বুবলী। ছবি - সংগৃহীত

দূরত্ব ঘুচিয়ে একই কাতারে অপু-বুবলী

ছবি : সংগৃহীত

প্রাকৃতিকভাবে লিভার পরিষ্কার করার কিছু টিপস

বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে প্রয়াত কারিনাকে

হাস্যোজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের স্মরণে বিশেষ সম্মাননা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি।   প্রতিষ্ঠানটির পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ‘চরকি কার্নিভাল’। এতে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে চরকিতে মুক্তি পাওয়া কনটেন্টগুলো থেকে সেরাদের পুরস্কৃত করা হবে।   এরই মধ্যে ২০২৪ সালের সাবস্ক্রাইবারস চয়েস বিভাগের মনোনয়ন তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। সেখানে ‘৩৬-২৪-৩৬’ ওয়েব ফিল্মের জন্য সেরা অভিনেত্রী (ফিমেল) বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছিলেন কারিনা কায়সার। তবে তার আকস্মিক মৃত্যুতে তাকে প্রতিযোগিতার বাইরে রেখে বিশেষভাবে সম্মান জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রেদওয়ান রনি বলেন, ‘কারিনার অসাধারণ সব কাজ রয়ে গেলেও, তিনি আজ সকল প্রতিযোগিতার উর্ধ্বে। তাই প্রয়াত কারিনা কায়সারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাকে এই বিভাগে প্রতিযোগিতার বাইরে রাখা হয়েছে। তার অসামান্য অবদানকে স্মরণ করে এবারের চরকি অ্যাওয়ার্ডসে আমরা তাকে বিশেষভাবে সম্মান জানাতে চাই।’   এবারের চরকি অ্যাওয়ার্ডসে ২০২৪ সালের সাবস্ক্রাইবারস চয়েস বিভাগে সেরা ছবির তালিকায় রয়েছে ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’, ‘তুফান’, ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগামী’ এবং ‘৩৬-২৪-৩৬’। পাশাপাশি সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রী, সিরিজ ও গানসহ বিভিন্ন বিভাগে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।   চরকির ওয়েবসাইটে গিয়ে সাবস্ক্রাইবাররা পছন্দের কনটেন্ট ও শিল্পীদের জন্য ভোট দিতে পারছেন। ভোটগ্রহণ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১৩, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

লিভার সুস্থ রাখার ৫ সহজ উপায়

নুসরাত ফারিয়া । ছবি - সংগৃহীত

তারকাদের নিয়ে সমালোচনা একটু বেশিই হয় : নুসরাত ফারিয়া

ছবি: সংগৃহীত

কোয়েলের পর গণপদত্যাগ, দেব-রচনা-সায়নীসহ ১৯ তারকা এমপির বিদায়

ছবি: সংগৃহীত
‘সুড়ঙ্গ-২’ নিয়ে ফিরছেন আফরান নিশো ও রায়হান রাফী

বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য সুখবর। দর্শকপ্রিয় ও ব্যবসাসফল সিনেমা ‘সুড়ঙ্গ’-এর ধারাবাহিকতায় নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘সুড়ঙ্গ-২’। নির্মাতা রায়হান রাফী ও অভিনেতা আফরান নিশোর সফল জুটি আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন নতুন গল্প ও নতুন চমক নিয়ে।   ২০২৩ সালের ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া ‘সুড়ঙ্গ’ ছিল আফরান নিশোর প্রথম চলচ্চিত্র। সিনেমাটিতে ‘মাসুদ’ চরিত্রে তার অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ায়। পাশাপাশি সিনেমাটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ বিভিন্ন স্বীকৃতি অর্জন করে এবং বক্স অফিসেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়।   প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ‘সুড়ঙ্গ-২’-এর গল্প শুরু হবে প্রথম সিনেমার শেষ অংশ থেকে। নতুন কিস্তিতে আরও বড় ক্যানভাস, আধুনিক প্রযুক্তি এবং বিস্তৃত গল্পের মাধ্যমে দর্শকদের ভিন্ন অভিজ্ঞতা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।   এসভিএফ এন্টারটেইনমেন্টের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মহেন্দ্র সনি বলেন, ‘সুড়ঙ্গ’ প্রমাণ করেছে স্থানীয় গল্পও আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। নতুন সিনেমার মাধ্যমে সেই যাত্রাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।   নির্মাতা রায়হান রাফীর ভাষ্য, ‘সুড়ঙ্গ’ তার চলচ্চিত্র জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। দর্শকদের ভালোবাসার প্রতিদান দিতেই আরও গভীর ও বিস্তৃত গল্প নিয়ে আসছে ‘সুড়ঙ্গ-২’। তিনি জানান, এবার কাহিনিতে মানুষের আকাঙ্ক্ষা, সংগ্রাম, ভালোবাসা ও অন্ধকার দিকগুলো আরও বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরা হবে।   আফরান নিশো বলেন, ‘সুড়ঙ্গ’ আমার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের বিশেষ অধ্যায়। “মাসুদ” চরিত্রটি দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। নতুন পর্বে দর্শকদের জন্য নতুন গল্প, নতুন চ্যালেঞ্জ এবং বেশ কিছু চমক অপেক্ষা করছে।’   বর্তমানে সিনেমাটির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। শিগগিরই অন্যান্য অভিনয়শিল্পী, শুটিং সূচি এবং নির্মাণ-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।   এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড প্রযোজিত ‘সুড়ঙ্গ-২’ চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে মুক্তির লক্ষ্যে নির্মাণ করা হচ্ছে।

আক্তারুজ্জামান জুন ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

এবার সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিলেন আদনান আল রাজীব

ছবি: সংগৃহীত

৫০০ কোটির ভিউয়ের ইতিহাস গড়েও অশান্ত ‘তেরে বিন’ ভক্তরা

কোমোথেরাপির আগে ও পরের ইলিয়াস কাঞ্চন। ছবি: সংগৃহীত

৬০ কেমোথেরাপির পর লন্ডনে কেমন আছেন ইলিয়াস কাঞ্চন?

0 Comments