সর্বশেষ

সর্বশেষ সংবাদ
কুবি ছাত্রদলের কমিটিকে ‘আদুভাই’ বলে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা ছাত্রদলের বর্তমান কমিটিকে ‘আদুভাই’ কমিটি আখ্যা দিয়ে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন সংগঠনের একাংশের কর্মীরা। এটি ঘটে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে সিট দখল ও বহিরাগত ওঠানোকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের পর।   গত বৃহস্পতিবার হল দখল ও সংঘর্ষের সময় শাখা ছাত্রদলের এক যুগ্ম আহ্বায়কসহ কয়েকজন নেতা নিজ দলের এক কর্মীর ওপর হামলা চালান। এতে অন্তত তিনজন শিক্ষার্থী আহত হন, এক কর্মীর নাক ফেটে যায়।   সংঘটনার পর শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কেন্দ্রীয় সংসদ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা আতিককে দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। তবে একাংশের নেতাকর্মীরা এই পদক্ষেপকে ‘লোকদেখানো’ দাবি করে বর্তমান কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।   ভুক্তভোগী ছাত্রদল কর্মী ও অর্থনীতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের বর্তমান ‘আদুভাই’ কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলাম। ক্যাম্পাসে আদুভাই দেখলেই প্রতিবাদ করবেন সবাই।’ তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল হামলার বিষয়ে খোঁজখবর নেয়নি এবং অভিযুক্তকে সাময়িক বহিষ্কার করে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেছে।   ২০২১ সালের ১৬ জুন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। আহ্বায়ক ছিলেন মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ। অভিযোগ রয়েছে, অধিকাংশ নেতা বর্তমানে নিয়মিত ছাত্রত্বে নেই, কয়েকজন পদের আশায় সান্ধ্যকালীন কোর্সে ভর্তি হয়েছেন।   ছাত্রদল কর্মী মামুন রশিদ বলেন, ‘অছাত্র ছাত্রদল নেতা আতিকের হাতে আমার বন্ধুসহ আরও দুইজন হামলার শিকার হয়েছে। ছাত্রদলেও কি আগের মতো সেই লীগ কালচার চর্চা হচ্ছে? আর কত রক্ত দিলে আমরা সভ্য রাজনৈতিক দল পাবো? ছাত্রদল করবে রানিং স্টুডেন্টরা।’   অন্য কর্মী জহিরুল ইসলাম জয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃত্বের প্রতি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীর ওপর হামলা কোনো ছাত্র সংগঠনের আদর্শ হতে পারে না এবং এতে ক্যাম্পাসের শিক্ষার পরিবেশ প্রশ্নবিদ্ধ হয়।   হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে আরও রয়েছেন যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তরিকুল এবং ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিফাত। ভুক্তভোগীরা হলেন মাজহারুল ইসলাম আবির, তোফায়েল আহমেদ নিবিড় এবং সৌরভ কাব্য।   শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত। কেন্দ্রীয় সংসদ ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি বলেন, অবাঞ্ছিত ঘোষণার বিষয়ে দলের সিদ্ধান্ত ডেকোরাম অনুযায়ী হয়। কেউ সীমা লঙ্ঘন করলে আরও বড় ধরনের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

১৯ মিনিট আগে
আসিফ নজরুলকে ‘মিথ্যুক’ বললেন সালাউদ্দিন

টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম পর্ব শেষ হয়েছে। গ্রুপ পর্বের ৪০ খেলা শেষে চূড়ান্ত হয়েছে আট দল। পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে আজ শুরু হচ্ছে সুপার এইট।   সুপার এইটে খেলতে পারত বাংলাদেশ। খেলার সুযোগ ছিল, কিন্তু নিরাপত্তা ইস্যু দেখিয়ে ভারতের মাটিতে ২০ দলের বিশ্বকাপে খেলেনি বাংলাদেশ। লিটন দাস, মুস্তাফিজুর রহমানদের পরিবর্তে খেলেছে স্কটল্যান্ড। বিশ্বকাপ খেলতে না পারায় টাইগার ক্রিকেটাররা অদম্য বাংলাদেশ টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন। এখন তারা বিসিএল ওয়ানডে ক্রিকেট খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা বর্তমানে সিলেটে রয়েছেন। প্রস্তুতিটা মূলত আগামী মাসে ঘরের মাঠে পাকিস্তান সিরিজকে সামনে রেখে।   জাতীয় দলের খেলা না থাকায় কোচিং স্টাফ অনেকটাই বিশ্রামে ছিলেন। সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে এসেছিলেন। মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে তিনি সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে ‘মিথ্যুক’ বলে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘উনি (আসিফ নজরুল) খাড়ার ওপর এ রকম মিথ্যা কথা বলবে আমি ভাবতেও পারছি না। আমি কীভাবে ছেলেদের সামনে মুখ দেখাব! উনি একজন শিক্ষক মানুষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের এক শিক্ষক এভাবে মিথ্যা বলবে আমরা মানতে পারছি না।   বাংলাদেশ টি-২০ বিশ্বকাপ না খেলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত পুরোপুরি নিয়েছিলেন অন্তর্বর্তী সরকার। ভারতের মাটিতে ক্রিকেটার, কর্মকর্তা, মিডিয়া ও সমর্থকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এই মন্তব্যের পর বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও বিষয়টিকে সমর্থন করেছিলেন। ১০ ফেব্রুয়ারি আসিফ নজরুল বলেন, ‘কোনো রিগ্রেটের (অনুশোচনা) প্রশ্নই আসে না। আমাদের কী সিদ্ধান্ত, সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং খেলোয়াড়রা। তারা নিজেই স্যাক্রিফাইস করেছে দেশের ক্রিকেটের নিরাপত্তার জন্য, দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য।   ক্রীড়া উপদেষ্টার বিশ্বকাপ না খেলার অনড় অবস্থায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের দুই ক্রিকেটার অস্থিরতায় ভুগতে থাকেন এবং ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। সহকারী কোচ সালাউদ্দিন তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে মাঠে ফিরিয়ে আনেন। তিনি বলেন, ‘আমি জানি আমার দুটি খেলোয়াড় কোমাতে চলে গিয়েছিল। পাঁচ দিন ধরে কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছিল। আমরা তাদের (অদম্য কাপ) টুর্নামেন্টে মাঠে ফিরিয়ে এনেছি, ওইটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য। একটা দলকে আপনি এক সেকেন্ডে নষ্ট করে দিয়েছেন।   সালাউদ্দিনের মন্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে, কেন ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি এবং অন্যান্য পরিচালকরা খেলোয়াড়দের বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

২৩ মিনিট আগে
ভাষা শহীদদের প্রতি বিএনপির শ্রদ্ধা

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।   শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।   এরপর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমসহ অন্যান্য মন্ত্রী।   এরপর বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পাশাপাশি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।   পরে তিন বাহিনীর প্রধান, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।   এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ খালি পায়ে, হাতে ফুল নিয়ে এবং ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের আবহে শহীদ মিনারে উপস্থিত হন। ১৯৫২ সালের এই দিনে ভাষার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে তারা শ্রদ্ধা জানান।

২৬ মিনিট আগে
এবার একুশ মুক্ত, অনুভূতিও ভিন্ন: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এবার একুশ মুক্ত। আমাদের অনুভূতি সেই জন্যেই একটু ভিন্ন রকম। ফ্যাসিস্ট শাসনের জাঁতাকলে একুশ অবরুদ্ধ ছিল। একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, একটা নির্বাচনের পরে নির্বাচিত সরকার বিএনপির নতুন সরকার তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে। আমাদের সঙ্গে সঙ্গে জনগণের প্রত্যাশাও অসীম হয়ে উঠেছে।

২৯ মিনিট আগে
একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন। ছবি : সংগৃহীত
জাতীয়
ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষার অধিকারের জন্য জীবন উৎসর্গ করা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথমে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাতে শরিক হন প্রধানমন্ত্রীসহ শহীদ মিনারে জড়ো হওয়া হাজারো মানুষ। মোনাজাত শেষে মন্ত্রিসভার সদস্য ও নিজ উপদেষ্টাদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। এরপর শ্রদ্ধা জানান বিএনপির নেতারা।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
বড় চ্যালেঞ্জের মুখে দেশের পোশাকশিল্প

বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে যাচ্ছে দেশের তৈরি পোশাকশিল্প। একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানি হয় যুক্তরাষ্ট্রে, আর একক অঞ্চল হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে। দেশের মোট পোশাক রপ্তানির প্রায় ৫০ শতাংশ ইউরোপের বাজারে যায়।   পাল্টা শুল্ক আরোপের পর যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি কিছুটা কমেছে। এদিকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিযোগী দেশ ভারত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করেছে। বর্তমানে ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে ভারত ১২ শতাংশ শুল্ক দেয়। চুক্তি বাস্তবায়িত হলে এ শুল্ক শূন্যে নেমে আসবে। ফলে ইউরোপের বাজারে ভারতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও বাড়বে।   বাংলাদেশ ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ লাভ করবে। ২০২৯ সালের পর আর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে না। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে নতুন কোনো বাণিজ্য চুক্তি না হলে বাংলাদেশের রপ্তানিতে প্রায় সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্ক আরোপ হতে পারে। এতে ইউরোপের বাজারে দীর্ঘদিনের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা হারানোর ঝুঁকি তৈরি হবে।   শিল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের পোশাক খাত বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে। শিল্পাঞ্চলগুলোতে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় অনেক কারখানার উৎপাদনক্ষমতা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশে নেমে এসেছে। উন্নত অবকাঠামোর অভাব, ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদের হার এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি পরিচালনায় দক্ষ শ্রমিকের সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।   এর মধ্যে নতুন উদ্বেগ হিসেবে দেখা দিয়েছে ভারত–ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। একইভাবে ভিয়েতনাম-এর সঙ্গেও ইইউর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হলে ২০২৭ সালের মধ্যে তাদের শুল্কও শূন্যে নেমে আসবে। ফলে ইউরোপের বাজারে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হবে এবং এর সম্মিলিত প্রভাব বাংলাদেশের রপ্তানিতে পড়তে পারে।   এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, সরকারকে দ্রুত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে জিএসপি প্লাস সুবিধা অর্জন অথবা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিতে হবে।   বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ইউরোপ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার। ভারতের শুল্ক শূন্যে নেমে এলে তাদের সক্ষমতা অনেক বাড়বে। তিনি উল্লেখ করেন, ইউরোপের বাজার প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ভারত তাদের রপ্তানি ৩০ থেকে ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। বাজার সম্প্রসারণের এ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের অংশীদারিত্বে চাপ তৈরি হতে পারে।

ছবি: সংগৃহীত
ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানালেন জামায়াত আমির

প্রথমবারের মতো অমর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।   শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। জামায়াত আমিরের সঙ্গে দলীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। একুশের চেতনাকে ধারণ করে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর সম্মান জানান তারা।


ছবি: সংগৃহীত
আজ গৌরবময় অমর একুশে ফেব্রুয়ারি

আজ শনিবার, ৮ ফাল্গুন, অমর একুশে ফেব্রুয়ারি। মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ। ১৯৫২ সালের এই দিনে মায়ের ভাষা রক্ষার জন্য শহীদ হন সালাম, রফিক, জব্বার, বরকত, শফিউরসহ আরও অনেকে। মাতৃভাষার জন্য বুকের রক্ত দেওয়ার এই উদাহরণ বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। গৌরবময় এই দিনটি আজ বাঙালি জাতিসহ বিশ্বের সব দেশের মানুষ স্মরণ করবে।   প্রয়াত ভাষাসৈনিক ও লেখক আহমদ রফিক তাঁর ‘ভাষা আন্দোলন’ বইয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার বর্ণনায় লিখেছেন, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যারাতের সময়টা শাসকদের জন্য বোধ করি কালবেলার মতো হয়ে ওঠে। তখন মেডিকেল হোস্টেল প্রাঙ্গণে ছুটে আসা মানুষের পায়ে পায়ে ওঠা ধুলো আর কাঁদানে গ্যাসের ধোঁয়াটে গন্ধের অবশিষ্ট মিলে এক অভাবিত পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। ছাত্র-জনতার শোক ও কান্না শাসকশ্রেণির বিরুদ্ধে এক ধরনের ঘৃণা ও শক্তির জন্ম দেয়, যা আন্দোলনের জন্য বিস্ফোরক পুঁজি হিসেবে কাজ করে।’   ১৪৪ ধারা ভঙ্গের মাধ্যমে যে একুশের সকাল শুরু হয়েছিল, গুলিবর্ষণ, রক্তপাত ও মৃত্যুর ঘটনায় একুশের সন্ধ্যা শাসকদের জন্য কালবেলার মতো হয়ে ওঠে। আজ একুশ শুধু বাঙালি বা বাংলাদেশের নয়, বিশ্বের সব দেশের ভাষাভাষী মানুষের জন্য অমর ও অক্ষয় চেতনার প্রতীক।   দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় অমর একুশের চেতনা অনুপ্রেরণার অবিরাম উত্স। ভাষা একটি জাতির অস্তিত্ব, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রধান ধারক ও বাহক।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার ভাষা আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিকেও দৃঢ় অবদান রেখেছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই একুশের মূল চেতনা। এই চেতনাকে ধারণ করে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এবং বর্তমান সরকার তা সুসংহত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’   ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্র গঠিত হয়। পাকিস্তানের জন্মের শুরুতেই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী পূর্ব বাংলার মানুষদের ওপর একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দু চাপিয়ে দেয়। এই ভাষার ওপর আঘাত ও স্বপ্নভঙ্গের বেদনা থেকেই ধীরে ধীরে জন্ম নেয় বাঙালির ভাষাভিত্তিক চেতনা, আত্মপরিচয় ও শিকড়ের অন্বেষণ।   ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই লড়াই চূড়ান্ত রূপ নেয়। ২১ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক কর্মীরা ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাছে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করলে পুলিশ নির্বিচার গুলিবর্ষণ শুরু করে। রাষ্ট্রভাষা বাংলার জন্য শহীদ হন সালাম, রফিক, জব্বার, বরকত, শফিউরসহ আরও অনেকেই। তাঁদের রক্তের বিনিময়েই বাংলা ভাষা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায়।   ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন পথ দেখায় এ অঞ্চলের মানুষকে। দুই দশকে একের পর এক আন্দোলন স্বাধিকার ও স্বাধীনতার চেতনায় রূপ নেয়। ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয় এবং পৃথিবীর মানচিত্রে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।   প্রাথমিকভাবে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস হিসেবে পরিচিত হলেও পরে এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবেও খ্যাতি পায়। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। এরপর থেকে দিনটি বিশ্বের সব দেশে পালিত হয়ে আসছে।   আজ সারাদেশে মাতৃভাষা ও শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন হবে। একুশের প্রভাতফেরিতে বেজে উঠবে সেই অশ্রুসিক্ত ও বেদনাময় সুর। ফুলে ফুলে ছেয়ে যাবে শহীদ মিনার। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল অনুষ্ঠানের সঙ্গে সারা দেশে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালন করা হবে দিবসটি।   রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবস উদযাপনের জন্য নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দলও নিজ নিজ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। দল-মত-নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে।   শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় গতকাল, শুক্রবার, দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। একুশের ভোরে কালো ব্যাজ ধারণ করে প্রভাতফেরি ও আজিমপুর কবরস্থানে শহীদদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবে সর্বস্তরের জনতা।   দিবসটি উপলক্ষে সাধারণ ছুটি। দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। আজিমপুর কবরস্থানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় ফাতেহা পাঠ ও কোরআনখানি অনুষ্ঠিত হবে। দেশের সব মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। সংবাদপত্র, বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও সব স্যাটেলাইট চ্যানেলে অনুষ্ঠান প্রচার হবে।   অমর একুশে উপলক্ষে বাংলা একাডেমি বক্তৃতার আয়োজন করেছে। সকাল ১১টায় একাডেমির নজরুল মঞ্চে বক্তব্য দেবেন অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। সভাপ্রধান হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত নজরুল মঞ্চে কবি আবদুল হাই শিকদারের সভাপতিত্বে স্বরচিত কবিতা পাঠের আসর অনুষ্ঠিত হবে।   ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটেও বিশেষ আয়োজন করবে। সকাল সাড়ে ১০টায় ছায়ানট মিলনায়তনে একক ও সম্মেলক গান, পাঠ-আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হবে। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর বাংলা এবং বিভিন্ন জনগোষ্ঠী ও বিদেশি ভাষার কবিতা পাঠ ও আবৃত্তির আয়োজন করেছে।

কক্সবাজারে দুর্ঘটনার কবলে ওজিলের গাড়িবহর । ছবি : সংগৃহীত
কক্সবাজারে দুর্ঘটনার কবলে ওজিলের গাড়িবহর

কক্সবাজারে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে জার্মানির সাবেক ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ছেলে নেকমেতিন বিলাল এরদোয়ানকে বহনকারী গাড়ির বহর।   রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের উখিয়া কুতুপালং এলাকা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওজিল কিংবা প্রতিনিধি দলের কেউ আহত হননি। তবে বহরে থাকা একটি গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লেগে একটি অটোরিকশা দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং এর চালক আহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে আহত চালকের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উখিয়ার শাহপুরী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, মেসুত ওজিল ও তুরস্কের প্রেসিডেন্টের পুত্র নেকমেতিন বিলাল এরদোয়ানের গাড়ির বহরটি ভিআইপি প্রোটোকল ভেঙে হঠাৎ একটি মোটরচালিত অটোরিকশা ঢুকে পড়ে। এতে গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লেগে অটোরিকশা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় আহত অটোরিকশার চালক স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ছবি: সংগৃহীত
সিরাজগঞ্জে ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা এলাকায় থানা মাঠ ঘুষ নিয়ে ভাড়া দেওয়ার প্রতিবাদে ওসির অপসারণ দাবি করে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। স্থানীয় সলঙ্গা থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাম জাফরের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তুলে এ বিক্ষোভ করা হয়।   শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে সলঙ্গা থানা মাঠ থেকে স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে থানার সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।   বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, সলঙ্গা থানা খেলার মাঠ ওসি কয়েকজন ব্যবসায়ীর কাছে ভাড়া দিয়েছেন। ভাড়া দেওয়ার পর স্থানীয়দের ১০ মিনিটের মধ্যে মাঠ ত্যাগ করার হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন।   বিএনপি নেতা আলাউদ্দীন বলেন, থানা মাঠটি স্থানীয়দের খেলার মাঠ। ওসি অবৈধভাবে লিজ দিয়ে সেখানে খেলাধুলা ও অবস্থান করতে বাধা দিচ্ছেন। দুই গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, খেলার মাঠ যেন ভাড়া না দেওয়া হয় এবং সবার সন্তানরা সেখানে খেলাধুলা করতে পারে।   অভিযোগের বিষয়ে ওসি ইমাম জাফর বলেন, থানা মসজিদের একটি মাঠ আছে যেখানে সরিষা ব্যবসায়ীরা সরিষা শুকানোর বিনিময়ে মসজিদে অর্থ প্রদান করেন। পূর্বে কিছু ব্যক্তি ওই ব্যবসায়ীদের কাছে টাকা চেয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার বৈঠকের মাধ্যমে সরিষা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকায় মাঠ লিজ দেওয়া হয়েছে। মাঠে সরিষা শুকানোর বিনিময়ে মসজিদ এ অর্থ পাবে।   তিনি আরও বলেন, শুক্রবার ব্যবসায়ীরা সরিষা শুকানোর সময় কিছু লোক এসে আপত্তি জানায়। তাদের জানানো হয়, এটি থানা মসজিদের জায়গা এবং মসজিদের উন্নয়নের জন্য ব্যবসায়ীদের দেওয়া হয়েছে। এরপরই তার বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া শুরু হয়।

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধের আশঙ্কা চরমে, যেকোনো মুহূর্তে সংঘাতের শঙ্কা

ইরানে হামলার জন্য মার্কিন বাহিনী সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যের অবস্থানগুলোতে বিমান ও নৌশক্তি ব্যাপকভাবে বাড়ানো হয়েছে। এসব অবস্থানে ই-৩ সেন্ট্রি এয়ারবর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (এডব্লিউএসিএস) বিমানও মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে আরব সাগরে আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপে বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ও যুক্ত করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে হামলার সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ। এখন আশঙ্কা করা হচ্ছে, যেকোনো মুহূর্তে হামলা শুরু হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্দেশ দেওয়ামাত্র এ হামলা হবে।   দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএন জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী হামলা চালাতে মধ্যপ্রাচ্যে এরই মধ্যে পর্যাপ্ত বিমান ও নৌশক্তি জড়ো করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে ৫০টিরও বেশি অতিরিক্ত যুদ্ধবিমানও মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য পাল্টা হামলা এড়াতে পেন্টাগন ওই অঞ্চল থেকে কিছু কর্মকর্তা-কর্মীকে সরিয়ে নিচ্ছে। আরেক খবর অনুযায়ী, ইরানের ওপর ‘সপ্তাহান্তে’ই হামলা চালাতে পারে মার্কিন সেনাবাহিনী। তারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো হামলা চালানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।   অন্যদিকে প্রস্তুত ইরানও। রাশিয়ার সঙ্গে তারা ওমান সাগরে যৌথ সামরিক মহড়ার ঘোষণা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ইরানের পক্ষ থেকে জাতিসংঘকে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক হুমকি বাস্তবায়ন করে, তবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি, স্থাপনা ও সম্পদ ইরানের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি এ সতর্কবার্তা দেন। তিনি বার্তায় বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধংদেহি তৎপরতা সামরিক আগ্রাসনের যে ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়, তা এ অঞ্চলের জন্য বিপর্যয়কর এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।   ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেবে না যুক্তরাজ্য : মার্কিন বাহিনী যুক্তরাজ্যের বিমান ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে হামলা চালনোর যে পরিকল্পনা করেছিল, তাতে সায় দেয়নি যুক্তরাজ্য। এ বিষয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, হামলার জন্য যুক্তরাজ্যের বিমান ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। কারণ এতে আন্তর্জাতিক বিধি লঙ্ঘিত হবে। খবরে বলা হয়, এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। হামলার জন্য দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের সুইন্ডনের কাছে ব্রিটিশ বায়ুসেনা (রয়্যাল এয়ারফোর্স)-এর ঘাঁটি ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প।   ‘লক্ষ্যভিত্তিক হামলায়’ সমর্থন সৌদি-আমিরাতের : ইরানকে চাপে রাখতে লক্ষ্যভিত্তিক সামরিক হামলায় সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের কিছু কর্মকর্তা সমর্থন দিতে পারেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট। তবে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত রক্তক্ষয়ী হবে এবং এতে আরও দেশ জড়িয়ে পড়ার ঝুুঁকি রয়েছে বলেও সতর্ক করেছেন কূটনীতিকরা। ইরান নিয়ে চলমান আলোচনা সম্পর্কে অবগত এক ইউরোপীয় কূটনীতিক জানান, শুরুতে অনেকে মনে করেছিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক চাপ মূলত তেহরানকে আলোচনায় বড় ধরনের ছাড় দিতে বাধ্য করার কৌশল। কিন্তু গত মঙ্গলবার জেনেভায় সর্বশেষ বৈঠক শেষ হওয়ার পর কূটনীতিকদের ধারণা বদলেছে। তাদের মতে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকারসহ নিজেদের ‘মূল অবস্থান’ থেকে ইরান সরে আসতে প্রস্তুত নয়। ওই কূটনীতিকের ভাষায়, ‘ইরানিরা প্রযুক্তিগত জটিলতায় আলোচনা ডুবিয়ে দিতে এবং মূল বিষয়গুলো বিলম্বিত করতে চাইছিল। প্রচলিত কূটনৈতিক পদ্ধতিতে সংলাপকে এগিয়ে নেওয়া হতো, কিন্তু ট্রাম্পের সেই ধৈর্য নেই।   ইউরোপীয় ওই কূটনীতিক সৌদি-আমিরাতের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘কিছু পক্ষ হয়তো ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে লক্ষ্যভিত্তিক হামলা সমর্থন করতে পারে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ রক্তক্ষয়ী হবে এবং ইচ্ছা করে বা ভুল হিসাবের কারণে আরও দেশ এতে জড়িয়ে পড়তে পারে।   কূটনীতিকদের আশঙ্কা, চাপ প্রয়োগের কৌশল যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে তার পরিণতি হতে পারে বহুমুখী ও দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত।   সূত্র : রয়টার্স, বিবিসি, আলজাজিরা, এএফপি

নিউজ ক্লিপস

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধের আশঙ্কা চরমে, যেকোনো মুহূর্তে সংঘাতের শঙ্কা
মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0

ইরানে হামলার জন্য মার্কিন বাহিনী সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যের অবস্থানগুলোতে বিমান ও নৌশক্তি ব্যাপকভাবে বাড়ানো হয়েছে। এসব অবস্থানে ই-৩ সেন্ট্রি এয়ারবর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (এডব্লিউএসিএস) বিমানও মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে আরব সাগরে আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপে বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ও যুক্ত করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে হামলার সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ। এখন আশঙ্কা করা হচ্ছে, যেকোনো মুহূর্তে হামলা শুরু হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্দেশ দেওয়ামাত্র এ হামলা হবে।   দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএন জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী হামলা চালাতে মধ্যপ্রাচ্যে এরই মধ্যে পর্যাপ্ত বিমান ও নৌশক্তি জড়ো করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে ৫০টিরও বেশি অতিরিক্ত যুদ্ধবিমানও মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য পাল্টা হামলা এড়াতে পেন্টাগন ওই অঞ্চল থেকে কিছু কর্মকর্তা-কর্মীকে সরিয়ে নিচ্ছে। আরেক খবর অনুযায়ী, ইরানের ওপর ‘সপ্তাহান্তে’ই হামলা চালাতে পারে মার্কিন সেনাবাহিনী। তারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো হামলা চালানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।   অন্যদিকে প্রস্তুত ইরানও। রাশিয়ার সঙ্গে তারা ওমান সাগরে যৌথ সামরিক মহড়ার ঘোষণা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ইরানের পক্ষ থেকে জাতিসংঘকে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক হুমকি বাস্তবায়ন করে, তবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি, স্থাপনা ও সম্পদ ইরানের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি এ সতর্কবার্তা দেন। তিনি বার্তায় বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধংদেহি তৎপরতা সামরিক আগ্রাসনের যে ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়, তা এ অঞ্চলের জন্য বিপর্যয়কর এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।   ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেবে না যুক্তরাজ্য : মার্কিন বাহিনী যুক্তরাজ্যের বিমান ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে হামলা চালনোর যে পরিকল্পনা করেছিল, তাতে সায় দেয়নি যুক্তরাজ্য। এ বিষয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, হামলার জন্য যুক্তরাজ্যের বিমান ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। কারণ এতে আন্তর্জাতিক বিধি লঙ্ঘিত হবে। খবরে বলা হয়, এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। হামলার জন্য দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের সুইন্ডনের কাছে ব্রিটিশ বায়ুসেনা (রয়্যাল এয়ারফোর্স)-এর ঘাঁটি ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প।   ‘লক্ষ্যভিত্তিক হামলায়’ সমর্থন সৌদি-আমিরাতের : ইরানকে চাপে রাখতে লক্ষ্যভিত্তিক সামরিক হামলায় সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের কিছু কর্মকর্তা সমর্থন দিতে পারেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট। তবে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত রক্তক্ষয়ী হবে এবং এতে আরও দেশ জড়িয়ে পড়ার ঝুুঁকি রয়েছে বলেও সতর্ক করেছেন কূটনীতিকরা। ইরান নিয়ে চলমান আলোচনা সম্পর্কে অবগত এক ইউরোপীয় কূটনীতিক জানান, শুরুতে অনেকে মনে করেছিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক চাপ মূলত তেহরানকে আলোচনায় বড় ধরনের ছাড় দিতে বাধ্য করার কৌশল। কিন্তু গত মঙ্গলবার জেনেভায় সর্বশেষ বৈঠক শেষ হওয়ার পর কূটনীতিকদের ধারণা বদলেছে। তাদের মতে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকারসহ নিজেদের ‘মূল অবস্থান’ থেকে ইরান সরে আসতে প্রস্তুত নয়। ওই কূটনীতিকের ভাষায়, ‘ইরানিরা প্রযুক্তিগত জটিলতায় আলোচনা ডুবিয়ে দিতে এবং মূল বিষয়গুলো বিলম্বিত করতে চাইছিল। প্রচলিত কূটনৈতিক পদ্ধতিতে সংলাপকে এগিয়ে নেওয়া হতো, কিন্তু ট্রাম্পের সেই ধৈর্য নেই।   ইউরোপীয় ওই কূটনীতিক সৌদি-আমিরাতের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘কিছু পক্ষ হয়তো ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে লক্ষ্যভিত্তিক হামলা সমর্থন করতে পারে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ রক্তক্ষয়ী হবে এবং ইচ্ছা করে বা ভুল হিসাবের কারণে আরও দেশ এতে জড়িয়ে পড়তে পারে।   কূটনীতিকদের আশঙ্কা, চাপ প্রয়োগের কৌশল যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে তার পরিণতি হতে পারে বহুমুখী ও দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত।   সূত্র : রয়টার্স, বিবিসি, আলজাজিরা, এএফপি

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমান পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র, হামলার পরিকল্পনা ট্রাম্পের?
মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ধীরে ধীরে ইরানের কাছাকাছি তাদের বিমান ও নৌ শক্তি বাড়াচ্ছে, এমন সময়ে যখন তেহরান কর্মকর্তারা দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমেরিকান সংবাদমাধ্যম এক্সিওস-এর খবর অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০টির বেশি মার্কিন যোদ্ধা বিমান, যার মধ্যে F-35, F-22 এবং F-16 অন্তর্ভুক্ত, পশ্চিম এশিয়ায় পৌঁছেছে। এটি এমন সময়ে ঘটেছে যখন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন যে, জেনেভায় মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত পারমাণবিক আলোচনায় ওয়াশিংটন ও তেহরান অগ্রগতি করেছে। তবে তারা জোর দিয়ে বলেছেন, এখনো অনেক বিস্তারিত বিষয় আলোচনা করা বাকি; যা নির্দেশ করে যে এখনো অবিলম্বে সামরিক সংঘর্ষের সম্ভাবনা রয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সেয়েদ আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, মঙ্গলবারের আলোচনা মাসকাটে এই মাসের প্রথম রাউন্ডের চেয়ে বেশি গঠনমূলক ছিল এবং দাবি করেছেন যে দুই পক্ষই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সম্ভাব্য চুক্তির নেতৃত্বমূলক নীতিমালাতে একমত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা চলাকালীন ট্রাম্প প্রশাসন ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছে সম্ভাব্য অভিযান চালানোর জন্য ভারী সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে, ইরানের পারমাণবিক পরিকল্পনা এবং জানুয়ারির প্রতিবাদের সময়ের সহিংস দমনমূলক কার্যক্রমের ওপর চাপ বাড়ানোর প্রেক্ষাপটে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতা ইতোমধ্যেই জানুয়ারির শেষে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরী আরব সাগরে পাঠিয়েছেন। পরে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে, বিবিসি রিপোর্ট করেছে যে জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি এয়ার বেসে ১২টি F-15 যোদ্ধা বিমান, একটি MQ-9 Reaper ড্রোন, এবং বেশ কিছু A-10C Thunderbolt II গ্রাউন্ড অ্যাটাক বিমান পৌঁছেছে। স্যাটেলাইট চিত্র দেখিয়েছে যে USS Delbert D Black গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার মেদিটেরানিয়ান থেকে রেড সাগরে যাওয়ার জন্য সুয়েজ খালের মধ্য দিয়ে চলেছে, এবং গালফ অঞ্চলে একটি MQ-4C Triton নজরদারি ড্রোন কাজ করছে। এছাড়াও অঞ্চলটিতে E-11A কমিউনিকেশনস বিমান, P-8 Poseidon, E-3G Sentry নজরদারি এবং কিছু গোয়েন্দা বিমান উপস্থিত ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরীও অঞ্চলটিতে পাঠিয়েছে। ইরানও জানিয়েছে যে তারা সামরিক মহড়ার কারণে Strait of Hormuz-এর একটি অংশ কয়েক ঘন্টার জন্য বন্ধ করবে। পূর্বেও তেহরান হুমকি দিয়েছিল পুরো স্ট্রেইট বন্ধ করার, কিন্তু তা কখনো কার্যকর করেনি। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার অগ্রগতি ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আরাঘচি বলেছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরান প্রতিটি পারমাণবিক চুক্তির জন্য খসড়া প্রণয়ন ও বিনিময় করতে একমত হয়েছে, তারপর তৃতীয় রাউন্ডের জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করা হবে। তবে তিনি সতর্ক করেছেন যে পরবর্তী ধাপ আরও কঠিন ও বিস্তারিত হবে। আলোচনায় সফলতা তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তির পথ খুলতে পারে, যা ইরানের তেলের শিল্প এবং বিস্তৃত অর্থনীতিতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে এবং বিনিময়ে পারমাণবিক কর্মসূচির বড় ধরনের সীমাবদ্ধতা আরোপ করবে। সূত্র: এনডিটিভি

আল-আকসা মসজিদ। ছবি: সংগৃহীত
আল- আকসায় ১০ হাজার ফিলিস্তিনিকে জুমার নামাজ আদায়ের অনুমতি দেবে ইসরাইল
মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0

পবিত্র রমজান মাসে পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে সাপ্তাহিক জুমার নামাজ আদায়ের জন্য ১০ হাজার ফিলিস্তিনি মুসল্লিকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রমজান শুরু হওয়ার পর এ ঘোষণা দিয়েছে দখলদার ইসরাইল। খবর আরব নিউজের। তবে মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। কেবল ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সি পুরুষ, ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সি নারী এবং সর্বোচ্চ ১২ বছর বয়সি শিশুরা (প্রথম শ্রেণির আত্মীয়ের সঙ্গে) প্রবেশ করতে পারবে। অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে বেসামরিক বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত ইসরাইলি  প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্থা 'সিওজিএটি' এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রমজান মাসজুড়ে জুমার নামাজের জন্য প্রতিদিন আলাদা অনুমতিপত্র সংগ্রহের শর্তে ১০ হাজার ফিলিস্তিনি মুসল্লিকে টেম্পল মাউন্টে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পুরুষদের ক্ষেত্রে ৫৫ বছর থেকে, নারীদের ক্ষেত্রে ৫০ বছর থেকে এবং ১২ বছর পর্যন্ত শিশুদের প্রথম শ্রেণির আত্মীয়ের সঙ্গে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।

নিহত ফিলিস্তিনিদের লাশ দাফন করছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। ছবি : সংগৃহীত
গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের ভয়াবহ চিত্র, নিহত ছাড়িয়েছে ৭৫ হাজার
মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো গণহত্যামূলক হামলায় প্রকৃত মানবিক ক্ষয়ক্ষতি আগের সরকারি হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা সাময়িকীতে প্রকাশিত একাধিক স্বাধীন গবেষণায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের শুরু পর্যন্ত ৭৫ হাজারের বেশি প্রাণহানির প্রমাণ মিলেছে।   বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।   একাধিক গবেষণা নিবন্ধের ধারাবাহিক প্রকাশনায় উঠে এসেছে, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নথি আসলে মৃত্যুর সংখ্যাকে বাড়িয়ে দেখায়নি। বরং সেটি ছিল একটি সংযত নিম্নসীমা। গবেষণাগুলো ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানির পরিসর বোঝার জন্য একটি শক্ত ভিত্তি দিয়েছে।   দ্য ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথে প্রকাশিত গাজা মর্টালিটি সার্ভের (জিএমএস) এক জরিপে দেখা গেছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ৭৫ হাজার ২০০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এটি যুদ্ধের আগে থাকা গাজার ২২ লাখ মানুষের প্রায় ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। একই সময়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, যে ৪৯ হাজার ৯০টি সহিংস মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল, তার তুলনায় এই সংখ্যা ৩৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।   গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন নিহত হয়েছেন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও ৪৮৮ জন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েল বরাবরই এই সংখ্যাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তবে জানুয়ারিতে দেশটির এক সামরিক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, যুদ্ধের সময় গাজায় প্রায় ৭০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।   গবেষকেরা বলেন, নিহত ব্যক্তিদের ৫৬ দশমিক ২ শতাংশই নারী, শিশু ও বয়স্ক। জিএমএস জরিপে ২ হাজার পরিবারের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এতে ৯ হাজার ৭২৯ জনের তথ্য অন্তর্ভুক্ত ছিল। এটি মৃত্যুর সংখ্যা নির্ধারণে একটি কঠোর ও প্রমাণভিত্তিক ভিত্তি দিয়েছে।   গবেষণার প্রধান লেখক রয়্যাল হলোওয়ে ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অর্থনীতির অধ্যাপক মিশেল স্প্যাগাট বলেন, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন নির্ভরযোগ্য। তবে মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত করার যে অবকাঠামো দরকার, যুদ্ধের কারণে তা ভেঙে পড়ায় সংখ্যাটি স্বভাবতই কমে গেছে।   উল্লেখ্য, এই গবেষণা ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্য ল্যানসেটে প্রকাশিত আগের এক গবেষণার চেয়ে উন্নত। ওই গবেষণায় পরিসংখ্যানভিত্তিক ‘ক্যাপচার-রিক্যাপচার’ মডেল ব্যবহার করে যুদ্ধের প্রথম ৯ মাসে ৬৪ হাজার ২৬০ জনের মৃত্যুর হিসাব দেওয়া হয়েছিল।   আগের গবেষণাটি সম্ভাব্যতার ভিত্তিতে কম গণনার বিষয়টি দেখিয়েছিল। নতুন এই গবেষণা গাণিতিক অনুমান থেকে সরে এসে সরাসরি পরিবারের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে বাস্তব যাচাই করেছে। এটি ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা বাড়িয়েছে। ৭৫ হাজারের বেশি সহিংস মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।   ২০২৫ সালের শেষ দিকে গাজার ৮০ শতাংশের বেশি এলাকা জোরপূর্বক খালি করতে বাধ্য করা হয়। উত্তর গাজা ও রাফাহ প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। ওই বছরের আগস্টে উত্তর গাজায় দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করা হয়, যা আহত মানুষের বেঁচে থাকার সম্ভাবনাকে আরও কমিয়ে দেয়।   গবেষকেরা বলছেন, এই গবেষণাগুলো তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি ও জবাবদিহির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরছে। আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে সুরক্ষিত থাকা সত্ত্বেও গাজার স্বাস্থ্য অবকাঠামো বারবার হামলার শিকার হচ্ছে-এই অবস্থা চলতে থাকলে মানবিক বিপর্যয় আরও গভীর হবে।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

বিশ্ব
অর্থনীতি
সারাদেশ
টেলিকম ও প্রযুক্তি