খেলাধুলা

২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

রাজনৈতিক কারণে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ। তাই শঙ্কা ছিল আইসিসি র‌্যাংকিংয়ে না পিছিয়ে পড়ে টাইগাররা। সেইসঙ্গে শঙ্কা ছিল আগামী বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ নিয়েও। তবে তা হয়নি। আজ পাকিস্তান নামিবিয়াকে হারিয়ে দেয়ায় র‌্যাংকিংয়ের তিন দলের মধ্যে থেকে ২০২৮ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ। আইসিসি তা নিশ্চিত করেছে।

দুবছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে। আয়োজক হিসেবে সরাসরি খেলবে এই দুটি দল। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাকি ৭ সেরা দল- ইংল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে খেলার সুযোগ পাবে সরাসরি। এরপর আইসিসি র‌্যাংকিঙের সেরা তিন- বাংলাদেশ (র‌্যাংক ৯), আফগানিস্তান (র‌্যাংক ১০) ও আয়ারল্যান্ড (র‌্যাংক ১২) খেলবে বিশ্বকাপে।

বর্তমান র‍্যাঙ্কিং অনুযায়ী শুরুর ৯ দলের বাইরে থাকা দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা ৩ দল বাংলাদেশ, আফগানিস্তান এবং আয়ারল্যান্ড। ৯ মার্চ ফাইনালের পরের দিন পর্যন্ত বিশ্বকাপ বাদে আর কোনো খেলাও নেই। ফলে র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা ৩ দল এই ৩ দলই থাকছে। যে কারণে বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ নেওয়া ১২ দলের তালিকায় ঢুকে গেল বাংলাদেশ।

২০২৮ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড। এবার ভারত এবং শ্রীলঙ্কায় হচ্ছে বিশ্বকাপ। ফাইনাল মাঠে গড়াবে আগামী ৮ মার্চ।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ভিএআর বিতর্কে উয়েফার কাছে অভিযোগ বার্সেলোনার

চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে হারের হতাশা কাটতে না কাটতেই নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছে বার্সেলোনা। এবার মাঠের বাইরের লড়াইয়ে নেমে কাতালান ক্লাবটি ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানিয়েছে। তাদের দাবি, ম্যাচে ভিএআরের গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত ফলাফলে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে।   ন্যু ক্যাম্পে গত বুধবারের ম্যাচে ২-০ গোলে হারে বার্সা। প্রথমার্ধের ৪৪ মিনিটে পাউ কুবারসি লাল কার্ড দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় স্বাগতিকরা। তবে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ৫৪ মিনিটের একটি ঘটনা, যখন ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল বার্সেলোনা।   সে সময় আতলেতিকোর গোলরক্ষক হুয়ান মুসোর গোলকিক থেকে বল পেয়ে ডিফেন্ডার মার্ক পুবিল ডি-বক্সের ভেতর হাতে বল থামান। বার্সার খেলোয়াড়রা জোরালোভাবে পেনাল্টির দাবি তুললেও রেফারি ইস্তভান কোভাকস তা নাকচ করেন। আরও বিস্ময়করভাবে, ভিএআর থেকেও কোনো হস্তক্ষেপ আসেনি।   নিয়ম অনুযায়ী, পুবিল আগে থেকেই একটি হলুদ কার্ডে থাকায় এই ঘটনাটি পেনাল্টির পাশাপাশি দ্বিতীয় হলুদ কার্ড হয়ে লাল কার্ডে পরিণত হওয়ার কথা ছিল বলে দাবি বার্সার।   বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দেওয়া এক বিবৃতিতে বার্সেলোনা জানায়, ‘রেফারির সিদ্ধান্ত বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না এবং এটি ম্যাচের গতিপথ ও ফলাফলকে প্রভাবিত করেছে। আমরা ঘটনার পূর্ণ তদন্ত, রেফারিদের কথোপকথনের অডিও প্রকাশ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’      ম্যাচ শেষে বার্সা কোচ হানসি ফ্লিকও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আজ ভিএআর কেবল আতলেতিকোর পক্ষেই কাজ করেছে। গোলকিকের পর ডিফেন্ডার হাতে বল থামিয়ে আবার খেলা শুরু করবে—এটা স্পষ্ট পেনাল্টি ও লাল কার্ডের পরিস্থিতি। কেন সেখানে ভিএআর হস্তক্ষেপ করেনি, তা বোধগম্য নয়।’   ম্যাচে প্রথমার্ধে জুলিয়ান আলভারেজের ফ্রি-কিক এবং ৭০ মিনিটে আলেকজান্ডার সরলথের গোলে ২০০৬ সালের পর ন্যু ক্যাম্পে প্রথম জয়ের স্বাদ পায় আতলেতিকো মাদ্রিদ।   এদিকে বার্সেলোনার এই আনুষ্ঠানিক অভিযোগের পর বিষয়টি এখন মাঠের গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রশাসনিক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন দেখার বিষয়, উয়েফা এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ নেয়।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

আইপিএল শেষ হাসারাঙ্গার

ছবি : সংগৃহীত

নাহিদ রানার তোপে বিধ্বস্ত করাচি

রশিদ খান। ছবি : সংগৃহীত

আইপিএলের মাঝেই অবসর ঘোষণা রশিদ খানের

ছবি: বিসিবি
৮৭৫০ ক্রিকেটার নিয়ে শুরু হচ্ছে জাতীয় স্কুল ক্রিকেট

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে এলেন বাংলাদেশ দলের ব্যাটার তাওহিদ হৃদয় ও টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।  তাদের দুজনের সঙ্গে চেয়ারে বসলেন বিসিবির মিডিয়া ম্যানেজার রাবীদ ইমাম, প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন ও প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজিম এ চৌধুরী। আগামীকাল থেকে সারা দেশে শুরু হচ্ছে প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেটের ১১তম আসর। সেই টুর্নামেন্ট নিয়ে কথা বলতেই তাদের আগমন। দেশের ৩৫০টি স্কুল টুর্নামেন্টে অংশ নেবে। সব মিলিয়ে ৮৭৫০ জন ক্রিকেটারকে খেলতে দেখা যেতে পারে। জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের ফাইনালসহ মোট ৬৫১টি ম্যাচ হবে।  জেলা পর্যায়ের ম্যাচগুলোর জন্য ভেন্যু হিসেবে থাকছে প্রতিটি জেলা স্টেডিয়াম ও ঢাকা মেট্রো জোনের চারটি ভেন্যু। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু হবে বিভাগীয় পর্যায়ের লড়াই। প্রতিটি জেলার চ্যাম্পিয়ন স্কুলগুলো সেখানে খেলার সুযোগ পাবে। দেশের ১৪টি জেলা স্টেডিয়ামে হবে বিভাগীয় পর্যায়ের প্রায় ৫৭ ম্যাচ। তৃতীয় ধাপে বিভাগীয় পর্যায়ের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ স্কুলগুলো জাতীয় পর্যায়ে খেলবে, যা শুরু হবে জুনের প্রথম সপ্তাহে।   হৃদয় স্কুল ক্রিকেট থেকেই উঠে এসেছেন। আজ মাইক্রোফোন হাতে নিজেদের স্কুল ক্রিকেট জীবনের স্মৃতিচারণা করলেন তিনি।  হৃদয় বললেন, ‘আমার জীবনের শুরুটাই হয়েছে এই স্কুল ক্রিকেট দিয়ে। আমি বগুড়া পুলিশ লাইন্স থেকে পড়াশোনা করেছি। স্কুল ক্রিকেটের অনেক স্মৃতি আছে এখনো, সেগুলো মনে পড়ে। স্কুল ক্রিকেট এমন একটা জায়গা, যেখান থেকে অনেক ক্রিকেটার উঠে এসে অনেক জায়গায় অংশ নিয়েছে। এমনকি আমি চার বছর খেলেছি, আমার বগুড়া পুলিশ লাইন্স বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে একবার।’  স্কুল ক্রিকেট থেকে উঠে আসা একটি দলের হয়ে দেশের বাইরে এক সফর নাকি সহজ করে দিয়েছিল শান্তর বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের পথ। তিনি বললেন, ‘তখন স্কুল ক্রিকেটের একটা সফর ছিল কেরালাতে। ওই টুর্নামেন্ট আমার ক্যারিয়ারের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ, আমি সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলাম। তারপর অনূর্ধ্ব-১৮ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খুব তাড়াতাড়ি চলে এসেছিলাম। আমি মনে করি স্কুল ক্রিকেটটাকে বড় করে দেখা উচিত।’

মারিয়া রহমান এপ্রিল ০৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টিটিতে বাংলাদেশের স্বর্ণ জয়

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের পরিবর্তিত সময় ঘোষণা করল বিসিবি

সংগৃহীত

এক লাল কার্ডে বার্সার সর্বনাশ, ১৯ বছরের খরা কাটল আতলেতিকোর

ছবি: সংগৃহীত
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পিএসজির দাপট, লিভারপুল বিধ্বস্ত ২-০ ব্যবধানে

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন-এর কাছে রীতিমতো ভুগেছে ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল এফ.সি.। পিএসজির মাঠে খেলতে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল আর্নে স্লটের দল।   ম্যাচে আধিপত্য ছিল পিএসজির দিকেই। ৭৪ শতাংশ বলের দখল রেখে তারা ১৮টি শট নেয়, যার মধ্যে ৬টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে লিভারপুল তিনটি শট নিলেও কোনোটি লক্ষ্যে রাখতে পারেনি।   ম্যাচের ১১তম মিনিটেই দেজিরে দুয়ের গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। এরপর ৬৫ মিনিটে খিচা কাভারৎস্খেলিয়া দারুণ এক গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। উসমান দেম্বেলে একাধিক সুযোগ পেলেও গোল করতে ব্যর্থ হন।   লিভারপুল পুরো ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফিরতে পারেনি এবং আক্রমণেও তেমন চাপ তৈরি করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পিএসজি।   এই জয়ের ফলে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে এগিয়ে আছে পিএসজি। দ্বিতীয় লেগ অনুষ্ঠিত হবে লিভারপুলের হোম গ্রাউন্ড অ্যানফিল্ডে।   এদিকে টানা তিন ম্যাচে হারের স্বাদ পেল লিভারপুল, যা দলের জন্য বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ০৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

লাল কার্ডে বিপাকে বার্সা, ক্যাম্প ন্যুতে অ্যাতলেটিকোর ঐতিহাসিক জয়

তামিম ইকবাল। ছবি : সংগৃহীত

দায়িত্ব নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ক্রিকেটারদের বড় সুখবর দিলেন তামিম

তামিম ইকবাল। ছবি : সংগৃহীত

আইসিসি এবং এসিসিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধির নাম জানাল বিসিবি

0 Comments