সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
রিয়াদ অঞ্চলে ‘শত্রুপক্ষের’ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ অঞ্চলে ‘শত্রুপক্ষের’ একটি ড্রোন শনাক্ত করে ভূপাতিত করেছে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।   শনিবার ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।   খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।   সামরিক জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ‘রিয়াদ অঞ্চলে একটি শত্রুপক্ষের ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে।’   তিনি আরও জানান, ড্রোনটি ভূপাতিত করার পর এর ধ্বংসাবশেষ বিভিন্ন স্থানে পড়ে। তবে এতে কেউ আহত হননি।

২৬ মিনিট আগে
উত্তর কোরিয়ার সম্পূর্ণ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের অঙ্গীকার যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের

উত্তর কোরিয়ার সম্পূর্ণ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান।   শনিবার দেশ তিনটি এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। তবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার আগে পিয়ংইয়ং পরমাণু অস্ত্র ত্যাগের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে চলেছে।   আগামী মাসে চীনে অনুষ্ঠেয় এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা (এপেক) সম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বৈঠক হতে পারে বলে জল্পনা বাড়ছে।   ট্রাম্প পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য পিয়ংইয়ংকে বারবার প্রস্তাব দিয়ে আসছেন।   সিউল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।   মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টায় শুক্রবার জি-২০ সম্মেলনের ফাঁকে এক বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন এবং জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি উত্তর কোরিয়ার ‘সম্পূর্ণ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের’ বিষয়ে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।    তারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবগুলো ‘পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের’ অঙ্গীকারও করেন। এসব প্রস্তাবের মধ্যে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে অর্থায়নের সুযোগ বন্ধ করার বিষয়টিও রয়েছে।   দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলেও রাশিয়া ও চীনের সমর্থনপুষ্ট উত্তর কোরিয়া আইন করে নিজেকে পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। দেশটির শাসকগোষ্ঠী বারবার ঘোষণা দিয়েছে, তাদের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার স্থায়ী এবং তা থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই।   বৈঠকে বসতে আগ্রহী ট্রাম্প-   উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য ট্রাম্প বারবার প্রস্তাব দিয়েছেন। একই সঙ্গে মিত্র দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়াও কমিয়ে এনেছেন তিনি।   গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতির বাইরে গিয়ে ট্রাম্প স্বীকার করেন, উত্তর কোরিয়া ইতোমধ্যে ‘এক ধরণের পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র।’ একই সময়ে তিনি পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, কিমের সঙ্গে বৈঠকে বসতে তিনি ‘১০০ শতাংশ’ প্রস্তুত। তবে তার এই প্রস্তাবে উত্তর কোরিয়া কোনো সাড়া দেয়নি।   বিশ্লেষক ও দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার ধারণা, ট্রাম্পের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে পিয়ংইয়ংয়ের অবস্থান সম্প্রতি চীনের সীমান্তবর্তী শহর দানদং সফরের সময় বেইজিংকে জানিয়েছেন কিম।   দক্ষিণ কোরিয়ার তুলনামূলক নমনীয় অবস্থানের প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং সেপ্টেম্বর মাসে প্রস্তাব দেন, নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিনিময়ে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি অবিলম্বে পুরোপুরি বন্ধের পরিবর্তে আপাতত স্থগিত রাখার বিষয়ে ওয়াশিংটনের আলোচনা করা উচিত। তিনি এর আগে কোনো পূর্বশর্ত ছাড়াই পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।   সমালোচকদের মতে, এ ধরণের উদ্যোগ উত্তর কোরিয়াকে কার্যত পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে মেনে নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করবে। একই সঙ্গে নিজেদের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার অক্ষত রেখেই নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সুযোগ পাবে পিয়ংইয়ং।   বিশ্লেষকদের ধারণা, চীনও উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে কার্যত মেনে নেওয়ার দিকে এগোচ্ছে।   এর পক্ষে তারা গত জুনে কিম ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের বৈঠকের পর দেওয়া বিবৃতির কথা উল্লেখ করেছেন। ওই বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছিল।   এদিকে উত্তর কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের বিষয়টি পর্যবেক্ষণকারী কয়েকটি দেশের শনিবারের যৌথ বিবৃতির নিন্দা জানিয়েছে পিয়ংইয়ং।   দেশটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর গতানুগতিক নিষেধাজ্ঞার তৎপরতা ডিপিআরকে (উত্তর কোরিয়া) পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে যে অবস্থানে রয়েছে, তাতে কোনো প্রভাব ফেলতে পারবে না।’

৩৪ মিনিট আগে
আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ৬১ দশমিক ৭ শতাংশ

চলতি বছরের মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ৬১ দশমিক ৭ শতাংশ। এ বছর আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী।   আজ শনিবার সকাল ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।   সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন।    আলিম পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, আলিম পরীক্ষায় মোট উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৪ হাজার ৫৪৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২৯ হাজার ২৬৯ জন এবং ছাত্রী ২৫ হাজার ২৭৮ জন।   ছাত্রদের পাসের হার ৫৮ দশমিক ১০ শতাংশ। অন্যদিকে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৪ দশমিক ৯০ শতাংশ।    এ বছর ছাত্রদের মধ্যে ২ হাজার ২৮ জন এবং ছাত্রীদের মধ্যে ১ হাজার ২২২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। সব মিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৫০ জন।   মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৪৬০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছে ২ হাজার ৭০৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।   এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন পরীক্ষার্থী।

৩৯ মিনিট আগে
আলাস্কায় সিনেট নির্বাচনকে ঘিরে তদন্ত জোরদার করেছে মার্কিন সরকার

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটারদের বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে আলাস্কায় রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থীর নামের সঙ্গে মিল রেখে একই নামের এক ব্যক্তিকে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানোর অভিযোগ তদন্তে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে মার্কিন কেন্দ্রীয় সরকার।    তদন্তের অংশ হিসেবে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য আলাস্কায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জনবল ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সম্পদ বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।   খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।   আগামী মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ঘোষণা দেওয়া হলো। এদিকে, নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল খারাপ ফল করতে পারে— এমন ধারণার মধ্যে তিনি ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।   শুক্রবার আলাস্কার অ্যাঙ্কোরেজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি মাইকেল হেইম্যান বলেন, ‘প্রতিটি আলাস্কাবাসীরই একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তারা তা পাবেন।’   তিনি আরও বলেন, ‘আপনার দেওয়া ভোট যেন আপনার ইচ্ছা ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী গণনা করা হয়, তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। আমার এক পাশে রয়েছে আলাস্কা স্টেট ট্রুপার্স ও অন্য পাশে এফবিআই।’   হেইম্যান জানান, এ ঘটনায় একই সঙ্গে ফৌজদারি ও দেওয়ানি— দুই ধরনের তদন্ত চলছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত অভিযোগের পর তদন্তে নতুন গতি আসে।    ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রার্থী মেরি পেল্টোলার সহযোগীরা গোপনে কয়েকজন বিকল্প প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশ নিতে উৎসাহিত করেছিলেন। তাদের মধ্যে ড্যান সুলিভান নামের একজনও রয়েছেন, যার নাম রিপাবলিকান দলের বর্তমান সিনেটর ড্যান সুলিভানের নামের সঙ্গে মিলে যায়।   হেইম্যান বলেন, ‘নতুন এই তথ্যের কারণে আলাস্কায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। এ বিষয়ে সহযোগিতার জন্য আমার দপ্তরের কয়েকজন আইনজীবীকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’   এদিকে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘটনাকে ‘প্রতারণা’ বলে অভিহিত করেছেন এবং ডেমোক্র্যাট প্রার্থী মেরি পেল্টোলার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।   যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের প্রার্থী দাঁড় করানোর কৌশল সাধারণত আইনত বৈধ। আলাস্কায় অতীতেও ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান— উভয় দলই এ কৌশল ব্যবহার করেছে।   জনমত জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, জীবনযাত্রার ব্যয় দ্রুত বেড়ে যাওয়া, প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার ও ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ এবং ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধনীতির কারণে ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।    এর ফলে প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি সিনেটের নিয়ন্ত্রণও দলটির হাতছাড়া হতে পারে বলে জরিপে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আলাস্কার নির্বাচনের ফল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।   ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি তদন্তে মার্কিন সরকার দাবি করছে, ভোটার তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন— এমন দশ হাজার ব্যক্তির নাম রয়েছে।   তবে বিভিন্ন গবেষণায় বারবার দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির ঘটনা অত্যন্ত কম। বিশেষ করে অ-মার্কিন নাগরিকদের ভোট দেওয়ার ঘটনা খুবই বিরল।    এ ধরনের ঘটনা নির্বাচনের সামগ্রিক ফলাফলে কোনো প্রভাব ফেলে না বলেও গবেষণাগুলোতে উঠে এসেছে।

৪৯ মিনিট আগে
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ
শিক্ষা
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আজ শনিবার সকাল ১১টায় প্রকাশ করা হয়েছে।   এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন পরীক্ষার্থী।   গত বছর পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬৯ হাজার ৯৭ জন। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার ৬.৭১ শতাংশ কমেছে এবং জিপিএ-৫ ২৯ হাজার ১৩ জন কম পেয়েছে।   আজ শনিবার সকাল ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।   সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন।   সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ বছর দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন।   উত্তীর্ণদের মধ্যে ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন ছাত্র এবং ছাত্রী ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন। অর্থাৎ, সকল শিক্ষা বোর্ডে উত্তীর্ণ মোট ছাত্রদের চেয়ে ৬৬ হাজার ৩৭১ জন বেশি ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে।   ৯টি সাধারণ বোর্ডের ফলাফলের চিত্র:   ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন। পাসের হার ৫১.৬২ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন।   ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডেও ছাত্রদের চেয়ে ৮৫ হাজার ৬৭১ জন বেশি ছাত্রী পাসের সাফল্য দেখিয়েছে। উত্তীর্ণদের মধ্যে ছাত্র ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৯ জন এবং ছাত্রী ৩ লাখ ১৩ হাজার ৪৬০জন।   এ বছর মোট কেন্দ্র সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৭৬০টি এবং মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯ হাজার ৩৯০টি।    গত বছরের তুলনায় মোট প্রতিষ্ঠান ৮৮টি বাড়লেও কেন্দ্র কমেছে ৪০টি। এছাড়া শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবার ১৩৯টি এবং শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৯৩টি। গত বছরের চেয়ে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯১টি বেড়েছে।     অন্যদিকে, ৮টি বিদেশ কেন্দ্রে মোট ২৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২০৯ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯০.৮৭ শতাংশ।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ৩১, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
এইচএসসিতে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে ২৯৩

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। গত বছর এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি। ফলে এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।   শনিবার (৩১ অক্টোবর) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর শিক্ষা বোর্ডগুলোর দেওয়া পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।   প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এ বছর ৯টি সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৯ হাজার ৩৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। অন্যদিকে, শতভাগ পাস করেছে ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।   গত বছর মোট ৯ হাজার ৩০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। সে বছর ২০২টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। একই সময়ে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৩৪৫টি।   তুলনামূলক হিসাবে দেখা যায়, এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ৮৮টি বেড়েছে। তবে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ২০৬টি। বিপরীতে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।   এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। সার্বিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে।   গত বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।

ছবি: সংগৃহীত
মাত্র ২৮ পয়েন্টের ব্যবধানে এমবাপেকে পেছনে ফেললেন কেইন, ব্যালন ডি’অরে কে কত পেলেন

ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অর জয়ের লড়াইয়ে এবার হ্যারি কেইন ও কিলিয়ান এমবাপের মধ্যে হয়েছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। শেষ পর্যন্ত মাত্র ২৮ পয়েন্টের ব্যবধানে ফরাসি তারকাকে পেছনে ফেলে পুরস্কার জিতেছেন ইংল্যান্ডের স্ট্রাইকার কেইন। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, কেইন পেয়েছেন ১ হাজার ৫৫৫ পয়েন্ট এবং এমবাপের ঝুলিতে জমা হয়েছে ১ হাজার ২৭ পয়েন্ট।   ২০২৫-২৬ মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন কেইন। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৭৩ গোল করে ব্যালন ডি’অর জয়ের অন্যতম দাবিদার হয়ে ওঠেন বায়ার্ন মিউনিখের এই ফরোয়ার্ড। ইউরোপের সেরা গোলদাতাদের তালিকায়ও ছিলেন তিনি। ২০২৬ বিশ্বকাপে ছয় গোল করে টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতাও হন কেইন।   অন্যদিকে, রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ৪২ গোল করার পাশাপাশি বিশ্বকাপে ১০ গোল করেন এমবাপে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২২ গোলের রেকর্ডও এখন ফরাসি তারকার দখলে। তবে ব্যক্তিগত এসব সাফল্য সত্ত্বেও ব্যালন ডি’অরের ভোটে অল্প ব্যবধানে পিছিয়ে থাকতে হয়েছে তাকে।   ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘লে’কিপ’ প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, তৃতীয় স্থানে থাকা বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল পেয়েছেন ৮৮১ পয়েন্ট। এমবাপের চেয়ে তার পয়েন্ট কম ১৪৬। ইয়ামাল প্রথম পছন্দের ভোট পেয়েছেন ১৩টি। বার্সেলোনার হয়ে সাফল্যের পাশাপাশি স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুবাদে আলোচনায় ছিলেন এই তরুণ ফুটবলার।   চতুর্থ স্থানে থাকা স্পেনের রদ্রি পেয়েছেন ৭২৬ পয়েন্ট এবং প্রথম পছন্দের ভোট পেয়েছেন ১০টি। তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, তার পয়েন্ট ৬১২।   ব্যালন ডি’অরের ভোটে অংশ নেন ১০০ জন আন্তর্জাতিক সাংবাদিক। নিয়ম অনুযায়ী, ভোটে প্রথম স্থান পাওয়া খেলোয়াড় পান ১৫ পয়েন্ট, দ্বিতীয় স্থান পান ১২ এবং তৃতীয় স্থান পান ১০ পয়েন্ট। এরপর ক্রমানুসারে পরবর্তী স্থানগুলোর জন্য ৮, ৭, ৫, ৪, ৩, ২ ও ১ পয়েন্ট দেওয়া হয়।   পুরুষদের ব্যালন ডি’অরে শীর্ষ ১০-এর পয়েন্ট ১. হ্যারি কেইন — ইংল্যান্ড ও বায়ার্ন মিউনিখ: ১,০৫৫ পয়েন্ট ২. কিলিয়ান এমবাপে — ফ্রান্স ও রিয়াল মাদ্রিদ: ১,০২৭ পয়েন্ট ৩. লামিনে ইয়ামাল — স্পেন ও বার্সেলোনা: ৮৮১ পয়েন্ট ৪. রদ্রি — স্পেন: ৭২৬ পয়েন্ট ৫. লিওনেল মেসি — আর্জেন্টিনা ও ইন্টার মায়ামি: ৬১২ পয়েন্ট ৬. খিচা কাভারৎস্খেলিয়া — জর্জিয়া ও পিএসজি: ৫৪১ পয়েন্ট ৭. উসমান দেম্বেলে — ফ্রান্স ও পিএসজি: ৪১৮ পয়েন্ট ৮. আর্লিং হালান্ড — নরওয়ে ও ম্যানচেস্টার সিটি: ৩৭৮ পয়েন্ট ৯. মাইকেল ওলিসে — ফ্রান্স ও বায়ার্ন মিউনিখ: ২৯৬ পয়েন্ট ১০. ফ্যাবিয়ান রুইজ — স্পেন ও পিএসজি: ২০১ পয়েন্ট   ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে অল্প ব্যবধানে জয় অবশ্য নতুন নয়। ১৯৬৬ সালে ববি চার্লটন মাত্র এক পয়েন্টে এউসেবিওকে হারিয়ে পুরস্কার জিতেছিলেন। ১৯৯৬ সালেও ম্যাথিয়াস সামার এক পয়েন্টের ব্যবধানে রোনালদো নাজারিওকে পেছনে ফেলেছিলেন। ২০১৯ সালে লিওনেল মেসি ভার্জিল ফন ডাইককে হারিয়েছিলেন মাত্র সাত পয়েন্টে।

ছবি: সংগৃহীত
এইচএসসির ফলাফলে নিম্নমুখী ধারা, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা—দুটিই কমেছে। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।   শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।   প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, গত বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬.৭১ শতাংশ পয়েন্ট। এর আগে ২০২৪ সালে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭৭.৭৮ শতাংশ। ফলে দুই বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ২৫.৬৬ শতাংশ পয়েন্ট।   জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২৪ সালে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৬৯ হাজার ৯৭ জনে। আর চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন। দুই বছরের ব্যবধানে কমেছে ১ লাখ ৫ হাজার ৮২৭ জন।   এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন ছাত্রী। সারা দেশে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।   চলতি বছরের ২ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।

ছবি: সংগৃহীত
সাংস্কৃতিক কূটনীতিতে নতুন উদ্যোগ, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি দেশের শিল্পী ও সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। দুই দেশের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, শিল্পকলা বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশি শিল্পীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।   শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাশমোলিয়ান জাদুঘর পরিদর্শনকালে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।   জাদুঘর কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এ সফরে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবদুল মুহিতসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।   বাংলাদেশি শিল্পীর প্রদর্শনী পরিদর্শন সফরের অংশ হিসেবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশি শিল্পী সোমা সুরভী জান্নাতের ‘ক্লাইমেট, কালচার, কেয়ার’ শীর্ষক একক শিল্পপ্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের কোনো জাদুঘরে বাংলাদেশে অবস্থানরত একজন শিল্পীর এটিই প্রথম একক প্রদর্শনী। প্রদর্শনীতে শিল্পীর সৃজনশীলতা, শিল্পকর্মের বৈচিত্র্য এবং বিষয়বস্তুর গভীরতার প্রশংসা করেন শামা ওবায়েদ ইসলাম। পাশাপাশি জাদুঘরের কিউরেটরিয়াল দলের সদস্যদের সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শিল্পসংগ্রহও পরিদর্শন করেন তিনি।   সাংস্কৃতিক বিনিময় ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতায় গুরুত্ব পরিদর্শনকালে অ্যাশমোলিয়ান জাদুঘরের পূর্বাঞ্চলীয় শিল্পকলা বিভাগের প্রধান ও কিউরেটর ড. মালিকা কুম্বেরা ল্যান্ড্রুসের সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। আলোচনায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তোলা, যৌথ কার্যক্রম পরিচালনা এবং শিল্পীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা গুরুত্ব পায়। এ ছাড়া বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক দর্শকদের কাছে তুলে ধরা এবং সৃজনশীল খাতের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর বিষয়েও মতবিনিময় হয়।   আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শিল্পকলার পরিচিতি বাড়ানোর প্রচেষ্টা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অ্যাশমোলিয়ান জাদুঘরে এই সফর বাংলাদেশের সমকালীন শিল্পকলার আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধির একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। সাংস্কৃতিক কূটনীতিকে পররাষ্ট্র সম্পর্ক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজে লাগাতে সরকার আগ্রহী। শিল্পকলা, ঐতিহ্য ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের পরিচিতি আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং দীর্ঘমেয়াদি যোগাযোগ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়। বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের নতুন সম্ভাবনা তৈরিতে এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

জাতীয়

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
রিয়াদ অঞ্চলে ‘শত্রুপক্ষের’ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের
জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ৩১, ২০২৬

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ অঞ্চলে ‘শত্রুপক্ষের’ একটি ড্রোন শনাক্ত করে ভূপাতিত করেছে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।   শনিবার ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।   খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।   সামরিক জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ‘রিয়াদ অঞ্চলে একটি শত্রুপক্ষের ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে।’   তিনি আরও জানান, ড্রোনটি ভূপাতিত করার পর এর ধ্বংসাবশেষ বিভিন্ন স্থানে পড়ে। তবে এতে কেউ আহত হননি।

উত্তর কোরিয়ার সম্পূর্ণ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের অঙ্গীকার যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের
জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ৩১, ২০২৬

উত্তর কোরিয়ার সম্পূর্ণ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান।   শনিবার দেশ তিনটি এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। তবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার আগে পিয়ংইয়ং পরমাণু অস্ত্র ত্যাগের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে চলেছে।   আগামী মাসে চীনে অনুষ্ঠেয় এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা (এপেক) সম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বৈঠক হতে পারে বলে জল্পনা বাড়ছে।   ট্রাম্প পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য পিয়ংইয়ংকে বারবার প্রস্তাব দিয়ে আসছেন।   সিউল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।   মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টায় শুক্রবার জি-২০ সম্মেলনের ফাঁকে এক বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন এবং জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি উত্তর কোরিয়ার ‘সম্পূর্ণ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের’ বিষয়ে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।    তারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবগুলো ‘পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের’ অঙ্গীকারও করেন। এসব প্রস্তাবের মধ্যে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে অর্থায়নের সুযোগ বন্ধ করার বিষয়টিও রয়েছে।   দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলেও রাশিয়া ও চীনের সমর্থনপুষ্ট উত্তর কোরিয়া আইন করে নিজেকে পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। দেশটির শাসকগোষ্ঠী বারবার ঘোষণা দিয়েছে, তাদের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার স্থায়ী এবং তা থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই।   বৈঠকে বসতে আগ্রহী ট্রাম্প-   উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য ট্রাম্প বারবার প্রস্তাব দিয়েছেন। একই সঙ্গে মিত্র দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়াও কমিয়ে এনেছেন তিনি।   গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতির বাইরে গিয়ে ট্রাম্প স্বীকার করেন, উত্তর কোরিয়া ইতোমধ্যে ‘এক ধরণের পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র।’ একই সময়ে তিনি পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, কিমের সঙ্গে বৈঠকে বসতে তিনি ‘১০০ শতাংশ’ প্রস্তুত। তবে তার এই প্রস্তাবে উত্তর কোরিয়া কোনো সাড়া দেয়নি।   বিশ্লেষক ও দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার ধারণা, ট্রাম্পের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে পিয়ংইয়ংয়ের অবস্থান সম্প্রতি চীনের সীমান্তবর্তী শহর দানদং সফরের সময় বেইজিংকে জানিয়েছেন কিম।   দক্ষিণ কোরিয়ার তুলনামূলক নমনীয় অবস্থানের প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং সেপ্টেম্বর মাসে প্রস্তাব দেন, নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিনিময়ে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি অবিলম্বে পুরোপুরি বন্ধের পরিবর্তে আপাতত স্থগিত রাখার বিষয়ে ওয়াশিংটনের আলোচনা করা উচিত। তিনি এর আগে কোনো পূর্বশর্ত ছাড়াই পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।   সমালোচকদের মতে, এ ধরণের উদ্যোগ উত্তর কোরিয়াকে কার্যত পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে মেনে নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করবে। একই সঙ্গে নিজেদের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার অক্ষত রেখেই নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সুযোগ পাবে পিয়ংইয়ং।   বিশ্লেষকদের ধারণা, চীনও উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে কার্যত মেনে নেওয়ার দিকে এগোচ্ছে।   এর পক্ষে তারা গত জুনে কিম ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের বৈঠকের পর দেওয়া বিবৃতির কথা উল্লেখ করেছেন। ওই বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছিল।   এদিকে উত্তর কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের বিষয়টি পর্যবেক্ষণকারী কয়েকটি দেশের শনিবারের যৌথ বিবৃতির নিন্দা জানিয়েছে পিয়ংইয়ং।   দেশটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর গতানুগতিক নিষেধাজ্ঞার তৎপরতা ডিপিআরকে (উত্তর কোরিয়া) পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে যে অবস্থানে রয়েছে, তাতে কোনো প্রভাব ফেলতে পারবে না।’

আলাস্কায় সিনেট নির্বাচনকে ঘিরে তদন্ত জোরদার করেছে মার্কিন সরকার
জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ৩১, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটারদের বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে আলাস্কায় রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থীর নামের সঙ্গে মিল রেখে একই নামের এক ব্যক্তিকে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানোর অভিযোগ তদন্তে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে মার্কিন কেন্দ্রীয় সরকার।    তদন্তের অংশ হিসেবে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য আলাস্কায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জনবল ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সম্পদ বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।   খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।   আগামী মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ঘোষণা দেওয়া হলো। এদিকে, নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল খারাপ ফল করতে পারে— এমন ধারণার মধ্যে তিনি ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।   শুক্রবার আলাস্কার অ্যাঙ্কোরেজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি মাইকেল হেইম্যান বলেন, ‘প্রতিটি আলাস্কাবাসীরই একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তারা তা পাবেন।’   তিনি আরও বলেন, ‘আপনার দেওয়া ভোট যেন আপনার ইচ্ছা ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী গণনা করা হয়, তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। আমার এক পাশে রয়েছে আলাস্কা স্টেট ট্রুপার্স ও অন্য পাশে এফবিআই।’   হেইম্যান জানান, এ ঘটনায় একই সঙ্গে ফৌজদারি ও দেওয়ানি— দুই ধরনের তদন্ত চলছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত অভিযোগের পর তদন্তে নতুন গতি আসে।    ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রার্থী মেরি পেল্টোলার সহযোগীরা গোপনে কয়েকজন বিকল্প প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশ নিতে উৎসাহিত করেছিলেন। তাদের মধ্যে ড্যান সুলিভান নামের একজনও রয়েছেন, যার নাম রিপাবলিকান দলের বর্তমান সিনেটর ড্যান সুলিভানের নামের সঙ্গে মিলে যায়।   হেইম্যান বলেন, ‘নতুন এই তথ্যের কারণে আলাস্কায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। এ বিষয়ে সহযোগিতার জন্য আমার দপ্তরের কয়েকজন আইনজীবীকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’   এদিকে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘটনাকে ‘প্রতারণা’ বলে অভিহিত করেছেন এবং ডেমোক্র্যাট প্রার্থী মেরি পেল্টোলার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।   যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের প্রার্থী দাঁড় করানোর কৌশল সাধারণত আইনত বৈধ। আলাস্কায় অতীতেও ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান— উভয় দলই এ কৌশল ব্যবহার করেছে।   জনমত জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, জীবনযাত্রার ব্যয় দ্রুত বেড়ে যাওয়া, প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার ও ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ এবং ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধনীতির কারণে ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।    এর ফলে প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি সিনেটের নিয়ন্ত্রণও দলটির হাতছাড়া হতে পারে বলে জরিপে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আলাস্কার নির্বাচনের ফল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।   ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি তদন্তে মার্কিন সরকার দাবি করছে, ভোটার তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন— এমন দশ হাজার ব্যক্তির নাম রয়েছে।   তবে বিভিন্ন গবেষণায় বারবার দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির ঘটনা অত্যন্ত কম। বিশেষ করে অ-মার্কিন নাগরিকদের ভোট দেওয়ার ঘটনা খুবই বিরল।    এ ধরনের ঘটনা নির্বাচনের সামগ্রিক ফলাফলে কোনো প্রভাব ফেলে না বলেও গবেষণাগুলোতে উঠে এসেছে।

ইউক্রেনের কাছে ৫০০ প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের
জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ৩১, ২০২৬

ইউক্রেনের কাছে ৫০০টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।    তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনে পৌঁছাতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।   শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এ তথ্য জানায়। তবে বিক্রির অনুমোদন চূড়ান্ত করতে প্রস্তাবটি পর্যালোচনার জন্য মার্কিন কংগ্রেসে পাঠানো হবে।   খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।   গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইউক্রেনের কর্মকর্তারা অভিযোগ করে আসছেন, রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলায় ব্যবহৃত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার জন্য তাদের কাছে থাকা প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে আসছে।   মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত এ বিক্রির ফলে ইউক্রেনের সমন্বিত আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়বে। এর মাধ্যমে দেশটি বর্তমান ও ভবিষ্যতের হুমকি মোকাবিলায় আরও সক্ষম হবে।   তবে এসব অস্ত্র কবে নাগাদ ইউক্রেনে সরবরাহ করা হতে পারে, সে বিষয়ে বিবৃতিতে কোনো সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি।   এদিকে, শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, ‘এই ক্ষেপণাস্ত্রের সরবরাহ শুরু হতে কয়েক বছরও লেগে যেতে পারে।’   তিনি বলেন, ‘যে সময় প্রকৃত বিপদ তৈরি হবে এবং পিএসি-৩ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের জরুরি প্রয়োজন দেখা দেবে, সেই সময়ের জন্য একটি সমাধান খুঁজে বের করতে আমরা আমাদের মার্কিন অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’   জেলেনস্কির বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্ররা চাইলে নিজেদের বর্তমান মজুত থেকে ইউক্রেনকে এসব ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করতে পারে। পরে নতুন করে কেনা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে তাদের মজুত পূরণ করা সম্ভব।   রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে ইউক্রেনের হাতে থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাগুলোর একটি হলো প্যাট্রিয়ট। বিশেষ করে আকাশ থেকে ছোড়া বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে এ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।   মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘প্রস্তাবিত এ অস্ত্র বিক্রি ইউরোপে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখা একটি অংশীদার দেশের নিরাপত্তা জোরদার করবে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্যও এগিয়ে যাবে।’   চলতি মাসের শুরুতে রাশিয়ার সঙ্গে ডিজেল জ্বালানি সরবরাহসংক্রান্ত একটি চুক্তি করে ওয়াশিংটন। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের মধ্যে সম্পর্কে উত্তেজনা দেখা দেয়।   এ ছাড়া ইউক্রেনের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সীমিত করছে এবং গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের কিছু কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে।   তবে গত ২০ অক্টোবর নরওয়ের রাজধানী অসলোতে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে জেলেনস্কির বৈঠকের পর দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা উত্তেজনা কমে আসে।   মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির পুরো ব্যয় ইউক্রেনের মিত্রদেশগুলোর দেওয়া অর্থায়ন থেকে মেটানো হবে। এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব তহবিল ব্যবহার করা হবে না।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
সারাদেশ

চাকরি
ব্যাবসা-বাণিজ্য
বিনোদন
শিক্ষা