সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
শেখ হাসিনা ফিরলে বিচার নিশ্চিত করতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তার বিচার নিশ্চিত করতে প্রস্তুত বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ‘গণহত্যাকারীদের’ ফিরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে কোনো সুসম্পর্ক হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।       শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে এক গণসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।       ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধের’ দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।       আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা বর্ডারের থেকে শুনি শেখ হাসিনা আসতে চায়। আওয়ামী লীগের নেতারা সাক্ষাৎকার দিচ্ছে, তারা বাংলাদেশে আসতে চায়। এই বিষয়ে তো কেউ দ্বিমত করছে না, আমরাও চাই আপনারা আসেন। শহীদ পরিবারের মায়েরা প্রতিদিন আল্লাহর কাছে দোয়া করেন যে, তাদের সন্তানের হত্যার যারা দায়ী তাদের যেন বিচার নিশ্চিত হয়। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে সেই বিচার নিশ্চিত হওয়ার জন্য, সেই বিচার নিশ্চিত করার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।’       প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সম্ভাব্য ভারত সফর’ প্রসঙ্গে এনসিপির এ নেতা বলেন, ‘ইদানীং শুনছি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত যাবেন। স্পষ্টভাবে বলতে চাই, জুলাই গণভুত্থানে গণহত্যার জন্য দায়ী যারা এখনো ভারতের আশ্রয়ে আছে, সাক্ষাৎকার-ব্রিফিং করে যাচ্ছে। ওসমান হাদির খুনিরা যারা ভারতের হাতে বন্দি অবস্থায় আছে। তাদেরকে ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী যদি ভারতের মাটিতে পা রাখেন এইটা এই দেশের জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি হবে। তাদেরকে আগে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনেন তাদের ফাঁসির রায় কার্যকর করেন, বিচার নিশ্চিত করেন। তারপরে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক হতে পারে। ফিরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত তাদের সাথে কোনো সুসম্পর্ক হতে পারে না।’       ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘আজকে এক নিউজে দেখছিলাম, গরু মহিষ চড়াইতে হলেও ছাত্রদলকে চাঁদা দিতে হয়। ছয় মাস হয় নাই। কিন্তু ছাত্রদল, যুবদল, বিএনপির চাঁদাবাজির মাধ্যমে ৫০ লাখ কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়ে গেছে। চাঁদাবাজি করে তাদের ফ্যামিলি চলতেছে। তাদের পেট চলতেছে। সাধারণ মানুষ জাহান্নামে যাক।’       দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন এনসিপির মুখপাত্র। তিনি বলেন, ‘দেড় বছর ধরে আমাদের প্রতিদিন শুনতে হয়েছে, নির্বাচন হলে নাকি সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। আরও শুনতে হয়েছে, যাদের পেটে ভাত নেই তারা সংস্কারের কী বুঝবে? তো তারা নাকি ক্ষমতায় এলে আমাদের পেটে ভাত থাকবে। তারপরে মানুষজন ভালোভাবে থাকবে। ফ্যামিলি কার্ড, এই কার্ড ওই কার্ড, নানা কার্ড পাওয়া যাবে। তো তারা ক্ষমতায় এলো আজকে পাঁচ মাস শেষ ছয় মাস হতে চলল, এখন সংস্কার তো নেই গ্যাস-বিদ্যুৎও নেই, পেটে ভাতও নেই।

৪৫ মিনিট আগে
জুনিয়র এশিয়া কাপ সামনে রেখে অনূর্ধ্ব-২০ হকি দলকে উপহার

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) চলমান অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় হকি দলের আবাসিক ক্যাম্পে থাকা খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক সাদেক। ক্যাম্পে নিবিড় অনুশীলনে ব্যস্ত নারী ও পুরুষ দলের খেলোয়াড়দের সুষম পুষ্টি নিশ্চিতকরণ ও ক্লান্তি দূরীকরণের লক্ষ্যে তিনি নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন রকমের উচ্চমানের পুষ্টিকর খাবার সামগ্রী পাঠিয়েছেন।       আসন্ন জুনিয়র এশিয়া কাপের প্রস্তুতিকে সামনে রেখে বর্তমানে বিকেএসপিতে অনূর্ধ্ব-২০ হকি দলের এই কন্ডিশনিং ও স্কিল আবাসিক ক্যাম্পটি পরিচালিত হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি এই ক্যাম্পে থাকা তরুণ খেলোয়াড়দের ফিটনেস ধরে রাখতে এবং তাদের অনুশীলনে বাড়তি অনুপ্রেরণা জোগাতে সাধারণ সম্পাদক ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে এই উপহার সামগ্রীগুলো প্রেরণ করেন।       খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড়দের উপযোগী সুষম খাবার। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য—কর্নফ্লেক্স, ওটস, প্রিমিয়াম মারিয়াম খেজুর, এনার্জি বুস্টার হিসেবে বিভিন্ন ধরনের মিক্সড নাট এবং খেলোয়াড়দের ক্লান্তি দূর করতে বিভিন্ন পুষ্টিকর চকোলেট বার।       এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক সাদেক বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-২০ দলের এই তরুণ ও প্রতিভাবান খেলোয়াড়রাই আমাদের দেশের হকির ভবিষ্যৎ রূপকার। বিকেএসপির ক্যাম্পে এই তীব্র গরমে তাদের কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতাকে আমি জানাই সাধুবাদ। ফেডারেশনের নিয়মিত সুযোগ-সুবিধার বাইরেও ব্যক্তিগতভাবে তাদের পাশে থাকা এবং মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখা আমি আমার দায়িত্ব মনে করি। আশা করি, এই পুষ্টিকর খাবারগুলো তাদের ফিটনেস ধরে রাখতে এবং অনুশীলনে আরো বেশি মনোযোগ দিতে সাহায্য করবে।       এ সময় ক্যাম্পে উপস্থিত খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফরা সাধারণ সম্পাদকের এই আন্তরিক ও সময়োপযোগী উদ্যোগে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তার কাছ থেকে এমন সরাসরি সমর্থন, ভালোবাসা ও পুষ্টি সহায়তা মাঠের পারফরম্যান্সকে আরো উন্নত করতে এবং আসন্ন টুর্নামেন্টের প্রস্তুতিতে তাদের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করবে।

৪৮ মিনিট আগে
১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগে গ্রেফতার ৫২ আসামি কারাগারে

১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেফতার ৫২ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন  আদালত। এ ছাড়া গ্রেফতার দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।       শুক্রবার (১৪ আগস্ট) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।       কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলে-যুবলীগ নেতা মোতালিব, যুবলীগ নেত্রী মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান, শাহিন হোসেন ইমন, লিমন খান, দেওয়ান ইসমাইল, ফাহিম মিয়া, রতন, রাব্বি ওরফে রাফি, রাতুল শীল, মিনারুল মিয়া, মাসুদ রানা ওরফে লিমু, জিহাদ হাসান, আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু, ফাহিম, শাকিল মিয়া, রাজীব, সানি, রাজন মিয়া, মো. তারেক, তারেক, শাহিন, ফয়সাল, মামুন মিয়া, মুন্না, তামজিদ মিয়া নয়ন, ইয়াছিন, জামিল, রাকিবুল হাসান রাতুল, ফয়সাল, সিয়াম, শরিফ, সাদিকুর রহমান পায়েল, শাহিন আলম, আব্দুল আলী বাবু, অনিক, তারিকুল ইসলাম, আ. রহমান, ইয়ামিন মিয়া, আতিক ও আশিক।       মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ৫২ জনকে আটক করা হয়।       আটক ব্যক্তিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠন যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিল।       অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।        জব্দ করা ব্যানারগুলোর মধ্যে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজনের কথা উল্লেখ ছিল। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

৫২ মিনিট আগে
ইরানের বাজেয়াপ্ত সম্পদ ফেরত দিল ইউএই, সংঘাত এড়ানোর চেষ্টা

মুক্ত করা সম্পদগুলি UAE-এর রয়্যাল জেট পরিচালিত A6-RJA রেজিস্ট্রেশন নম্বরের একটি বোয়িং ৭৩৭-৭KK বিমানে করে ইরানে পাঠানো হয়েছে।     আবুধাবি: আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ যখন অচলাবস্থায় পৌঁছেছে, তখন সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) তাদের ব্যাঙ্কে জমা থাকা ইরানের কয়েকশো কোটি ডলারের ‘ফ্রিজড’ সম্পদের একটি অংশ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে ২৮৩ মিলিয়ন ডলার মূল্যের দুই টন সোনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরানের একাধিক সূত্র। প্রতিবেদনগুলিতে বলা হয়েছে, নতুন করে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর ভবিষ্যতে ইরানের হামলা থেকে UAE-কে রক্ষা করার জন্য তেহরানকে রাজি করাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।     আবু ধাবি থেকে ইরানে পাঠানো সম্পদ: বিমানটি ১১ এবং ১২ অগাস্ট আবু ধাবি থেকে তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দর এবং কারাজের পায়াম বিমানবন্দরে (Karaj’s Payam Airport) যায়। প্রতিবারই বিমানটি প্রায় এক ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করার পর ফিরে আসে বলে জানা গিয়েছে।     একই বিমান এর আগে ৮ জুন আবু ধাবি থেকে তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে গিয়েছিল এবং ৩ বিলিয়ন ডলার ট্রান্সফার করেছিল বলে জুন মাসে সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন একাধিক ইরানি কর্মকর্তা। এর মধ্যে UAE-র ব্যাঙ্কগুলিতে থাকা ইরানের ‘ফ্রিজড’ হওয়া সম্পদও রয়েছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে লড়াই শুরু হওয়ার সময় নিজেদের যাতে ইরানের হামলার ‘টার্গেট’ হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতেই UAE এই পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলের।     UAE ইরানকে বিমান বিক্রির অনুমতি দিয়েছে: ফ্রিজড থাকা সম্পদ ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি, UAE সরকার ইরানি বিমান সংস্থাগুলির কাছে ১৫টি ব্যবহৃত যাত্রীবাহী বিমান বিক্রিরও অনুমতি দিয়েছে। সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের আগের বোয়িং ৭৭৭-২৬৮ER বিমানগুলি UAE-ভিত্তিক ECT Aviation Support-এর মাধ্যমে ইরানে ট্রান্সফার করা হয়েছে। এছাড়া, তিনটি বোয়িং ৭৩৭-৩০০/৫০০ বিমান এবং কনডরের দুটি এয়ারবাস A320-212 বিমান যথাক্রমে আমিরশাহীর সংস্থা Aerovision FZ এবং Skysource FZ ইরানি বিমান সংস্থাগুলির কাছে বিক্রি করেছে। দুটি এয়ারবাস A320 বিমান ইতিমধ্যেই ইরানে উড়ে গিয়েছে।     আরও বিমান আসার পথে: একটি স্যাটেলাইট ছবিতে রোমানিয়ার জর্জ এনেস্কু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (George Enescu International Airport) দুটি এয়ারবাস A320-212 বিমানকে দেখা গিয়েছে। বিমান দুটির পরিচিতি C9-ACE এবং C9-ACF। কয়েক দিন আগে UAE সরকারের সহায়তায় ইরানে পাঠানোর ঠিক আগে বিমান দুটিকে সেখানে দেখা যায়। ইরানের সূত্র অনুযায়ী, এমিরাতি সংস্থাগুলির সহায়তায় আরও ১৪টি যাত্রীবাহী বিমান ইরানে যাওয়ার কথা রয়েছে।     অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’ এবং ‘লায়ন্স রোর’ চলাকালীন আমেরিকা ও ইজরায়েলের বোমা হামলায় ধ্বংস হওয়া ৩০টিরও বেশি যাত্রীবাহী বিমানের পরিবর্তে এই বিমানগুলি ব্যবহার করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।     ফ্রিজড থাকা সম্পদ (যার মধ্যে সোনাও রয়েছে) ছেড়ে দেওয়া এবং বিমান পাঠানোর সহায়তা করার মতো পদক্ষেপগুলিকে UAE-কে এই সংঘাতের বাইরে রাখার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

৫৬ মিনিট আগে
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক
দ্য ইকোনমিস্টের বিশ্লেষণ: অভ্যন্তরীণ কোন্দলে সংকটে মুসলিম ব্রাদারহুড

যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সাময়িকী ‘দ্য ইকোনমিস্ট’-এর সাম্প্রতিক এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের একসময়ের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠন ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’ বর্তমানে চরম অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং কাঠামোগত সংকটে ভুগছে।    প্রায় এক শতাব্দী প্রাচীন এই সংগঠনটি এখন বিভক্ত হয়ে তার ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বলতম অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। একসময় মিশরসহ গোটা আরব বিশ্বে যাদের ব্যাপক রাজনৈতিক আধিপত্য ছিল, তারা আজ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার কঠিন লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে।   সংগঠনটির এই পতনের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে নিবন্ধটিতে তাদের অভ্যন্তরীণ তীব্র বিভক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতৃত্ব বর্তমানে স্পষ্টতই দুটি প্রধান শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছে, যার একটির কেন্দ্র লন্ডনে এবং অন্যটির অবস্থান তুরস্কের ইস্তাম্বুলে।    নেতৃত্বের বৈধতা, তহবিলের নিয়ন্ত্রণ এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে এই দুই শিবিরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব চলছে। প্রবীণ নেতাদের এই ক্ষমতা দখলের লড়াই এবং দিকনির্দেশনাহীনতার কারণে সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের তরুণ কর্মীরা ক্রমশ হতাশ হয়ে পড়ছেন, যার ফলে অনেকেই সংগঠন থেকে নিজেদের পুরোপুরি গুটিয়ে নিচ্ছেন।   নিবন্ধে আরও বলা হয়, ২০১৩ সালে মিশরের রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে উৎখাত হওয়ার পর থেকেই ব্রাদারহুড দেশটির সরকারের ধারাবাহিক ও কঠোর দমন-পীড়নের শিকার হয়ে আসছে। সংগঠনের শীর্ষ নেতাসহ হাজার হাজার নেতাকর্মী হয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন, নয়তো বিদেশে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতেও সংগঠনটি বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। একসময় তুরস্ক ও কাতার মুসলিম ব্রাদারহুডকে প্রকাশ্য সমর্থন ও আশ্রয় দিলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক স্বার্থে তারা মিশর এবং উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে ইস্তাম্বুল বা দোহার মতো নির্বাসিত ব্রাদারহুড নেতাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলগুলোতেও এখন তাদের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে পড়েছে।   শুধু মিশর নয়, বরং তিউনিসিয়া ও মরক্কোর মতো উত্তর আফ্রিকার অন্যান্য দেশগুলোতেও ব্রাদারহুডের রাজনৈতিক ও আদর্শিক মিত্ররা ব্যাপকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। দ্য ইকোনমিস্টের বিশ্লেষণ বলছে, পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতি, রাষ্ট্রীয় কঠোর নজরদারি এবং নতুন প্রজন্মের ভিন্ন রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার কারণে মুসলিম ব্রাদারহুড সাধারণ মানুষের কাছে তাদের পুরনো আবেদন হারিয়েছে। ধারাবাহিক ব্যর্থতা ও বিভক্তির কারণে সংগঠনটি আদৌ এই গভীর সংকট থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কি না, তা নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক মহলে বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ১৪, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্য দুবাইয়ের ৯৬ ঘণ্টার ট্রানজিট ভিসা

আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যাতায়াতকারী বাংলাদেশি যাত্রীরা ‘এমিরেটস হলিডেজ’-এর নির্দিষ্ট প্যাকেজের আওতায় ৯৬ ঘণ্টার দুবাই ট্রানজিট ভিসা পেতে পারেন। এই সুবিধার মাধ্যমে তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) সর্বোচ্চ চার দিন পর্যন্ত অবস্থান করার সুযোগ পাবেন।   ‘এমিরেটস হলিডেজ’-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, মরিশাস, জর্ডান, মিসর ও তুরস্কসহ বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রী এবং ওমরাহ পালনে গমনকারীদের জন্য এই সুবিধাটি বিশেষভাবে উপযোগী।   নতুন এই ব্যবস্থার আওতায়, যোগ্য বাংলাদেশি যাত্রীরা দুবাইয়ে চার দিন অবস্থানের সুবিধাসহ এমিরেটস হলিডেজের নির্ধারিত প্যাকেজ কিনে এই ৯৬ ঘণ্টার ট্রানজিট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।   এই সুবিধার ফলে বাংলাদেশি যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের মাঝে দুবাইয়ে একটি সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতির সুযোগ পাবেন। এতে মূল যাত্রার পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম প্রধান বিমান চলাচল ও পর্যটন কেন্দ্রে স্বল্পসময়ের বিনোদনমূলক ভ্রমণের সুযোগ তৈরি হবে।   এছাড়া দূরপাল্লার ভ্রমণের ক্ষেত্রে দুবাইকে সংযোগস্থল হিসেবে ব্যবহারকারী যাত্রীদের জন্য এই ট্রানজিট ভিসা যাতায়াত আরো সুবিধাজনক ও সহজ করবে।

ছবি: সংগৃহীত
পুলিশের ৪৯ ইন্সপেক্টরকে একযোগে অবসরে পাঠাল সরকার

বাংলাদেশ পুলিশের ৪৯ জন পরিদর্শককে (নিরস্ত্র) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।   গতকাল (১৩ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তারা বিধি অনুযায়ী প্রাপ্য সুবিধা পাবেন। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।   ৭ সহকারী পুলিশ সুপারকেও (এএসপি) বাধ্যতামূলক অবসর   এদিকে, র‌্যাবসহ বিভিন্ন স্থানে কর্মরত ৭ জন সহকারী পুলিশ সুপারকেও (এএসপি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।   বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   এতে বলা হয়, তারা বিধি অনুযায়ী অবসর সুবিধা প্রাপ্য হবেন এবং জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।   অবসরে পাঠানো ৭ এএসপি হলেন- নূরে আলম সিদ্দিকী (র‍্যাব সদর দপ্তর), ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের সহকারী কমিশনার (এসি-প্যাট্রোল) মো. নুরুল মোত্তাকিন, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সার্কেলের এএসপি কাজী ওয়াজেদ আলী, পটুয়াখালীর গলাচিপা সার্কেলের এএসপি মো. সৈয়দুজ্জামান, র‍্যাব-২ এর এএসপি মো. গোলাম কিবরিয়া, ঢাকার আরআরএফের এএসপি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশের এএসপি মো. রবিউল ইসলাম।

ছবি: সংগৃহীত
১৫ আগস্ট সামনে রেখে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার

রাজধানীতে ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত ও যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, জনসমাগমস্থল ও প্রবেশপথগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।   শুক্রবার (১৪ আগস্ট) গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী।   ডিএমপি কর্মকর্তা নিয়াজ মেহেদী জানান, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় পর্যাপ্ত কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত ও মোতায়েন রাখা হয়েছে। এ ছাড়া নিয়মিত দায়িত্বের বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থল, মেট্রোরেল স্টেশন, বাস ও ট্রেন টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, শপিংমলসহ বিভিন্ন সংবেদনশীল এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন।   ডিএমপির তথ্যমতে, নিরাপত্তা জোরদারে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পিকেট ও তল্লাশি চৌকি (চেকপোস্ট) বসানো হয়েছে। মহানগরের প্রবেশপথগুলোতে কড়া নজরদারির পাশাপাশি তল্লাশি কার্যক্রমও চলছে। নিরাপত্তা কার্যক্রমে মাঠে রয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও জনসমাগমস্থলে সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও কে-নাইন (কুকুর) দল।   রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত রয়েছেন সিটিএসবি ও আইএডির সদস্যরা। ডিএমপির পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তায় র‍্যাব ও সিআইডির অতিরিক্ত সদস্যরাও মাঠে কাজ করছেন।

ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন নৌ অবরোধের হুমকিতে ফের বাড়ল তেলের দাম

ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য নৌ-অবরোধ আরোপের মার্কিন হুমকির জেরে মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে আবারও বেড়েছে তেলের দাম। এই প্রবণতা সাপ্তাহিক বৃদ্ধির পথে রয়েছে।   শুক্রবার(১৪ আগস্ট) ব্রেন্ট ফিউচারসের দাম ১২ সেন্ট বা ০.১৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.১৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের ফিউচারস ৫০ সেন্ট বা ০.৬২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮১.৭৫ ডলারে পৌঁছেছে। ব্রেন্ট এবং ডব্লিউটিআই-এর ক্ষেত্রে সাপ্তাহিক বৃদ্ধির হার যথাক্রমে প্রায় ৪.৩ শতাংশ এবং ৪.৬ শতাংশ হতে চলেছে।   এসইবি রিসার্চের বিয়ার্ন শিল্ড্রপ বলেন, তেলের দাম বৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের একটি স্বাভাবিক ফলাফল। এই পদক্ষেপের ফলে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের স্বল্পমেয়াদী সমাধানের আশা ক্ষীণ। যুদ্ধবিরতি আলোচনা থমকে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা তেহরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য নৌ-অবরোধ অব্যাহত এবং  অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে পারে।   ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট নিউজম্যাক্সের ‘রব স্মিট টুনাইট’ অনুষ্ঠানে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আগামী সপ্তাহে আরও ঘোষণার জন্য চোখ রাখুন, কারণ আমরা এমন সব পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি যা কোনো দেশের অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নকরণের ইতিহাসে আগে কখনো দেখা যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে শিল্ড্রপ বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিক চলাচল পুনরুদ্ধারের কোনো স্বল্পমেয়াদী আশা এখন আর নেই বললেই চলে।   হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ-চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই দাবি করায় এই চ্যানেল দিয়ে জাহাজ চলাচল মাসিক গড় হারের নিচে নেমে গেছে। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ শুরুর আগে, এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের দৈনিক তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হতো।   সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘ওয়াম’ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার এই প্রণালী অতিক্রম করার সময় আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির দুটি জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার এই ঘটনাকে তেহরানের হামলা দাবি করে নিন্দা জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ সীমিত হয়ে পড়লেও ওপেক -এর পূর্বাভাসে চাহিদার প্রবৃদ্ধি মন্থর হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের মজুদ গত সাড়ে তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ সাপ্তাহিক বৃদ্ধির রেকর্ড গড়েছে।   জুলিয়াস বায়ের-এর অর্থনীতি ও নেক্সট জেনারেশন রিসার্চ বিভাগের প্রধান নরবার্ট রুকার বলেন, ‘আইইএ এবং ইআইএ-র এই সপ্তাহের প্রতিবেদনগুলো বেশ তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছে। তেলের মজুদ আশঙ্কার চেয়ে অনেক ভালো অবস্থায় রয়েছে, যা তেলের দাম কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে। সূত্র: রয়টার্স।

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
দ্য ইকোনমিস্টের বিশ্লেষণ: অভ্যন্তরীণ কোন্দলে সংকটে মুসলিম ব্রাদারহুড
মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ১৪, ২০২৬

যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সাময়িকী ‘দ্য ইকোনমিস্ট’-এর সাম্প্রতিক এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের একসময়ের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠন ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’ বর্তমানে চরম অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং কাঠামোগত সংকটে ভুগছে।    প্রায় এক শতাব্দী প্রাচীন এই সংগঠনটি এখন বিভক্ত হয়ে তার ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বলতম অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। একসময় মিশরসহ গোটা আরব বিশ্বে যাদের ব্যাপক রাজনৈতিক আধিপত্য ছিল, তারা আজ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার কঠিন লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে।   সংগঠনটির এই পতনের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে নিবন্ধটিতে তাদের অভ্যন্তরীণ তীব্র বিভক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতৃত্ব বর্তমানে স্পষ্টতই দুটি প্রধান শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছে, যার একটির কেন্দ্র লন্ডনে এবং অন্যটির অবস্থান তুরস্কের ইস্তাম্বুলে।    নেতৃত্বের বৈধতা, তহবিলের নিয়ন্ত্রণ এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে এই দুই শিবিরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব চলছে। প্রবীণ নেতাদের এই ক্ষমতা দখলের লড়াই এবং দিকনির্দেশনাহীনতার কারণে সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের তরুণ কর্মীরা ক্রমশ হতাশ হয়ে পড়ছেন, যার ফলে অনেকেই সংগঠন থেকে নিজেদের পুরোপুরি গুটিয়ে নিচ্ছেন।   নিবন্ধে আরও বলা হয়, ২০১৩ সালে মিশরের রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে উৎখাত হওয়ার পর থেকেই ব্রাদারহুড দেশটির সরকারের ধারাবাহিক ও কঠোর দমন-পীড়নের শিকার হয়ে আসছে। সংগঠনের শীর্ষ নেতাসহ হাজার হাজার নেতাকর্মী হয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন, নয়তো বিদেশে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতেও সংগঠনটি বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। একসময় তুরস্ক ও কাতার মুসলিম ব্রাদারহুডকে প্রকাশ্য সমর্থন ও আশ্রয় দিলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক স্বার্থে তারা মিশর এবং উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে ইস্তাম্বুল বা দোহার মতো নির্বাসিত ব্রাদারহুড নেতাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলগুলোতেও এখন তাদের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে পড়েছে।   শুধু মিশর নয়, বরং তিউনিসিয়া ও মরক্কোর মতো উত্তর আফ্রিকার অন্যান্য দেশগুলোতেও ব্রাদারহুডের রাজনৈতিক ও আদর্শিক মিত্ররা ব্যাপকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। দ্য ইকোনমিস্টের বিশ্লেষণ বলছে, পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতি, রাষ্ট্রীয় কঠোর নজরদারি এবং নতুন প্রজন্মের ভিন্ন রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার কারণে মুসলিম ব্রাদারহুড সাধারণ মানুষের কাছে তাদের পুরনো আবেদন হারিয়েছে। ধারাবাহিক ব্যর্থতা ও বিভক্তির কারণে সংগঠনটি আদৌ এই গভীর সংকট থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কি না, তা নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক মহলে বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
ইরানকে নজিরবিহীন অর্থনৈতিক অবরোধের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ১৪, ২০২৬

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বৃহস্পতিবার ইরানকে ‘বিশ্ব আগে কখনো দেখেনি—এমন অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা’র মুখে ফেলার হুমকি দিয়েছেন। তিনি জানান, আগামী সপ্তাহে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কিছু পদক্ষেপ ঘোষণা করা হতে পারে।   টেলিভিশন নেটওয়ার্ক নিউজম্যাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, এর মধ্যে এমন অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা থাকবে, ‘যা বিশ্ব আগে কখনো দেখেনি।’ তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালিতে চলমান অবরোধের কারণে ইরানের বন্দরগুলো দিয়ে কোনো পণ্য বা জ্বালানি প্রবেশ বা বের হতে পারবে না।   বেসেন্ট বলেন, আগামী সপ্তাহে আরও ঘোষণা আসতে পারে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনায় দুটি প্রধান দিক রয়েছে—ইরানের ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি এবং দেশটির বন্দরগুলোকে অবরোধ করা।   এর আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার হলো আমেরিকানদের জন্য তেল ও পেট্রলের দাম কমানো। আর ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র আদায় করতে না পারে, সেটি এখন দ্বিতীয় অগ্রাধিকার।   বেসেন্টের সাম্প্রতিক কঠোর অবস্থান তার ৪ আগস্টের বক্তব্যের সঙ্গে উল্লেখযোগ্যভাবে ভিন্ন। ওই দিন তিনি সিএনবিসিকে বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের সঙ্গে কয়েক দিনের মধ্যেই একটি সমঝোতা হতে পারে। সেই বক্তব্যের পর ওয়াল স্ট্রিটের শেয়ারবাজারে উত্থান এবং তেলের দামে পতন দেখা গিয়েছিল। সূত্র: আল-আরাবিয়া

থালাপতি বিজয় ও নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত
লোকসভা আসন নিয়ে মোদিকে বিজয়ের ৩ প্রস্তাব
মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ১৪, ২০২৬

ভারতের লোকসভায় আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তিন দফা দাবি জানিয়েছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয় (থালাপতি বিজয়)।    লোকসভার মোট আসনসংখ্যা স্থায়ীভাবে ৫৪৩ রাখার পাশাপাশি রাজ্যগুলোর বর্তমান আসন বণ্টন অপরিবর্তিত রাখার দাবি জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে আগামী লোকসভা ও পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনগুলোতে নারীদের জন্য এক তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী।   বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে পাঠানো এক চিঠিতে এসব দাবি জানান বিজয়। চিঠির সঙ্গে তামিলনাড়ু বিধানসভায় বুধবার গৃহীত একটি প্রস্তাবের অনুলিপিও পাঠানো হয়েছে।তামিলনাড়ু বিধানসভায় গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আগামী জনগণনার পর জনসংখ্যার ভিত্তিতে লোকসভা আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হলে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলো বড় ধরনের রাজনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে যেসব রাজ্য দীর্ঘদিন ধরে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে, তাদের প্রতি এটি অন্যায় হবে বলে মনে করছে তামিলনাড়ু।   বিজয় তার চিঠিতে বলেন, লোকসভার মোট সদস্যসংখ্যা স্থায়ীভাবে ৫৪৩ নির্ধারণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রতিটি রাজ্যের জন্য বর্তমানে যে সংখ্যক লোকসভা আসন নির্ধারিত রয়েছে, সেটিও অপরিবর্তিত রাখতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংশোধনী আনার বিষয়টি বিবেচনা করতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।   তামিলনাড়ুর বিধানসভায় আলোচনার সময় আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়, জনসংখ্যার নতুন পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করা হলে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোর লোকসভা আসন কমে যেতে পারে। অন্যদিকে জনসংখ্যা বেশি এমন উত্তর ভারতের রাজ্যগুলোর আসন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।   বিধানসভায় এ প্রসঙ্গে তামিলনাড়ুর অতীতের উদাহরণও তুলে ধরা হয়। সীমানা পুনর্নির্ধারণের কারণে ১৯৬৭ সালে রাজ্যটির লোকসভা আসন ৪১ থেকে কমে ৩৯ হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়।   তামিলনাড়ুর যুক্তি, ১৯৭১ সালের পর জনসংখ্যার পরিসংখ্যানকে ভিত্তি করে নতুন করে লোকসভা আসন নির্ধারণ করা হলে দক্ষিণের রাজ্যগুলো দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ এসব রাজ্য জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।   তামিলনাড়ু সরকারের বক্তব্য, যে রাজ্যগুলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে, নতুন আসন পুনর্বিন্যাসে তাদের পুরস্কৃত করার বদলে যদি রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব কমে যায়, তাহলে তা ন্যায্য হবে না।এদিকে লোকসভা আসন পুনর্বিন্যাসের পাশাপাশি নারীদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর বিষয়টিও প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন বিজয়।    আগামী লোকসভা নির্বাচন এবং পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনগুলোতে নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।চিঠিতে বিজয় তামিলনাড়ু বিধানসভার প্রস্তাবটি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংশোধনী আনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।   তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর এই অবস্থান সামনে আসার পর লোকসভা আসন পুনর্বিন্যাসের প্রশ্নটি ফের জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলো দীর্ঘদিন ধরেই আশঙ্কা প্রকাশ করে আসছে যে, জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস হলে তাদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব কমে যেতে পারে।   বিজয়ের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে লোকসভার মোট আসন ৫৪৩-এ স্থায়ী করা, রাজ্যভিত্তিক বর্তমান আসন বণ্টন অপরিবর্তিত রাখা এবং আগামী লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন নিশ্চিত করা।এখন মূল নজর কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থানের দিকে। কারণ লোকসভা আসন পুনর্বিন্যাসের প্রশ্নটি শুধু নির্বাচনী সীমানা পরিবর্তনের বিষয় নয়, এর সঙ্গে জাতীয় রাজনীতিতে বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিনিধিত্বের ভারসাম্যও জড়িয়ে রয়েছে।

সংগৃহীত ছবি
ইউক্রেনের রুশ কৌশলেই যুক্তরাষ্ট্রকে ঘায়েল করছে ইরান
মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ১৪, ২০২৬

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার প্রয়োগ করা সামরিক কৌশল এবার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কাজে লাগাচ্ছে ইরান। আকাশ প্রতিরক্ষাকে বিভ্রান্ত করতে কোনো একক অস্ত্রের ওপর নির্ভর না করে একসঙ্গে ড্রোন, ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বয়ে সমন্বিত আক্রমণ চালাচ্ছে তেহরান।   মূলত মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ানো এবং ব্যয়বহুল ‘প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর’ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ দ্রুত শেষ করে দেওয়াই এই কৌশলের মূল লক্ষ্য। জর্ডানের তিনটি মার্কিন ঘাঁটিতে টানা পাঁচ দিন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের ঢেউ পাঠায় ইরান। এর মধ্যে এমন কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, যা আকাশে হঠাৎ দিক পরিবর্তন করতে পারে। প্রথম চার দিন যুক্তরাষ্ট্র বেশির ভাগ হামলা ঠেকালেও ১৭ জুলাই একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ভেদ করে মার্কিন ঘাঁটির অস্থায়ী আবাসে আঘাত হানে।   এই হামলায় ৩ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং শতাধিক আহত হন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, প্রায় সব ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা গেলেও একটি ভেতরে ঢুকে পড়ে।   জানা গেছে, চলমান এই যুদ্ধে পেন্টাগন ইতোমধ্যে ১ হাজার ৫০০টিরও বেশি প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যবহার করে ফেলেছে এবং তাদের কাছে এখন ১ হাজার ৭০০টিরও কম মিসাইল অবশিষ্ট রয়েছে।   নিরাপত্তা বিশ্লেষক সেথ জি জোন্স জানান, ইউক্রেনে ব্যবহৃত রুশ কৌশল দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নিরাপত্তাকে কঠিন করে তুলছে ইরান।   যুদ্ধের শুরুতে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্রগুলো মেরামত করে তারা আবারও আক্রমণ শুরু করেছে। এমনকি মাটির ৩০০ ফুটেরও বেশি গভীরে ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এর মতো অতি সুরক্ষিত স্থানে নিজেদের পরমাণু সরঞ্জাম ও শীর্ষ নেতৃত্বকে নিরাপদ রেখে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
বিশ্ব
অর্থনীতি