অনেকেই ঘরে বা বাথরুমে একা থাকলে নির্দ্বিধায় উলঙ্গ হয়ে গোসল করেন। বিষয়টি তুচ্ছ মনে হলেও ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে এটি মোটেও তুচ্ছ নয়। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আমাদের জীবনযাপনের প্রতিটি বিষয়ে শালীনতা ও পর্দার আদব শিখিয়েছেন— এমনকি একা অবস্থায়ও।
কারণ, ইসলামে পর্দা শুধু মানুষের সামনে নয়, বরং আল্লাহর উপস্থিতি সচেতনভাবে অনুভব করার একটি অভ্যাস। তাই উলঙ্গ হয়ে গোসল করা বা কাপড় সম্পূর্ণ খুলে থাকা ইসলামি শরিয়তে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
ইসলামি স্কলাররা বলছেন, যারা বাথরুমে খোলামেলা গোসল করে থাকেন, আজ থেকেই এই অভ্যাস পরিত্যাগ করা জরুরি। কারণ, বাথরুমে গোসল করলে ৩টি বিপদ দেখা দিতে পারে।
সেই ৩টি বিপদের কথা জানিয়েছেন রাজধানীর জামিয়া ইকরার ফাজিল মুফতি ইয়াহইয়া শহিদ। চলুন, বিস্তারিত জেনে নিই—
১. বদজ্বিনের আক্রমণ
বিশ্বনবী (সা.) বলেছেন, তোমরা বাথরুমে প্রবেশের সময় এই দোয়া পড়বে, ‘ আল্লাহুম্মা ইন্নি আউ‘জুবিকা মিনাল খুবুসি ওয়াল খাবাইস।’ অর্থ : হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি বাথরুমের বদজ্বিন ও শয়তান থেকে। (মুসলিম : ৭১৮)
মুফতি ইয়াহইয়া শহিদ বলছেন, নবীজি (সা.) এই দোয়া পড়তে বলার কারণ হলো, বাথরুমে বদজ্বিন ও শয়তানের আনাগোনা বেশি থাকে। কেউ যখন উলঙ্গ হয়ে গোসল করে, তখন শয়তান ও বদজ্বীন তার গোপনাঙ্গ নিয়ে খেলা করে। তাই বাথরুমে শয়তান ও বদজ্বিনের আক্রমণ থেকে বাঁচতে হলে খোলামেলা গোসলের অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে।
২. হাতের যেনা
মুফতি ইয়াহয়া শহিদ বলেন, বাথরুমে খোলামেলা গোসল করার সময় গোপনাঙ্গের দিকে দৃষ্টি পড়ে। এতে শয়তান অনেকের মাথায় চেপে ধরে এবং মনকে হস্তমৈথুনের দিকে প্রভাবিত করে। তাই হস্তমৈথুনের পাপ থেকে বাঁচতে হলে খোলামেলা গোসল পরিহার করতে হবে।
৩. লজ্জা কমে যাওয়া
হাদিসে এসেছে, লজ্জা ঈমানের অংশ (মুসলিম : ৫৮)। ফুক্বাহায়ে কেরামের দাবি, যারা বাথরুমে খোলামেলা গোসল করেন, তাদের লজ্জা ধীরে ধীরে কমে যায়। ফলে তারা যেকোনো ধরনের পাপে লিপ্ত হতে থাকে। এমনকি সামাজিকভাবেও নিরলজ্জ আচরণ শুরু করে।
এ ছাড়া অনেক ইসলামি স্কলারের দাবি, যারা বাথরুমে খোলামেলা গোসলরত অবস্থায় লজ্জাস্থানের দিকে বেশি তাকান অথবা গোপনে লজ্জাস্থানের দিকে বেশি নজর দেন, তাদের চোখের জ্যোতি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনকি মেধাশক্তি হ্রাস পেতে পারে বলেও দাবি আলেমদের।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করতে যমুনায় গেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একটি প্রতিনিধি দল। দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে রয়েছেন মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বৈঠকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক ও নির্বাচনসংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে। এর আগে রোববার রাতে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানান, সোমবার তারা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতিত্বসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় বৈঠকে তুলে ধরা হবে। উল্লেখ্য, এর আগের দিন রোববারই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে ধরেন। এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে বলেও তারা জানান।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত যোগ্যতার সঙ্গেই কাজ করছে। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় কিছু সমস্যা থাকাটা স্বাভাবিক বিষয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে জিয়াউর রহমানের নাম সবসময় স্মরণীয়। তিনি দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন, সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছেন এবং ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ হিসেবে পরিচিত অর্থনীতিকে একটি সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাওয়ার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। এ কারণেই প্রতি বছর তাঁকে স্মরণ করা হয় এবং তাঁর দেখানো পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করা হয়। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ওই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ঘোষণা এসেছে এবং ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতিকে পুনর্গঠন ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য নতুন করে শপথ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিএনপি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে এগিয়ে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিএনপির একাধিক নেতার মনোনয়ন বাতিল প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় কিছু জটিলতা তৈরি হওয়া নতুন কিছু নয়। এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন মোটামুটিভাবে যোগ্যতার সঙ্গেই কাজ করছে বলে তারা মনে করেন। যে বিষয়গুলো নিয়ে দলের আপত্তি রয়েছে, তা ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচন কমিশন দক্ষতার সঙ্গে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সক্ষম হবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে সেই শোকজের জবাব দিয়েছে এনসিপি। রোববার (১৮ জানুয়ারি) এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ফেসবুক পেজে বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এনসিপির নির্বাচনী মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহাবুব আলমের পক্ষে দেওয়া ওই পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ‘দেশ সংস্কারের গণভোট হ্যাঁ-এর পক্ষে থাকুন’ সম্বলিত ব্যানার জানানো হয়েছে। যেটা নাহিদ ইসলাম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর শাপলাকলি মার্কায় ভোট দেয়ার কোন প্রচারণা ছিল না। গণভোটের প্রচারের জন্য যে সকল বিধিমালা রয়েছে তা কোনভাবেই লঙ্ঘিত হয়নি।’ তাছাড়া ও নির্বাচনী আচরণ বিধিমেলার কোন ব্যত্যয় ঘটেনি বলেও দাবি করে এনসিপির নির্বাচনী মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহাবুব আলম। এর আগে নাহিদ ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশে (শোকজ) বলা হয়, ‘মো. নাহিদ ইসলাম, আপনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কর্তৃক মনোনীত ঢাকা-১১ আসনের একজন বৈধ প্রার্থী। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকা-১১ আসনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আপনার নিজের বিশাল আকৃতির রঙিন ছবি, ঢাকা-১১ উল্লেখপূর্বক ‘দেশ সংস্কারের গণভোট হ্যাঁ-এর পক্ষে থাকুন’ স্লোগান সংবলিত বিলবোর্ড রিটার্নিং অফিসারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালার পরিপন্থি।’ এতে আরও উল্লেখ করা হয়, সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ১৮ অনুযায়ী ‘কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্যকোনো ব্যক্তি ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের ৩ সপ্তাহ সময়ের আগে কোনোপ্রকার নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন না। এই অবস্থায় আগামী ১৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সমস্ত বিলবোর্ড অপসারণের জন্য আপনাকে অনুরোধ করা হলো। এ ঘটনায় নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আপনার বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না উল্লেখ করে শোকজ নোটিশে আরও বলা হয়েছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি সকাল ১১টার মধ্যে আপনি নিজে বা আপনার প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে দাখিলের জন্য অনুরোধ করা হলো। আর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দেয়া চিঠিতে ইসি বলেছে, আপনি মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি মনোনীত ঢাকা-৮ আসনের একজন বৈধ প্রার্থী। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকা-৮ আসনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আপনার নিজের 'বিশাল আকৃতির রঙিন ছবি', 'ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী' এবং 'গণভোটকে হ্যাঁ বলি' স্লোগান সম্বলিত বিলবোর্ড রিটার্নিং অফিসারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালার পরিপন্থী।