সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের রহস্য অচিরেই উদ্ঘাটন করা হবে: ডিআইজি

নেত্রকোনার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ হত্যাকাণ্ডের রহস্য অচিরেই উদ্ঘাটন করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের ময়মনসিংহ বিভাগের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান।   রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে জামালপুরের দয়াময়ী মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।   ডিআইজি জাহিদুল হাসান বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগের চারটি জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। এর মধ্যে জামালপুরে ২২৭টি মণ্ডপে দুর্গোৎসব চলছে। পুরো বিভাগেই উৎসবমুখর পরিবেশে এ আয়োজন চলছে। সবগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তৎপর রয়েছে।   তিনি বলেন, এসআরবি,পুলিশ, আনসার এবং ফায়ার সার্ভিসসহ সবগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে, তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী আমরা সব ধরনের ব্যবস্হা নিচ্ছি।   সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে ডিআইজি বলেন, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন সাজিবুল ইসলাম অপূর্বকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আশা করছি, অচিরেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হবে। কোথাও হত্যাকাণ্ড ঘটলে পুলিশ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করে। এ ক্ষেত্রেও সেভাবেই তদন্ত কার্যক্রম চলছে।   দয়াময়ী মন্দির পরিদর্শনের সময় জামালপুরের পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোর্শেদা খাতুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহিয়া আল মামুন, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিবসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   উল্লেখ্য, গত ১৫ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার তেলনজিয়া বাজারের একটি চায়ের দোকানে গুলিতে নিহত হন স্থানীয় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ।   এ ঘটনায় ১৬ অক্টোবর নিহতের স্ত্রী আনন্দিতা সংমা বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় অজ্ঞাতনামা সাত থেকে আটজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।   হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে সাজিবুল ইসলাম অপূর্ব (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১৭ অক্টোবর রাত ১টার দিকে দুর্গাপুর পৌরসভার মধ্যবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২ মিনিট আগে
ইশরাকের পদত্যাগের নির্দেশ নিয়ে গুঞ্জন, এর মধ্যেই হাসনাতের ফেসবুক পোস্ট

প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের হোসেনের পদত্যাগের গুঞ্জন এবং এ নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেছেন, ইশরাকের পদত্যাগে গুঞ্জনের মধ্যে দলের ভেতরে থাকা যেসব সঙ্গী খুশি হয়েছেন ও উল্লাস করেছেন, তাদের চেনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।   রোববার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।   পোস্টে হাসনাত লেখেন, বিএনপি অ্যাক্টিভিস্টরা পড়েছেন বিপদে। গতকাল প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের কাজকে বাহবা দিয়ে লিখতে হলো, আবার আজকে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে বাহবা দিয়ে লিখতে হলো। লিখতে না লিখতেই জানা গেলো পদত্যাগের সিদ্ধান্ত ভূয়া।   হাসনাত আরও লেখেন, এখন আবার লিখতে হবে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করতে না বলা কেনো ভালো হয়েছে সেটি।   প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, মাঝখান দিয়ে ইশরাক চিনে গেলেন নিজের দলের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা সেই সঙ্গীদের, যারা তার পদত্যাগে খুশি হয়েছেন, উল্লাস করেছেন।   পোস্টের শেষাংশে হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, এখন প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের উচিত পূর্ণমন্ত্রী পার্থের পদত্যাগ দাবি করা। পাশাপাশি, এই ‘মিডিয়া ক্যু’র পেছনে তার হাত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

২ ঘন্টা আগে
কাতারে গ্রেফতার বাংলাদেশের সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান শেখ আব্দুল হান্নান

দুর্নীতির মামলায় বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নানকে কাতারে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।   এর আগে জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে সম্পদ অর্জন এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান ও তার স্ত্রী তাহমিদা বেগমের বিরুদ্ধে গত বছর পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।   প্রথম মামলায় অভিযোগে বলা হয়, শেখ আব্দুল হান্নান বৈধ আয়ের বাইরে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৫০৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া তার নামে থাকা ছয়টি ব্যাংক হিসাবে মোট ২৭ কোটি ৬৩ লাখ ৬৬ হাজার ৭০১ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে।   এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে।   অন্যদিকে, দ্বিতীয় মামলায় তাহমিদা বেগমের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের বাইরে ১ কোটি ৯১ লাখ ৯০ হাজার ৩০৪ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার নামে থাকা ৩২টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ টাকার লেনদেন সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।   এই মামলায় তাহমিদা বেগমকে প্রধান আসামি করা হয়েছে এবং তাকে সহায়তা করার অভিযোগে শেখ আব্দুল হান্নানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।   এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে

২ ঘন্টা আগে
৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা অর্জন করল কনফিডেন্স পাওয়ার

প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছরের মধ্যে প্রায় ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে তুলেছে কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি। উত্তরবঙ্গের বগুড়া, রংপুর ও চিরিরবন্দরে অবস্থিত চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাধ্যমে এ সক্ষমতা তৈরি করেছে কোম্পানিটি। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন জার্মান ইঞ্জিন এবং কো-জেনারেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের দক্ষতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক খালেদ ইসলাম।   রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে এ কোম্পানিটির রোড শো অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিনিয়োগকারী, সাংবাদিক এবং নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের সামনে কোম্পানির বিস্তারিত তুলে ধরার সময় তিনি এসব কথা বলেন।   তিনি বলেন, কোম্পানিটি যাত্রা শুরুর দুই বছরের মধ্যেই চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করতে সক্ষম হয়। একই সঙ্গে এসব কেন্দ্রের নিরবচ্ছিন্ন পরিচালনা নিশ্চিত করতে নিজস্ব জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থাও গড়ে তোলা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ সরবরাহ চুক্তির আওতায় কেন্দ্রগুলো পরিচালিত হচ্ছে, যা কোম্পানিটির আয় ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়তা করছে।   কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে জার্মান প্রযুক্তির ইঞ্জিন ও টার্বোচার্জিং ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি কো-জেনারেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইঞ্জিন থেকে উৎপন্ন তাপ কাজে লাগিয়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সামগ্রিক দক্ষতা প্রায় ৪৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।   তিনি আরও জনান, কো-জেনারেশন ব্যবস্থায় ইঞ্জিন থেকে নির্গত তাপ ব্যবহার করে স্টিম টারবাইনের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এ প্রযুক্তির ফলে কোম্পানিটির বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রায় ২৪ থেকে সাড়ে ২৪ মেগাওয়াট অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। এতে অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যয় ছাড়াই উৎপাদন বাড়ানো এবং সামগ্রিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় কমানো সম্ভব হচ্ছে।   ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, বগুড়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ক্ষেত্রে বড় ইঞ্জিন পরিবহন ও স্থাপন ছিল অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিটি ইঞ্জিনের ওজন প্রায় ৩৮০ টন হয়ায় নদীপথের সুবিধা না থাকা সত্ত্বেও সেগুলো নির্ধারিত স্থানে পৌঁছানোর জন্য বিশেষ লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে হয়। এ জন্য ইঞ্জিনগুলোকে বিভিন্ন অংশে বিভক্ত করে পরিবহন করা হয়। এ কাজে সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশের লজিস্টিক ব্যবস্থার সমন্বয়ের পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে সেতু নির্মাণেরও প্রয়োজন হয়েছিল।   তিনি বলেন, ফ্রান্স থেকে প্রতিটি ইঞ্জিনের প্রায় ১০ হাজার যন্ত্রাংশ বাংলাদেশে এনে সেগুলো সংযোজন ও চালু করা ছিল অত্যন্ত জটিল কাজ। পুরো প্রক্রিয়ায় সময়মতো যন্ত্রাংশ সরবরাহ, পরিবহন ও সংযোজন নিশ্চিত করতে হয়েছে।কনফিডেন্স গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের সহায়তায় এ কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।   খালেদ ইসলাম বলেন, ইঞ্জিনগুলো শুরু থেকে সংযোজন করার অভিজ্ঞতা কোম্পানির প্রকৌশল দলকে প্রতিটি যন্ত্রাংশের কার্যপ্রণালি সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করেছে। এর ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রের রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনা ও প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধানে নিজস্ব দক্ষতা তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতের প্রকল্প বাস্তবায়নেও কাজে লাগবে।   উত্তরবঙ্গের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কোম্পানিটি নিজস্ব সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তুলেছে বলে জানান ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তাঁর ভাষ্য অনযায়ী, শুধু প্রচলিত পরিবহনব্যবস্থার ওপর নির্ভর করলে জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি তৈরি হতে পারত। এ কারণে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি সংগ্রহ, চট্টগ্রামে পরিবহন, সেখান থেকে ট্যাংকারের মাধ্যমে নির্ধারিত স্থানে নেওয়া এবং পরে সড়কপথে বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার সমন্বিত ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে।   তিনি বলেন, এ সরবরাহব্যবস্থার মাধ্যমে বছরে প্রায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ৪০ টন ধারণক্ষমতার জ্বালানিবাহী লরি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ ধরনের উদ্যোগ কোম্পানিটির জ্বালানি সরবরাহের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করছে।   খালেদ ইসলাম আরও বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রযুক্তি, প্রকৌশল, জ্বালানি পরিবহন ও কেন্দ্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা অর্জনই কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জির অন্যতম শক্তি। এসব সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ খাতে কোম্পানিটির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।   কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসির চেয়ারম্যান ইমরান করিম বলেন, ২০৩৫ সালের মধ্যে কোম্পানিটির বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি করার লক্ষ্য রয়েছে। এ জন্য সৌরবিদ্যুৎ, এলএনজি অবকাঠামো, কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ব্যাটারিভিত্তিক জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে গ্রুপটি।   তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৩২ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ছিল প্রায় ১৯৩ টাকা। কোম্পানির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ইপিএস প্রায় ৬৩ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ৪১৩ টাকায় উন্নীত হতে পারে। এ ছাড়া ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পুঁজিবাজার থেকে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা সংগ্রহের আগ্রহের কথাও জানান তিনি।   এ সময় কনফিডেন্স পাওয়ারের পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, ২০১৭ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে আমাদের যাত্রা শুরু হয়। কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অবদান রাখার নতুন সুযোগ পাই। আজ আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৪০০ মেগাওয়াট। এর সঙ্গে রয়েছে সামুদ্রিক জ্বালানি খাতের কার্যক্রম, যা এখন কনফিডেন্স গ্রুপের অন্যতম প্রধান ব্যবসায়ে পরিণত হয়েছে।   তিনি আরো বলেন, আমাদের দীর্ঘ পথচলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা পেয়েছি। এবিবি, সিমেন্স, রোলস-রয়েস, ম্যান এবং জিই পাওয়ারের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমাদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও সক্ষমতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, একটি প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের ভিত্তি হলো সুশাসন, স্বচ্ছতা, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা। আজ কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএসির আইপিও কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা আমাদের নিরবচ্ছিন্ন শিল্পযাত্রার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছি।   কোম্পানিটির পরিচালক জহির উদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে বড় প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে সময়মতো বাস্তবায়ন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও এ ক্ষেত্রে কনফিডেন্স গ্রুপের উল্লেখযোগ্য দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা রয়েছে। বর্তমানে গ্রুপটির চারটি ভিন্ন স্থানে চারটি প্ল্যান্ট পরিচালিত হচ্ছে, যার মধ্যে ডিজেলভিত্তিক প্ল্যান্ট পরিচালনা ও দূরবর্তী স্থানে জ্বালানি পরিবহন বিশেষভাবে চ্যালেঞ্জিং। তবে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় গ্রুপটি এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনায় দক্ষতা অর্জন করেছে।   তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতা পেলে দক্ষ ব্যবস্থাপনা দল ও নেতৃত্বের মাধ্যমে প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। জ্বালানি খাতকে ভবিষ্যতের অন্যতম মৌলিক ও সম্ভাবনাময় খাত উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষা, খাদ্যনিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   কোম্পানিটির আরেক পরিচালক সালমান করিম বলেন, ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশের সবচেয়ে লাভজনক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে কনফিডেন্স গ্রুপ। এ লক্ষ্য অর্জনে কোম্পানির বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যার ৭০ শতাংশ আসবে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎস থেকে। বর্তমানে দেশের চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাধ্যমে কোম্পানিটির প্রায় ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে। সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কক্সবাজারের লংলা এলাকায় ১০০ মেগাওয়াট এবং পঞ্চগড়ে ২০০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুযোগ নিয়ে কাজ করছে কোম্পানিটি।   তিনি বলেন, কনফিডেন্স গ্রুপের প্রকৌশল, অবকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ সঞ্চালন, স্টিল ফ্যাব্রিকেশন ও বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা সৌরবিদ্যুৎ খাতে সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বাড়তি সক্ষমতা জোগাবে। গ্রুপটির সহযোগী প্রতিষ্ঠান কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার পিএলসি সম্প্রতি ইজিসিবির অধীনে সোনাগাজীতে ২২০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের নকশা, সরবরাহ, স্থাপন, পরীক্ষা ও চালুকরণের কাজের জন্য সর্বনিম্ন দরদাতা নির্বাচিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সালমান করিম বলেন, ‘ভিশন ২০৩৫’ কেবল একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়; বরং অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দায়িত্বশীল প্রবৃদ্ধির ভিত্তিতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় অবদান বাড়ানোর একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশল।   উল্লেখ, বুক বিল্ডিং পদ্ধতির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রি করে তালিকাভুক্ত হতে চায় কনফিডেন্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠান কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি। কনফিডেন্স পায়ার মূলত বিদ্যুৎ ব্যবসায় নিয়োজিত কোম্পানি। বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিক্রি হচ্ছে এই কোম্পানির ব্যবসা। এটি ২০১৭ সালে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে। আর ২০২৪ সালে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২৫০ টাকা, আর ১৪৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা হচ্ছে এর পরিশোধিত মূলধন (আইপিও-পূর্ববর্তী)। কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি’র ১১৩ মেগায়াট উৎপাদনক্ষমতার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। এটি ফার্নেস অয়েলে পরিচালিত হয়। কেন্দ্রটি ২০১৯ সালে উৎপাদনে যায়। আগামী ২০৩৪ সাল পর্যন্ত সরকারের সঙ্গে বিদ্যুৎ কেনা-বেচার চুক্তি রয়েছে।   কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি একটি হোল্ডিং কোম্পানি। এর অধীনে ৪টি সহযোগী কোম্পানি রয়েছে। এগুলো হচ্ছে- কনফিডেন্স পাওয়ার বগুড়া লিমিটেড, কনফিডেন্স পাওয়ার রংপুর লিমিটেড, জোডিয়াক পাওয়ার চিটাগং লিমিটেড এবং কনফিডেন্স ডরিন পাওয়ার লিমিটেড। প্রথম তিনটি কোম্পানি ফার্নেস তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা করে। কোম্পানি তিনটির মধ্যে কনফিডেন্স পাওয়ার বগড়া লিমিটেড ও কনফিডেন্স পাওয়ার রংপুর লিমিটেডের উৎপাদনক্ষমতা ১১৩ মেগাওয়াট করে ২২৬ মেগাওয়াট। জোডিয়াক পাওয়ার চিটাগং লিমিটেডের উৎপাদনক্ষমতা হচ্ছে ৫৪.৩৬ মেগাওয়াট।   কনফিডেন্স ডরিন পাওয়ার লিমিটেড হচ্ছে কনফিডেন্স পাওয়ার ও ডোরিন পাওয়ারের যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানি। চলতি বছর প্রতিষ্ঠিত এ কোম্পানি ১০০ মেগাওয়াটক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা করবে। ইতোমধ্যে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে একটি ২০ বছর মেয়াদি চুক্তি হয়েছে। প্রকল্পটি নির্মাণাধীন আছে।   সহযোগী কোম্পানিগুলোর মধ্যে কনফিডেন্স পাওয়ার বগুড়া লিমিটেড, কনফিডেন্স পাওয়ার রংপুর লিমিটেড ও জোডিয়াক পাওয়ার চিটাগং লিমিটেডের ৯৯.৯৯ শতাংশ শেয়ারের মালিক কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি। অন্যদিকে কোম্পানিটি কনফিডেন্স ডরিন পাওয়ার লিমিটেডের ৬০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করছে।   আইপিওর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪শ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায় কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি। উত্তোলিত তহবিলের একটি অংশ কক্সবাজারে ১০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, কনফিডেন্স ডরিন পাওয়ার লিমিটেডে ইক্যুইটি বিনিয়োগ ও ঋণের একাংশ পরিশোধে ব্যবহার করবে কোম্পানিটি।   বর্তমানে কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসির বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ৩৯৩.১৬ মেগাওয়াট। আইপিওর অর্থ বিনিয়োগে প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে এর সঙ্গে ২৬০ মেগাওয়াট সক্ষমতা যোগ হবে। তবে ফার্নেস তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর বিদ্যুৎ বিক্রির চুক্তির মেয়াদ ২০৩৪ সালে শেষ হয়ে যাবে। সরকার চুক্তি নবায়ন করলে সেগুলো বহাল থাকবে, না হলে তা বন্ধ হয়ে যাবে।   আবার ‘নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট’ পলিসির আওতায় চলতেও পারে। এছাড়া মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসির আওতায় অন্য গ্রাহকের কাছে বিক্রি করারও সুযোগ থাকবে। অন্যদিকে কোম্পানিটি আরও কয়েকটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য সরকার আহুত দরপত্রে অংশ নিচ্ছে। বরাদ্দ পেলে সৌরবিদ্যুতের সক্ষমতায় নতুন সংযোজন হবে।   চুক্তি অনুসারে, প্রকল্পভেদে সৌরবিদ্যুত কেন্দ্রগুলো ২০৪৮/৪৯ সাল পর্যন্ত সরকারের কাছে সরাসরি বিদ্যুৎ বিক্রি করবে। এরপর এগুলো ‘নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট’ ভিত্তিতে পরিচালিত হতে পারে। এছাড়া মার্চেন্ট পাওয়ারে রূপান্তরের সুযোগও থাকবে। ২০২৫ সালে প্রণীত মার্চেন্ট পাওয়ার নীতিমালার আওতায় বেসরকারি খাতে উৎপাদিত সোরবিদ্যুত অন্য কোনো শিল্পকারখানা অথবা গ্রাহকের কাছে বিক্রি করার সুযোগ রয়েছে।   সর্বশেষ বছরে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩১ টাকা ৮৩ পয়সা। আগের দুই অর্থবছরে সমন্বিত ইপিএস ছিল যথাক্রমে ৩২ টাকা ৪৩ পয়সা ও ৩১ টাকা ৩৩ পয়সা। গত ৩০ জুন, ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৯৩ টাকা ২৩ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ১৬১ টাকা ৪৯ পয়সা।

২ ঘন্টা আগে
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়
ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন: প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন পদত্যাগ করেছেন কিংবা তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তার প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা।   রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি করেন।   বিবৃতিতে মাহফুজ কবির মুক্তা জানান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন নিয়মিতভাবে তার সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করছেন। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে তার পদত্যাগের বিষয়টিও ভিত্তিহীন।   তিনি অভিযোগ করেন, একটি মহল রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের অসত্য তথ্য প্রচার করছে।   সম্প্রতি নিজ সংসদীয় এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনাটিও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।   এ বিষয়ে প্রেস কর্মকর্তা দাবি করেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার জন্য আইনসম্মতভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছিল। ওই ঘটনা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী ইতোমধ্যে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন।   তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগের খবর প্রচার করা অনৈতিক এবং সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থি।   বিবৃতিতে গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষকে যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচারিত তথ্য বিশ্বাস না করার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি যেসব গণমাধ্যমে পদত্যাগসংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহার করে সঠিক তথ্য তুলে ধরার অনুরোধ জানানো হয়।   অন্যথায় বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়েছে।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ১৮, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
সরকার ও গণতন্ত্রকে সঠিক পথে রাখতে সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: সড়ক পরিবহণমন্ত্রী

সরকার, গণতন্ত্র ও রাজনীতিকে সঠিক পথে পরিচালিত করার পাশাপাশি সমাজের অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতু, নৌপরিবহণ এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি।   রোববার (১৮ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।   অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও কবি হাসান হাফিজ। এতে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) চেয়ারম্যান ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার, প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভুঁইয়া, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমেদ এবং ফটো সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একেএম মহসিনসহ অন্যরা।   বক্তারা সাংবাদিকতার গুরুত্ব এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।   অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সপ্তাহব্যাপী ক্রীড়া উৎসবের বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি।   এ সময় দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া দৈনিক যুগান্তরের যুগ্ম বার্তা সম্পাদক মুহাম্মদ ইমাম উদ্দীন হান্নানসহ বিভিন্ন ইভেন্টের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।

ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে ফের সংঘর্ষ, গোলাবর্ষণে উত্তেজনা

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের আপার কুররাম ও ঘোজগাড়হি এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় গোলাগুলি ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।   পাকিস্তানের সরকারি গণমাধ্যম ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, রোববার (১৮ অক্টোবর) সীমান্ত এলাকায় আফগান তালেবান সদস্যদের গোলাবর্ষণের পর পাল্টা জবাব দেয় পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। এ সময় ভারী কামান ব্যবহার করে হামলা চালানো হয় বলে দাবি করেছে পাকিস্তানি সূত্র।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের পাল্টা গোলাবর্ষণে আপার কুররামের টপসার সীমান্ত পোস্ট ও শিপোলা নামের একটি ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া ঘোজগাড়হি এলাকায় তালেবান সদস্যরা একটি চৌকি ছেড়ে সরে গেছে বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে এসব ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   সংঘর্ষের পর সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি অব্যাহত রয়েছে কি না, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও স্বাধীন সূত্রের নিশ্চিত তথ্য প্রয়োজন।   দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তানের তালেবান সরকার দেশটিতে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় ও সহায়তা দিচ্ছে। পাকিস্তানের দাবি, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন গোষ্ঠী পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। তবে কাবুলের অবস্থান এবং এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য ছাড়া কোনো পক্ষের বক্তব্যকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া যায় না।   প্রতিবেদনে পাকিস্তানি সরকারি হিসাবের বরাতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে আফগানিস্তান থেকে পরিচালিত বলে দাবি করা সশস্ত্র হামলায় পাকিস্তানে ১ হাজার ৩২৭ জন নিহত এবং প্রায় আড়াই হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। এই পরিসংখ্যানের উৎস ও হিসাবের পদ্ধতি স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।   পাকিস্তান জানিয়েছে, সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের সেনাবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে আফগান কর্তৃপক্ষের কাছে সীমান্তপারের সশস্ত্র হামলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছে ইসলামাবাদ।   সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

ছবি: সংগৃহীত
হকি এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য বাংলাদেশের দল চূড়ান্ত, ফিরলেন নতুন তিন খেলোয়াড়

ভারতে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকিকে সামনে রেখে ১৮ সদস্যের স্কোয়াড চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ। জার্মান কোচ পিটার গেরহার্ড ঢাকায় ফেরার পর নির্বাচক কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে দল নির্বাচন সম্পন্ন করেছেন।   আগামী ২৭ অক্টোবর ভারতে শুরু হবে এশিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই হকি প্রতিযোগিতা। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে আগামী ২৩ অক্টোবর ভারতের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বাংলাদেশ দলের। এর আগে ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসে আবেদন করার কথা রয়েছে।   এবারের প্রতিযোগিতার প্রস্তুতির জন্য খুব বেশি সময় পাচ্ছেন না বাংলাদেশের হকি খেলোয়াড়রা। সব মিলিয়ে মাত্র দুই সপ্তাহের অনুশীলন নিয়েই আন্তর্জাতিক এই আসরে অংশ নিতে হচ্ছে তাদের।   এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সাধারণত এশিয়ান গেমসের শীর্ষ ছয় দল অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। সর্বশেষ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ সপ্তম অবস্থানে থাকায় সরাসরি খেলার সুযোগ পায়নি। তবে পাকিস্তান ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বাংলাদেশের সামনে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।   এশিয়ান গেমসের স্কোয়াডের তুলনায় এবার দলে কিছু পরিবর্তন এসেছে। আগের দল থেকে বাদ পড়েছেন সাজু ও দ্বীন ইসলাম ইমন। অন্যদিকে নতুন করে সুযোগ পেয়েছেন আব্দুল্লাহ, তৈয়ব ও আবেদ উদ্দিন।   দল চূড়ান্ত হলেও খেলোয়াড়দের প্রস্তুতির সময় স্বল্পতা এবং সফরের আগে ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।   বাংলাদেশের খেলোয়াড় তালিকা: বিপ্লব কুজুর, আশরাফুল হক সাদ, হুজাইফা হোসেন, আমিরুল ইসলাম, রেজাউল করীম বাবু, ওবায়দুল হাসান জয়, খালেদ মাহমুদ রাকিন, পুষ্কর ক্ষিসা মিমো, রাকিবুল হাসান, মাহবুব হোসেন, আশরাফুল ইসলাম, ফরহাদ আহমেদ, রোমান সরকার, রাসেল মাহমুদ জিমি, সোহানুর রহমান ও আবেদ উদ্দিন। আসন্ন প্রতিযোগিতায় শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ভালো পারফরম্যান্স দেখানোই হবে বাংলাদেশ দলের বড় চ্যালেঞ্জ।

ছবি: সংগৃহীত
সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের রহস্য অচিরেই উদ্ঘাটন করা হবে: ডিআইজি

নেত্রকোনার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ হত্যাকাণ্ডের রহস্য অচিরেই উদ্ঘাটন করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের ময়মনসিংহ বিভাগের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান।   রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে জামালপুরের দয়াময়ী মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।   ডিআইজি জাহিদুল হাসান বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগের চারটি জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। এর মধ্যে জামালপুরে ২২৭টি মণ্ডপে দুর্গোৎসব চলছে। পুরো বিভাগেই উৎসবমুখর পরিবেশে এ আয়োজন চলছে। সবগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তৎপর রয়েছে।   তিনি বলেন, এসআরবি,পুলিশ, আনসার এবং ফায়ার সার্ভিসসহ সবগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে, তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী আমরা সব ধরনের ব্যবস্হা নিচ্ছি।   সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে ডিআইজি বলেন, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন সাজিবুল ইসলাম অপূর্বকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আশা করছি, অচিরেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হবে। কোথাও হত্যাকাণ্ড ঘটলে পুলিশ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করে। এ ক্ষেত্রেও সেভাবেই তদন্ত কার্যক্রম চলছে।   দয়াময়ী মন্দির পরিদর্শনের সময় জামালপুরের পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোর্শেদা খাতুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহিয়া আল মামুন, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিবসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   উল্লেখ্য, গত ১৫ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার তেলনজিয়া বাজারের একটি চায়ের দোকানে গুলিতে নিহত হন স্থানীয় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ।   এ ঘটনায় ১৬ অক্টোবর নিহতের স্ত্রী আনন্দিতা সংমা বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় অজ্ঞাতনামা সাত থেকে আটজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।   হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে সাজিবুল ইসলাম অপূর্ব (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১৭ অক্টোবর রাত ১টার দিকে দুর্গাপুর পৌরসভার মধ্যবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জাতীয়

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে ফের সংঘর্ষ, গোলাবর্ষণে উত্তেজনা
আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ১৮, ২০২৬

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের আপার কুররাম ও ঘোজগাড়হি এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় গোলাগুলি ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।   পাকিস্তানের সরকারি গণমাধ্যম ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, রোববার (১৮ অক্টোবর) সীমান্ত এলাকায় আফগান তালেবান সদস্যদের গোলাবর্ষণের পর পাল্টা জবাব দেয় পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। এ সময় ভারী কামান ব্যবহার করে হামলা চালানো হয় বলে দাবি করেছে পাকিস্তানি সূত্র।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের পাল্টা গোলাবর্ষণে আপার কুররামের টপসার সীমান্ত পোস্ট ও শিপোলা নামের একটি ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া ঘোজগাড়হি এলাকায় তালেবান সদস্যরা একটি চৌকি ছেড়ে সরে গেছে বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে এসব ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   সংঘর্ষের পর সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি অব্যাহত রয়েছে কি না, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও স্বাধীন সূত্রের নিশ্চিত তথ্য প্রয়োজন।   দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তানের তালেবান সরকার দেশটিতে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় ও সহায়তা দিচ্ছে। পাকিস্তানের দাবি, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন গোষ্ঠী পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। তবে কাবুলের অবস্থান এবং এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য ছাড়া কোনো পক্ষের বক্তব্যকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া যায় না।   প্রতিবেদনে পাকিস্তানি সরকারি হিসাবের বরাতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে আফগানিস্তান থেকে পরিচালিত বলে দাবি করা সশস্ত্র হামলায় পাকিস্তানে ১ হাজার ৩২৭ জন নিহত এবং প্রায় আড়াই হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। এই পরিসংখ্যানের উৎস ও হিসাবের পদ্ধতি স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।   পাকিস্তান জানিয়েছে, সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের সেনাবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে আফগান কর্তৃপক্ষের কাছে সীমান্তপারের সশস্ত্র হামলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছে ইসলামাবাদ।   সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

ছবি: সংগৃহীত
ফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে অস্থিরতা অব্যাহত, প্যারিসে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ
আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ১৮, ২০২৬

ফ্রান্সে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার পরও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। শনিবারের সহিংসতার রেশ ধরে রোববারও রাজধানী প্যারিসের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভকারীদের জমায়েত, পুলিশের সঙ্গে উত্তেজনা এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের খবর পাওয়া গেছে।   রোববার (১৮ অক্টোবর) প্যারিসের প্লাস দ্য লা রিপাবলিক চত্বরে কয়েকশ বিক্ষোভকারী জড়ো হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিক্ষোভ চলাকালে বিভিন্ন দোকানে লুটপাট, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।   জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, সামাজিক বৈষম্য এবং জনসেবার মান নিয়ে দীর্ঘদিনের অসন্তোষকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের সূত্রপাত। তবে বিক্ষোভের একাংশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় দেশটির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।   ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিষ্কারে বিশেষ উদ্যোগ শনিবারের সহিংসতার পর প্যারিসের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিষ্কার করতে নগর কর্তৃপক্ষ প্রায় এক হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত করেছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তা দিতে একটি বিশেষ সহায়তা সেল গঠন করা হয়েছে। বিক্ষোভের কারণে দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষয়ক্ষতি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সংকট তৈরি করেছে। অনেক ব্যবসায়ীকে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগের মধ্যে পড়তে হয়েছে।   দেশজুড়ে গ্রেপ্তার, নিরাপত্তা জোরদার ফরাসি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনায় অন্তত ১ হাজার ৮০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে প্যারিস অঞ্চলে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ৮৫৫ বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিভিন্ন শহরে শত শত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ক্ষয়ক্ষতির হিসাব ও গ্রেপ্তার-সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।   আন্দোলনের দাবি ও জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, সামাজিক বৈষম্য এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ আন্দোলনের অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। তবে বিক্ষোভের পাশাপাশি লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং ব্যবসায়ীদের জীবিকা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের দাবিগুলোও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার রক্ষা এবং সহিংসতা প্রতিরোধ—দুই ক্ষেত্রেই কর্তৃপক্ষকে ভারসাম্যপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে হবে। বর্তমানে ফরাসি কর্তৃপক্ষের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা। পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, তা নির্ভর করবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট অসন্তোষ নিরসনে নেওয়া পদক্ষেপের ওপর।

ছোট ছোট মাছ ধরার নৌকা ও উদ্ধারকারী নৌযান নিয়ে সাগরে নেমেছেন শত শত জেলে। ছবি: সংগৃহীত
আইফোনের লোভে হরমুজ প্রণালিতে জেলেদের ভিড়
মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ১৮, ২০২৬

ইরানের উপকূলে ডুবে গেছে পণ্যবাহী জাহাজ ‘জিএফএস প্রাইড’। জাহাজটিতে থাকা আইফোন, ফরাসি সুগন্ধি ও অন্যান্য পণ্য সংগ্রহ করতে ছোট ছোট মাছ ধরার নৌকা ও উদ্ধারকারী নৌযান নিয়ে সাগরে নেমেছেন শত শত জেলে। গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাহাজটি ডুবে যাওয়ার পর হরমুজ প্রণালিসংলগ্ন এলাকায় এ দৃশ্য দেখা যায়।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, আমরা হরমুজ প্রণালির দিকে যাচ্ছি। শুনেছি, একটি কনটেইনারবাহী জাহাজ ডুবে গেছে। তাই আইফোন ও সুগন্ধি সংগ্রহ করতে যাচ্ছি।   ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গেছে, পানিতে আংশিক ডুবে থাকা কনটেইনারের মধ্য দিয়ে নৌকা চালিয়ে যাচ্ছেন জেলেরা। তারা পানির ভেতর থেকে বাক্স টেনে তোলার চেষ্টা করছেন। একটি ভিডিওতে ছোট একটি নৌকাকে আস্ত একটি কনটেইনার টেনে নেওয়ার চেষ্টা করতেও দেখা যায়।   যেভাবে ডুবল জাহাজটি সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী জাহাজ জিএফএস প্রাইডে আগুন লাগার পর সেটি ডুবে যায় বলে জানিয়েছে দেশটি। জাহাজটিতে থাকা ২১ জন নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কেউ আহত হননি।   তবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর দাবি, জাহাজটি ‘অনুমোদনহীন ও বিপজ্জনক’ পথে চলছিল। একপর্যায়ে সেটি সমুদ্রের মাইনে আঘাত করলে আগুন ধরে যায়।   ডুবে যাওয়ার সময় জাহাজটিতে আড়াই হাজারের বেশি কনটেইনার ছিল।   হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বেড়ে যাওয়ার মধ্যেই এ ঘটনা ঘটল। যুদ্ধ শুরুর পর আইআরজিসির হামলার তীব্রতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে তুলনামূলকভাবে অল্পসংখ্যক জাহাজ ডুবেছে।   যুদ্ধ শুরুর পর জিএফএস প্রাইড ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডুবে যাওয়া দ্বিতীয় জাহাজ। আর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এটি তৃতীয় ডুবন্ত জাহাজ। এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর হামলায় ডুবে যায় অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার পতাকাবাহী জাহাজ ‘কেপ দাও’।   আইআরজিসির নৌবাহিনী ওই এলাকা থেকে জাহাজগুলোকে দূরে থাকার সতর্কতা দিয়েছে। পাশাপাশি পানিতে ভেসে থাকা কনটেইনারের আশপাশে চলাচলের ক্ষেত্রে স্থানীয় জেলেদেরও সতর্ক থাকতে বলেছে।   তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

ছবি: সংগৃহীত
আজই সৌরভ-আশুতোষকে মুক্তি না দিলে আদালতে যাব: ককরোচ পার্টি
মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ১৮, ২০২৬

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে বেআইনভাবে আটকে রাখা হয়েছে দাবি করে তাদেরকে আজ রবিবারের মধ্যেই মুক্তি দেওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছে দলটি। একই সঙ্গে দলটির নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন আজকের মধ্যে মুক্তি না দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় সিজেপি জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিবালের সঙ্গে পরামর্শ করেছে।    দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘সৌরভ ও আশুতোষকে যদি আজকের মধ্যে মুক্তি দেওয়া না হয়, তবে যারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বেআইনি হেফাজতে আটকে রেখেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব। তারা (সিজেপি নেতারা) কোনো অপরাধ করেননি এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগও নেই।’   ককরোচ পার্টির নেতারা বলেছেন, তাদের নেতাদের কারাগারে আটকে রাখতে ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে এবং এর জন্য দায়ীদের জবাবদিহি করতে হবে। পাঁচ দিনের বিচারিক হেফাজত শেষ হতে চললেও দুই নেতার মুক্তি মিলছে না কেন—এমন প্রশ্নে সিজেপির আইনবিষয়ক প্রধান রত্না সিং বলেন, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। তারা এখন শুধু কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের অপেক্ষায় আছেন।   সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে রত্না সিং বলেন, সৌরভ ও আশুতোষের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১২৬ ও ১৭০ ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে।   রত্না সিং ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা কোনো অপরাধ নয়। আমাদের আন্দোলনের ডাক সব সময়ই সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ থাকে। সাধারণ মানুষ দলগত বা এককভাবে শান্তিপূর্ণভাবে এতে অংশ নিক—এটাই আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য।’   এর আগে গতকাল শনিবার সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকেকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়। আগের দিন শুক্রবার ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় দিপকেকে আটক করেছিল দিল্লি পুলিশ। একই ঘটনায় যন্তর মন্তরের পাশ থেকে আটক করা হয়েছিল অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরাকে। তাকেও গতকাল সকালে ছেড়ে দেওয়া হয়।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
সারাদেশ
অর্থনীতি

শিক্ষা
স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
সর্বশেষ