সারাদেশ

বিজয়ী হয়েই নিজের ব্যানার অপসারণে নামলেন রনি

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0


গাজীপুর-২ আসনের নবনির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি বলেছেন, আগেই ঘোষণা দিয়েছিলাম নির্বাচিত হলে পরদিন থেকেই কাজ শুরু করব। তাই নিজের ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের মাধ্যমে কাজ শুরু করলাম। আমদের কর্মীদেরও নির্দেশ দিয়েছি যার যার আশপাশের ব্যানার-ফেস্টুন সরিয়ে ফেলতে। অন্য প্রার্থীদেরও অনুরোধ করব তাদের ব্যানার ফেস্টুন সরিয়ে ফেলতে।


এতে শহর সুন্দর লাগবে। 
শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে নিজের ব্যানার ফেস্টুন অপসারণে নেমে প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি। 

রনি বলেন, ‘শহর পরিষ্কার থাকলে মন ভালো থাকবে। সবাই নিজ নিজ এলাকা ছোট ছোটভাবে পরিষ্কার রাখলে শহরটা ভালো দেখাবে।

আমি মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করতে চাই। এলিভেটেট এক্সপ্রেসওয়ে, মেট্রো রেল সম্প্রসারণ করতে চাই। যানজট সমস্যা, মাদক, ছিনতাই, চুরি রি স্ট্রীটগ্যাং দূর করতে চাই। সবচেয়ে বড় সমস্যা দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে চাই।


তিনি বলেন, ‘ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। যারা ভোট দেননি তাদের প্রতিও আমার ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা। নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে গাজীপুর-২ এলাকার সব নাগরিকের দায়িত্ব আমি নিলাম।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বানারীপাড়ায় ৬ জন আহত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরবর্তী সহিংসতায় বরিশাল-২ আসনের বানারীপাড়ায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির কর্মীসহ ৬ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলার আহম্মদাবাদ বেতাল গ্রামে খান বাড়ির সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।   এতে জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড সভাপতি হেমায়েত হোসেন, জামায়াত নেতা আক্তার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক ছাব্বির হোসেন, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মো. খোকন, হাসিব সরদারসহ ৬ জন আহত হন। এ সময় স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বরিশাল শেবামেক হাসপাতালে নিয়ে যায়।   এর আগে, বিএনপি কর্মীরা বাইশারী বাজার সংলগ্ন বিভাষ ঋষির বাড়িতে গিয়ে তাকে হাতুড়িপেটা করে। এ সময় ডাকচিৎকার দিলে তারা বিভাষ ঋষিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়। পরে সে তাদের হাত থেকে বাঁচতে ৯৯৯ এ কল দেয়। খবর পেয়ে লবনসাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।   বিভাষ ঋষি পুলিশের সহায়তায় চিকিৎসা নেন। পরে অর্ধশতাধিক বিএনপির নেতাকর্মী তার বাড়িতে গিয়ে হামলার ঘটনায় সমঝোতা করেন।   বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে এ ব্যাপারে এখনো কোনো পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0

ভোট পুনঃগণনার দাবি ১১ দলীয় জোট প্রার্থীর

গাজীপুরের একটি জুট মিলে আগুনের ভয়াবহতা।

গাজীপুরে জুট গুদামে ভয়াবহ আগুন

বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার একটি ভোটকেন্দ্রে চা শ্রমিকদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।

ভূমির অধিকারসহ দাবি আদায়ে সংসদে ভূমিকা চান চা শ্রমিকরা

বিজয়ী হয়েই নিজের ব্যানার অপসারণে নামলেন রনি

গাজীপুর-২ আসনের নবনির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি বলেছেন, আগেই ঘোষণা দিয়েছিলাম নির্বাচিত হলে পরদিন থেকেই কাজ শুরু করব। তাই নিজের ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের মাধ্যমে কাজ শুরু করলাম। আমদের কর্মীদেরও নির্দেশ দিয়েছি যার যার আশপাশের ব্যানার-ফেস্টুন সরিয়ে ফেলতে। অন্য প্রার্থীদেরও অনুরোধ করব তাদের ব্যানার ফেস্টুন সরিয়ে ফেলতে। এতে শহর সুন্দর লাগবে।  শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে নিজের ব্যানার ফেস্টুন অপসারণে নেমে প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।  রনি বলেন, ‘শহর পরিষ্কার থাকলে মন ভালো থাকবে। সবাই নিজ নিজ এলাকা ছোট ছোটভাবে পরিষ্কার রাখলে শহরটা ভালো দেখাবে। আমি মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করতে চাই। এলিভেটেট এক্সপ্রেসওয়ে, মেট্রো রেল সম্প্রসারণ করতে চাই। যানজট সমস্যা, মাদক, ছিনতাই, চুরি রি স্ট্রীটগ্যাং দূর করতে চাই। সবচেয়ে বড় সমস্যা দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে চাই। তিনি বলেন, ‘ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। যারা ভোট দেননি তাদের প্রতিও আমার ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা। নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে গাজীপুর-২ এলাকার সব নাগরিকের দায়িত্ব আমি নিলাম।’

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। পুরোনো ছবি

গোলাম পরওয়া‌রের আসনে জয় পেলেন বিএনপি প্রার্থী লবি

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুকে হেনস্তার চেষ্টা করেছে বিএনপি কর্মীরা।

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মঞ্জুকে হেনস্তার চেষ্টা, প্রধান এজেন্টের ওপর হামলা

আনোয়ারায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ

আনোয়ারায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৬

জি এম কাদের ও আখতার হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
রংপুরে ভোট দিতে পারেননি জি এম কাদেরসহ দুই প্রার্থী

সারা দেশে একযোগে চলছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ ও গণভোট। দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে সকাল থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে কেন্দ্রে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। তবে ব্যতিক্রম এক ঘটনায় নিজ নিজ নির্বাচনী আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থেকেও ভোট দিতে পারেননি রংপুরের দুই হেভিওয়েট প্রার্থী। তারা হলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের এবারের নির্বাচনে রংপুর-৩ (রংপুর সিটি করপোরেশন-সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।  অপরদিকে, ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গণ-অভ্যুত্থানের নেতা ও এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। তবে ভোটগ্রহণের দিন নিজ নিজ আসনে অবস্থান করলেও তারা কেউই ভোট দিতে পারেননি। নির্বাচনী হলফনামা ও নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই দুই প্রার্থীই ঢাকার ভোটার হওয়ায় রংপুরে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাননি।   নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে অনুসন্ধানে দেখা যায়, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে উল্লেখ রয়েছে—রাজধানীর উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টর-৭। সে হিসেবে তিনি উত্তরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের তালিকাভুক্ত ভোটার। অন্যদিকে, এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনের স্থায়ী ঠিকানা রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের সদরা তালুক গ্রাম  হলেও তাঁর ভোটার এলাকা ঢাকায়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ঢাকার উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটার। এ ব্যাপারে আখতার হোসেন বলেন, ‘ভোটার হওয়ার সময় আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলাম। সে সময় বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ঢাকার ঠিকানা ব্যবহার করেছিলাম। নিয়ম অনুযায়ী সেই ঠিকানার ভিত্তিতেই আমার নাম ঢাকার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।’ আখতার হোসেন আরো অভিযোগ করেন, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য তিনি একাধিকবার চেষ্টা করলেও নির্বাচন কমিশন থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাননি। ভোটার এলাকা পরিবর্তন না হওয়ার দায় নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপান তিনি। নিজের নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থী হয়েও ভোট দিতে না পারার এই ঘটনা ভোটার তালিকা ব্যবস্থাপনা ও ভোটার স্থানান্তর প্রক্রিয়ার জটিলতাকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রংপুর জেলায় এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৫ লাখ ৭৫ হাজার ৬৩৫জন। এছাড়া হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৩১ জন। জেলায় মোট ৮৭৩টি ভোটকেন্দ্রে চার হাজার ৯৮৮টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দায়িত্ব পালন করছেন ৮৭৩ জন প্রিসাইডিং অফিসার, পাঁচ হাজার ১৮ জন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং ১০ হাজার পোলিং অফিসার। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে রয়েছেন।

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় একটি ভোটকেন্দ্র।

টুঙ্গিপাড়ায় দুপুর পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি ১৯ দশমিক ২০ শতাংশ

ছবি : সংগৃহীত

গোপালগঞ্জে বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ১

সংগৃহীত ছবি

ভোটের দিন মেট্রো রেল চলাচল নিয়ে নতুন নির্দেশনা

0 Comments