খেলাধুলা

বাংলাদেশ-ভারত লড়াইসহ আইপিএল ফাইনাল আজ

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ৩১, ২০২৬
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের মেয়েরা। ছবি : সংগৃহীত
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের মেয়েরা। ছবি : সংগৃহীত

ফুটবল ও ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য আজকের দিনটি হতে পারে বাড়তি উত্তেজনার। রোববার (৩১ মে) থাকছে দারুণ সব ক্রীড়া আয়োজন। সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ নারী দল। একই রাতে অনুষ্ঠিত হবে আইপিএলের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল, যেখানে শিরোপার জন্য মুখোমুখি হবে বেঙ্গালুরু ও গুজরাট।

 

এর পাশাপাশি ফ্রেঞ্চ ওপেন টেনিসের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচও থাকছে দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রে। টেলিভিশনের পর্দায় তাই ক্রীড়ার রোমাঞ্চে ভরপুর একটি দিন অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য।

টেনিস

ফ্রেঞ্চ ওপেন

৪র্থ রাউন্ড

বেলা ৩টা, সনি স্পোর্টস ২ ও ৫

ফুটবল

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ

নেপাল-শ্রীলঙ্কা

বিকেল ৫টা, টি স্পোর্টস

বাংলাদেশ-ভারত

রাত ৮টা, টি স্পোর্টস

ক্রিকেট

আইপিএল

ফাইনাল

বেঙ্গালুরু–গুজরাট

রাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ১ ও ২

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা মেসির

জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি। সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এ ঘোষণা দেন।   ফেসবুক পোস্টে মেসি লেখেন, ‘ফাইনালের পর বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেছে। অনেক ভেবেচিন্তে আমি সবাইকে জানাতে চাই যে, আমি জাতীয় দল থেকে অবসর নিচ্ছি…’   তিনি আরও লিখেন,এটি এমন একটি সিদ্ধান্ত, যা নিতে গিয়ে অনেক কষ্ট হয়েছে এবং এখনো হৃদয়ে ব্যথা দেয়। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি, এটাই সঠিক সময়। আমি শপথ করে বলছি, আমি সবসময় নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছি। শুধু সাম্প্রতিক কয়েক বছর নয়, তারও আগে যখন আমরা সবকিছু জিতেছি, তখনও। এই জার্সির জন্য, আপনাদের আনন্দ দেওয়ার জন্য এবং ফুটবলের মাধ্যমে যেন আপনারা আর্জেন্টাইন হওয়ার জন্য গর্ববোধ করেন—সেই জন্য আমি সবসময় লড়াই করেছি এবং নিজের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছি।   আর বেশি সময় বাকি নেই, একে একে অধ্যায়গুলো শেষ হয়ে আসছে। আর এই অধ্যায়টি শেষ করতে গিয়ে আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। আমি জাতীয় দলে থাকা ভালোবাসি, ভালোবেসেছি এবং সবসময় ভালোবেসে যাব। আমি নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছি, এখন আর দেওয়ার মতো কিছু অবশিষ্ট নেই। পাশাপাশি, পেছনে আরও অনেক প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় আসছে, যারা জাতীয় দলে থাকার যোগ্য।   গত ২০ বছর ধরে আপনাদের কাছ থেকে পাওয়া সব ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ। দলের ভেতর থেকে আপনাদের সমর্থনের আওয়াজ অনেক মিস করব। এখন আমি আপনাদেরই একজন হয়ে বাইরে থেকে সবসময় দলকে সমর্থন ও উৎসাহ দিয়ে যাব—ভালো সময়ে যেমন, খারাপ সময়ে তার চেয়েও বেশি।   সবসময় পাশে থাকার জন্য আমার পরিবারকে ধন্যবাদ। এই সুন্দর কিন্তু কঠিন যাত্রায় আমাকে সঙ্গ দেওয়ার জন্যও ধন্যবাদ। যেসব কোচ, সতীর্থ ও কর্মকর্তার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে, তাদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ। তাদের সঙ্গে কাটানো অসংখ্য স্মৃতি ও মুহূর্ত আমি সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছি, যেগুলো কখনো ভুলব না। আমি এই শান্তি ও গর্ব নিয়ে বিদায় নিচ্ছি যে, সতীর্থদের সঙ্গে মিলে আপনাদের এমন কিছু স্বপ্নের মুহূর্ত উপহার দিতে পেরেছি, যা আমরা কল্পনা করেছিলাম। আপনাদের সঙ্গে এসব মুহূর্ত বেঁচে থাকাটা ছিল অবিশ্বাস্য এক অভিজ্ঞতা। আমি আপনাদের ভালোবাসি! আর্জেন্টাইন হিসেবে জন্ম দেওয়ার জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। ভামোস আর্জেন্টিনা!’   পোস্টটির শেষে আর্জেন্টাইন এই তারকা আরও লিখেছেন, ‘এই কথাগুলো আমি ২১ জুলাই, ফাইনালের দুই দিন পর লিখেছিলাম। আজ আমার বাবাকে ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর আমি আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত যে, এটাই আমার সঠিক সিদ্ধান্ত।

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ৩১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

লেস্টার সিটির সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্কের ইতি, শেফিল্ড ইউনাইটেডে হামজা চৌধুরী

ছবি: সংগৃহীত

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সূচিতে বদল, লিগ কাপের ম্যাচ পেছাল

ছবি: সংগৃহীত

ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গারকে দলে নিলো ম্যানচেস্টার সিটি

ছবি: সংগৃহীত
বোলিংয়ে ফিরলেন নাহিদ রানা, লক্ষ্য আফগান সিরিজ

এমনিতে নাহিদ রানা মাঠে যা-ই করেন, তাকে ঘিরে কৌতূহল সবসময়ই থাকে। গত দুই বছরে গতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে তার তারকা খ্যাতি। আকর্ষণের কেন্দ্রে তো তিনি থাকবেনই। সেই আগ্রহের মাত্রা সোমবার দুপুরে দেখা গেল একটু বেশিই। সংবাদকর্মীদের সবার চোখ তার দিকে, সবার ক্যামেরা তাক করা তার দিকে। যেন বিশেষ কোনো উপলক্ষ!   এমনিতে মিরপুরে নাহিদের আনাগোনা নিয়মিতই ছিল। তবে গত কিছু দিনে মূলত শারীরিক কসরতই করতে দেখা গেছে তাকে। এবার শুরু হলো সত্যিকারের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম। চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার পথে বোলিং শুরু করলেন বাংলাদেশের এই ফাস্ট বোলার।   যদিও এই বোলিং একদমই প্রাথমিক পর্যায়ের। স্রেফ কয়েক পা আলতো করে দৌড়ে গিয়ে বল ছুড়েছেন। পুরোদমে বোলিং শুরু করতে এখনও সময় লাগবে বেশ। সময়ের সঙ্গে আস্তে আস্তে বাড়ানো হবে ‘ইনটেনসিটি।’ সবকিছু ঠিকঠাক এগোলে সময়ের সঙ্গে বড় হবে রান আপ, বাড়বে গতি আর তীব্রতা।   বোলিং শুরুর তিনে তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম খান ও পেস বোলিং কোচ তালহা জোবায়ের। তারা সতর্ক দৃষ্টি রাখেন নাহিদের দিকে। মাঝেমধ্যে তাদেরকে দেখা যায়ে তার সঙ্গে কথা বলতে।   তার এই বোলিংয়ে ফেরা এমনিতে এটি সাধারণ প্রক্রিয়াই। পুনর্বাসনের আরেকটি ধাপ। তবে নামটি নাহিদ বলেই সাধারণ ঘটনাও হয়ে উঠছে বিশেষ কিছু। গত দুই বছরে তিনি শুধু দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে আলোচিত নামই নন, বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সফরেই যেমন, চোটের কারণে তিনি খেলতে না পারায় বাংলাদেশ ক্রিকেটে যত আক্ষেপ ছিল, অস্ট্রেলিয়া ও বৈশ্বিক ক্রিকেট মহলেও তুমুল আলোচনা ছিল তার অনুপস্থিতি নিয়ে।   গত জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ে সফরে চোটে পড়েন নাহিদ। ওই সফরে দুটি ওয়ানডে ও দুটি টি-টোয়েন্টি খেলার পর সাইড স্ট্রেইন তাকে ছিটকে দেয় মাঠের বাইরে। দেশে ফেরার পর স্ক্যান করানো হলে গ্রেড টু সাইড স্ট্রেইন ধরা পড়ে। শেষ হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ায় তার টেস্ট খেলার সম্ভাবনা। ওই মাসের শেষ দিকে অবশ্য অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলেন তিনি, তবে তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শের জন্য। সেখানে সাইড স্ট্রেইনের পাশাপাশি তার শিনবোনের পুরোনো চোটের অবস্থাও পরীক্ষা করানো হয়।   এরপর বিশ্রাম নিয়ে শুরু হয় পুনবার্সন পর্ব।   হালকা বোলিং শুরুর পর এখ পরবর্তী প্রশ্ন, কবে নাগাদ তিনি শতভাগ দিয়ে বোলিং করতে পারবেন। তাকে নিয়ে কোনো তাড়াহুড়ো করতে চায় না বিসিবির সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো। আপাতত জাতীয় দলের কোনো খেলাও নয়। সময় নিয়েই তার সব প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।   আপাতত লক্ষ্য অক্টোবরের শুরুতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে তাকে ফেরানো। সিরিজের বিস্তারিত এখনও চূড়ান্ত না হলেও সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানদের সঙ্গে একটি টেস্ট ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সেখানে ওয়ানডে সিরিজের একটি-দুটি ম্যাচে তাকে দেখা যেতে পারে। অক্টোবরেই অপেক্ষায় আরও কঠিন চ্যালেঞ্জের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর। সেখানকার গতিময় ও বাউন্সি উইকেটে নাহিদকে প্রবলভাবেই পেতে চাইবে দল।   সেপ্টেম্বরে অবশ্য এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে খেলবে বাংলাদেশ। সেটির দল এখনও ঘোষণা করা হয়নি। সেখানে যদি জাতীয় দলকেও পাঠানো হয়, তবু নাহিদ থাকবেন না নিশ্চিতভাবেই।

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ৩১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

২০ বছর পর প্রথম রাউন্ডে হেরে জোকোভিচের কান্নাভেজা বিদায়

ছবি: সংগৃহীত

৫৭ বছরের রেকর্ড ভেঙে সূর্যবংশীর নতুন ইতিহাস

স্পেনকে হারিয়ে চতুর্থ বিশ্বকাপ জিতে পাকিস্তানকে স্পর্শ করলো জার্মানি

ইউএস ওপেনের প্রথম রাউন্ডেই বিদায়, কাঁদলেন জোকোভিচ

কোর্টে শারীরিকভাবে লড়াই করছিলেন, লড়ছিলেন প্রতিপক্ষের সঙ্গেও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বয়সের কাছে কি হার মানতেই হলো নোভাক জোকোভিচকে? ইউএস ওপেনের প্রথম রাউন্ডেই আর্জেন্টিনার মারিয়ানো নাভোনের কাছে নাটকীয় হারে বিদায় নেওয়ার পর চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি ৩৯ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি। ম্যাচজুড়ে শারীরিক সমস্যায় ভুগে একপর্যায়ে তো তোয়ালে রাখার ঝুড়িতে বমিও করতে হয়েছে তাকে।   ২৪টি গ্র্যান্ড স্লামজয়ী জোকোভিচ শেষ সেটে আবেগে ভেঙে পড়েন। নিউইয়র্কের আর্দ্র আবহাওয়ার মধ্যে শারীরিকভাবে বারবার সমস্যায় পড়লেও নিজের চিরচেনা লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত চতুর্থ বাছাই জোকোভিচকে হার মানতে হয় ৭-৬ (৭-৫), ৫-৭, ৪-৬, ৬-২, ৬-১ গেমে।   ফ্লাশিং মিডোয় এটি জোকোভিচের ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো প্রথম রাউন্ডে পরাজয়। আর কোনো গ্র্যান্ড স্লাম টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডে তার হার ২০০৬ সালের পর এই প্রথম।   ম্যাচ শেষে জোকোভিচ বলেন, ‘কোর্টে আমার জন্য সময়টা যে ভয়াবহ ছিল, সেটি স্পষ্টই ছিল।’   আরও বলেছেন, ‘আমি মারিয়ানোর জয়কে কোনোভাবেই খাটো করতে চাই না। তাকে অভিনন্দন। সে দারুণ একজন মানুষ এবং লড়াকু খেলোয়াড়। তবে আমি নিজে একটুও উপভোগ করিনি।’   ২৫ বছর বয়সী নাভোনে, বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে ৪৯ নম্বরে থাকা এই আর্জেন্টাইন জোকোভিচকে হারিয়ে ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় জয় তুলে নিয়েছেন। প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানানোর সময়ও জোকোভিচ মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেছিলেন।   এই হারের সঙ্গে শেষ হয়েছে জোকোভিচের ক্যারিয়ারের ২৫তম একক গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা জয়ের আরেকটি চেষ্টা। ২৫তম শিরোপা জিততে পারলে অস্ট্রেলিয়ার মার্গারেট কোর্টকে পেছনে ফেলে একক গ্র্যান্ড স্লামে সর্বোচ্চ শিরোপার রেকর্ড নিজের করে নিতেন তিনি।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি আগস্ট ৩১, ২০২৬

ভারত সিরিজ নিয়ে আশাবাদী তামিম

ছবি: সংগৃহীত

৫৭ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভাঙলেন ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশী

ছবি: সংগৃহীত

শেফিল্ডে আবারও হামজা চৌধুরী, স্থায়ী চুক্তির পথে

0 Comments