খেলাধুলা

আইসিসি এখনও স্কটল্যান্ডের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ করেনি

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ২০, ২০২৬

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে তিন সপ্তাহেরও কম সময় বাকি থাকলেও বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। যদি বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করে, তাহলে বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হতে পারে। তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, আইসিসি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি।


ঘটনার সূত্রপাত, বিশ্বকাপে ভারতের মুম্বাই ও কলকাতায় ম্যাচ খেলতে নিরাপত্তা–শঙ্কা দেখিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ করার পর। বিসিবি শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ সরিয়ে নেওয়া বা আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে গ্রুপ পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে আইসিসি দুটোই কার্যত নাকচ করেছে।

জল্পনা তৈরি হয়, বাংলাদেশ যদি ভারতে না যায়, তাহলে বিশ্বকাপে তাদের জায়গায় সুযোগ পাবে স্কটল্যান্ড। র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বকাপের বাইরে থাকা দলগুলোর মধ্যে স্কটল্যান্ড সবচেয়ে এগিয়ে। তবে আইসিসি এখনও আনুষ্ঠানিক আলোচনায় অংশ নেয়নি এবং ক্রিকেট স্কটল্যান্ডও বিসিবির পরিস্থিতি সম্মান জানিয়ে নিজ থেকে যোগাযোগ করতে চায়নি।

স্কটল্যান্ড গত বছর ইউরোপীয় বাছাইপর্বে চতুর্থ হয়ে বিশ্বকাপের সুযোগ হারায়; নেদারল্যান্ডস ও ইতালি সরাসরি কোটা পায়। বর্তমানে তারা নামিবিয়া ও ওমানের বিপক্ষে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আইসিসি কীভাবে বিকল্প দল বাছবে, সে বিষয়ে স্পষ্টতা নেই। ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ে রাজনৈতিক কারণে সরে গেলে ‘পরবর্তী সেরা দল’ হিসেবে স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হয়েছিল। তবে ২০২৪ সাল থেকে বিশ্বকাপ ২০ দলের হওয়ায় আঞ্চলিক বাছাইপর্বের মাধ্যমে যোগ্যতা নির্ধারিত হচ্ছে।

ফলে বাংলাদেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে—স্কটল্যান্ড আদৌ বিশ্বকাপে সুযোগ পাবে কি না। বিশ্বকাপ শুরুর আগে এই ইস্যু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সবচেয়ে আলোচিত সংকট হিসেবে রয়ে গেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : আইসিসি
দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের বিদায়

টুর্নামেন্টের নাম আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কিন্তু বাংলাদেশ দল যেন ওয়ানডে খেলতে গিয়েছিল। যদিও গ্রুপের অপেক্ষাকৃত সহজ দুই প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস ও পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা কিঞ্চিৎ জিইয়ে রেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আশা পূরণ হলো না। অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণের পর আজ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিল।  ক্রিকেট তীর্থ লর্ডসে আজই প্রথমবারের মতো খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ নারী দল। তবে নতুন অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর হলো না। টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে মাত্র ১১৭ রান করে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। জবাবে ৪ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছান প্রোটিয়া মেয়েরা।  সেমিফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিশাল ব্যবধানে হারাতে হতো। এরপর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভারতের পরাজয় কামনা করতে হতো। কিন্তু শক্তিশালী প্রোটিয়াদের রান তাড়ার জন্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেনি বাংলাদেশ।  ব্যাটিংয়ে নেমে ম্যাচের প্রথম বলেই বোল্ড হন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। আরেক ওপেনার তাজ নেহার যেন টেস্ট খেলতে নেমেছিলেন। ১ রান করতে তিনি ‘গিলে ফেলেন’ ১২ বল।   এরপর সোবহানা মোস্তারি ও শারমিন আক্তার ৫৬ রানের জুটি গড়লেও তা টি-টোয়েন্টি দাবি মেটাতে পারেনি। পাঁচে নামা অধিনায়ক জ্যোতির ২০ বলে ৩২ রানের অপরাজিত ইনিংসটাই মূলত বাংলাদেশকে কিছুটা মার্জিত স্কোরে পৌঁছে দেয়। বোলিংয়ে বাংলাদেশের বলার মতো মুহূর্ত একটাই। মারুফা আক্তারের দুর্দান্ত ইনসুইংয়ে প্রথম বলেই বোল্ড হন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক লরা ভলভার্ট। তবে এরপর ৫২ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে প্রায় ছিটকে দেন তাজমিন ব্রিটস ও আনেরি ডের্কসেন।  নাহিদা আক্তার এই দুজনকে ফেরালেও মারিজেন ক্যাপ ও নাদিন ডি ক্লার্কের ভালোভাবেই পরিস্থিতি সামলে নেন। পরে চোল ট্রাইয়ন দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।  তবে গ্রুপ পর্বে পাঁচ ম্যাচেরে চারটিতে জিতলেও সেমিফাইনালে খেলা নিশ্চিত হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। অস্ট্রেলিয়া ভারতকে হারাতে পারলেই কেবল শেষ চারে জায়গা করে নেবেন প্রোটিয়া মেয়েরা। সংক্ষিপ্ত স্কোর   বাংলাদেশ : ২০ ওভারে ১১৭/৫ [মোস্তারি ৪২, জ্যোতি ৩২*, শারমিন ২২; এমলাবা ২/২২, ক্যাপ ১/৯)। দক্ষিণ আফ্রিকা : ১৯.২ ওভারে ১১৮/৬ [ড্রেকসেন ৪৫, ব্রিটস ২০, ক্যাপ ১৬, ক্লার্ক ১৫; নাহিদা ২/২৪)। ফল : দক্ষিণ আফ্রিকা ৪ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা : মারিজেন ক্যাপ।

মারিয়া রহমান জুন ২৮, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশও একদিন ফুটবল বিশ্বকাপ খেলবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

অবিলম্বে ইংল্যান্ড ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু, বললেন কঙ্গো কোচ

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে একসঙ্গে ২২ বিশ্বজয়ী ফুটবলার, গড়ল নতুন রেকর্ড

সংগৃহীত ছবি
১০ বছরের প্রেম এবার পূর্ণতা পাচ্ছে, বান্ধবী জর্জিনাকে বিয়ে করছেন রোনালদো

বিশ্বের এই সময়ের সেরা ফুটবলারদের মধ্যে অন্যতম ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। পর্তুগালের এই তারকা ফুটবলার ২০১৬ সাল থেকে দীর্ঘ ১০ বছর বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগেজের সঙ্গে আছেন। এই ১০ বছরে তারা ২ সন্তানের বাবা-মা। দীর্ঘদিন এক সঙ্গে থাকার পর এবার বান্ধবী জর্জিনাকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রোনালদো। রোনালদোর মোট পাঁচ সন্তান। তাদের দুই জনের মা জর্জিনা। রোনালদো-জর্জিনার সঙ্গেই থাকে পাঁচ সন্তান। তাদের সুখের সংসার এবার পূর্ণতা পেতে যাচ্ছে। আগামী সেপ্টেম্বরে তাদের আনুষ্ঠানিক বিয়ে হতে পারে। প্রেমিক-প্রেমিকা থেকে স্বামী-স্ত্রী হতে পারেন সিআর সেভেন এবং জর্জিনা। স্পেনের পত্রিকা ‘হোলা’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোনালদো-জর্জিনা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিয়ের অনুষ্ঠানের পরিকল্পনাও প্রায় চূড়ান্ত। যদিও তারা নিজেরা এ ব্যাপারে কিছু জানাননি। গত বছরের আগস্টে জর্জিনাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন রোনালদো। সমাজমাধ্যমে প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়ার কথা জানান জর্জিনা। রোনালদোর উপহার দেওয়া বহুমূল্য হীরের আংটির ছবিও ভালো করে নিয়েছিলেন। এক সাক্ষাৎকারে রোনালদো মজা করে বলেছিলেন, ‘বিশ্বকাপের পর বিয়ে করব। আশা করি, বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে নিয়ে বিয়ে করতে যেতে পারব।’ বিশ্বকাপের মাঝে স্পেনের পত্রিকাটির প্রতিবেদন নিয়ে মুখ না খুললেও প্রতিবাদও করেননি রোনালদো বা জর্জিনা। তাতে মনে করা হচ্ছে, প্রতিবেদনের দাবি সম্পূর্ণ ভুল নয়।  ফুটবল ক্যারিয়ারের প্রায় শেষ প্রান্তে চলে আসা ৪১ বছরের পর্তুগিজ তারকা হয়তো এবার সত্যিই বিয়ে করবেন। ‘হোলা’র প্রতিবেদন নতুন উন্মাদনা তৈরি করেছে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যেও।

মারিয়া রহমান জুন ২৮, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

আর্জেন্টিনার বিদায়ের ভবিষ্যদ্বাণী ঘানার সেই তান্ত্রিকের

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশি ভক্তদের আর্জেন্টিনারই অংশ বললেন এমি মার্তিনেজ

সংগৃহীত ছবি

বয়স ৩৯, তবু বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ভরসা মেসিই

ছবি: সংগৃহীত
রুদ্ধশ্বাস ড্রয়ে নকআউটে অস্ট্রিয়া-আলজেরিয়া, স্বপ্নভঙ্গ ইরানের

শেষ পর্যন্ত হারল না কোনো দলই। আলজেরিয়া-অস্ট্রিয়া ম্যাচের স্কোরলাইন গিয়ে থামল ৩-৩ গোলে। এই দুই দলের ড্রয়ে কপাল পুড়ল ইরানের। বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল তারা।    শেষ দিকে ২–২ সমতায় ছিল অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়ার ম্যাচ। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে মনে হচ্ছিল ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়বে দুই দল। কিন্তু যোগ করা সময়ের প্রায় শেষ মুহূর্তে নিজের দ্বিতীয় গোল করে আলজেরিয়াকে ৩–২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন রিয়াদ মাহারেজ। সেই গোল অস্ট্রিয়াকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দেয়।   তবে নাটক তখনও বাকি ছিল। ম্যাচের একেবারে শেষ আক্রমণে হেডে গোল করে অস্ট্রিয়াকে ৩–৩ সমতা এনে দেন সাসা কালাইদজিচ। শেষ মুহূর্তের সেই গোলেই টিকে যায় অস্ট্রিয়ার বিশ্বকাপ স্বপ্ন। অস্ট্রিয়ার হয়ে বাকি দুটি গোল করেন মার্কো আরনাউটোভিচ ও মার্সেল সাবিৎজার। গ্রুপ ‘জে’তে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার পর দ্বিতীয় হয়ে ১৯৮২ সালের পর প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে উঠল তারা। শেষ বত্রিশে তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন। অন্যদিকে,  আলজেরিয়ার হয়ে আরেকটি গোল করেন রফিক বেলঘালি। গ্রুপে তৃতীয় হলেও সেরা তৃতীয় দলগুলোর একটি হিসেবে নকআউট নিশ্চিত করেছে আলজেরিয়া। শেষ ৩২-এ তাদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড।   বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ইরানের   আলজেরিয়া-অস্ট্রিয়া ম্যাচের নাটকীয় ফলের সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয়েছে ইরানকে। অস্ট্রিয়া কিংবা আলজেরিয়া—যে কোনো একটি দল জিতলেই সেরা তৃতীয় দল হিসেবে নকআউটে উঠত ইরান। কিন্তু কালাইদজিচের শেষ মুহূর্তের সমতাসূচক গোল সেই সম্ভাবনা শেষ করে দেয়। বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে ইরান।   গ্রুপ ‘জি’তে তিনটি ড্র করে ৩ পয়েন্ট পেয়েছিল ইরান। বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড ও মিশর—তিন দলের বিপক্ষেই সমতায় শেষ হয়েছিল তাদের ম্যাচ। শেষ পর্যন্ত সেরা তৃতীয় দল হিসেবে নকআউটে ওঠার আশা জিইয়ে ছিল তাদের। তবে সে জন্য নানা সমীকরণ মেলাতে হতো।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৮, ২০২৬

সেট পিসের তিন গোলে জর্ডানকে হারালো আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপে টানা ৭ ম্যাচে গোল করে মেসির বিশ্বরেকর্ড

আর্জেন্টিনা ‘বেঞ্চ একাদশ’ বনাম জর্ডান

0 Comments