সর্বশেষ

সর্বশেষ সংবাদ
১৩ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় জারাগোজার আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক

স্প্যানিশ ফুটবলে শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় বড় শাস্তির মুখে পড়েছেন এস্তেবান আন্দ্রাদা। রিয়াল জারাগোজার এই আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে ১৩ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।   গত রবিবার দ্বিতীয় স্তরের লিগে হুয়েস্কার বিপক্ষে ডার্বি ম্যাচে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার জর্জ পুলিদোর মুখে ঘুষি মারার ঘটনায় এই শাস্তি দেওয়া হয়। ম্যাচ চলাকালে প্রথমে ফাউলের জন্য লাল কার্ড দেখেন আন্দ্রাদা। এরপর ক্ষোভের বশে পুলিদোকে আঘাত করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরাসরি আক্রমণের জন্য আন্দ্রাদাকে ১২ ম্যাচ এবং লাল কার্ডের কারণে অতিরিক্ত ১ ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলে চলতি মৌসুমে আর মাঠে নামা হচ্ছে না তার। এই নিষেধাজ্ঞা জারাগোজার জন্য বড় ধাক্কা, কারণ দলটি বর্তমানে অবনমন এড়ানোর লড়াইয়ে রয়েছে। একই সঙ্গে ক্লাব ও খেলোয়াড়, উভয়কেই আর্থিক জরিমানার মুখে পড়তে হয়েছে। ঘটনার পর আন্দ্রাদা নিজের ভুল স্বীকার করে বলেন, 'আমি যা করেছি তা ভুল। ক্লাব, সমর্থক এবং একজন পেশাদার হিসেবে এটি ভালো বার্তা নয়। আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।' এ ঘটনায় আরও দুই খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেন। তারা হলেন হুয়েস্কার গোলরক্ষক দানি হিমিনেজ (৪ ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা) এবং জারাগোজার দানি তাসেনদে (২ ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা)। ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় হুয়েস্কা।

১ ঘন্টা আগে
ইরানের জন্য ৬ স্থলপথ খুলল পাকিস্তান, ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধের মুখে থাকা ইরানকে বড় ধরনের স্বস্তি দিয়ে ছয়টি বিকল্প স্থলপথ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান। এই সিদ্ধান্তের ফলে তেহরান এখন রাশিয়ার পাশাপাশি চীন ও অন্যান্য দেশের সাথে খুব সহজেই বাণিজ্য চালিয়ে যেতে পারবে।  তবে পাকিস্তানের এই পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চরম ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে দেখছেন অনেক বিশ্লেষক। বিশেষ করে যখন পাকিস্তান নিজেই ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে, তখন এমন পদক্ষেপে ইসলামাবাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ডেরেক জে গ্রসম্যান এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছেন, পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তে ট্রাম্প প্রশাসনের ‘সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ’ দেওয়ার কৌশল কার্যত ব্যর্থ হতে চলেছে। তিনি মনে করেন, সমুদ্রপথে অবরোধ আরোপ করে ইরানকে কোণঠাসা করার যে পরিকল্পনা ওয়াশিংটন করেছিল, এই ছয়টি স্থলপথ তা ভেস্তে দেবে। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, বন্ধু রাষ্ট্র পাকিস্তান আবারও আমেরিকার সাথে দ্বিমুখী আচরণ করছে এবং এই পথগুলো ব্যবহার করে ইরান তার তেল বাণিজ্য সচল রাখার সুযোগ পাবে। এদিকে, পাকিস্তানের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইসরায়েলও। ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান মোটেও ‘নির্ভরযোগ্য’ নয়। মজার ব্যাপার হলো, খোদ ইরানও পাকিস্তানের ওপর পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারছে না। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই জানিয়েছেন, পাকিস্তান ভালো বন্ধু হলেও তারা অনেক ক্ষেত্রে মার্কিন স্বার্থের দিকে ঝুঁকে থাকে, তাই তারা উপযুক্ত মধ্যস্থতাকারী হতে পারে না। বর্তমানে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ সৃষ্টি করে দেশটিকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করার চেষ্টা করছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প চাচ্ছেন ইরানকে চাপে ফেলে নিজের শর্তে যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য করতে। তবে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে পাকিস্তানের বন্দরগুলোতে ইরানের উদ্দেশে আসা তিন হাজারেরও বেশি পণ্যবাহী কন্টেইনার আটকে আছে। নতুন এই ছয়টি রুট চালু হওয়ার ফলে এখন এই বিশাল পরিমাণ পণ্য সড়কপথেই ইরানে পৌঁছে যাবে, যা ট্রাম্পের অবরোধ কৌশলে বড় ধরনের ফাটল ধরাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভি

১ ঘন্টা আগে
পাঁচ বছরে ২০০টির বেশি তেল-গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কারের দাবি চীনের

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেহরানের চলা উত্তেজনার মধ্যেই গেল পাঁচ বছরে নিজস্ব ভূখণ্ডে ২২৫টি নতুন তেল ও গ্যাস ক্ষেত্র সন্ধ্যানের কথা জানিয়েছে চীন। যা বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও মূল্য কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে দাবি করেছে বেইজিং। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দেশটির প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন সন্ধ্যান হওয়া হওয়া তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে ১৩টি তেল ক্ষেত্র রয়েছে। যেখানে ১০০ মিলিয়ন টনেরও তেল বেশি মজুদ এবং ২৬টি গ্যাস ক্ষেত্রে ১০০ বিলিয়ন ঘনমিটারের বেশি গ্যাস মজুদ রয়েছে। যদিও এই জীবাশ্ম জ্বালানির প্রাচুর্যের ঠিক কতটা বর্তমানে ব্যবহারযোগ্য, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। তবে মন্ত্রণালয়টি জানিয়েছে, নতুন আবিষ্কৃত জ্বালানি মজুদের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির কারণে দেশের প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন বছর বছর বাড়তে পারে এবং তেল উৎপাদন বছরে ২০০ মিলিয়ন টনে স্থিতিশীল রয়েছে। বেইজিং কর্মকর্তারা জানিয়েছে, জ্বালানি নিরাপত্তা দৃঢ়ভাবে রক্ষা করার এবং তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এক দশক আগের তুলনায় চীনের জ্ঞাত অপরিশোধিত তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ প্রায় দ্বিগুণ করতে তারা ৪৫০ বিলিয়ন ইউয়ানের (৬৬ বিলিয়ন ডলার) বেশি বিনিয়োগ করেছে। এই পদক্ষেপটি এমন এক সময়ে নেওয়া হয়েছে, যখন বিশ্বের বেশিরভাগ তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালী কার্যকরভাবে বন্ধ হয়েছে। এতে বিশ্বজুড়ে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। উল্লেখ্য, চীন বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি আমদানিকারক দেশ। তার জ্বালানির চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ ইরান থেকে আমদানি করতে হয়। কিন্তু দীর্ঘদিনের জ্বালানি স্বনির্ভরতার প্রচেষ্টার কারণে, এটি এখন পর্যন্ত বেশিরভাগ প্রধান অর্থনীতির চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। চলতি সপ্তাহে চীনের নেতা শি জিনপিং  বাহ্যিক ধাক্কার ফলে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জগুলো পদ্ধতিগতভাবে মোকাবেলা করার আহ্বান জানিয়েছেন। সূত্র: সিএনএন।

১ ঘন্টা আগে
মেসি-আগুয়েরোর রেকর্ড ভাঙলেন আলভারেজ

চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের মঞ্চে ইতিহাস গড়লেন হুলিয়ান আলভারেজ। লিওনেল মেসি ও সার্জিও আগুয়েরোকে ছাড়িয়ে দ্রুততম আর্জেন্টাইন হিসেবে এই প্রতিযোগিতায় ২৫ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন আতলেতিকো মাদ্রিদের এই স্ট্রাইকার। বুধবার রাতে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ঘরের মাঠে আর্সেনালকে আতিথ্য দেয় আতলেতিকো। ম্যাচের প্রথমার্ধে ভিক্টর ইয়োকেরেসের গোলে পিছিয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে দারুণ এক শটে দলকে সমতায় ফেরান আলভারেজ। এই গোলের মাধ্যমে এক মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে ১০ গোল করে ক্লাব ইতিহাসেও নতুন নজির গড়েন আলভারেজ, এর আগে আতলেতিকোর কোনো খেলোয়াড় এই কীর্তি গড়তে পারেননি। চ্যাম্পিয়নস লিগে ৪১ ম্যাচে এখন আলভারেজের গোল ২৫টি। এই মাইলফলকে পৌঁছাতে মেসির লেগেছিল ৪২ ম্যাচ, আর আগুয়েরোর ৪৮ ম্যাচ। বর্তমানে প্রতিযোগিতাটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (১৪১ গোল), দ্বিতীয় স্থানে মেসি (১২৯) এবং তৃতীয় স্থানে রবার্ট লেভানডফস্কি (১০৯)। আলভারেজের সমতাসূচক গোলে প্রথম লেগের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়। ফলে ফাইনালে ওঠার লড়াই এখন গড়াবে লন্ডনের ফিরতি লেগে, যেখানে এমিরেটস স্টেডিয়ামে নির্ধারিত হবে কোন দল জায়গা করে নেবে ইউরোপ সেরার মঞ্চে। সেমিফাইনালের অন্য ম্যাচে প্যারিস সেন্ট জার্মেই প্রথম লেগে ৫-৪ গোলের রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে।

১ ঘন্টা আগে
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়
ইইউর সঙ্গে এফটিএ না হলে বিনিয়োগে ধাক্কা আসবে: ইউরোচ্যাম চেয়ারপারসন

বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে দ্রুত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পাদনের ওপর জোর দিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (ইউরোচ্যাম) চেয়ারপারসন নুরিয়া লোপেজ। তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রতিযোগী দেশগুলো ইতোমধ্যে এ ধরনের চুক্তি করে ফেলায় বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।   বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত ‘দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করণীয়’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।   নুরিয়া লোপেজ উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পথে রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ইইউ বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা বজায় রাখতে এফটিএ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তা না হলে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।   অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ সভাপতি মো. মাহমুদ হাসান খান।   সংলাপের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন এমসিসিআই মহাসচিব ফারুক আহমেদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ। আলোচনায় অংশ নেন করপোরেট আইনজীবী মারগুব কবির ও ইউনিলিভার বাংলাদেশের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা জিনিয়া হক।   বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল ও তুরস্কের মতো দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি করা প্রয়োজন। তিনি জানান, তৈরি পোশাক খাতে ইতোমধ্যে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলারের নতুন বাজার তৈরি হয়েছে।   মূল প্রবন্ধে এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ বাড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ৩০, ২০২৬ 0

ছবি: সংগৃহীত
নাটোরের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন শরিফুল হক

নাটোর জেলার নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মোহাম্মদ শরিফুল হক। বুধবার (২৯ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি পুলিশ লাইনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।   সকালে নাটোর পুলিশ লাইনে পৌঁছালে তাকে জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল ফুল দিয়ে স্বাগত জানায় এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।   দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি পুলিশ লাইনে কর্মরত বিভিন্ন ইউনিটের ইনচার্জ, কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেন।   এর আগে শরিফুল হক নরসিংদী জেলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ছবি: সংগৃহীত
২৮ মামলার পলাতক আসামি ‘বোমা বিদ্যুৎ’ মতিঝিলে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনের একাধিক মামলার পলাতক আসামি বিদ্যুৎ মাতবর ওরফে ‘বোমা বিদ্যুৎ’কে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‍্যাব। তার বিরুদ্ধে মোট ২৮টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে চারটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল।   বুধবার বিকেলে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‍্যাব-৩-এর একটি বিশেষ দল তাকে গ্রেপ্তার করে।   র‍্যাব-৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া অফিসার মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানান, গ্রেপ্তার বিদ্যুৎ মাতবর শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার মেহের আলী মাতবর কান্দি এলাকার আক্কাস মাতবরের ছেলে। তার বয়স ৩৬ বছর।   র‍্যাব জানায়, বিদ্যুতের বিরুদ্ধে ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি হত্যা মামলা, কামরাঙ্গীরচর থানায় একটি বিস্ফোরক মামলা এবং শরীয়তপুরের জাজিরা থানায় বিস্ফোরক ও হত্যাচেষ্টাসহ ২৬টি মামলা রয়েছে।   দীর্ঘদিন ধরে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও তিনি ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানায় র‍্যাব। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে র‍্যাব-৩, সিপিসি-৩ ক্যাম্পের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।   র‍্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
মালিক-শ্রমিক বিরোধে ইসলামী শ্রমনীতি প্রবর্তনের আহ্বান জামায়াত আমিরের

মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্ব নিরসনে ইসলামী শ্রমনীতি কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি মনে করেন, এ নীতির বাস্তবায়নের মাধ্যমে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি মালিকদের স্বার্থও রক্ষা করা সম্ভব।   বুধবার (২৯ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে এ আহ্বান জানান এবং ১ মে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।   বিবৃতিতে তিনি বলেন, ১৮৮৬ সালের ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বিশ্বব্যাপী শ্রমিকদের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে আছে। তবে দীর্ঘদিন পরও শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই পুরোপুরি সফল হয়নি।   তিনি অভিযোগ করেন, অনেক ক্ষেত্রে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও প্রাপ্য অধিকার আদায়ে আন্দোলনে নামতে হয়, এমনকি জীবনও দিতে হয়। অন্যদিকে মালিক পক্ষ কখনো নিজেদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করে। আবার শ্রমিকদের আন্দোলনের ফলে অনেক সময় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষতিও হয়।   ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মানবসৃষ্ট কোনো মতবাদ শ্রমিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান দিতে পারেনি। তিনি মহানবী (সা.)-এর নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে বলেন, শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার প্রাপ্য মজুরি পরিশোধ করতে হবে—এ নীতিই শ্রমিকের মর্যাদা রক্ষার মূল ভিত্তি হতে পারে।   তিনি আরও বলেন, শিল্পখাতে প্রায়ই মালিক-শ্রমিক সংঘাত, ছাঁটাই, মামলা ও হামলার ঘটনা ঘটে, যা একটি স্থিতিশীল শ্রমপরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য ইসলামী শ্রমনীতি চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।   শেষে তিনি আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে দেশের শ্রমজীবী মানুষসহ সকলকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে দিবসটি পালনের আহ্বান জানান।

সংগৃহীত ছবি
গাজাগামী ত্রাণবাহী জাহাজ আবারও আটক করল ইসরায়েল

গাজা উপত্যকার উদ্দেশে মানবিক সহায়তা বহনকারী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নামের নৌবহরকে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে আটক করেছে ইসরায়েলি নৌবাহিনী। আয়োজকদের দাবি, গ্রিসের কাছাকাছি ভূমধ্যসাগরে এই অভিযান চালানো হয়েছে, যা তারা ‘বিচারহীনতার চরম উদাহরণ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।   বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, চলতি মাসের ১২ এপ্রিল স্পেনের একটি বন্দর থেকে গাজাগামী মানবিক সহায়তা নিয়ে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ যাত্রা শুরু করে। বহরটি খাদ্য ও জরুরি সরঞ্জাম নিয়ে অবরুদ্ধ গাজায় পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। আয়োজকদের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এটি সরাসরি জলদস্যুতা। ভূমধ্যসাগরের ক্রিট দ্বীপ সংলগ্ন আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে আমাদের বেআইনিভাবে আটক করা হয়েছে। কোনো রাষ্ট্র নিজ জলসীমার বাইরে এ ধরনের অভিযান চালাতে পারে না।’ তারা আরও অভিযোগ করেন, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক নিয়ম উপেক্ষা করে ইউরোপীয় উপকূলসংলগ্ন এলাকাতেও নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বিস্তারের চেষ্টা করছে। অন্যদিকে, জাতিসংঘে ইসরায়েলের স্থায়ী প্রতিনিধি ড্যানি ড্যানন জানিয়েছেন, নৌবহরটিকে ইসরায়েলি জলসীমায় প্রবেশের আগেই থামানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরে একই উদ্যোগে পাঠানো আরেকটি নৌবহরও গাজায় পৌঁছানোর আগেই থামিয়ে দেয় ইসরায়েলি বাহিনী। সেই অভিযানে সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ ৪৫০ জনের বেশি অংশগ্রহণকারীকে আটক করা হয়েছিল। সূত্র: রয়টার্স

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
মার্কিন নৌ-অবরোধের মেয়াদ আরও বাড়তে পারে
আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ২৯, ২০২৬ 0

ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ আরও দীর্ঘ হতে পারে—এমন খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার কর্মকর্তাদের এই অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের অর্থনীতি ও তেল রপ্তানির ওপর চাপ ধরে রাখতে যুক্তরাষ্ট্র এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।   এই খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম টানা কয়েকদিন ধরে বাড়ছে এবং এখন তা ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১১ ডলারের বেশি। একইভাবে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দামও ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের কারণে বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আর এই কারণেই তেলের দাম বাড়ছে।

ভলোদিমির জেলেনস্কি। ফাইল ছবি: এপি
ইসরায়েলকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি জেলেনস্কির
মারিয়া রহমান এপ্রিল ২৯, ২০২৬ 0

রুশ দখলকৃত ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড থেকে রাশিয়া কর্তৃক ‘চুরি করা’ শস্য ইসরায়েলি বন্দরে প্রবেশের অনুমতি পাওয়ার অভিযোগ তুলে ইসরায়েলের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এই বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কিয়েভ নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। টাইমস অব ইসরায়েল এ খবর জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি অভিযোগ করেন, এমন শস্য বহনকারী আরেকটি জাহাজ ইসরায়েলের একটি বন্দরে পৌঁছেছে এবং তা খালাসের প্রস্তুতি চলছে। তিনি লিখেছেন, কোন জাহাজ বন্দরে আসছে এবং তারা কী পণ্য বহন করছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ সে বিষয়ে অবগত নয়, এমনটি হওয়ার সুযোগ নেই। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন বেড়েছে। গত মঙ্গলবার ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিলেন। ইসরায়েলের সংবাদপত্র হারেৎজর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অধিকৃত এলাকা থেকে শস্য বহনকারী সন্দেহে প্যানোরমিটিস নামের একটি জাহাজ হাইফা বন্দরে নোঙরের অনুমতির অপেক্ষায় আছে। চলতি বছর এমন চারটি চালান ইতোমধ্যে ইসরায়েলে খালাস করা হয়েছে। তবে ইউক্রেনের এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডন সার ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, শস্য যে চুরি করা, সেটির কোনও প্রমাণ ইউক্রেন দিতে পারেনি। একই সঙ্গে তিনি কিয়েভের বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে কূটনীতি পরিচালনার অভিযোগ করেছেন। জেলেনস্কির দাবি, রাশিয়া সুপরিকল্পিতভাবে ইউক্রেনের অধিকৃত অঞ্চল থেকে শস্য লুট করছে এবং তা ‘দখলদারদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের’ মাধ্যমে রফতানি করছে। তিনি বলেন, এই ধরনের ‘পরিকল্পনা’ ইসরায়েলি আইনের লঙ্ঘন। জেলেনস্কি জানান, এই চালানগুলো ঠেকাতে ইউক্রেন কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিলেও এখনও এমন একটি জাহাজকে আটকানো সম্ভব হয়নি। জেলেনস্কি আরও জানান, কিয়েভ এখন নিষেধাজ্ঞার প্যাকেজ তৈরির কাজ করছে। এই নিষেধাজ্ঞা মূলত ‘যারা সরাসরি এই শস্য পরিবহন করছে এবং যারা এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করছে, এমন ব্যক্তি ও আইনি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে’ প্রয়োগ করা হবে। তিনি আরও বলেন, নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণের জন্য ইউক্রেন ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করবে। গত রাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নও একইভাবে ইসরায়েলে রাশিয়ার শস্যবাহী জাহাজ নোঙরের প্রতিবেদনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সতর্ক বার্তা দিয়েছে। জেলেনস্কি লিখেছেন, ইউক্রেন প্রতিটি রাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। আমরা আশা করি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ইউক্রেনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে এবং আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষুণ্ণ করে, এমন কাজ থেকে বিরত থাকবে।

ছবি : রয়টার্স
মার্কিন পাসপোর্টে ট্রাম্পের প্রতিকৃতি, ঘোষণা পররাষ্ট্র দপ্তরের
মারিয়া রহমান এপ্রিল ২৯, ২০২৬ 0

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি সংবলিত সীমিত সংখ্যক স্মারক পাসপোর্ট তৈরি করা হবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মঙ্গলবার এই খবর জানিয়েছে। মার্কিন নাগরিকরা এই স্মারক পাসপোর্ট নেওয়ার সুযোগ পাবেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, এই সীমিত সংখ্যক স্মারক পাসপোর্টের একটি পেতে কোনো অতিরিক্ত ফি নেওয়া হবে না। পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেছেন, জুলাই মাসে মার্কিন স্বাধীনতা ঘোষণার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে এই পাসপোর্টগুলো বের করা হবে। তবে বিবৃতিতে পাসপোর্টগুলোতে ট্রাম্পের ছবি থাকবে, সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। পররাষ্ট্র দপ্তরের দেওয়া নকশায় দেখা গেছে, পাসপোর্টের ভেতরের একটি পৃষ্ঠায় ১৭৭৬ সালে স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের ছবির বিপরীতে ট্রাম্পের প্রতিকৃতি রয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ট্রাম্পের ছবি সংবলিত একটি স্মারক স্বর্ণমুদ্রা চালুর পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থ দপ্তর জানিয়েছে, কাগজের মুদ্রায় ট্রাম্পের স্বাক্ষর থাকবে। এটি কোনো ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতির মার্কিন মুদ্রায় স্বাক্ষরের প্রথম ঘটনা। গত বছরের শুরুতে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে ট্রাম্পের প্রশাসন ওয়াশিংটনের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভবন, নৌবাহিনীর জন্য পরিকল্পিত এক শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ, ধনী বিদেশিদের জন্য একটি ভিসা কর্মসূচি, সরকার-পরিচালিত একটি প্রেসক্রিপশন ওষুধের ওয়েবসাইট এবং শিশুদের জন্য ফেডারেল সঞ্চয়ী হিসাবের সঙ্গেও তার নাম যুক্ত করেছে।

ছবি : সংগৃহীত
ইরানকে সহযোগিতার অভিযোগে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ২৯, ২০২৬ 0

নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দিয়ে ইরানের ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’কে টিকিয়ে রাখা এবং দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং এ বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডকে সহযোগিতা করার অভিযোগে ৩৫ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতি জানানো হয়েছে এ তথ্য।   যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় জানিয়েছেন, তার মন্ত্রণালয়ের ‘বিদেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ’ এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তবে নিষেধাজ্ঞার কোপে পড়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো কোন দেশের— তা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি কিংবা ট্রেজারিমন্ত্রীর এক্সবার্তার কোথাও উল্লেখ করা হয়নি।   ইরানের তেল বাণিজ্যের ওপর আগে থেকেই একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র; কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে আন্তর্জাতিক বাজারে ঠিকই ইরানের তেল পৌঁছাচ্ছে এবং তেল বিক্রি থেকে দেশটির উপার্জনও অব্যাহত আছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় একপ্রকার ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’ তৈরি করেছে ইরান। এই ব্যবস্থায় তৃতীয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বৈশ্বিক গ্রাহকদের কাছে তেল বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলোর হিসাবে রাখা এবং সেসব হিসাব থেকে অর্থ ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং এ বাহিনীর অভিজাত শাখা আইআরজিসিকে পৌঁছে দেওয়ার যাবতীয় কাজ করে এই তৃতীয় পক্ষ।   ইরানের তেল বাণিজ্য ও বিপনন দেখভালের দায়িত্বে আছে  দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং এ বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।   যে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মার্কিন ট্রেজারি মন্ত্রণালয়— তারা সবাই এই তৃতীয় পক্ষের অধীন, অর্থাৎ পরোক্ষ বা আড়ালে থেকে ইরানের তেল বাণিজ্য থেকে প্রাপ্ত অর্থ ইসরানের সরকার, প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং আইআরজিসির কাছে পৌঁছে দিতে সহযোগিতা করে।   গত বেশ কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে আছে ইরানের তেল বাণিজ্য ও বিপনন। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ এ ব্যাপারটিকে আরও উসকে দিয়েছে। গত ১২ এপ্রিল ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তেহরানের সঙ্গে স্থায়ী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের আগ পর্যন্ত এই অবরোধ থাকবে।   সূত্র : রয়টার্স

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

বিশ্ব
অর্থনীতি
সারাদেশ
টেলিকম ও প্রযুক্তি