জাতীয়

ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

মোঃ ইমরান হোসেন নভেম্বর ২৬, ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে নতুন কড়াকড়ি আরোপ করেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংক–কম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একান্ত অপরিহার্য কারণ ছাড়া বিদেশে না যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, নির্বাচনকালীন সময়ে ব্যাংকিং খাতে কোনো শূন্যতা বা প্রশাসনিক বিঘ্ন সৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিত করতেই এ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনী পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্যাংকিং কার্যক্রমকে স্থিতিশীল ও নির্বিঘ্ন রাখতে এই সীমিত ভ্রমণনীতি কার্যকর করা হচ্ছে। এতে ব্যাংক–কম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেবলমাত্র অতি জরুরি প্রয়োজনেই বিদেশ ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হবে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক কম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
আরবান আইএনজিও ফোরাম বাংলাদেশের ‘৯ম আরবান ডায়ালগ ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

দ্রুত নগরায়ণের ফলে সৃষ্ট জলবায়ু ঝুঁকি, আবাসন সংকট ও জীবিকার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘জাতীয় নগর নীতি ২০২৫’, ‘স্থানিক পরিকল্পনা আইন ২০২৬’ এবং ‘জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (২০২৩–২০৫০)’ দ্রুত বাস্তবায়নের  দাবিতে ১৬-দফা প্রস্তাবনা গ্রহণের মধ্য দিয়ে আজ ঢাকায় সম্পন্ন হয়েছে ‘নবম আরবান ডায়ালগ ২০২৬’।  আরবান আইএনজিও ফোরাম বাংলাদেশ আয়োজিত এই সংলাপে বক্তারা সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগে নগর ব্যবস্থাপনায় নীতিমালার দ্রুত প্রয়োগ ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে শহরগুলোকে জনবান্ধব করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। উদ্বোধনী অধিবেশনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, “বর্তমানে যদি উন্নয়ন কর্মসুচির সাথে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে সম্পৃক্ত করে আমরা কাজ না করি, তবে  দেশের সার্বিক উন্নয়ন কোনভাবেই সম্ভব নয়।   আমাদের প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশ্বে একটি সফল উদাহরণ হলেও দ্রুত নগরায়নের ফলে নগর দুর্যোগ প্রস্তুতি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায়  প্রায় এক লক্ষ নগর স্বেচ্ছাসেবক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, ইতোমধ্যেই প্রায় ৫০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।   একই সঙ্গে ফায়ার সার্ভিস, আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বিত প্রস্তুতি, পূর্বনির্ধারিত অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট, উদ্ধার সরঞ্জাম এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দুর্যোগ প্রস্তুতিকে আরও টেকসই করতে শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্যোগ সচেতনতা অন্তর্ভুক্ত করা, স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পাশাপাশি,  খাল পুনঃখনন, বৃক্ষরোপণ এবং জলবায়ু-সহনশীল নগর পরিকল্পনার মাধ্যমে মেগাসিটিগুলোকে আরও নিরাপদ ও অভিযোজনক্ষম করে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।” অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ও ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক ড. আদিল মুহাম্মদ খান। তিনি বাংলাদেশের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের প্রেক্ষাপটে নগর সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোকপাত করে বলেন, বিদ্যমান অবকাঠামোগত ঘাটতি ও ব্যাপক আর্থ-সামাজিক বৈষম্য নিরসনে সুপরিকল্পিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর ব্যবস্থাপনা এখন সময়ের দাবি।  নগরীর স্থানীয় একটি হোটেলে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত  এ সংলাপে গৃহীত ১৬-দফা ঘোষণাপত্রে বলা হয়, ভূমি মালিকানার আইনি জটিলতা নির্বিশেষে বস্তিবাসীসহ সকল নাগরিকের নিরাপদ পানি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এবং উন্নত স্যানিটেশন সুবিধা পাওয়া মৌলিক অধিকার। পাশাপাশি শহর এলাকায় ক্রমবর্ধমান দাবদাহ মোকাবিলায় একটি ন্যাশনাল হিট অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি, কর্মজীবী মায়েদের সহায়তায় এলাকাভিত্তিক চাইল্ড-কেয়ার হাব প্রতিষ্ঠা এবং বর্জ্য ও স্যানিটেশন কর্মীদের পৌর ব্যবস্থাপনার মূল কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করে তাদের ন্যায্য মজুরি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে রক্ষা করতে সবুজ ও নীল অবকাঠামো বা গ্রিন অ্যান্ড ব্লু ইনফ্রাস্ট্রাকচারের সমন্বিত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। দিনব্যাপী আয়োজিত এই সংলাপে তিনটি কারিগরি অধিবেশনে সাশ্রয়ী আবাসন, নগর জীবিকায়ন এবং জলবায়ু সহিষ্ণু উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সংলাপে অংশগ্রহণকারী কমিউনিটি প্রতিনিধিরা তাপপ্রবাহ, জলাবদ্ধতা এবং মৌলিক সেবার অভাবসহ তাদের দৈনন্দিন জীবনসংগ্রামের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঘোষণাগুলো বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পুরো আয়োজনে বিভিন্ন প্যানেল আলোচনায় নগর বিশেষজ্ঞ ড. কে এম নুরুজ্জামান, জলবায়ু গবেষক অধ্যাপক ড. নাজনীন আহমেদ, বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ড. এম এ কাশেমসহ  বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, নগর গবেষক, ও নগর কর্মীগণ অংশ নেন । আরবান আইএনজিও ফোরাম বাংলাদেশ মূলত ২০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার একটি সক্রিয় প্ল্যাটফর্ম, যা বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান নগরায়ণজনিত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে। এই ফোরামটি ধারাবাহিকভাবে নগর দারিদ্র্য বিমোচন, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং টেকসই নগর ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ে কার্যকর পরিবেশ তৈরির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কৌশলগত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাচ্ছে। এই সংলাপে গৃহীত কৌশলগত দলিলটি ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের আইন ও কার্যক্রম প্রণয়নে কার্যকর দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।  

আক্তারুজ্জামান জুন ২৪, ২০২৬

বেনজীরের বিরুদ্ধে আরো ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

জাতীয় চিড়িয়াখানায় আনা হলো নতুন ৪ প্রাণী

চীনের দালিয়ান থেকে বুলেট ট্রেনে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী

নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলামের জামিন

  শ্রম আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই মামলায় আরও তিন আসামি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।    বুধবার (২৪ জুন) ঢাকার প্রথম শ্রম আদালতের বিচারক গোলাম আজম তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।   এর আগে একই দিন ভোরে সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ। এরপর তাকে আদালতে হাজির করা হয়। একই মামলার আরও তিন আসামি আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।   সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আফতাব অটোমোবাইলসের সাবেক এক কর্মকর্তার প্রায় ২৩ লাখ টাকা পাওনা পরিশোধ না করায় দায়ের করা শ্রম আইনের মামলায় সাজেদুল ইসলাম শুভ্রের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন ঢাকার প্রথম শ্রম আদালত।   এর আগে মঙ্গলবার রাত থেকে সাজেদুল ইসলামের বাসার সামনে অবস্থান নেয় পুলিশ। তবে গভীর রাত পর্যন্ত বাসার ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পরে বুধবার ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২৪, ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ছবি: সংগৃহীত

বাণিজ্য ঘাটতি মোকাবিলায় যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রীর: রিজভী

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে প্রধানমন্ত্রী

  চীনের দালিয়ানে চলমান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে অতিথিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের দালিয়ানে চলমান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে অতিথিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান   চীনের দালিয়ানে চলমান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   বুধবার (২৪ জুন) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় দালিয়ান শহরের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিস্তৃত পরিসরে উদ্ভাবন’ শীর্ষক এই প্ল্যানারি সেশন শুরু হয়। সেশনে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও উদ্বোধনী বক্তব্য দেন।   সেশনে বাংলাদেশ ছাড়াও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সিওক, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী উছরাল নিয়াম-ওসর, মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোজকো স্পাজিচ এবং গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু ওউরি বাহ অংশ নেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২৪, ২০২৬

ফিটনেসবিহীন যানবাহন নিয়ে কঠোর বার্তা বিআরটিএ’র

উচ্চ আদালতে চার কর্মদিবসে ২০৭৪০ পুরনো মামলা নিষ্পত্তি

বেনজীরের পর কার পালা, ১১ জনকে ফেরাতে ইন্টারপোলে দুদক

0 Comments