জাতীয়

অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে আধুনিক আইন প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

জুয়া, বেটিং ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে একটি সম্পূর্ণ নতুন, যুগোপযোগী ও আধুনিক আইন প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 

আজ রোববার সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপে’ তিনি এসব কথা বলেন। 

বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ। 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের জন্য আরও একটি যুগান্তকারী আইনি উদ্যোগের ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘১৮৬৭ সালের মান্ধাতা আমলের জুয়া আইন বাতিল করে জুয়া, বেটিং ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে যুগোপযোগী ও আধুনিক আইন প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।’ 

মন্ত্রী বলেন, আগামী সংসদ অধিবেশনেই এই আইনটি পাসের জন্য বিল আকারে পেশ করা হবে।

মাদক আইনের সংস্কার এবং মামলার জট নিরসন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মামলার আধিক্য বিবেচনা করে বিশেষ ‘মাদক ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করা হবে। 

পাসপোর্টে পরিবর্তনের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আসন্ন নতুন পাসপোর্টগুলোতে পূর্বের ন্যায় ‘এক্সেপ্ট ইসরাইল’ শব্দগুচ্ছ পুনঃস্থাপন করা হবে। এটি দেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রাণের দাবি ও বর্তমান সরকারের সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বন্যায় কয়েক কোটি টাকা ফসল নষ্ট, পচে গেছে শাকসবজি

টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় কৃষিখাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মাঠে থাকা আউশ ধান, আমন বীজতলা, গ্রীষ্মকালীন সবজি, পানের বরজ, আদা-হলুদ ও উদ্যান ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসাবে, শুধু আউশ ধানের ১২ হাজার ৭৪৩ দশমিক ১ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবমিলিয়ে অন্তত কয়েক কোটি টাকার ফসল পানিতে পচে নষ্ট হয়ে গেছে।   কৃষি বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, পাঁচ জেলায় মোট ৫৪ হাজার ৪৮৯ দশমিক ৫ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের আবাদ রয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৭৪৩ দশমিক ১ হেক্টর জমির ফসল দুর্যোগে আক্রান্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আউশ আক্রান্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়। এই জেলায় ৩০ হাজার ২২ দশমিক ৫ হেক্টর আউশ আবাদের মধ্যে ৯ হাজার ৪৩ দশমিক ৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।    এ ছাড়া কক্সবাজারে ৩ হাজার ৪৫০ হেক্টর আউশের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ৬২০ হেক্টর। রাঙামাটিতে ৭ হাজার ৫৭৪ হেক্টর আউশ আবাদের মধ্যে ৭১৭ হেক্টর, খাগড়াছড়িতে ২ হাজার ৫২০ হেক্টরের মধ্যে ১৩৮ হেক্টর এবং বান্দরবানে ১০ হাজার ৯২৩ হেক্টরের মধ্যে ২২৪ দশমিক ৬ হেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।   বন্যায় আউশ ধানের পাশাপাশি আমন বীজতলাও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাঁচ জেলায় মোট ৫ হাজার ৬৬ দশমিক ৬৭ হেক্টর আমন বীজতলার মধ্যে ১ হাজার ৮১২ দশমিক ১৬ হেক্টর আক্রান্ত হয়েছে। চট্টগ্রামে ২ হাজার ৭২১ দশমিক ৬৭ হেক্টর বীজতলার মধ্যে ৯৬০ দশমিক ৬৬ হেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   কক্সবাজারে ৮৯৫ হেক্টর আমন বীজতলার মধ্যে ৪৭০ হেক্টর, রাঙামাটিতে ৪২০ হেক্টরের মধ্যে ১৫৮ হেক্টর, খাগড়াছড়িতে ৯১০ হেক্টরের মধ্যে ২০২ হেক্টর এবং বান্দরবানে ১২০ দশমিক ৯ হেক্টরের মধ্যে ২১ দশমিক ৫ হেক্টর বীজতলা আক্রান্ত হয়েছে।    সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে গ্রীষ্মকালীন সবজিতে। পাঁচ জেলায় ৩১ হাজার ৬৬৪ দশমিক ৬৫ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন সবজি রয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ২ হাজার ৫৯৪ দশমিক ১৭ হেক্টর জমির সবজি দুর্যোগে আক্রান্ত হয়েছে। চট্টগ্রামে ১৭ হাজার ৮২৮ দশমিক ৬৫ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজির মধ্যে ৫ হাজার ৯০৭ হেক্টর আক্রান্ত হয়েছে। কক্সবাজারে ২ হাজার ৫১০ হেক্টরের মধ্যে ৯৫৫ হেক্টর, রাঙামাটিতে ৩ হাজার ২৩৫ হেক্টরের মধ্যে ৯৮৭ হেক্টর এবং খাগড়াছড়িতে ৪ হাজার ৮৫ হেক্টরের মধ্যে ১৪৩ হেক্টর আক্রান্ত হয়েছে। বান্দরবানে ৪ হাজার ৬ হেক্টর সবজির মধ্যে ৪৫০ দশমিক ১ হেক্টর দুর্যোগের কবলে পড়েছে। কক্সবাজারে পান বরজেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জেলাটিতে ৩ হাজার ৬৫ হেক্টর পান বরজের মধ্যে ১৫৬ হেক্টর আক্রান্ত হয়েছে।   পার্বত্য জেলাগুলোতে আদা, হলুদ ও উদ্যান ফসলের ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে। প্রাথমিক হিসাবে ৩ হাজার ৯৭১ হেক্টর জমির হলুদের চাষাবাদ হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬৫১ দশমিক ১ হেক্টর জমিতে। এ ছাড়া ৩৬ হাজার ৯৮৭ হেক্টর উদ্যান ফসলের মধ্যে ২৪০ হেক্টর আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।   কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শুধু কক্সবাজার জেলাতেই কয়েক হাজার কৃষক সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। জেলাটিতে আউশ ধানে ২০ হাজার ৯৬০ জন, আমন বীজতলায় ৫ হাজার ৬৪০ জন, শাকসবজিতে ১৪ হাজার ৩২৫ জন এবং পান বরজে ৩ হাজার ১২০ জন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।   কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপপরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনও চলমান। অনেক এলাকায় এখনও জলাবদ্ধতা ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে বর্তমানে যে হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে, তা প্রাথমিক। সব তথ্য সংগ্রহ শেষে ক্ষয়ক্ষতির একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে।’

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটির দাবি, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

ছবি: সংগৃহীত

শেখ মুজিব পাকিস্তান ভাঙার পক্ষে ছিলেন না, তাই স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষা পদকে সেরা নীলফামারীর দুই শিক্ষক

ছবি: সংগৃহীত
অবৈধ বসতিতে উৎপাদিত ইসরাইলি পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার পথে আয়ারল্যান্ড

অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের ইসরাইলি বসতিতে উৎপাদিত পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করতে একটি বিল অনুমোদন করেছে আয়ারল্যান্ডের পার্লামেন্ট। বিলটি এখন চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য দেশটির উচ্চকক্ষে পাঠানো হবে।   আয়ারল্যান্ডের গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সংবাদসূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত আইনে ইসরাইলের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্তের বাইরে অবস্থিত আবাসিক, কৃষি ও বাণিজ্যিক বসতিতে উৎপাদিত কোনো পণ্য দেশটিতে আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে না। এ পদক্ষেপকে ইউরোপে ইসরাইল-নিয়ন্ত্রিত বসতিগুলোর বিরুদ্ধে নেওয়া অন্যতম কঠোর বাণিজ্যিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।   বিশ্লেষকদের মতে, এ নিষেধাজ্ঞার সরাসরি অর্থনৈতিক প্রভাব সীমিত হতে পারে। কারণ, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলো থেকে আয়ারল্যান্ডে আমদানিকৃত পণ্যের মোট মূল্য ছিল এক মিলিয়ন ইউরোরও কম। তবুও এই উদ্যোগের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে।   বিরোধী দলের কিছু নেতা বিলটির সমালোচনা করে বলেছেন, এতে সেবাখাতের লেনদেন অন্তর্ভুক্ত না থাকায় এর কার্যকারিতা সীমিত থাকবে। তবে সরকার বলছে, সেবাখাতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে আরও জটিল হওয়ায় আপাতত পণ্যের বাণিজ্য নিয়েই আইনটি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।   ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আয়ারল্যান্ড ইসরাইলের সামরিক অভিযানের কঠোর সমালোচনা করে আসছে। ২০২৪ সালে দেশটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়। এর পর আয়ারল্যান্ডের অবস্থানের প্রতিবাদ জানিয়ে ডাবলিনে নিজেদের দূতাবাস বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় ইসরাইল।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা মেডিকেলের কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেল পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

গোয়াইনঘাট সীমান্তে গুলিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু, তদন্তে বিজিবি-পুলিশ

ছবি: সংগৃহীত

সড়ক ধসে চার দিন ধরে বিচ্ছিন্ন বাঘাইছড়ি, দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে

ছবি: সংগৃহীত
অসহায় বৃদ্ধার ঘর সংস্কারে ২০টি ঢেউটিন দিলেন বিএনপি নেতা

চট্টগ্রামের পটিয়ায় টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত এক অসহায় বৃদ্ধার বসতঘর মেরামতের জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে ২০টি ঢেউটিন দিয়েছেন পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদুল আলম।   শুক্রবার পটিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পাইকপাড়া এলাকায় নুর নাহার বেগমের বাড়িতে গিয়ে তিনি এই সহায়তা প্রদান করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিনের ব্যবহারে ঘরের টিনের ছাদ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিতে ঘরের ভেতরে পানি পড়তে শুরু করে। আর্থিক সংকটের কারণে ঘরটি মেরামত করতে পারছিলেন না বৃদ্ধা।   সহায়তা পেয়ে নুর নাহার বেগম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, টানা বৃষ্টিতে বসবাস কষ্টকর হয়ে উঠলেও কারও কাছ থেকে সহযোগিতা পাননি। এমন সময়ে এই সহায়তা তাঁর জন্য অনেক বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে।   তৌহিদুল আলম বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে সহায়তার উদ্যোগ নেন। তিনি জানান, পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনামের দিকনির্দেশনায় প্রথম ধাপে ২০টি ঢেউটিন দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও প্রয়োজন হলে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।   তিনি আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষের উচিত অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করা।   এ সময় পটিয়া পৌরসভা যুবদলের সদস্যসচিব হাবিবুর রহমান রিপন, ছাত্রদল নেতা আনিছুর রহমান এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ছয় মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৬০ শিক্ষার্থীর মৃত্যু, নিরাপদ সড়কে ৫ দফা দাবি

ছবি: সংগৃহীত

ইসরাইলের সঙ্গে সামরিক সংঘাতে যাবে না তুরস্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান

ছবি: সংগৃহীত

হাদি হত্যা মামলার বিচার না হলে সরকারের পদত্যাগের আহ্বান জামায়াত আমিরের

0 Comments