খেলাধুলা

বিশ্বকাপে লজ্জার রেকর্ড এখন ভারতীয় এই ওপেনারের

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও ব্যর্থ হয়েছেন ভারতীয় ব্যাটার অভিষেক শর্মা। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখনো রানের খাতা খোলা হয়নি এই তারকা ক্রিকেটারের। এতে অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন অভিষেক।

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে গোল্ডেন ডাকের শিকার হন অভিষেক। আলী খানের বলে ক্যাচ তালুবন্দী করে তাকে সাজঘরে ফেরান সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি। এরপর নামিবিয়ার বিপক্ষে না খেললেও পাকিস্তানের বিপক্ষে একাদশে ফিরে রানের খাতা খোলার আগে সালমান আলী আঘার শিকার হন অভিষেক।

সর্বশেষ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও আরিয়ান দত্তের বলে বোল্ড হয়ে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন অভিষেক শর্মা। ফলে চলতি বিশ্বকাপে তিন ম্যাচ খেলে সবগুলোতেই ডাক মেরেছেন টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর ব্যাটার। এতেই রেকর্ডবুকে জায়গা করে নিয়েছেন এই ক্রিকেটার।

টেস্ট খেলুড়ে দলগুলোর মধ্যে প্রথম ও সব মিলিয়ে দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজের প্রথম তিন ম্যাচে শূন্য রানে আউট হওয়ার অভিজ্ঞতা হলো অভিষেকের। এর আগে ২০২৪ আসরে উগান্ডার রজার মুকাসা এই লজ্জার রেকর্ড গড়েছিলেন।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা তিন ম্যাচে শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড আছে অভিষেকেরই স্বদেশি আশিস নেহরার। ২০১০ ও ২০১৬ আসর মিলিয়ে নেহরা নাম লেখান এই রেকর্ডে। ২০০৯ সালে একই রেকর্ড গড়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের আন্দ্রে ফ্লেচার।

ব্যাট হাতে অভিষেকের সময়টা যেন একেবারেই ভালো যাচ্ছে না। সর্বশেষ ৭ ইনিংসের ৫টিতেই রানের খাতা খোলা হয়নি এই তারকা ব্যাটারের। এক পঞ্জিকাবর্ষে ভারতের হয়ে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ডাক মারার রেকর্ডে নাম লিখিয়ে ফেলেছেন অভিষেক। তার পাশাপাশি এই লজ্জার রেকর্ড রয়েছে সঞ্জু স্যামসনের।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
নাহিদ রানার তোপে বিধ্বস্ত করাচি

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) নিজের অভিষেক ম্যাচটি রাঙাতে না পারলেও দ্বিতীয় ম্যাচেই নিজের বিধ্বংসী রূপ দেখালেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা। করাচি কিংসের ব্যাটারদের গতির আগুনে পুড়িয়ে পেশোয়ার জালমিকে এনে দিলেন ১৫৯ রানের এক বিশাল জয়। এটি রানের ব্যবধানে পিএসএল ইতিহাসের বৃহত্তম জয়ের রেকর্ড।   বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে করাচিতে নাহিদ রানার তোপ আর কুশল মেন্ডিসের সেঞ্চুরিতে রীতিমতো খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে করাচি কিংস।   ম্যাচে টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে পেশোয়ার জালমি স্কোরবোর্ডে ৩ উইকেটে ২৪৬ রানের পাহাড়সম পুঁজি সংগ্রহ করে। ইনিংসের শুরুতে মোহাম্মদ হারিসকে দ্রুত হারালেও লঙ্কান তারকা কুশল মেন্ডিস ও অধিনায়ক বাবর আজমের ১৯১ রানের মহাকাব্যিক জুটি পেশোয়ারকে বড় সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে দেয়।   মেন্ডিস মাত্র ৪৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করে শেষ পর্যন্ত ১০৯ রান করে আউট হন। তার ৫২ বলের ইনিংসে ছিল ১৪টি চার ও ৪টি ছক্কার মার। অন্যপ্রান্তে বাবর আজম ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে ৫১ বলে ৮৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ দিকে আব্দুল সামাদ মাত্র ১২ বলে ৪০ রানের এক টর্নেডো ইনিংস খেললে করাচির বোলাররা পুরোপুরি দিশাহারা হয়ে পড়েন।   ২৪৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নাহিদ রানার গতির সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে করাচি কিংসের ব্যাটিং লাইনআপ। নিজের কোটার ৪ ওভার বোলিং করে একটি মেডেনসহ মাত্র ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন এই বাংলাদেশি গতি তারকা।   বিশেষ করে তার করা তৃতীয় ওভারটি ছিল উইকেট-মেডেন, যেখানে তিনি খুশদিল শাহ ও অ্যাডাম জাম্পাকে সাজঘরে ফেরান। নাহিদ রানার এমন কিপটে ও কার্যকর বোলিংয়ে মাত্র ৮৭ রানেই অলআউট হয়ে যায় ডেভিড ওয়ার্নারের নেতৃত্বাধীন করাচি কিংস।   নাহিদের পাশাপাশি পেশোয়ারের হয়ে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন আরেক বাংলাদেশি পেসার শরিফুল ইসলাম। আগের দুই ম্যাচে উইকেটশূন্য থাকা শরিফুল এদিন ৩ ওভারে ২৩ রান দিয়ে এক উইকেট শিকার করেন। এছাড়া অভিজ্ঞ ইফতিখার আহমেদ ও স্পিনার সুফিয়ান মুকিম প্রত্যেকেই ৩টি করে উইকেট নিয়ে করাচির ব্যাটিং বিপর্যয়ে বড় ভূমিকা রাখেন।   অভিষেক ম্যাচে হায়দরাবাদ কিংসের বিপক্ষে উইকেটশূন্য থেকে ৩০ রান দেওয়া নাহিদ রানা দ্বিতীয় ম্যাচেই রাজকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন। এই জয়ে ৪ ম্যাচে ৩ জয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো পেশোয়ার জালমি।   একইসঙ্গে চলতি আসরে এখন পর্যন্ত একমাত্র অপরাজিত দল হিসেবে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখল বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দলটি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
রশিদ খান। ছবি : সংগৃহীত

আইপিএলের মাঝেই অবসর ঘোষণা রশিদ খানের

ছবি: বিসিবি

৮৭৫০ ক্রিকেটার নিয়ে শুরু হচ্ছে জাতীয় স্কুল ক্রিকেট

ছবি : সংগৃহীত

সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টিটিতে বাংলাদেশের স্বর্ণ জয়

ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের পরিবর্তিত সময় ঘোষণা করল বিসিবি

দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে আসন্ন বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের খেলা শুরুর সময়ে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে সিরিজের নতুন সময় জানায় বিসিবি। পূর্বে ঘোষিত সময় সূচিতে ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচগুলো দুপুর ২টায় শুরুর হবার কথা ছিল। নতুন সময় অনুযায়ী ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচগুলো সকাল ১১টায় শুরু হবে। ম্যাচ শেষ হবার সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট। ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচগুলোর তারিখ ও ভেন্যুতে কোন পরিবর্তন হয়নি। ১৭ এপ্রিল মিরপুরে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে খেলতে নামবে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। একই ভেন্যুতে ২০ এপ্রিল সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর চট্টগ্রামের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ২৩ এপ্রিল সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে খেলবে দু’দল। ওয়ানডের মত টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের সময়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে। চট্টগ্রামে ২৭ ও ২৯ এপ্রিল সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ শুরুর সময় ছিল সন্ধ্যা ৬টায়। নতুন সময় অনুযায়ী প্রথম দুই ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টায়। যা শেষ হবে বিকেল ৫টা ১০ মিনিট।    মিরপুরে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ আগের থেকেই দুপুর ২টায় শুরু হবার কথা ছিল। ঐ ম্যাচের সময়ে কোন পরিবর্তন আনা হয়নি। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আগামী ১৩ এপ্রিল ঢাকায় আসবে নিউজিল্যান্ড। ২০২৩ সালে সর্বশেষ বাংলাদেশ সফর করেছিল নিউজিল্যান্ড। ঐ সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল কিউইরা। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে সর্বশেষ বাংলাদেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছিল নিউজিল্যান্ড। পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে হারে কিউইরা।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি এপ্রিল ০৯, ২০২৬ 0
সংগৃহীত

এক লাল কার্ডে বার্সার সর্বনাশ, ১৯ বছরের খরা কাটল আতলেতিকোর

ছবি: সংগৃহীত

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পিএসজির দাপট, লিভারপুল বিধ্বস্ত ২-০ ব্যবধানে

ছবি: সংগৃহীত

লাল কার্ডে বিপাকে বার্সা, ক্যাম্প ন্যুতে অ্যাতলেটিকোর ঐতিহাসিক জয়

তামিম ইকবাল। ছবি : সংগৃহীত
দায়িত্ব নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ক্রিকেটারদের বড় সুখবর দিলেন তামিম

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্ব নিয়েছেন তামিম ইকবাল খান। দায়িত্ব নেওয়ার ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই ক্রিকেটারদের বড় সুখবর দিল তার নেতৃত্বাধীন নতুন বোর্ড। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে মঙ্গলবার আমিনুল ইসলাম বুলবুলের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় এনএসসি। তামিম ইকবালকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। দায়িত্ব পাওয়ার পর আজ (বুধবার) দ্বিতীয়বারের মতো সভা করেন নতুন কমিটির সদস্যরা। আর দ্বিতীয় সভা শেষেই ক্রিকেটারদের জন্য বড় সুখবর দেন তামিম ইকবাল। নারী ও পুরুষ ক্রিকেটারদের ঘরোয়া লিগে ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। এ প্রসঙ্গে সভা শেষে তামিম ইকবাল বলেন, ‘আজকে কয়েকটা জিনিস দেখে আমি খুবই অবাক হয়েছি। আমাদের নারী ক্রিকেটার যারা ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেন, তাদের ম্যাচ ফি সম্পর্কে আপনাদের ধারণা আছে? আমি জানি না আপনারা জানেন কি না। এটা একটা সময় ১ হাজার টাকা ছিল। তারপর এটাকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে। আমার কাছে মনে হয় এটা কোনোভাবেই ঠিক না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজকে আমরা যেটা অনুমোদন দিয়েছি আমি বলব না, এটা খুব ভালো। কিন্তু এটা তুলনামূলক ভালো। কারণ সবকিছু বাড়ানোর একটা সীমাবদ্ধতা আছে। এখন থেকে তারা টি-টোয়েন্টি ম্যাচের জন্য ১০ হাজার টাকা, ওয়ানডের জন্য ১৫ হাজার টাকা এবং লঙ্গার ভার্সনের জন্য ২০ হাজার টাকা করে ম্যাচ ফি পাবেন।’ এছাড়া লঙ্গার ভার্সন ক্রিকেটের জন্য পুরুষরা পাবেন ১ লাখ টাকা করে, যা আগে ছিল ৭০ হাজার টাকা। মেয়েদের ঘরোয়া ক্রিকেটারদের চুক্তির তালিকায় ৩০-৩৫ জন ক্রিকেটার আছেন। তাদের ৩০ হাজার টাকা করে মাসিক বেতন ছিল। সেটা বাড়িয়ে ৪০ হাজার করা হয়েছে।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ০৮, ২০২৬ 0
তামিম ইকবাল। ছবি : সংগৃহীত

আইসিসি এবং এসিসিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধির নাম জানাল বিসিবি

ছবি: সংগৃহীত

হাভার্টজের শেষ মুহূর্তের গোলে আর্সেনালের জয়

ছবি: সংগৃহীত

এক যুগ পর রিয়ালকে হারিয়ে এগিয়ে বায়ার্ন

0 Comments