সারাদেশ

আরাকান আর্মির হাতে আটক ১৩ বাংলাদেশি জেলে

মো: দেলোয়ার হোসাইন ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন দ্বীপের অদূরে মাছ শিকারের সময় দুটি ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ ১৩ জন বাংলাদেশি জেলেকে আটক করে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি।

 

আটক জেলেদের মধ্যে সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ (৬০), হামিদ হোসেন (৪৫), মো. হামপুরো (১৫), জসিম উদ্দিন (১৮), হারুন মিয়া (৪০) এবং শামলাপুরের বাসিন্দা মো. হাবিবুল্লাহ (৬০) রয়েছেন। বাকি সাতজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে ও দুপুরের দিকে পৃথক দুই সময়ে মিয়ানমারের মংডু সংলগ্ন সেন্টমার্টিনের অদূরে বঙ্গোপসাগর থেকে তাদের আটক করা হয়।

স্থানীয় জেলেদের ভাষ্যমতে, সকালে সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে মংডু সংলগ্ন সাগরে মাছ ধরার সময় আরাকান আর্মির সদস্যরা একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ ছয় জেলেকে আটক করে নিয়ে যান। এ সময় নৌকায় থাকা মাছ ও জালও জব্দ করা হয়। পরে দুপুর ১২টার দিকে মাছ শিকার শেষে ফেরার পথে আরও একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ সাতজন জেলেকে আটক করা হয়।

 

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ পাওয়া না গেলেও বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
জিওব্যাগ ফেরত না দিলে কঠোর ব্যবস্থা, বাড়ি বাড়ি তল্লাশির হুঁশিয়ারি কিরনের

শরীয়তপুরের চরভাগা এলাকায় পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা বাঁধের ‘সোনার বাংলা অ্যাভিনিউ’ অংশ থেকে জিওব্যাগ চুরির ঘটনায় জড়িতদের আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে জিওব্যাগ ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সফিকুর রহমান কিরণ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জিওব্যাগ ফেরত না দিলে সংশ্লিষ্টদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালানো হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।   মঙ্গলবার (১০ মার্চ) শরীয়তপুরের সখিপুর থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)কে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। সফিকুর রহমান কিরণ বলেন, পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙন থেকে চরভাগাসহ আশপাশের জনপদ রক্ষায় সরকার ডান তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও সংরক্ষণে বিপুল অর্থ ব্যয় করছে। বাঁধের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্থাপন করা জিওব্যাগ নদীর তীব্র স্রোতের চাপ কমিয়ে বাঁধকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি রাতের আঁধারে এসব জিওব্যাগ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে, যা বাঁধের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি তৈরি করছে।   তিনি আরও বলেন, যারা এই জিওব্যাগ চুরির সঙ্গে জড়িত, তাদের দ্রুত এসব অপকর্ম বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় প্রশাসনের মাধ্যমে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজন হলে অভিযান চালিয়ে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। সংসদ সদস্য কিরণ বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি তিনি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবেন। বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দলের কেউ যদি কোনো অপকর্মে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দল থেকেও বহিষ্কার করা হবে। সখিপুর থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এম হামিদের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মাজহারুল ইসলামের সঞ্চালনায় আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান বাচ্চু সরকার, নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুন্সি শামসুল আলম দাদন, সখিপুর থানা যুবদলের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ মাসুম বালা, সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান রাজীব সরদারসহ নড়িয়া ও সখিপুরের বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিকসহ প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ইফতার পূর্বে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রায় ৫৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ দশমিক ৮ কিলোমিটার স্থায়ী ডান তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণকাজ শুরু করে, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মাদকবিরোধী আন্দোলনে যুবদলকে এগিয়ে আসার আহ্বান মান্নানের

ছবি : সংগৃহীত

ধানের তুষে ভেজাল মসলা, কারখানা সিলগালা

ছবি : সংগৃহীত

অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না : ড. জালাল উদ্দিন

ছবি : সংগৃহীত
ঈদে বাড়তি ভাড়া আদায় করলে কঠোর ব্যবস্থা : পুলিশ সুপার

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে জেলা পুলিশ প্রশাসন। সভায় ঈদকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করার নির্দেশ দিয়েছেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াছমিন খাতুন।   মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াছমিন খাতুন বলেন, ঈদ উপলক্ষে যাত্রী হয়রানি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   তিনি আরও বলেন, ঈদের সময় সব পরিবহনে নির্ধারিত ভাড়াই আদায় করতে হবে। একইসঙ্গে লাইসেন্সপ্রাপ্ত চালক ও হেল্পার দিয়ে যানবাহন পরিচালনা এবং মহাসড়কে যানজট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতির নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সারোয়ার আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শহিদুল হক মুন্সি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বানিয়াচং সার্কেল) প্রবাশ কুমার সিংহ, পুলিশ পরিদর্শক (ট্রাফিক) আব্দুর নূরসহ জেলা পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১০, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাচ্চুর পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা

মুক্তারুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত

বিয়ে না দেওয়ায় যুবকের আত্মহত্যা

ছবি: সংগৃহীত

তেল বিক্রিতে অনিয়ম, হিলিতে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

ছবি: সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থান বর্তমান সরকারের বৈধতার ভিত্তি: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানই বর্তমান সরকারের বৈধতার ভিত্তি। এই বৈধতা জুলাই সনদ আদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কোনো নির্বাচিত সরকার যেন এটি উপেক্ষা না করে।   সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটির আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   নাহিদ ইসলাম বলেন, যদি জাতীয় সংসদে পুরনো সংবিধানের দোহাই দিয়ে সংস্কার কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ায় বা শপথ গ্রহণ এড়িয়ে যায়, তাহলে দেশে শুধু রাজনৈতিক সংকটই তৈরি হবে না, জুলাই গণঅভ্যুত্থান, নির্বাচন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতাও প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এমন কোনো পদক্ষেপ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া হাজারো মানুষের আত্মত্যাগ ও রক্তের সঙ্গে সরাসরি বেঈমানির শামিল হবে।   তিনি আরও বলেন, ইফতার মাহফিলে যেভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়ে ঐক্যের বার্তা দিয়েছে, ঠিক একইভাবে সংসদেও ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সব অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন করতে হবে। জুলাই সনদ আদেশ কার্যকর করেই নতুন বাংলাদেশ গঠনের পথে এগোতে হবে।   উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহসহ অনেকে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ১০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাত নেতা আটক

ছবি : সংগৃহীত

নেশার টাকার জন্য শ্বশুরবাড়িতে চুরি করতে গিয়ে বাবা-ছেলে আটক

ভুক্তভোগীর বাড়িতে মুজিবুর রহমান চৌধুরী।

কমলগঞ্জে কর্মজীবী নারীকে অপহরণের চেষ্টা, ভুক্তভোগীর বাড়িতে এমপি

0 Comments