খেলাধুলা

বিশ্বকাপের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১৪, ২০২৬

উত্তর আমেরিকার তিন দেশ, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে যৌথভাবে পর্দা উঠেছে বিশ্ব ফুটবলের মহোৎসব ‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬’-এর। বহু বছর পর আবারও এই মেগা আসরের অন্যতম আয়োজক হিসেবে ফিরেছে ফুটবলপ্রেমী দেশ মেক্সিকো। আর নিজেদের দেশের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের ঘাটতি রাখতে চায় না মেক্সিকান সরকার।

 

  

বিশ্বকাপের সময় রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং নিটোল নিরাপত্তা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে মেক্সিকোর প্রধানমন্ত্রী ক্লদিয়া শিনবাউম এক বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছেন। এই নির্দেশনায় সব সরকারি কর্মচারীকে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশটির সব স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে স্কুলগুলোতে অনলাইন ক্লাস চালু হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

 

বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ ফুটবল দর্শক মেক্সিকোয় পা রাখছেন। বিদেশী পর্যটক ও দর্শকদের যাতায়াত যেন কোনো ধরনের ভোগান্তি বা ট্রাফিক জ্যামের মুখে না পড়ে, সে বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে মেক্সিকান প্রশাসন।

 

সরকারের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, মেক্সিকো সিটিতে অবস্থিত সমস্ত প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থাগুলির কর্মীদের আপাতত অফিস পরিহার করে বাড়ি থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে।

 

তবে জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং জরুরি অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের মতো জরুরি সেবাগুলোকে এই সাধারণ ছুটির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, এই খাতের কর্মীরা যথারীতি মাঠে থেকে দায়িত্ব পালন করবেন।

 

একই সঙ্গে প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ কার্যকর করা হয়েছে। সরকারি দপ্তরের পাশাপাশি দেশের বেসরকারি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিগুলোকেও তাদের কর্মীদের এ সময়ে বাড়ি থেকে কাজ করানোর বিষয়ে বিশেষভাবে উৎসাহিত করেছে সরকার।

 

উল্লেখ্য, এবারের ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো মোট ৪৮টি দেশের ১২৪৮ জন ফুটবলার অংশ নিচ্ছেন। ফুটবল ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বড় ও বর্ধিত পরিসরে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উত্তর আমেরিকার তিন দেশে টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হলেও মেক্সিকোর ভাগে পড়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও হাইভোল্টেজ ম্যাচ, যা সফলভাবে সম্পন্ন করতে মেক্সিকান সরকার পুরো প্রশাসনকে ঢেলে সাজিয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
পোলার্ডের রেকর্ড ভেঙে টি-টোয়েন্টিতে শীর্ষে বাটলার

ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অধিনায়ক কাইরন পোলার্ডকে ছাড়িয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার জস বাটলার। ওল্ড ট্র্যাফোর্ড ‘দ্য হান্ড্রেড’ টুর্নামেন্টে ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টসের অধিনায়ক ওয়েলশ ফায়ারের বিপক্ষে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন।   বাটলার মাত্র ২০ বলে অপরাজিত ৫১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে সুপার জায়ান্টসকে ১৫৬ রানের জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। এতে ৩১ বল হাতে রেখে ৯ উইকেট জয় পেয়েছে তার দল।   বর্তমানে ৪৯১টি টি-টোয়েন্টি ইনিংসে বাটলারের মোট রান ১৪,৮৩৩; যা পোলার্ডের (১৪,৮০৩ রান) চেয়ে ৩০ রান বেশি। এই তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিস গেইল, যিনি ১৪,৫৬২ রান নিয়ে নিজের ক্যারিয়ার শেষ করেছিলেন।   নিয়মিত অধিনায়ক এইডেন মার্করাম ব্যক্তিগত কারণে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার পর সুপার জায়ান্টসের অধিনায়ক হিসেবে এটিই ছিল বাটলারের প্রথম ম্যাচ। ইংল্যান্ডে চলমান টুর্নামেন্টের মাঝপথেই ব্যক্তিগত প্রয়োজনে নিজ দেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরে যাওয়ায় মার্করাম ‘দ্য হান্ড্রেড ২০২৬’-এর বাকি ম্যাচগুলোতে আর খেলতে পারবেন না।   বুধবার এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি জানিয়েছে, এইডেন মার্করাম ব্যক্তিগত কারণে দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরে গেছেন। সুপার জায়ান্টস পরিবারের সবাই এই সময়ে এইডেনের জন্য শুভকামনার পাশাপাশি এবারের প্রতিযোগিতায় দলের প্রতি তার অবদানের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানায়।   আইপিএল, এসএ২০ এবং দ্য হান্ড্রেড সুপার জায়ান্টস ফ্র্যাঞ্চাইজির এই তিনটি দলেরই সদস্য মার্করাম চলমান ১০০-বলের টুর্নামেন্টে পাঁচটি ম্যাচ খেলে মোট ১১৭ রান সংগ্রহ করেছেন। ওভালে এমআই লন্ডনের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে তিনি একটি দুর্দান্ত অর্ধশতক হাঁকিয়েছিলেন। চলমান মৌসুমে বাটলার দারুণ ছন্দে রয়েছেন। এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার মাত্র ছয়টি ম্যাচেই ৯২.৩ গড়ে ২৭৭ রান করেছেন। ফ্র্যাঞ্চাইজিটি মার্করামের বদলি হিসেবে মাইকেল ব্রেসওয়েলকে দলে ভেড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ০৬, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

ভিনিসিয়াসকে নতুন চুক্তির প্রস্তাব রিয়ালের

ছবি: সংগৃহীত

পাঁচ ছক্কায় ঝড়ো ফিফটি, জাফনার হয়ে নতুন রেকর্ড গড়লেন হৃদয়

তাওহীদ হৃদয় ও সাকিব আল হাসান। ছবি : সংগৃহীত

হৃদয়ের ঝোড়ো ব্যাটিং ও সাকিবের উইকেটে ফাইনালে জাফনা কিংস

ছবি: সংগৃহীত
ডারউইনে অনুশীলন শেষ করলেন লিটন, প্রস্তুতি ম্যাচে খেলা নিয়ে পর্যবেক্ষণ

দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে গেছে অস্ট্রেলিয়ায় গেছে বাংলাদেশ দল। ইনজুরি কাটিয়ে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) ডারউইনের মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে পূর্ণাঙ্গ অনুশীলন করেছেন লিটন দাস।   ব্যাটিং-উইকেটকিপিং দুটিতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছেন তিনি।      আগামীকাল (৬ আগস্ট) সকালে লিটনকে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এরপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তাকে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে খেলানো হবে কি না। ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলের সঙ্গে থাকা বিসিবির প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন।   প্রথম টেস্টের স্কোয়াডে শুরুতে লিটনকে দলে রাখা হয়নি। তবে চোট থেকে সেরে ওঠায় পরে তাকে স্কোয়াডে যুক্ত করা হয়। গত জুনে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে বাঁ পায়ে চোট পাওয়ার কারণে জিম্বাবুয়ে সফরও মিস করেন তিনি। বুধবার তাকে নিয়ে সুখবর দিয়েছেন প্রধান নির্বাচক সুমন।   দলের অনুশীলন শেষে সুমন বলেন, ‘কোনো ধরনের অভিযোগ ছাড়াই ওকে (লিটনকে) পুরো অনুশীলন শেষ করতে দেখে আমরা অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছি। (আগামীকাল) সকালে ওর অবস্থা দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সে প্রস্তুতি ম্যাচে খেলবে কি না।’    নেটে দীর্ঘ সময় ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি উইকেটকিপিং অনুশীলনও করেছেন লিটন। এ প্রসঙ্গে সুমন বলেন, ‘জিম্বাবুয়ে সিরিজের সময় ওর ব্যাটিং নিয়ে কোনো সমস্যা ছিল না।   আসল সমস্যা ছিল কাফের (পায়ের পেছনের মাংসপেশি) চোট। দ্রুত দৌড়ানো ও হঠাৎ দিক পরিবর্তনের সময় সেটি সমস্যা করত। এখন আশা করি সবকিছু ভালোই হবে।’ দীর্ঘদিন প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের বাইরে থাকায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ লিটনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।   পেসার হাসান মাহমুদও প্রস্তুতি ম্যাচের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, ‘টেস্ট সিরিজের আগে আমাদের প্রস্তুতির জন্য এই ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানকার কন্ডিশন ও উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে এটি অনেক সাহায্য করবে।’

মারিয়া রহমান আগস্ট ০৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইনফান্তিনোর পদত্যাগ চেয়ে লুইস ফিগোর খোলা চিঠি

ছবি: সংগৃহীত

কমনওয়েলথ গেমস শেষে দেশে ফেরেননি উগান্ডা-পাকিস্তানের পাঁচ বক্সার

ছবি: সংগৃহীত

টপ এন্ড টি-টোয়েন্টির সূচি প্রকাশ, নেপাল ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশ এইচপির শুরু

ছবি: সংগৃহীত
খেলার মাঠে বজ্রপাত: ম্যাচ চলাকালে থাই ফুটবলারের মর্মান্তিক মৃত্যু

থাইল্যান্ডের একটি স্থানীয় ফুটবল ম্যাচ চলাকালে ভয়াবহ বজ্রপাতে ২৪ বছর বয়সী ফুটবলার সাফওয়ান আওয়ায়ে মারা গেছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১২ জন ফুটবলার আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।   দক্ষিণ থাইল্যান্ডের সুঙ্গাই গোলকের সান্তিফাপ স্টেডিয়ামে গোলক এফএ কাপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল থাই-মালয়েশিয়ান দল সামকোল্টস ও আবু নং সিরিন। ম্যাচ চলাকালে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। হঠাৎ মাঠের কাছে তীব্র আলোর ঝলকানি দেখা যায় এবং সঙ্গে সঙ্গেই বিকট শব্দে বজ্রপাত আঘাত হানে।   ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বজ্রপাতের পর খেলোয়াড় ও দর্শকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাফওয়ানের সতীর্থরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার চেষ্টা করেন। পরে স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   স্থানীয় পুলিশ প্রধান থুন সিরিখুন্ত জানান, জরুরি চিকিৎসক দল সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও বজ্রপাতের আঘাতে সাফওয়ানের মৃত্যু হয়।   এ ঘটনায় আহত ১২ ফুটবলারকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।   থাইল্যান্ডে বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনা নতুন নয়। দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বজ্রপাতে অন্তত ২৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ০৫, ২০২৬
রিশাদ হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০ লিগে সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপে ডাক পেলেন স্পিনার রিশাদ

ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে হারানো অসম্ভব নয়: বাশার

ছবি: সংগৃহীত

আলভারেজকে পেতে মাদ্রিদে গেলেন বার্সেলোনার কর্মকর্তা

0 Comments