সর্বশেষ

সর্বশেষ সংবাদ
পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পরিকল্পনা

সচিবালয়ের বাইরে দপ্তর, অধিদপ্তর ও স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠানের সব কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত জোট দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। এই সংগঠনের সঙ্গে শিক্ষকসহ দেশের ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী সম্পৃক্ত। পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকে আন্দোলনে নামেন। লাগাতার আন্দোলনের ফলে সরকার তাদের দাবি পূরণে কিছু পদক্ষেপ নেয়। সর্বশেষ এ সংক্রান্ত একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে। তবে চাকরিজীবীরা এসব পদক্ষেপের বাস্তবায়ন চেয়েছিলেন নির্বাচনের আগে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার তা বাস্তবায়ন করে যেতে পারেনি। সেসময় অন্তর্বর্তী সরকার জানায়, নতুন নির্বাচিত সরকার তা বাস্তবায়ন করবে।   গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলমান। এবার পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। নতুন সরকার প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা তাদের দাবি বাস্তবায়নের আবেদন করবেন। গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সরকারি দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক ওয়ারেছ আলী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষৎ করব। তিনি আমাদের দাবি বাস্তবায়নে ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশা করি।’ এর আগে ওয়ারেছ আলীর নেতৃত্বে সংগঠনের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের দপ্তরে আবেদন করা হয়। এ সংক্রান্ত আবেদনে উল্লেখ করা হয়, দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ সচিবালয়ের বাইরে দপ্তর, অধিদপ্তর ও স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠানের সব কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত জোট। এই সংগঠনের সঙ্গে শিক্ষক-কর্মচারীসহ ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী সম্পৃক্ত রয়েছেন। শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীকার আন্দোলনের শহীদ, যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বৈষম্যবিরোধী জুলাই-২০২৪ আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের। এতে আরো বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা সরকারের সব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ন্যায্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের বৈষম্যমূলক পে স্কেল দেওয়ার পর থেকে অদ্যাবধি এই সংগঠনের পক্ষ থেকে বৈষম্য নিরসনের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছি। কিন্তু বিগত সরকার আমাদের দাবি পূরণ তো দূরের কথা আমাদের সংগঠনের কথা আমলে না নিয়ে বিচ্ছিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে জুলুম অত্যাচার চালিয়েছেন। বর্তমান সময়ে বাজারমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, সেবা খাতের ব্যয় বৃদ্ধি ও পরিবারের ভরণ-পোষণের ব্যয় বৃদ্ধির দরুণ ১১ থেকে ২০ গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাই চলমান জীবন বাস্তবতার নিরিখে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ৭ দাবির বিষয়গুলো আপনার সদয় অবগতির জন্য সাক্ষাৎ করে তুলে ধরার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছি। ৭ দাবিনামা: ১:৪ অনুপাতে ১২ ধাপে সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকায় বৈষম্যহীন ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে। ইতিমধ্যে যাদের মূলবেতন শেষ ধাপে উন্নীত হয়েছে তাদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি নিয়মিত করতে হবে। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে পে স্কেলের গেজেটে প্রত্যাহারকৃত ৩টি টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পূণর্বহালসহ বেতন জ্যেষ্ঠতা পুনঃবহাল এবং সব স্বায়তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচ্যুইটির পাশাপাশি পেনশন প্রবর্তনসহ বিদ্যমান গ্রাচুইটি-আনুতোষিকের হার ৯০ শতাংশের ছলে শতভাগ নির্ধারণ ও পেনশন গ্রাচ্যুইটি ১ টাকার সমান ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে। ব্লক পোস্টে কর্মরত কর্মচারীসহ সব পদে কর্মরতদের পদোন্নতি বা ৫ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড করতে হবে, অধঃস্তন আদালতের কর্মচারীদের বিচার বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে গণ্য করতে হবে, এছাড়া টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের টেকনিক্যাল পদ মর্যাদা দিতে হবে। কর্মরত কর্মচারীদের বেতন স্কেল শেষ ধাপে উন্নীত হওয়ায় বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি হচ্ছেনা বিধায় চাকুরিতে কর্মরতদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে হবে। বাজারমূল্যের লাগামহীন উর্দ্ধগতি ও জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির বিষয় বিবেচনা করে দেয় সব ভাতা পুনঃনির্ধারণ, সবল কর্মচারীদের রেশন ব্যবস্থার প্রর্বতন করতে হবে। চাকরিতে প্রবেশের ব্যাসসীমা ৩৫ বছর ও অবসরের বয়স সীমা ৬২ বছর নির্ধারণ করতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত পদধারীদের প্রকল্পের চাকরিকাল গণনা করে টাইম স্কেল এবং সিলেকশন গ্রেড করার অবকাশ নেই বলে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত বৈষম্য মূলক আদেশ বাতিল করতে হবে। এতে আরো উল্লেখ করা হয়, এসব বিবেচনা করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সর্বোচ্চ অভিভাবক ও মানবিক গুণের গুণী বিশিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে আপনার প্রতি শিক্ষক-কর্মচারীদের বর্ণিত দাবিগুলো সাক্ষাৎ করে উপস্থাপনের তারিখ ও সময় দেওয়ার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ জানানো হলো।

৩ ঘন্টা আগে
জানুয়ারির ই-ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল

  জানুয়ারি মাসের ই-ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় আগামী রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনবিআরের ই-ভ্যাট ইউনিট।   এতে বলা হয়, পবিত্র শবে বরাত এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘসময় সরকারি ছুটি ছিল। এছাড়া ১৫ ফেব্রুয়ারি ই-চালান সিস্টেমের ওটিপি সার্ভার ডাউন থাকার কারণে জনস্বার্থে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানুয়ারি ২০২৬ মাসের ই-ভ্যাট রিটার্ন অনলাইন দাখিলের সময়সীমা বাড়িয়েছে। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৬৪-এর উপ-ধারা (১ক)-এর ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী করদাতারা আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইন রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।

৩ ঘন্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় জেনেভার পথে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দ্বিতীয় দফার নবায়নকৃত পারমাণবিক আলোচনায় অংশ নিতে রবিবার সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন, যা এ সপ্তাহের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে বলে তার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, আরাগচি ‘রবিবার গভীর রাতে তেহরান ত্যাগ করে জেনেভার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন, যেখানে তিনি একটি কূটনৈতিক ও কারিগরি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়ে দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনা পরিচালনা করবেন এবং একাধিক কূটনৈতিক পরামর্শ বৈঠকে অংশ নেবেন।’ তারা আরো জানায়, ‘ওমানের মধ্যস্থতা ও সহায়তায় মঙ্গলবার ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।’

৩ ঘন্টা আগে
বরিশালে যুবদলের দুই নেতাকে সব পদ থেকে বহিষ্কার

  দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বরিশালে যুবদলের দুই নেতাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল ধরনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সম্মতিতে সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়। বহিষ্কৃতরা হলেন—বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি রফিক মল্লিক এবং সদস্য সচিব মাকসুদুর ডালিম। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বরিশাল দক্ষিণ জেলার আওতাধীন বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের এই দুই নেতাকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, বহিষ্কৃত নেতাদের কোনো কর্মকাণ্ডের দায়ভার দল নেবে না এবং যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি এই দুই নেতা বাংলাদেশ জাসদের বানারীপাড়া উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক বিভাষ ঋষীকে মারধর করে গুরুতর আহত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাটি বিভিন্ন মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নেতাদের নজরে আসার পর তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে রফিক মল্লিক ও মাকসুদুর ডালিম জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তারা বিষয়টি জানতে পেরেছেন। এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো নির্দেশনার কাগজ তাদের হাতে পৌঁছায়নি বলেও দাবি করেন তারা।

৩ ঘন্টা আগে
ডানে তারেক রহমান ও বাঁয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা | ছবি : সংগৃহীত
জাতীয়
শপথ অনুষ্ঠানে মোদির পরিবর্তে ঢাকায় আসছেন ওম বিড়লা

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরিবর্তে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন দেশটির লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লোকসভার স্পিকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকার তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের প্রতিনিধিত্ব করবেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের মত এমন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে লোকসভা স্পিকারের অংশগ্রহণ ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বকে আরও দৃঢ় করবে। এটি আমাদের দুই দেশকে ঐক্যবদ্ধ করে রাখা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি ভারতের অবিচল অঙ্গীকারকেও পুনর্ব্যক্ত করে। তারেক রহমানের নেতৃত্ব, দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধই বিএনপির প্রতি বাংলাদেশের জনগণের ব্যাপক সমর্থনের কারণ বলে উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে। এতে আরও বলা হয়, দুই দেশের অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে আবদ্ধ প্রতিবেশী দেশ হিসেবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়কে স্বাগত জানায় ভারত। এর আগে বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে একই দিন ইন্ডিয়া-এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশ নেওয়ার কথা নরেন্দ্র মোদির। এ কারণে তিনি ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে ওম বিড়লাকে ঢাকায় পাঠাচ্ছেন।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
পদত্যাগ করেছেন আইজিপি

বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল বাহারুল আলম পদত্যাগ করেছেন। তবে পদত্যাগপত্র এখনো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়নি।   রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।   দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, জরুরি প্রয়োজনে আজ বেলা তিনটার দিকে আইজিপির দপ্তরে গিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্র সচিব। সেখানেই সচিবের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি সেই পত্র রিসিভ (বা গ্রহণ) করে পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।   সূত্র আরও জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্র সচিব আইজিপিকে সংসদ সদস্যদের শপথ অবধি থাকার বিষয়ে মৌখিক নির্দেশ দিয়েছেন। যদিও নতুন সরকার যদি চায় তাহলে আগামীকালই আবার আইজিপির চুক্তি বাতিল হতে পারে। পুরো প্রক্রিয়াটি এখন পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে।   পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স সূত্র বলছে, আজ সন্ধ্যা অবধি অফিস করেছেন পুলিশের এই শীর্ষ কর্তা। পদত্যাগপত্র জমাদানের বিষয়ে আইজিপি এখনো মুখ খোলেননি।   এর আগে আজ সকাল ১১টায় ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নিরাপত্তা প্রস্তুতি ও নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ প্রধান।

ছবি : সংগৃহীত
সংসদ সদস্যরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে নতুন সংসদ গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন সরকারের সংসদ সদস্যরা আগামী মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শপথ নিতে যাচ্ছেন। এরপর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান।   বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ সদস্যরা (এমপি) শুধু আইন প্রণয়ন ও জনগণের প্রতিনিধিত্বই করেন না, রাষ্ট্র তাদের জন্য নির্ধারণ করেছে সম্মানী-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার একটি বিস্তৃত কাঠামো। এসব সুবিধা নির্ধারিত হয়েছে ‘সংসদ সদস্য (পারিশ্রমিক ও ভাতা) আদেশ, ১৯৭৩’ অনুযায়ী, যা সময় সময় সংশোধনের মাধ্যমে হালনাগাদ করা হয়েছে। নিচে আইনি কাঠামো থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এমপিদের প্রাপ্ত প্রধান সুবিধাগুলো তুলে ধরা হলো— মাসিক সম্মানী সংসদ সদস্যরা মাসিক ৫৫ হাজার টাকা হারে সম্মানী পান। এটি তাদের মূল পারিশ্রমিক, যা পুরো দায়িত্বকালজুড়েই প্রযোজ্য। নির্বাচনী এলাকা ভাতা সংসদ সদস্যরা নির্বাচনী এলাকায় কাজ পরিচালনা, জনসংযোগ ও সাংগঠনিক তৎপরতার জন্য পান মাসিক ১২ হাজার ৫০০ টাকা। আপ্যায়ন ভাতা অতিথি আপ্যায়ন, সামাজিক যোগাযোগ ইত্যাদির জন্য সংসদ সদস্যরা মাসিক পাঁচ হাজার টাকা ভাতা নির্ধারিত। শুল্কমুক্ত গাড়িসুবিধা সংসদ সদস্যদের একটি বড় সুবিধা হলো—দায়িত্বকালীন একটি গাড়ি/জিপ/মাইক্রোবাস; কাস্টমস ডিউটি, ভ্যাট, ডেভেলপমেন্ট সারচার্জ ও আমদানি পারমিট ফি ছাড়া আমদানির সুযোগ এবং পাঁচ বছর পর একই শর্তে আরেকটি নতুন গাড়ি আমদানির সুযোগ। পরিবহন ভাতা যাতায়াত, জ্বালানি, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতন মিলিয়ে এমপিরা মাসিক ৭০ হাজার টাকা পরিবহন ভাতা পান। অফিস ব্যয় ভাতা নির্বাচনী এলাকায় অফিস পরিচালনার জন্য মাসিক ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। লন্ড্রি ও আনুষঙ্গিক ভাতা সংসদ সদস্যরা প্রতি মাসে লন্ড্রি ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং অন্যান্য ব্যয় (রান্নার সরঞ্জাম, লিনেন, টয়লেট্রিজ) ছয় হাজার টাকা। ভ্রমণ ভাতা (সেশন ও কমিটি) সংসদ অধিবেশন বা কমিটির বৈঠকে অংশ নিতে—বিমান/রেল/জাহাজে সর্বোচ্চ শ্রেণির ভাড়ার দেড় গুণ পর্যন্ত ভাতা এবং সড়কপথে ভ্রমণে কিলোমিটার প্রতি ১০ টাকা পান। দৈনিক ভাতা দায়িত্ব পালনের সময় অবস্থান ভাতা—দৈনিক ভাতা ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং যাতায়াত ভাতা ৭৫ থেকে ২০০ টাকা (উপস্থিতি রেকর্ডভিত্তিক) পান। দেশে অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ প্রতি বছর সংসদ সদস্যরা ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ভ্রমণ-ভাতা অথবা সমপরিমাণের নন-ট্রান্সফারেবল ট্রাভেল পাস পান। চিকিৎসা সুবিধা সংসদ সদস্যরা ও তাদের পরিবার সদস্যরা প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তাদের সমমানের চিকিৎসা-সুবিধা এবং মাসিক ৭০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান। টেলিফোন সুবিধা বাসভবনে সরকারি খরচে টেলিফোন সংযোগ এবং কল ও ভাড়া বাবদ মাসিক ৭ হাজার ৮০০ টাকা পান। বিমা-সুবিধা দায়িত্বকালীন দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকার বিমা-সুবিধা পান। ঐচ্ছিক অনুদান জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয়ের জন্য বছরে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ পান। কর সুবিধা এই আদেশ অনুযায়ী প্রাপ্ত ভাতাগুলো আয়করমুক্ত। প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব বনাম রাষ্ট্রীয় সুবিধা আইন অনুযায়ী এই সুবিধাগুলো সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা, নির্বাচনী এলাকায় উপস্থিতি নিশ্চিত করা, গণসংযোগ জোরদার এবং প্রশাসনিক কাজ সহজ করার উদ্দেশ্যে নির্ধারিত। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাতার পরিমাণ, সুবিধার পরিধি ও জবাবদিহি নিয়ে জনপরিসরে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে, বিশেষ করে স্বচ্ছতা, কার্যকারিতা ও জনসেবার সঙ্গে সুবিধার সামঞ্জস্য নিয়ে।


ছবি : সংগৃহীত
কবে ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী, জানালেন সেনাপ্রধান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে মঙ্গলবার নতুন সরকার শপথ নিতে পারে। এরপর সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে যাবে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।   রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় আয়োজিত ‘সিএএস দরবার’-এ সেনাবাহিনীর সব পদমর্যাদার সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে দেশে কর্মরত সদস্যদের পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত সদস্যরাও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।   সেনাপ্রধান বলেন, সংবিধান ও বেসামরিক প্রশাসনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করে আসছে। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সেনাবাহিনী স্বাভাবিক নিয়মে ব্যারাকে ফিরে যাবে। তবে পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয়া পর্যন্ত প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সহায়তা অব্যাহত থাকবে।     বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করে বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের পুরস্কৃত করেন।” তিনি সেনাসদস্যদের ধৈর্য, সংযম ও পেশাদারত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানান।     নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের সময় সেনাসদস্যদের পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার প্রশংসা করেন সেনাপ্রধান বলেন, “কঠিন ও সংবেদনশীল সময়ে সেনাবাহিনী যে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে, তা দেশের মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় করেছে।”  

ফয়েজ আহমদের দেশত্যাগ, যা বললেন রিজওয়ানা

প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দেশ ছেড়েছেন বলে কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তার দেশ ছাড়ার খবরে অনলাইন-অফলাইনে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা ছড়িয়ে পড়ে। সমালোচকদের অভিযোগ, সম্প্রতি শুল্ক ফাঁকির মোবাইলফোন কেনাবেচা নিষিদ্ধ করে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন তিনি। এছাড়া তার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কাজ নিয়েও অসন্তোষ ছিল। এ কারণে তিনি এক অর্থে পালিয়ে গেছেন। তবে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিষয়টিকে উড়িয়ে দিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। পরিবেশ উপদেষ্টা দাবি করেন, ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সংস্কার কাজ অনেকের পছন্দ হয়নি। তাই একটা গ্রুপ পালানোর কথা ছড়াচ্ছে। এদিকে দেশ ছাড়া নিয়ে সৃষ্ট সমালোচনার মুখে জবাব দিয়েছেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব নিজেও। শনিবার গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি দাবি করেন, মোবাইল ব্যবসায়ী ও টেলিকম সংশ্লিষ্ট কিছু গোষ্ঠী তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়েছে। ফয়েজ আহমদ লেখেন, ‘ফেব্রুয়ারির ৮, ৯, ১০ তারিখে আনুষ্ঠানিক বিদায় নিয়েছি আইসিটি, পিটিডি ও বিটিআরসি থেকে। এরপরে নির্বাচনের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছি। প্রযুক্তি নির্ভর নির্বাচনি আয়োজনে আমার কিছু কন্ট্রিবিউশন ছিল। কলিগদের থেকেও ঠিকঠাক বিদায় নিয়েছি। ১০ ফেব্রুয়ারি অফিসিয়ালি শেষ কর্ম দিবস ছিল। সেদিন কর্মকর্তা কর্মচারী সবার সঙ্গে একসাথে ফেয়ারওয়েল ডিনার করেছি। গান গেয়ে বিদায় দিয়েছেন আমার সহকর্মীরা, ওয়ালে পাবেন।’ তিনি আরও লেখেন, ‘একজন আত্মমর্যাদা সম্পন্ন এবং সৎ ব্যক্তিকে দুটো অসম্মানজনক কটু কথা শোনানোর আগে, তথ্য যাচাই-বাছাই করে নেবেন, চাওয়াটা খুব বেশি বড় না। বিদায়ের সময় এক সহকর্মী জিজ্ঞেস করেছিল পরে কি করবেন? বলেছি একটা চাকরি খুঁজতে হবে দ্রুত। দেশের জন্য কাজ করতে এসে ফাইনান্সিয়ালি অনেক লোকসান হয়েছে। সেভিংস যা ছিল সব শেষ হয়েছে।’ পুনশ্চ অংশে ফয়েজ আহমদ দাবি করেন, দায়িত্ব পালনকালে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন এবং একটি দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। পুরোনো আইন ও নীতিমালা পরিবর্তনে তিনি ব্যাপক পরিশ্রম করেছেন বলেও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে পারেন যে তিনি কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন। পোস্টের শেষে সবার কাছে দোয়া কামনা করে তিনি লেখেন, ‘ভালো থাকবেন, দোয়া করবেন।’ উল্লেখ্য, শনিবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি দুবাই হয়ে তিনি জার্মানি যান।

ছবি: সংগৃহীত
ইরান, রাশিয়া ও চীনের রাষ্ট্রদূতদের বৈঠক, আলাপ কি নিয়ে?

ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে নিযুক্ত ইরান, রাশিয়া ও চীনের রাষ্ট্রদূতরা তেহরানের পরমাণু কর্মসূচির সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে আরও এক দফা ত্রিপক্ষীয় আলোচনা করেছেন। রাশিয়ান প্রতিনিধি মিখাইল উলিয়ানভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এই বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ইরানকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত বিভিন্ন ইস্যুতে তিন দেশ নিয়মিত পরামর্শ চালিয়ে যাচ্ছে।  এর আগেও এই তিন দেশের প্রতিনিধিরা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা আইএইএ-র মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির সঙ্গে যৌথ বৈঠক করেছেন। পশ্চিমা দেশগুলোর অব্যাহত অর্থনৈতিক চাপ ও নানাবিধ অভিযোগের মুখে থাকা ইরান শুরু থেকেই দাবি করে আসছে, তাদের এই পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং এটি নিয়মিতভাবে জাতিসংঘের পারমাণবিক তদারকি সংস্থার পর্যবেক্ষণে রয়েছে।  ২০১৫ সালের জেসিপিওএ চুক্তির পর ইরান তাদের প্রতিশ্রুতি বজায় রাখলেও যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায় এবং ইউরোপীয় দেশগুলোও তাদের প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ হয়। এর ফলে ইরানও ধাপে ধাপে তাদের অঙ্গীকার থেকে সরে আসতে শুরু করে। ২০২১ সালে এই চুক্তি পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা চালানো হলেও পশ্চিমাদের অতিরিক্ত দাবি ও গড়িমসির কারণে তা সফল হয়নি। 

ছবি : সংগৃহীত
চীনকে ‘আসল হুমকি’ বলল তাইওয়ান

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের পর চীনকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য আসল হুমকি বলে মন্তব্য করেছে তাইওয়ান।   তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিন চিয়া-লাং এক বিবৃতিতে বলেন, চীন জাতিসংঘ সনদের কথা বললেও বাস্তবে তাইওয়ানের চারপাশে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়ে সেটিই লঙ্ঘন করছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাইওয়ানের সার্বভৌমত্ব কখনোই চীনের অংশ ছিল না। এর আগে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে বলেন, কিছু দেশ তাইওয়ানকে চীন থেকে আলাদা করার চেষ্টা করছে এবং এতে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ছে। তিনি বিষয়টিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবেও তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, জার্মানির মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে বিশ্বের ৬০টির বেশি দেশের নেতা ও প্রায় ১০০ মন্ত্রী অংশ নিলেও তাইওয়ানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। চীন দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে আসছে। গত ডিসেম্বরে বেইজিং ‘জাস্টিস মিশন ২০২৫’ নামে দ্বীপটির আশপাশে বড় আকারের সামরিক মহড়াও চালায়। অন্যদিকে তাইওয়ান বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দ্বীপটির সার্বভৌমত্ব পিপলস রিপাবলিক অব চায়নার কাছে নয়, বরং রিপাবলিক অব চায়নার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। এই দ্বন্দ্বই দুপক্ষের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলছে।

নিউজ ক্লিপস

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ইরান, রাশিয়া ও চীনের রাষ্ট্রদূতদের বৈঠক, আলাপ কি নিয়ে?
মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0

ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে নিযুক্ত ইরান, রাশিয়া ও চীনের রাষ্ট্রদূতরা তেহরানের পরমাণু কর্মসূচির সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে আরও এক দফা ত্রিপক্ষীয় আলোচনা করেছেন। রাশিয়ান প্রতিনিধি মিখাইল উলিয়ানভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এই বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ইরানকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত বিভিন্ন ইস্যুতে তিন দেশ নিয়মিত পরামর্শ চালিয়ে যাচ্ছে।  এর আগেও এই তিন দেশের প্রতিনিধিরা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা আইএইএ-র মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির সঙ্গে যৌথ বৈঠক করেছেন। পশ্চিমা দেশগুলোর অব্যাহত অর্থনৈতিক চাপ ও নানাবিধ অভিযোগের মুখে থাকা ইরান শুরু থেকেই দাবি করে আসছে, তাদের এই পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং এটি নিয়মিতভাবে জাতিসংঘের পারমাণবিক তদারকি সংস্থার পর্যবেক্ষণে রয়েছে।  ২০১৫ সালের জেসিপিওএ চুক্তির পর ইরান তাদের প্রতিশ্রুতি বজায় রাখলেও যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায় এবং ইউরোপীয় দেশগুলোও তাদের প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ হয়। এর ফলে ইরানও ধাপে ধাপে তাদের অঙ্গীকার থেকে সরে আসতে শুরু করে। ২০২১ সালে এই চুক্তি পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা চালানো হলেও পশ্চিমাদের অতিরিক্ত দাবি ও গড়িমসির কারণে তা সফল হয়নি। 

ছবি: সংগৃহীত
কারাবন্দি ইমরানের সুচিকিৎসা দেওয়ার আকুতি জানালেন ওয়াসিম আকরাম
মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0

সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার ওয়াসিম আকরাম তার সাবেক অধিনায়ক ও পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের স্বাস্থ্যের অবনতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি জানা গেছে, ইমরান বর্তমানে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেলে বন্দি আছেন এবং তার ডান চোখের দৃষ্টি প্রায় ৮৫% হারিয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে আকরাম সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। আকরাম লিখেছেন, আমাদের অধিনায়ক স্বাস্থ্যগত সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন শুনে মন ভেঙে গেছে। আশা করি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে এবং তার জন্য সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করবে। দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।   আইনজীবী সালমান সফদারের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইমরানের ডান চোখে মাত্র ১৫% দৃষ্টি অবশিষ্ট আছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত বছরের অক্টোবর থেকে তিনি ঝাপসা দেখার সমস্যায় ভুগছিলেন, কিন্তু জেল কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নেননি। পরে জানা গেছে, তার চোখের রেটিনায় রক্ত জমাট বাঁধায় স্থায়ী ক্ষতি হয়েছে। ইমরানকে ২০২৩ সালের আগস্টে গ্রেপ্তার করা হয়। এই রিপোর্টের ভিত্তিতে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করে তার পূর্ণ চক্ষু পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছে।   আকরাম ছাড়াও ওয়াকার ইউনুস, শোয়েব আখতার, শাহীদ আফ্রিদি, রমিজ রাজা ও মোহাম্মদ হাফিজ প্রমুখ সাবেক ক্রিকেটাররা ইমরানের জন্য মানবিক আচরণের দাবি জানিয়েছেন। ওয়াকার ইউনুস বলেছেন, রাজনীতিকে একপাশে রেখে আমাদের জাতীয় বীরকে সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।   ইমরান শওকত খানম ক্যানসার হাসপাতালে তার মায়ের স্মৃতিতে প্রতিষ্ঠা করেছেন। শোয়েব আখতার জানিয়েছেন, তার চোখের দৃষ্টি হারানো খবর শুনে তিনি মর্মাহত এবং আশা করছেন ইমরান সুচিকিৎসা পাবেন। ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান অজয় জাদেজাও পাকিস্তান ক্রিকেটারদের ইমরানের প্রতি সমর্থন জানাতে আহ্বান জানিয়েছেন।

ছবি: সংগৃহীত
ইমরান খানের চিকিৎসার দাবিতে ইসলামাবাদে বিরোধী দলগুলোর অবস্থান কর্মসূচি
মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0

পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং পিটিআই দলের নেতা ইমরান খানের যথাযথ চিকিৎসার দাবিতে বিরোধী দলগুলো ইসলামাবাদের পার্লামেন্ট হাউসে দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে। এই কর্মসূচিতে পিটিআই এবং টিটিএপি অংশ নিচ্ছে, খবর জানিয়েছে ডন।   বিরোধীরা অভিযোগ করেছেন, ইমরান খানের ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি মাত্র ১৫ শতাংশ কার্যকর, যা সুপ্রিম কোর্টে উপস্থাপন করার পরই তাকে দ্রুত হাসপাতালে, বিশেষ করে শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতাল এ স্থানান্তরের দাবি জোরালো হয়েছে।   বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিচ্ছেন টিটিএপি চেয়ারম্যান মেহমুদ খান আচাকজাই, আর পিটিআই’র নেতা ব্যারিস্টার গহর আলী খানসহ দলের শীর্ষ নেতারাও অংশগ্রহণ করছেন। পিটিআই অভিযোগ করেছে, পার্লামেন্ট হাউস ও কেপি হাউসকে ‘কারাগারের মতো’ পরিণত করা হয়েছে এবং পুলিশ ভিতরে খাবার বা নাশতা প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। অন্যদিকে আওয়াম পাকিস্তান দলও এই কর্মসূচিতে যোগ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা তাদের মূল অগ্রাধিকার।   এদিকে খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদি পরিস্থিতিতে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং বলেছেন, ‘ইমরান খানের স্বাস্থ্য আমার কাছে রাজনীতির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

ছবি: সংগৃহীত
ইতালি কঠোর করছে অভিবাসন নীতি, নতুন আইন প্রণয়ন
মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0

ইতালির ডানপন্থী সরকার নতুন একটি খসড়া আইন অনুমোদন করেছে, যা দেশের অভিবাসন নীতি আরও কঠোর করবে। নতুন আইনের মাধ্যমে ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী জাহাজ আটকানো এবং নির্দিষ্ট শর্তে তাদের জলসীমায় প্রবেশ রোধ করার সুযোগ দেওয়া হবে।   ইতালির মন্ত্রিসভা জানিয়েছে, এই আইন বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য হবে—যেখানে অভিবাসী প্রবাহ দেশটির জন্য ব্যতিক্রমী চাপ সৃষ্টি করে বা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি হয়। মধ্য-ভূমধ্যসাগরীয় রুটে অভিবাসীদের আগমনজনিত চাপের কারণে ইতালি দেশের সমুদ্রপথে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।   আইনটি সংসদের উভয় কক্ষে অনুমোদিত হলে কার্যকর হবে। নতুন আইন কার্যকর হলে, অভিবাসীদের ইতালিতে প্রবেশের আগে আলবেনিয়ার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে সরকারি আশ্রয় প্রক্রিয়া পুনরায় চালু হতে পারে। একই সঙ্গে, ইতালির জলসীমায় প্রবেশে বাধা দেওয়া অভিবাসী জাহাজগুলিকে অন্য দেশে স্থানান্তরের সুযোগ থাকবে, যদি ইতালির সঙ্গে সেই দেশের চুক্তি থাকে।   নতুন আইনের অধীনে সীমান্তে কঠোর নজরদারি এবং ইউরোপীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো হবে। যারা আইন ভঙ্গ করবে তাদের ৫০ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানা বা নৌকা বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। নৌ-অবরোধ ৩০ দিন পর্যন্ত আরোপ করা যাবে, এবং সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। মূলত দাতব্য সংস্থাগুলোর উদ্ধারকারী জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   সংক্ষেপে, নতুন আইন ইতালির অভিবাসন নিয়ন্ত্রণকে আরও শক্তিশালী করবে, বিশেষ করে যখন এটি দেশীয় নিরাপত্তা এবং সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় মনে হবে।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

বিশ্ব
অর্থনীতি
সারাদেশ
টেলিকম ও প্রযুক্তি