অন্যান্য

ভ্রূণ গঠনের জৈবিক ধাপ : কোরআনের বর্ণনা ও আধুনিক এমব্রিওলজির মিল

খবর৭১ ডেস্ক, নভেম্বর ২৫, ২০২৫ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

মানব দেহের সৃষ্টি ও বিকাশ বিজ্ঞানের অন্যতম বিস্ময়কর অধ্যায়। আধুনিক এমব্রিওলজির আবির্ভাবের আগে মানব ভ্রূণের গঠন নিয়ে বিশ্বের কোনো সভ্যতারই সুস্পষ্ট জ্ঞান ছিল না। সপ্তম শতকের আরবেও ভ্রূণ নিয়ে ধারণা ছিল ক্ষীণ এবং বেশিরভাগই কুসংস্কারনির্ভর। এমন এক যুগে কোরআনে ভ্রূণ গঠনের যে ধাপসমূহ বর্ণিত হয়েছে, তা আজকের আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় অবাক করার মতো সামঞ্জস্য খুঁজে পায়।

কোরআনের একাধিক সূরায় মানুষের সৃষ্টি নিয়ে ধাপে ধাপে বর্ণনা আছে—নুফা (বীর্যের একটি অংশ), আলাকা (ঝুলে থাকা/রক্তমাংসের দলা), মুদগাহ (চিবানো মাংসপিণ্ড), অস্থি, অস্থির উপর মাংস, এবং শেষে পূর্ণাঙ্গ মানব। এটি সাত শতাব্দী পূর্বে বলা হলেও আধুনিক এমব্রিওলজির নিখুঁত পর্যবেক্ষণের সাথে এক রহস্যময় মিল রেখে চলে।

নুফা: নিষিক্তকরণের সূচনা ধাপ

 

আধুনিক জীববিজ্ঞান দেখায়—
•    লক্ষাধিক শুক্রাণুর স্রোত থেকে মাত্র একটি নিষিক্তকরণে সক্ষম হয়।
•    নুফা শব্দটি নির্দেশ করে “অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটি অংশ”, যা এই বিজ্ঞানসম্মত ঘটনা ব্যাখ্যা করে।
এই বিষয়টি অতীতে কেউ জানতো না। মানুষের চোখে শুক্রাণু দৃশ্যমান নয়। আজ মাইক্রোস্কোপিক পর্যবেক্ষণে নুফার ধারণা আরও স্পষ্ট।


আলাকা: ঝুলে থাকা কোষগুচ্ছ


কোরআন এই ধাপটিকে “আলাকা” বলে উল্লেখ করেছে।
আরবি ভাষায় এর অর্থ—
•    ঝুলে থাকা,
•    রক্তমতো দলা,
•    আঠালো বস্তু।
আজ এমব্রিওলজির চিত্র দেখায়—
•    ভ্রূণ জরায়ুর দেয়ালে লেগে (implant) থাকে।
•    এর আকৃতি রক্তদলার মতো দেখতে।
•    স্টেম সেলগুলো আঠালোভাব ধারণ করে।
এটি কোরআনের ‘আলাকা’ শব্দের তিনটি অর্থের সাথেই সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।


মুদগাহ: চিবানো মাংসের মতো আকৃতি

এ ধাপটি কোরআনে অত্যন্ত বিচিত্রভাবে বর্ণিত।
আধুনিক আল্ট্রাসনোগ্রাফির ছবি দেখলে—
•    ২৬–৩০ দিনের ভ্রূণ সত্যিই একটি “চিবানো মাংসপিণ্ড”-এর মতো দেখায়।
•    somite নামক অংশগুলো দাঁতের দাগের মতো চিহ্ন সৃষ্টি করে—যা চিবানো মাংসের দাগের সদৃশ।
এটি মধ্যযুগে কল্পনাতীত।


হাড় সৃষ্টি →হাড়েমাংসআবরণ


কোরআনে বলা হয়েছে—
“তারপর আমরা হাড় সৃষ্টি করলাম, তারপর হাড়ে মাংস পরিয়ে দিলাম।”
এমব্রিওলজি দেখায়—
•    প্রথমে cartilaginous skeleton তৈরি হয়।
•    পরে তার চারপাশে মাংসপেশি গঠিত হয়।
এটিও কোরআনের ধাপগত বর্ণনার সাথে মিলে যায়।


গবেষকদের ব্যাখ্যা


বিশ্বখ্যাত এমব্রিওলজিস্টDr. Keith Moore, যিনি “The Developing Human” বইয়ের রচয়িতা, বলেছেন—
“কোরআনে ভ্রূণ গঠনের বর্ণনা আমার গবেষণার জন্য নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।”
আধুনিক যুগে এর তাৎপর্য
•    ধর্ম ও বিজ্ঞানকে এক বন্ধনে যুক্ত করে।
•    বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রতি মুসলিম সমাজে আগ্রহ জাগিয়েছে।
•    মানবদেহ নিয়ে গবেষণায় কোরআনিক উল্লেখ নতুন কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।

 
ফুটনোট:
১. Keith L. Moore, The Developing Human, 7th Edition.
২. Journal of Embryology & Reproduction, Vol. 52.

 

লেখক : এম. ইমরান, বিশ্লেষক ও গবেষক
 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অন্যান্য

আরও দেখুন
লাইলাতুল কদরের সম্ভব্য রাত। ছবি: সংগৃহীত
শবে কদরের সম্ভব্য রাত কোনটি?

মর্যাদার এ রাতটি কবে হবে তা সুস্পষ্ট বা নির্দিষ্ট করে বলার বা জানার কোনো সুযোগ নেই। তবে এ কথাটি সুস্পষ্ট যে, তা রমজানের শেষ ১০ দিনের বিজোড় যে কোনো রাতে হবে। সে আলোকে তা হবে- ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ রমজানের রাত। অর্থাৎ ২০ রমজান দিবাগত রাত, ২২ রমজান দিবাগত রাত, ২৪ রমজান দিবাগত রাত, ২৬ রমজান দিবাগত রাত এবং ২৮ রমজান দিবাগত রাত। রাসুলুল্লাহ (সা.) লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করতেও হাদিসে পাকে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এভাবে— ১. রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রমজানের শেষ ১০ দিনে তোমরা কদরের রাত তালাশ কর।’ (বুখারি) ২. রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ ১০ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে কদরের রাত খোঁজ কর।’ (বুখারি) ২৭ রমজান শবে কদর তবে কেউ কেউ শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোর মধ্যে ২৭ রমজান তথা ২৬ রমজান দিবাগত রাতে ‘লাইলাতুল কদর’ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে উল্লেখ করেছেন। এ সম্পর্কেও একটি বর্ণনা পাওয়া যায়। হাদিসে এসেছে, হজরত আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— 'যে ব্যক্তি কদরের রাত অর্জন করতে ইচ্ছুক, সে যেন তা ২৭ রমাজনের রাতে অনুসন্ধান করে।' (মুসনাদে আহমাদ) অন্য যে রাতগুলোও সম্ভাবনাময় ২৭ রমজানের রাত ছাড়া লাইলাতুল কদর পাওয়ার বেশি সম্ভাবনাময় রাতগুলো হলো- ২৫ রমজানের রাত। ২৯ রমজানের রাত। ২১ রমজানের রাত। ২৩ রমজানের রাত। লাইলাতুল কদরের বিশেষ নিদর্শন ১. রাতটি বেশি অন্ধকার হবে না। ২. গরম ও শীতের তীব্রতা থাকবে না। অর্থাৎ সুন্দর শান্তিদায়ক আবহাওয়া বিরাজ করবে। ৩. মৃদু শীতল (বসন্তের) বাতাস প্রবাহিত হবে। ৪. সে রাতের ইবাদতে মানুষ বিশেষ তৃপ্তি অনুভব করবে। যা অন্য রাতের ইবাদতে অনুভূত হয় না। ৫. প্রকৃত ঈমানদার রোজাদার স্বপ্নে তা জানতে পারবে। ৬. সে রাতে রহমতের বারিধারায় (বৃষ্টিতে) সিক্ত হবে জমিন। ৭. পূর্ণিমার চাঁদের মতো হালকা আলোক রশ্মিসহ সূর্য উদয় হবে।' (ইবনে খুযায়মাহ, বুখারি, মুসলিম)।

মারিয়া রহমান মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার পোস্টস্টাডি ফি ভিসা বৃদ্ধি, খরচ এখন কানাডা–নিউজিল্যান্ড–যুক্তরাজ্যের চেয়ে বেশি

সংগৃহীত ছবি

ওসমান হাদি হত্যায় অধিকতর প্রতিবেদন ২ এপ্রিল

ফাইল ছবি

আংশিক নয়, জুলাই সনদের পুরো প্যাকেজ চাই : জামায়াত আমির

বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক। আজ বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে।। ছবি: পিআইডি
স্পিকারের চেয়ার খালি রেখে শুরু হবে অধিবেশন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করার ভার সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ছেড়ে দিয়েছে বিএনপির সংসদীয় দল।বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের বৈঠকে সংসদ নেতাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে জাতীয় সংসদের এলডি হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শুরু হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন। বৈঠকের শুরুতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদে নির্বাচন হবে। চিফ হুইপ জানান, আগামীকাল স্পিকারের চেয়ার খালি রেখে অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হবে। শুরুতে একজন পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করবেন। এরপর সংসদ নেতা এই সভায় সভাপতিত্ব করার জন্য কোনো একজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম প্রস্তাব করবেন। কোনো একজন সংসদ সদস্য তা সমর্থন করবেন। তারপর ওই সদস্য (যার নাম প্রস্তাব করা হবে) সভাপতিত্ব করবেন। নূরুল ইসলাম বলেন, ‘স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমরা সংসদ নেতাকে দায়িত্ব দিয়েছি। সিদ্ধান্ত তিনি দেবেন। আগামীকাল আমরা জানতে পারব।’ চিফ হুইপ জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ আগামীকাল সংসদে উপস্থাপন করা হবে। এগুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য আগামীকালের বৈঠকে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। সে কমিটিতে সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলের সদস্যরাও থাকবেন। সংবিধান অনুযায়ী সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপান্তরের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।তা না হলে এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। প্রথম বৈঠকে স্পিকার নির্বাচনের পর অধিবেশন ২০ মিনিটের জন্য মুলতবি রেখে নতুন স্পিকারের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি শপথ পাঠ করাবেন। এরপর নতুন স্পিকারের সভাপতিত্বে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন ও অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালিত হবে

মারিয়া রহমান মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ডেপুটি স্পিকার ইস্যুতে জামায়াতের অবস্থান

প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা জারি

ছবি : সংগৃহীত

খেজুর ইস্যুতে হাসনাতকে নিয়ে ডা. মিতুর ফেসবুক পোস্ট

ছবি: সংগৃহীত
সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই: তাহেরের দাবি

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন-এর ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। বুধবার (১১ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবন-এ বিরোধী দলের সভাকক্ষে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। তাহের বলেন, তাদের দল মনে করে রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণ দেওয়ার কোনো অধিকার নেই। তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্রপতি স্বৈরাচারের দোসর।” একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিএনপি কেন এ প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছে, তা তাদের কাছে পরিষ্কার নয়। এ সময় তিনি জানান, চলমান অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের বিষয়েও বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাব আসার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। অন্যদিকে সংসদ ভবনে উপস্থিত জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সাংবাদিকদের বলেন, সংসদে জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনা শেষ হওয়ার পর সরকারের প্রস্তাবিত ডেপুটি স্পিকার পদ নিয়ে দলের অবস্থান চূড়ান্তভাবে জানানো হবে। এদিকে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জানান, সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলের ভূমিকা কী হবে—তা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, সংসদকে জনগণের জন্য কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে নেতারা প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

শাহবাগে আন্দোলনকারীদের তোপে আসিফ মাহমুদ

ছবি : সংগৃহীত

ইরান ফুটবল দলের আরও ২ সদস্যকে আশ্রয় দিল অস্ট্রেলিয়া

আট বিভাগেই বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

0 Comments