সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
ছাত্রদলের নতুন কমিটি চূড়ান্ত পর্যায়ে, শীর্ষ দুই পদে আলোচনায় একাধিক নাম

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিএনপির অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, নতুন কমিটির একটি খসড়া বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে রয়েছে। তাঁর চূড়ান্ত অনুমোদনের পর যেকোনো সময় কমিটি ঘোষণা হতে পারে।   তবে নতুন কমিটি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত পাননি বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ফলে সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা থাকলেও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিত নয়।   সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে তারেক রহমানের সঙ্গে ছাত্রদলের বর্তমান শীর্ষ পাঁচ নেতার বিদায়ী সাক্ষাতের পর নতুন কমিটি গঠনের আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। সাক্ষাতের পর বর্তমান সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদায়ী বার্তা দেন।   মেয়াদ শেষ হয়েছে বর্তমান কমিটির: ২০২৪ সালের ১ মার্চ রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি এবং নাছির উদ্দীন নাছিরকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। একই সময় আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়াকে সিনিয়র সহসভাপতি, শ্যামল মালুমকে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আমান উল্লাহ আমানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। পরবর্তীতে ১৫ জুন ২৬০ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। সংগঠনের খসড়া গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সংসদের মেয়াদ দুই বছর। সে হিসাবে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে।   শীর্ষ পদে আলোচনায় যাঁরা: নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি ইজাজুল কবির রুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, এক নম্বর যুগ্ম সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান, যুগ্ম সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান। এ ছাড়া কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিক, রিয়াদ রহমান, আরিফুল ইসলাম আরিফ, খোরশেদ আলম সোহেল, তরিকুল ইসলাম তারিক, মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স, রাজু আহমেদ, গাজী সাদ্দাম হোসেন, শরীফ প্রধান শুভ, মোস্তাফিজুর রহমান শুভ, সাফি ইসলাম ও নুর আলম ভূঁইয়া ইমনের নামও বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনায় রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হবেন, তা নির্ভর করছে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপর।   নতুন নেতৃত্বে কী গুরুত্ব পাবে: ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের একটি অংশের প্রত্যাশা, অতীতের আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ ও ত্যাগী নেতাদের মধ্য থেকেই নতুন নেতৃত্ব বেছে নেওয়া হবে। পাশাপাশি নিয়মিত শিক্ষার্থী, নারী নেতৃত্ব এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতাদেরও গুরুত্ব দেওয়ার দাবি রয়েছে। নতুন নেতৃত্বকে শুধু রাজনৈতিক আন্দোলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, অধিকার, নিরাপত্তা, দক্ষতা উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশাও রয়েছে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে। কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ইজাজুল কবির রুয়েল বলেন, নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়েছে এবং যেকোনো সময় ঘোষণা হতে পারে। হাইকমান্ড যেভাবে উপযুক্ত মনে করবে, সে সিদ্ধান্তের প্রতি সবাই আস্থাশীল। মমিনুল ইসলাম জিসানও জানিয়েছেন, সহযোদ্ধাদের একটি অংশ তাঁকে নেতৃত্বে দেখতে চায়। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের এবং তিনি সেই সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থাশীল।   বিদায়ী বার্তায় রাকিব-নাছির: নতুন কমিটি নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই বিদায়ী সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন বার্তা দেন। তিনি দায়িত্ব পালনে কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক জীবনের জন্য সবার কাছে শুভকামনা চান। সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরও বিদায়ী বার্তায় বলেন, দায়িত্ব থেকে বিদায় নিলেও ছাত্রদল থেকে তাঁর সম্পর্ক শেষ হচ্ছে না। নতুন নেতৃত্বের অধীনে সংগঠন আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।   আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা: বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়া, শীর্ষ নেতাদের বিদায়ী সাক্ষাৎ, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিদায়ী বার্তা এবং সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে তৎপরতা—সব মিলিয়ে ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘিরে আলোচনা এখন তুঙ্গে। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। শেষ মুহূর্তে আলোচনার বাইরে থাকা কোনো নেতাও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসতে পারেন। ফলে এখন সবার নজর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলেই স্পষ্ট হবে, রাকিব-নাছির পর্বের পর ছাত্রদলের নেতৃত্বের দায়িত্ব কারা পাচ্ছেন।

৪৪ মিনিট আগে
১৫ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থীদের নতুন ভিসা নীতি কার্যকর

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের অবস্থানের মেয়াদে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। দেশটির ইমিগ্রেশন অ্যান্ড সিটিজেনশিপ সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস) আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এফ (F), জে (J) ও আই (I) ক্যাটাগরির ভিসায় অবস্থানরত শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নীতির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ ভিসার অবস্থান বাড়ানো ও কাজের অনুমতির জন্য প্রয়োজনীয় আবেদন ফরমের সংশোধিত সংস্করণ প্রকাশ করেছে। ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। ওই দিন থেকে ফরম আই-৫৩৯—অবস্থানের মেয়াদ বাড়ানো বা ভিসা ক্যাটাগরি পরিবর্তনের আবেদন—এবং ফরম আই-৭৬৫—কাজের অনুমতির আবেদন—এর নতুন সংস্করণ ব্যবহার বাধ্যতামূলক হবে। নির্ধারিত তারিখের পর পুরোনো সংস্করণের ফরম জমা দিলে আবেদন গ্রহণ করা হবে না। বাতিল হচ্ছে ‘ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস’ নতুন নীতির সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য চালু থাকা ‘ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস’ (D/S) সুবিধা বাতিল করা। এতদিন এফ-১ ভিসাধারী শিক্ষার্থীরা অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা এবং নির্দিষ্ট প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং শেষ করা পর্যন্ত তাদের স্ট্যাটাস বজায় রাখতে পারতেন। নতুন নিয়মে শিক্ষার্থীদের অবস্থানের সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে। ফরম আই-২০-তে উল্লেখ করা কোর্সের মেয়াদ বিবেচনায় সর্বোচ্চ চার বছর পর্যন্ত অবস্থানের অনুমতি দেওয়া হবে। কোর্স শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের জন্য অতিরিক্ত ৩০ দিন সময় পাওয়া যাবে। তবে কোনো শিক্ষার্থীর কোর্সের মেয়াদ চার বছরের বেশি হলে কিংবা নির্ধারিত সময়ের পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের প্রয়োজন হলে তাকে নিয়ম অনুযায়ী অবস্থানের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য আবেদন করতে হবে। অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ির ধারাবাহিকতা গত বছর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় ফেরার পর যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে ধারাবাহিকভাবে কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে। শিক্ষার্থী ভিসার নতুন নিয়মকেও সেই বৃহত্তর নীতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে এফ, এম ও জে ভিসার যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় আরও কঠোরতা আনা হয়েছে। ইউএসসিআইএস শিক্ষার্থীদের আবেদন জমা দেওয়ার আগে সংশোধিত ফরম ও নিয়মাবলি সম্পর্কে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে ১৫ সেপ্টেম্বরের পর আবেদনকারীদের অবশ্যই নতুন সংস্করণের ফরম ব্যবহার করতে হবে।

১ ঘন্টা আগে
ঘুমন্ত মেরু ভাল্লুককে হর্ন, জরিমানা ৭ লাখ টাকা

জাহাজের ফগ হর্ন বাজিয়ে ঘুমন্ত ভাল্লুককে জাগিয়ে তোলায় নরওয়েতে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার ক্রোনার জরিমানা করা হয়েছে। বাংলাদেশি অর্থে যা প্রায় ৭ লাখ টাকার সমান। গত বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম বিবিসি। চলতি মাসের শুরুতে সেলবার্দ উপকূলে এ ঘটনা ঘটে। যা নরওয়ের একটি প্রত্যন্ত দ্বীপপূঞ্জ এবং উত্তর গোলার্ধ থেকে ৬২০ মাইল দূরে অবস্থিত। সেখান দিয়ে জাহাজ নিয়ে যাওয়ার সময় জাহাজে থাকা ব্যক্তিরা একটি মেরু ভাল্লুককে শুয়ে থাকতে দেখেন। তখন এটিকে ভালো মতো দেখতে একজন জাহাজের উচ্চস্বরের ফগ হর্ন বাজান। এতে ভাল্লুকটি তীব্র আতঙ্ক নিয়ে জেগে ওঠে এবং সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়। এরপর তারা দ্রুত সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। সেলবার্দের গভর্নর লার্স ফওস এক বিবৃতিতে এ নিয়ে বলেছেন, “জাহাজে থাকা ব্যক্তিরা একটি মেরু ভাল্লুককে স্থলে ঘুমিয়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাহাজের এক ব্যক্তি ফগ হর্ন বাজান। এতে ভাল্লুকটি জেগে ওঠে এবং অন্য জায়গায় চলে যায়।” সেলবার্দের পরিবেশ সুরক্ষা আইন অনুযায়ী, বিনা প্রয়োজনে কোনো মেরু ভাল্লুককে কোনো ধরনের বিরক্ত বা উস্কানি দেওয়া যাবে না। সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় পর্যটক বা জাহাজের ব্যক্তিদের অত্যন্ত সাবধানে চলতে হবে। যেন সেখানকার কোনো প্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। ওই ব্যক্তি তার কৃতকর্মের জন্য জরিমানা দিতে রাজি হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তার নাম ও জাতীয়তা প্রকাশ করেনি। সূত্র: বিবিসি

১ ঘন্টা আগে
নদী, বিল ও হাওরে মৎস্য উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উপলক্ষে বিশেষ চাহিদা বৃদ্ধি করতে প্রান্তিক জনপদের নদী, বিল ও হাওরে মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। যেসব বিল বা নদী পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে, সরকারের পক্ষ থেকে সংস্কার করে সেগুলোতে মাছ চাষ করা হবে। কাজেই তরুণদের মৎস্য চাষের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। বায়ান্নটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়।  এ সময় মৎস্য সম্পদের সঙ্গে পরিবেশকেও উন্নত রাখার আহ্বানও জানান তিনি।  রোববার দুপুর আড়াইটায় জাতীয় মৎস্য দিবস উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশনের মাঠে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।  প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত ছয় মাসে ছয় হাজার বিলিয়ন বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছে সরকার। বাংলাদেশের মৎস্য চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। যার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। সাত হাজার পাঁচ শত একর জমিতে চিংড়ি মাছ উৎপাদনের জন্য একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কাজে নারী ও যুবকদের সম্পৃক্ত করলে তারা আর্থিকভাবে লাভবান হবে। মৎস্যজীবীদের ভিজিএফ কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে।  তিনি আরও বলেন, পাঁচ লক্ষ পাঁচ কোটি টাকা নতুন মৎস্য উদ্যোক্তাদের ঋণ দিয়ে মৎস্য চাষ বৃদ্ধি ও তাদের আর্থিক উন্নতি করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে কটিয়াদী সরকারি কার্প হ্যাচারিতে আট জাতের পোনা মাছ অবমুক্ত করেন তিনি। মৎস্যমন্ত্রী আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন প্রমুখ। এর আগে পাকুন্দিয়া মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ অবমুক্ত করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে ১৩টি ক্যাটাগরিতে ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় মৎস্য পদক ও স্বর্ণপদক প্রদান করেন তিনি। উল্লেখ্য যে, ‘রুপালি মৎস্যের স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে এবার মৎস্য পক্ষ পালিত হচ্ছে। রোববার থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচিতে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, পোনা অবমুক্তকরণ এবং মৎস্য চাষিদের উৎসাহিত করতে নানা আয়োজন থাকছে।

১ ঘন্টা আগে
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়
ছাত্রদলের নতুন কমিটি চূড়ান্ত পর্যায়ে, শীর্ষ দুই পদে আলোচনায় একাধিক নাম

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিএনপির অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, নতুন কমিটির একটি খসড়া বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে রয়েছে। তাঁর চূড়ান্ত অনুমোদনের পর যেকোনো সময় কমিটি ঘোষণা হতে পারে।   তবে নতুন কমিটি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত পাননি বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ফলে সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা থাকলেও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিত নয়।   সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে তারেক রহমানের সঙ্গে ছাত্রদলের বর্তমান শীর্ষ পাঁচ নেতার বিদায়ী সাক্ষাতের পর নতুন কমিটি গঠনের আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। সাক্ষাতের পর বর্তমান সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদায়ী বার্তা দেন।   মেয়াদ শেষ হয়েছে বর্তমান কমিটির: ২০২৪ সালের ১ মার্চ রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি এবং নাছির উদ্দীন নাছিরকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। একই সময় আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়াকে সিনিয়র সহসভাপতি, শ্যামল মালুমকে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আমান উল্লাহ আমানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। পরবর্তীতে ১৫ জুন ২৬০ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। সংগঠনের খসড়া গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সংসদের মেয়াদ দুই বছর। সে হিসাবে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে।   শীর্ষ পদে আলোচনায় যাঁরা: নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি ইজাজুল কবির রুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, এক নম্বর যুগ্ম সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান, যুগ্ম সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান। এ ছাড়া কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিক, রিয়াদ রহমান, আরিফুল ইসলাম আরিফ, খোরশেদ আলম সোহেল, তরিকুল ইসলাম তারিক, মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স, রাজু আহমেদ, গাজী সাদ্দাম হোসেন, শরীফ প্রধান শুভ, মোস্তাফিজুর রহমান শুভ, সাফি ইসলাম ও নুর আলম ভূঁইয়া ইমনের নামও বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনায় রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হবেন, তা নির্ভর করছে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপর।   নতুন নেতৃত্বে কী গুরুত্ব পাবে: ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের একটি অংশের প্রত্যাশা, অতীতের আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ ও ত্যাগী নেতাদের মধ্য থেকেই নতুন নেতৃত্ব বেছে নেওয়া হবে। পাশাপাশি নিয়মিত শিক্ষার্থী, নারী নেতৃত্ব এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতাদেরও গুরুত্ব দেওয়ার দাবি রয়েছে। নতুন নেতৃত্বকে শুধু রাজনৈতিক আন্দোলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, অধিকার, নিরাপত্তা, দক্ষতা উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশাও রয়েছে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে। কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ইজাজুল কবির রুয়েল বলেন, নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়েছে এবং যেকোনো সময় ঘোষণা হতে পারে। হাইকমান্ড যেভাবে উপযুক্ত মনে করবে, সে সিদ্ধান্তের প্রতি সবাই আস্থাশীল। মমিনুল ইসলাম জিসানও জানিয়েছেন, সহযোদ্ধাদের একটি অংশ তাঁকে নেতৃত্বে দেখতে চায়। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের এবং তিনি সেই সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থাশীল।   বিদায়ী বার্তায় রাকিব-নাছির: নতুন কমিটি নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই বিদায়ী সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন বার্তা দেন। তিনি দায়িত্ব পালনে কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক জীবনের জন্য সবার কাছে শুভকামনা চান। সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরও বিদায়ী বার্তায় বলেন, দায়িত্ব থেকে বিদায় নিলেও ছাত্রদল থেকে তাঁর সম্পর্ক শেষ হচ্ছে না। নতুন নেতৃত্বের অধীনে সংগঠন আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।   আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা: বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়া, শীর্ষ নেতাদের বিদায়ী সাক্ষাৎ, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিদায়ী বার্তা এবং সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে তৎপরতা—সব মিলিয়ে ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘিরে আলোচনা এখন তুঙ্গে। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। শেষ মুহূর্তে আলোচনার বাইরে থাকা কোনো নেতাও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসতে পারেন। ফলে এখন সবার নজর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলেই স্পষ্ট হবে, রাকিব-নাছির পর্বের পর ছাত্রদলের নেতৃত্বের দায়িত্ব কারা পাচ্ছেন।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ১৬, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
ইউক্রেনকে তুরস্কের মাধ্যমে অস্ত্র দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র, বিরোধিতা রাশিয়ার

তুরস্কের মজুত থেকে ইউক্রেনকে মার্কিন তৈরি অস্ত্র দেওয়ার পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছে রাশিয়া। মস্কোর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের এই উদ্যোগ দুই দেশের সঙ্গে রাশিয়ার পারস্পরিক আস্থাকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। রাশিয়াভিত্তিক আন্তর্জাতিক টেলিভিশন নেটওয়ার্ক আরটি (আরটি) এ খবর প্রকাশ করেছে।   রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের পাশাপাশি শান্তির কথা বলা পরস্পরবিরোধী। তার মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ রাশিয়ার সঙ্গে ওয়াশিংটন ও আঙ্কারার সম্পর্কেও গুরুতর ক্ষতি করতে পারে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কের মজুত থেকে ইউক্রেনে অস্ত্র পুনরায় রপ্তানির অনুমোদন দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রস্তাবিত অস্ত্রের তালিকায় রয়েছে ৭০টি এটিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্র, ১২টি এম২৭০ রকেট সিস্টেম এবং আড়াই হাজারের বেশি এম২৬ রকেট।   এ ছাড়া ক্লাস্টার ওয়ারহেডসহ ৪৭ হাজার ২০৩ মিলিমিটার আর্টিলারি শেলও এই চালানে থাকার কথা রয়েছে। পুরো অস্ত্র সরবরাহের সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ২৮ কোটি ডলার।   মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গত ৬ আগস্ট প্রস্তাবিত অস্ত্র পুনরায় রপ্তানির বিষয়ে কংগ্রেসকে জানিয়েছে। মার্কিন আইন অনুযায়ী, কংগ্রেসের হাতে এ বিষয়ে পর্যালোচনার জন্য ১৫ দিন সময় রয়েছে।   এই সময়ের মধ্যে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট যৌথভাবে প্রস্তাব আটকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত না নিলে প্রশাসনের অনুমোদন কার্যকর হয়ে যাবে। রাশিয়ার অভিযোগ, তুরস্ক এতদিন ইউক্রেনকে প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহ এড়িয়ে চলার কথা বলে এসেছে। তাই এখন তুরস্কের মজুত থেকে ইউক্রেনকে মার্কিন অস্ত্র দেওয়ার পরিকল্পনাকে পরস্পরবিরোধী অবস্থান হিসেবে দেখছে মস্কো।   জাখারোভা প্রশ্ন তুলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক যখন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ভূমিকা রাখার কথা বলছে, তখন তারা কেন নতুন করে এমন একটি ‘প্যান্ডোরাস বক্স’ খুলছে। অর্থাৎ একের পর এক নতুন সমস্যা, বিপদ বা জটিলতা তৈরি হতে পারে, এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।   মস্কোর আশঙ্কা, এসব অস্ত্র ইউক্রেনের হামলার সক্ষমতা বাড়াবে এবং যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে। একই সঙ্গে এর প্রভাব পড়তে পারে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কেও।   ইউক্রেনকে পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহের বিরোধিতা করে আসছে রাশিয়া। মস্কোর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর অস্ত্র, সামরিক পরামর্শ এবং গোয়েন্দা সহায়তা দেওয়ার অর্থ তারা সরাসরি এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছে।   রুশ কর্মকর্তারা এর আগে ইউক্রেনের হামলায় পশ্চিমা সরবরাহ করা দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগও করেছেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুনে সেভাস্তোপোলে এটিএসিএমএস হামলার কথা উল্লেখ করে মস্কো দাবি করেছিল, ওই হামলায় চারজন নিহত ও দেড় শতাধিক মানুষ আহত হন।   রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের অভিযোগ, ন্যাটোর সামরিক বিশেষজ্ঞরা ইউক্রেনকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ এবং দূরপাল্লার হামলা সমন্বয়ে সহায়তা করছেন। তবে পশ্চিমা দেশগুলো বরাবরই ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়া হিসেবে দেখার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।   সূত্র: আরটি

ছবি: সংগৃহীত
তথ্য কমপ্লেক্সের প্রথম ব্যবহারকারী হতে সাংবাদিকদের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

বরিশালে বিভাগীয় আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে নগরীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রকল্পটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।   উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স শুধু তথ্যসেবা দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটি বিনোদন, জ্ঞানচর্চা, তথ্য সংগ্রহ এবং গবেষণার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।   তিনি বলেন, এখানে নিয়মিত সিনেমা প্রদর্শনের ব্যবস্থাও থাকবে। দর্শনার্থীরা ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করে এসে সিনেমা উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের তথ্য, বিনোদন, জ্ঞান আহরণ ও গবেষণার সুযোগ তৈরি করাই এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য।   জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’কে ‘স্মার্ট বাংলাদেশে’ রূপান্তরের লক্ষ্য বাস্তবায়নে এটি ভূমিকা রাখবে।   সাংবাদিকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান: তথ্য কমপ্লেক্সটি দ্রুত সেবামুখী ও কার্যকর করতে সাংবাদিকদের অগ্রাধিকার দিয়ে ব্যবহারের আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাংবাদিকরাই প্রথম দিকে এই তথ্য কমপ্লেক্সের সেবা সবচেয়ে বেশি কাজে লাগাতে পারেন। বরিশালে প্রেস ক্লাব, ডিআরইউসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন রয়েছে। এসব সংগঠনের সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রচারের কাজে তথ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন। মন্ত্রী বলেন, তথ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম দ্রুত মানুষের জন্য উন্মুক্ত ও কার্যকর সেবায় পরিণত করতে সাংবাদিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। তাঁর প্রত্যাশা, বরিশালের গণমাধ্যমকর্মীরাই হবেন এই তথ্য কমপ্লেক্সের প্রথম ব্যবহারকারী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশের ডিআইজি, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) কমিশনারসহ সরকারি কর্মকর্তারা। এ ছাড়া বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বরিশালের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং বিভিন্ন পর্যায়ের গণমাধ্যমকর্মীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ছবি: সংগৃহীত
কুয়েতে দুই বাসের মাঝে চাপা পড়ে বাংলাদেশি চালকের মৃত্যু, ভারতীয় চালক আটক

কুয়েতে দুই বাসের মাঝখানে চাপা পড়ে এক প্রবাসী বাংলাদেশি বাসচালকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে অপর একটি বাসের ভারতীয় চালককে আটক করেছে দেশটির পুলিশ।   কুয়েতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার (১৪ আগস্ট) জিলিব আল-শুয়েখ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।   স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সড়কের পাশে দুটি বাস পরপর থামানো ছিল। সামনের বাসটির চালক ছিলেন বাংলাদেশি নাগরিক। বাসটিতে কোনো ধরনের যান্ত্রিক সমস্যা হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করতে তিনি গাড়ি থেকে নেমে পেছনের দিকে যান।   এ সময় পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা অপর বাসটির ভারতীয় চালক হঠাৎ গাড়িটি সামনে এগিয়ে নেন। এতে দুই বাসের মাঝখানে চাপা পড়েন বাংলাদেশি চালক। গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।   তবে নিহত বাংলাদেশি চালক ও আটক ভারতীয় চালকের নাম-পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।   দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফরওয়ানিয়া ট্রাফিক বিভাগ ও স্থানীয় পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে ভারতীয় বাসচালককে হেফাজতে নেওয়া হয়।   ঘটনাটি তদন্তে কুয়েত পুলিশ একটি মামলা করেছে। দুর্ঘটনাটি বাসের কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঘটেছে, নাকি চালকের অসতর্কতা বা অবহেলার ফলে ঘটেছে—তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিষয়টি আরও তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৯৪

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৯৪ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সংস্থা ইউএনজিআরডির বরাতে শনিবার তুর্কি বার্তাসংস্থা আনাদোলু এ তথ্য জানিয়েছে।    ইউএনজিআরডি জানায়, স্থানীয় সময় শনিবার সকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ভূমিকম্পে ৩ হাজার ৯৩৫ জন আহত হয়েছেন। এখনো ৩২০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। আগের দিনের হিসাবে মৃতের সংখ্যা ছিল ২৮৮ জন। অর্থাৎ নতুন করে আরও ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।   নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকারী দলগুলো ধ্বংসস্তূপ ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কাজ করছে। একই সঙ্গে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া এবং ভূমিকম্পে কোথায় কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   দুর্যোগ মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ের জরুরি কার্যক্রম সমন্বয় করছে ইউএনজিআরডি। স্থানীয় প্রশাসন ও জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির হিসাব হালনাগাদ করা হচ্ছে।   নিখোঁজ ৩২০ জনকে খুঁজে বের করাই এখন উদ্ধার তৎপরতার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। জরুরি সেবাদানকারী দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জাম পাঠিয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষও বাসিন্দাদের সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয় করছে।   ভূমিকম্পে বিভিন্ন অবকাঠামোর কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তাও যাচাই করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজনগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো পূরণের চেষ্টা চলছে।   তবে হতাহতের এই সংখ্যা এখনো চূড়ান্ত নয়। উদ্ধার অভিযান এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও মৃত, আহত বা নিখোঁজ মানুষের তথ্য পাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার তথ্য যাচাই শেষে সংখ্যায় পরিবর্তনও হতে পারে।   কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।   সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ঘুমন্ত মেরু ভাল্লুককে হর্ন, জরিমানা ৭ লাখ টাকা
মারিয়া রহমান আগস্ট ১৬, ২০২৬

জাহাজের ফগ হর্ন বাজিয়ে ঘুমন্ত ভাল্লুককে জাগিয়ে তোলায় নরওয়েতে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার ক্রোনার জরিমানা করা হয়েছে। বাংলাদেশি অর্থে যা প্রায় ৭ লাখ টাকার সমান। গত বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম বিবিসি। চলতি মাসের শুরুতে সেলবার্দ উপকূলে এ ঘটনা ঘটে। যা নরওয়ের একটি প্রত্যন্ত দ্বীপপূঞ্জ এবং উত্তর গোলার্ধ থেকে ৬২০ মাইল দূরে অবস্থিত। সেখান দিয়ে জাহাজ নিয়ে যাওয়ার সময় জাহাজে থাকা ব্যক্তিরা একটি মেরু ভাল্লুককে শুয়ে থাকতে দেখেন। তখন এটিকে ভালো মতো দেখতে একজন জাহাজের উচ্চস্বরের ফগ হর্ন বাজান। এতে ভাল্লুকটি তীব্র আতঙ্ক নিয়ে জেগে ওঠে এবং সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়। এরপর তারা দ্রুত সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। সেলবার্দের গভর্নর লার্স ফওস এক বিবৃতিতে এ নিয়ে বলেছেন, “জাহাজে থাকা ব্যক্তিরা একটি মেরু ভাল্লুককে স্থলে ঘুমিয়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাহাজের এক ব্যক্তি ফগ হর্ন বাজান। এতে ভাল্লুকটি জেগে ওঠে এবং অন্য জায়গায় চলে যায়।” সেলবার্দের পরিবেশ সুরক্ষা আইন অনুযায়ী, বিনা প্রয়োজনে কোনো মেরু ভাল্লুককে কোনো ধরনের বিরক্ত বা উস্কানি দেওয়া যাবে না। সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় পর্যটক বা জাহাজের ব্যক্তিদের অত্যন্ত সাবধানে চলতে হবে। যেন সেখানকার কোনো প্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। ওই ব্যক্তি তার কৃতকর্মের জন্য জরিমানা দিতে রাজি হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তার নাম ও জাতীয়তা প্রকাশ করেনি। সূত্র: বিবিসি

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের পার্কে গুলি, হতাহত ৫
আক্তারুজ্জামান আগস্ট ১৬, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যের লেক্সিংটনে একটি পার্কে গুলির ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। রাশিয়াভিত্তিক টেলিভিশন নেটওয়ার্ক (আরটি) এ খবর প্রকাশ করেছে।   শনিবার সন্ধ্যায় শহরের চার্লস ইয়াং পার্কে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় পুলিশ জানায়, আহতদের মধ্যে চার বছর বয়সী একটি শিশু, ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর এবং দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক রয়েছেন।   আহত চারজনকেই হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাদের কারও আঘাতই জীবনসংকটাপন্ন নয় বলে জানিয়েছেন লেক্সিংটন পুলিশের প্রধান লরেন্স ওয়েদার্স।   গুলিতে নিহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।   ঘটনার পর পার্কের আশপাশের বেশ কয়েকটি সড়ক বন্ধ করে দেয় পুলিশ। ঘটনাস্থলে কেনটাকি স্টেট পুলিশের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।   তবে এখন পর্যন্ত কোনো সন্দেহভাজনকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, তা জানায়নি কর্তৃপক্ষ। গুলির কারণও এখনও স্পষ্ট নয়।   পুলিশ প্রধান ওয়েদার্স বলেছেন, এ ঘটনায় সাধারণ মানুষের জন্য এখন আর কোনো চলমান হুমকি নেই বলে তারা মনে করছেন।   স্থানীয় একটি কমিউনিটি অনুষ্ঠান ‘ইস্ট এন্ড ডে’ চলার সময় পার্কে এই গুলির ঘটনা ঘটে। তখন সেখানে বেশ কিছু মানুষ উপস্থিত ছিলেন।   অনুষ্ঠানে থাকা লেক্সটিংটনের পরিচালক ডেভাইন কারামা ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক বলে বর্ণনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, গুলির সময় তিনি চার তরুণকে নিয়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। তাঁর কাছেই একজনকে গুলি করা হয়।   ঘটনার পর পার্কটিতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।   সূত্র: আরটি

ছবি: সংগৃহীত
ইউক্রেনকে তুরস্কের মাধ্যমে অস্ত্র দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র, বিরোধিতা রাশিয়ার
আক্তারুজ্জামান আগস্ট ১৬, ২০২৬

তুরস্কের মজুত থেকে ইউক্রেনকে মার্কিন তৈরি অস্ত্র দেওয়ার পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছে রাশিয়া। মস্কোর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের এই উদ্যোগ দুই দেশের সঙ্গে রাশিয়ার পারস্পরিক আস্থাকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। রাশিয়াভিত্তিক আন্তর্জাতিক টেলিভিশন নেটওয়ার্ক আরটি (আরটি) এ খবর প্রকাশ করেছে।   রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের পাশাপাশি শান্তির কথা বলা পরস্পরবিরোধী। তার মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ রাশিয়ার সঙ্গে ওয়াশিংটন ও আঙ্কারার সম্পর্কেও গুরুতর ক্ষতি করতে পারে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কের মজুত থেকে ইউক্রেনে অস্ত্র পুনরায় রপ্তানির অনুমোদন দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রস্তাবিত অস্ত্রের তালিকায় রয়েছে ৭০টি এটিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্র, ১২টি এম২৭০ রকেট সিস্টেম এবং আড়াই হাজারের বেশি এম২৬ রকেট।   এ ছাড়া ক্লাস্টার ওয়ারহেডসহ ৪৭ হাজার ২০৩ মিলিমিটার আর্টিলারি শেলও এই চালানে থাকার কথা রয়েছে। পুরো অস্ত্র সরবরাহের সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ২৮ কোটি ডলার।   মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গত ৬ আগস্ট প্রস্তাবিত অস্ত্র পুনরায় রপ্তানির বিষয়ে কংগ্রেসকে জানিয়েছে। মার্কিন আইন অনুযায়ী, কংগ্রেসের হাতে এ বিষয়ে পর্যালোচনার জন্য ১৫ দিন সময় রয়েছে।   এই সময়ের মধ্যে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট যৌথভাবে প্রস্তাব আটকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত না নিলে প্রশাসনের অনুমোদন কার্যকর হয়ে যাবে। রাশিয়ার অভিযোগ, তুরস্ক এতদিন ইউক্রেনকে প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহ এড়িয়ে চলার কথা বলে এসেছে। তাই এখন তুরস্কের মজুত থেকে ইউক্রেনকে মার্কিন অস্ত্র দেওয়ার পরিকল্পনাকে পরস্পরবিরোধী অবস্থান হিসেবে দেখছে মস্কো।   জাখারোভা প্রশ্ন তুলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক যখন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ভূমিকা রাখার কথা বলছে, তখন তারা কেন নতুন করে এমন একটি ‘প্যান্ডোরাস বক্স’ খুলছে। অর্থাৎ একের পর এক নতুন সমস্যা, বিপদ বা জটিলতা তৈরি হতে পারে, এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।   মস্কোর আশঙ্কা, এসব অস্ত্র ইউক্রেনের হামলার সক্ষমতা বাড়াবে এবং যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে। একই সঙ্গে এর প্রভাব পড়তে পারে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কেও।   ইউক্রেনকে পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহের বিরোধিতা করে আসছে রাশিয়া। মস্কোর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর অস্ত্র, সামরিক পরামর্শ এবং গোয়েন্দা সহায়তা দেওয়ার অর্থ তারা সরাসরি এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছে।   রুশ কর্মকর্তারা এর আগে ইউক্রেনের হামলায় পশ্চিমা সরবরাহ করা দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগও করেছেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুনে সেভাস্তোপোলে এটিএসিএমএস হামলার কথা উল্লেখ করে মস্কো দাবি করেছিল, ওই হামলায় চারজন নিহত ও দেড় শতাধিক মানুষ আহত হন।   রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের অভিযোগ, ন্যাটোর সামরিক বিশেষজ্ঞরা ইউক্রেনকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ এবং দূরপাল্লার হামলা সমন্বয়ে সহায়তা করছেন। তবে পশ্চিমা দেশগুলো বরাবরই ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়া হিসেবে দেখার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।   সূত্র: আরটি

ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে ওমানের সঙ্গে ইরানের সমঝোতা
মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ১৬, ২০২৬

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের জন্য নতুন নৌপথের মানচিত্র নিয়ে ওমানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই শনিবার এ তথ্য জানিয়েছেন। শনিবার তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এ খবর প্রকাশ করেছে।    ইসমাইল বাঘাই বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা কারিগরি আলোচনার পর দুই দেশ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নতুন রুটের মানচিত্র নিয়ে একমত হয়েছে। ইরান ও ওমান দুই দেশই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের উপকূলীয় রাষ্ট্র। নিরাপদে জাহাজ চলাচলের পথ নির্ধারণে গত তিন মাস ধরে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছিল।   বাঘাই জানান, গত ১৮ জুন নিরাপদ নৌচলাচলের রুট তৈরির বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার পর আলোচনা আরও জোরদার হয়। গত তিন সপ্তাহে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত জাহাজ চলাচলের রুটের মানচিত্র নিয়ে সমঝোতা হয়েছে।   এই পরিকল্পনা তৈরিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা ও পরিবেশবিষয়ক কর্তৃপক্ষও অংশ নিয়েছে। তবে এখনও কিছু বিষয় নিয়ে দুই দেশের আলোচনা চলছে। এর মধ্যে তেহরান ও মাসকাট থেকে প্রকাশ করার জন্য একটি যৌথ বিবৃতির বিষয়ও রয়েছে। প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলবে বলে জানান বাঘাই।   ইরানের এই মুখপাত্র জোর দিয়ে বলেন, এটি ইরান ও ওমানের মধ্যে একটি স্বাধীন সমঝোতা। এর মূল লক্ষ্য হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং একই সঙ্গে দুই দেশের সার্বভৌমত্ব বজায় রাখা।   তবে হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুরোপুরি ফিরিয়ে আনার বিষয়টি এখনও যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে। বাঘাইয়ের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবৈধ কর্মকাণ্ড’, সামরিক হুমকি এবং নৌ অবরোধ বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি গত দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণও দিতে হবে।   হরমুজ প্রণালির জাহাজ চলাচল নিয়ে এই আলোচনা ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের একটি সমঝোতা স্মারকের আওতায় শুরু হয়েছিল। ওই সমঝোতায় তেহরান ও মাসকাটকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের জন্য নতুন কাঠামো তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে ইরান বারবার বলে আসছে, জলপথটি পুরোপুরি স্বাভাবিক করার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করার ওপর নির্ভর করছে।   সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
বিশ্ব
অর্থনীতি