সর্বশেষ

সর্বশেষ সংবাদ
নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন : রাশেদ খাঁন

গতকাল সংসদে নাহিদ ইসলাম দুর্নীতির প্রমাণ চেয়েছেন। ধরে নেওয়া যাক তিনি নিজে কোনো দুর্নীতিতে জড়াননি। তবু তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের বহু সদস্য ও ক্ষমতাসীন মহলের লোকজন দুর্নীতি, তদবিরবাণিজ্যে জড়িয়েছেন। এমনকি তাঁর সাবেক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আতিক মোর্শেদের কার্যকলাপ নিয়েও গণমাধ্যমে নানা অভিযোগ উঠেছে।   আজ (বুধবার) ফেসবুকে এক পোস্টে এসব কথা লিখেছেন বিএনপি নেতা ও সাবেক গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন।   তিনি আরও লিখেছেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিজের ঘনিষ্ঠজন নিয়োগ দেওয়া এবং নিজের মন্ত্রণালয়ের বাইরেও অন্য মন্ত্রণালয়ের রদবদলে তিনি প্রভাব খাটিয়েছেন। তাঁদের কারও কারও বিরুদ্ধে পরবর্তী সময়ে বেশ কিছু অভিযোগ গণমাধ্যমে উঠেছে। তিনি নিজেও বলেছিলেন, কয়েকজন উপদেষ্টাকে বিশ্বাস করে প্রতারিত হয়েছেন। এসব উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে বর্তমানে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আসছে। নাহিদ ইসলাম তাঁদের নিয়োগদাতা ছিলেন। সুতরাং তিনি কি এসবের দায় অন্যত্র সরিয়ে দিতে পারেন? এ ছাড়া তিনি নিজেই বলেছিলেন, বিভিন্ন ধনাঢ্য ব্যক্তি এনসিপিকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছেন! সেই ধনাঢ্য ব্যক্তিরা আসলে কারা? তাঁরা কি নিছক দানবীরতায় এনসিপিকে অনুদান দিচ্ছেন?   শেখ বশির উদ্দিনকে উপদেষ্টা করা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাশেদ খাঁন বলেন, শেখ বশির উদ্দিন এমন কোনো ব্যক্তি ছিলেন না যাঁকে গণঅভ্যুত্থানের সরকারে বাণিজ্য উপদেষ্টা করতেই হবে। তাঁকে কেন বাণিজ্য উপদেষ্টা করা হয়েছিল? তাঁর শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে এনসিপি কি নিয়মিত অনুদান পেয়ে থাকে? আর সবচেয়ে বড় বিষয়, তিনি উপদেষ্টা পদে থাকাকালেই এনসিপি গঠন করেছেন। এটি বড় ধরনের নৈতিক অপরাধ।   নাহিদ যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন, সেই তথ্য মন্ত্রণালয়ে কোনো সংস্কার হয়েছিল? এ প্রশ্ন রেখে রাশেদ খাঁন বলেন, এই মন্ত্রণালয়ের ১৬ বছরের দুর্নীতির তথ্য তিনি জানাতে পেরেছিলেন? বরং তিনি দায়িত্ব ত্যাগের সময় যাঁকে তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে বসিয়ে গেলেন, তিনি দুটি টেলিভিশন চ্যানেলকে শেখ হাসিনার আমলের আইনে লাইসেন্স দিলেন। এর দায় কি নাহিদ ইসলাম এড়াতে পারেন?   বিএনপির এই নেতা বলেন, এ ছাড়া নাহিদ বিচার, সংস্কার ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সরকারে গিয়েছিলেন, কিন্তু এসবের কিছুই না করেই আবার পদত্যাগ করলেন। সুতরাং নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন।

২৪ মিনিট আগে
‘থ্রি ইডিয়টস ২’ আসছে, নিশ্চিত করলেন আমির খান

বেশ কিছুদিন ধরেই ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সিকুয়েল নিয়ে গুঞ্জন চলছিল। বলা হচ্ছিল আমির খান, মাধবন এবং শারমান জোশি ফিরে আসছেন। সে গুঞ্জনই যেন এবার সত্য হলো আমির খানের ভাষ্যে।  এ অভিনেতা নিশ্চিত করেছেন যে, সিকুয়েলটি সত্যিই তৈরি হচ্ছে। রাজকুমার হিরানিই পরিচালনা করবেন। পডকাস্ট ‘অমর উজালা’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমির নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি সিকুয়েলটি নিয়ে কাজ করছেন এবং এটিকে একটি সুন্দর গল্প হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি আরও বলেন, তাঁর বিশ্বাস, অভিজাত জোশি (চিত্রনাট্যকার) এবং রাজকুমার হিরানি এটি খুব ভালোভাবে লিখেছেন এবং এর পরিকল্পনা করেছেন। তিনি সিকুয়েলটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যও শেয়ার করেছেন। আমির বলেছেন, ‘রাজু এখন ‘থ্রি ইডিয়টস ২’ নিয়ে কাজ করছেন। আমি গল্পটা শুনেছি এবং এটা চমৎকার। চিত্রনাট্যে এখনও কিছু কাজ বাকি আছে, কিন্তু গল্পটা খুব ভালো, ব্যতিক্রমী এবং প্রথম সিনেমার মতোই হাস্যরস রয়েছে। এটি ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর চরিত্রদের নিয়েই, যা ১০ বছর পরের ঘটনা নিয়ে শুরু হবে। রাজকুমারী হিরানি পরিচালিত ‘থ্রি ইডিয়টস’ ছবিতে আমির, শারমান এবং মাধবন তিন বন্ধুর চরিত্রে, বোমান ইরানি একজন কলেজ অধ্যক্ষের চরিত্রে এবং কারিনা আমিরের প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করেন। এতে ওমি বৈদ্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে ছিলেন। চেতন ভগতের উপন্যাস ‘ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান’ থেকে কিছুটা পরিবর্তিত আঙ্গিকে নির্মিত ‘থ্রি ইডিয়টস’ একটি ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তিনজন ছাত্রছাত্রীর বন্ধুত্বকে কেন্দ্র করে নির্মিত এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় তাদের মুখোমুখি হওয়া সামাজিক চাপকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে। ‘থ্রি ইডিয়টস’ ২০০৯ সালের বড়দিনে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় এবং বলিউডের অন্যতম আইকনিক ও সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র হিসেবে এর প্রভাব আজও অটুট রয়েছে। চলচ্চিত্রটি বিশ্বব্যাপী ৪০০ কোটি রুপি আয় করা প্রথম ভারতীয় চলচ্চিত্র ছিল এবং বিদেশের বক্স অফিস সাফল্যের ক্ষেত্রে একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছিল। বিনোদ চোপড়া ফিল্মস-এর ব্যানারে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি ৩টি জাতীয় পুরস্কারও জিতে।

১ ঘন্টা আগে
ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ৩ মাস সহায়তা দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সিলেট বিভাগের কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে, ৫ জেলায় বন্যার পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে। ভারি বৃষ্টি ও সম্ভাব্য বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হবেন কৃষক। ভারি বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আগামী তিন মাস সরকার সহায়তা দেবে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন বলেন, ‘টানা ভারি বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জসহ হাওরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কৃষকরা মাঠে নেমে কষ্ট করে ধান কাটছেন।' তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত তিনদিন আগে আবহাওয়া রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে আমি সুনামগঞ্জসহ হাওড় অঞ্চলের তিনটি জেলার স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়েছিলাম, আবহাওয়ার পূর্বাভাসের ভিত্তিতে বৃষ্টিপাত হলে তারা যেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।’ হাওর অঞ্চলের কৃষকদের দুর্দশা ও ক্ষতিকে খুবই বেদনাদায়ক উল্লেখ করেন  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বিষয়ে সংসদ অধিবেশন শুরুর আগেই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে বলেন, ‘মন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়ে এসেছি যে হাওড়ের এই তিনটি জেলাসহ ময়মনসিংহের কিছু অঞ্চল প্রবল বর্ষণে নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। এই এলাকাগুলোতে যে সকল কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের খুঁজে বের করে আগামী তিন মাস সহায়তা দেওয়া হবে।’

২ ঘন্টা আগে
শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার, সংসদে জানালেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

সরকার মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান। বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমীন দুলালের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। এদিন মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।   প্রশ্নে রুহুল আমীন দুলাল বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যাহারা শহীদ হইয়াছে এবং যাহাদের গণহত্যা করা হইয়াছিল, তাহাদের তালিকা করা হইবে কি না?’ জবাবে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেটভুক্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬ হাজার ৪৮০ জন। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের গেজেটের ক্যাটাগরি অনুযায়ী শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা হলো—শহীদ বেসামরিক গেজেট ৩ হাজার ৬৯৮ জন, সশস্ত্র বাহিনী শহীদ গেজেট ১ হাজার ৫৪১ জন, শহীদ বিজিবি গেজেট ৮১৭ জন; শহীদ পুলিশ গেজেট ৪২৩ জন; শহীদ আনসার বাহিনী গেজেট ১ জন। মোট ৬ হাজার ৪৮০ জন। এ ছাড়া গেজেটভুক্ত শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা ৫৬০ জন।   মন্ত্রী বলেন, এ ছাড়া আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত মানুষ গণহত্যার শিকার হয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, স্বাধীনতার এত বছর পরেও তাদের একটি সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব হয়নি। অথচ তাদের এই আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা অর্জন করেছি আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে নিবিড় গবেষণার ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।   ওই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে— মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষকদের নিয়ে বিশেষজ্ঞ সভা আয়োজন, বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে একটি বিস্তারিত ও বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তার ভিত্তিতে কার্যক্রম গ্রহণ। এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে গণহত্যার শিকার এবং সব শহীদের একটি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়ন এবং তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা প্রদান সম্ভব হবে।

২ ঘন্টা আগে
ছবি : সংগৃহীত
প্রবাসী
২৪ জন বাংলাদেশিসহ ৯৭ জন বন্দিকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

বিভিন্ন দেশের মোট ৯৭ জন বন্দিকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়ায় পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন বিভাগ। এর মধ্যে মিয়ানমারের ৬৯, বাংলাদেশের ২৪, ভারতের ২ এবং চীন ও ফিলিপাইনের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।   সব বন্দিকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ ১ ও কেএলআইএ ২) হয়ে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।   ২৭ এপ্রিল, ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রত্যেক বন্দির কাছে বৈধ পাসপোর্ট ছিল। তবে কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস তাদের জন্য অস্থায়ী ভ্রমণ নথি বা ‘ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট’ ইস্যু করে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করে।   বন্দিদের প্রত্যাবাসনের জন্য বিমান টিকিটের খরচ বিভিন্নভাবে বহন করা হয়েছে। কেউ নিজের সঞ্চয় থেকে, কেউ পরিবারের সহায়তায়, আবার কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস এই ব্যয় বহন করেছে।   কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, নির্যাতন আইন (অ্যাক্ট ৫৭৪), বিপজ্জনক মাদক আইন ১৯৫২ (অ্যাক্ট ২৩৪), ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ (অ্যাক্ট ১৫৫), ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩সহ বিভিন্ন আইনে দণ্ড ভোগ শেষে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়।   দেশে ফেরত পাঠানো এসব বন্দিকে ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা আর মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবে না।   পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোর প্রধান কার্যক্রমের অন্যতম হলো বন্দিদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন, যা জোহর রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগ নিয়মিতভাবে পরিচালনা করছে—যেন সাজা শেষে কোনো বন্দি দেশে অবৈধভাবে অবস্থান না করে।  

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ২৯, ২০২৬ 0

মার্কিন নৌ-অবরোধের মেয়াদ আরও বাড়তে পারে

ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ আরও দীর্ঘ হতে পারে—এমন খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার কর্মকর্তাদের এই অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের অর্থনীতি ও তেল রপ্তানির ওপর চাপ ধরে রাখতে যুক্তরাষ্ট্র এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।   এই খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম টানা কয়েকদিন ধরে বাড়ছে এবং এখন তা ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১১ ডলারের বেশি। একইভাবে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দামও ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের কারণে বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আর এই কারণেই তেলের দাম বাড়ছে।

নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন : রাশেদ খাঁন

গতকাল সংসদে নাহিদ ইসলাম দুর্নীতির প্রমাণ চেয়েছেন। ধরে নেওয়া যাক তিনি নিজে কোনো দুর্নীতিতে জড়াননি। তবু তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের বহু সদস্য ও ক্ষমতাসীন মহলের লোকজন দুর্নীতি, তদবিরবাণিজ্যে জড়িয়েছেন। এমনকি তাঁর সাবেক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আতিক মোর্শেদের কার্যকলাপ নিয়েও গণমাধ্যমে নানা অভিযোগ উঠেছে।   আজ (বুধবার) ফেসবুকে এক পোস্টে এসব কথা লিখেছেন বিএনপি নেতা ও সাবেক গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন।   তিনি আরও লিখেছেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিজের ঘনিষ্ঠজন নিয়োগ দেওয়া এবং নিজের মন্ত্রণালয়ের বাইরেও অন্য মন্ত্রণালয়ের রদবদলে তিনি প্রভাব খাটিয়েছেন। তাঁদের কারও কারও বিরুদ্ধে পরবর্তী সময়ে বেশ কিছু অভিযোগ গণমাধ্যমে উঠেছে। তিনি নিজেও বলেছিলেন, কয়েকজন উপদেষ্টাকে বিশ্বাস করে প্রতারিত হয়েছেন। এসব উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে বর্তমানে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আসছে। নাহিদ ইসলাম তাঁদের নিয়োগদাতা ছিলেন। সুতরাং তিনি কি এসবের দায় অন্যত্র সরিয়ে দিতে পারেন? এ ছাড়া তিনি নিজেই বলেছিলেন, বিভিন্ন ধনাঢ্য ব্যক্তি এনসিপিকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছেন! সেই ধনাঢ্য ব্যক্তিরা আসলে কারা? তাঁরা কি নিছক দানবীরতায় এনসিপিকে অনুদান দিচ্ছেন?   শেখ বশির উদ্দিনকে উপদেষ্টা করা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাশেদ খাঁন বলেন, শেখ বশির উদ্দিন এমন কোনো ব্যক্তি ছিলেন না যাঁকে গণঅভ্যুত্থানের সরকারে বাণিজ্য উপদেষ্টা করতেই হবে। তাঁকে কেন বাণিজ্য উপদেষ্টা করা হয়েছিল? তাঁর শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে এনসিপি কি নিয়মিত অনুদান পেয়ে থাকে? আর সবচেয়ে বড় বিষয়, তিনি উপদেষ্টা পদে থাকাকালেই এনসিপি গঠন করেছেন। এটি বড় ধরনের নৈতিক অপরাধ।   নাহিদ যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন, সেই তথ্য মন্ত্রণালয়ে কোনো সংস্কার হয়েছিল? এ প্রশ্ন রেখে রাশেদ খাঁন বলেন, এই মন্ত্রণালয়ের ১৬ বছরের দুর্নীতির তথ্য তিনি জানাতে পেরেছিলেন? বরং তিনি দায়িত্ব ত্যাগের সময় যাঁকে তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে বসিয়ে গেলেন, তিনি দুটি টেলিভিশন চ্যানেলকে শেখ হাসিনার আমলের আইনে লাইসেন্স দিলেন। এর দায় কি নাহিদ ইসলাম এড়াতে পারেন?   বিএনপির এই নেতা বলেন, এ ছাড়া নাহিদ বিচার, সংস্কার ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সরকারে গিয়েছিলেন, কিন্তু এসবের কিছুই না করেই আবার পদত্যাগ করলেন। সুতরাং নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী ভিসা পেতে নতুন শর্ত

যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী ভিসা পেতে নতুন শর্ত জুড়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকারে জানাতে হবে যে তারা নিজ দেশে কোনো ধরনের নির্যাতনের শিকার হননি এবং দেশে ফিরে যেতে ভয় পান না। নচেৎ ভিসা প্রত্যাখ্যানের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে।   ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের হাতে পাওয়া এক অভ্যন্তরীণ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিশ্বের সব মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটে এ প্রক্রিয়া কার্যকর করতে বলা হয়েছে। সাক্ষাৎকার চালিয়ে যাওয়ার শর্ত হিসেবেই এই তথ্য নিশ্চিত করতে হবে আবেদনকারীদের।   নতুন নির্দেশনায় দুটি প্রশ্ন যুক্ত করা হয়েছে: আবেদনকারী নিজ দেশে কোনো ক্ষতি বা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কি না এবং দেশে ফিরে গেলে তিনি এমন ঝুঁকি অনুভব করেন কি না।   যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর দাবি করেছে, ভিসা প্রক্রিয়ায় অনেক আবেদনকারী তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন করেন। বিশেষ করে আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ার পেছনে এই প্রবণতা কাজ করছে বলে মনে করা হচ্ছে।   নির্দেশনায় বলা হয়, বর্তমান পদ্ধতিতে আবেদনকারীদের ঝুঁকি বা ভয়ের বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই নতুন এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।  

ছবি: সংগৃহীত
নোয়াখালীর প্রাইম হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

নোয়াখালীর সদরে অবস্থিত প্রাইম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমাম হোসেন বাবু নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।    স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসা অবহেলার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।    মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে নোয়াখালী সদর উপজেলার প্রাইম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত ইমাম হোসেন বাবু সেনবাগ উপজেলার কেশরপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের খাজুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং দুই সন্তানের জনক।   স্বজনদের দাবি, অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করার পর যথাসময়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণেই ইমাম হোসেন বাবুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয়রা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।   এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক বলেন, রোগীর চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা করা হয়নি। যথাযথ চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।   খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সহকারী পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ তৌহিদুল ইসলামসহ পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
মার্কিন নৌ-অবরোধের মেয়াদ আরও বাড়তে পারে
আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ২৯, ২০২৬ 0

ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ আরও দীর্ঘ হতে পারে—এমন খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার কর্মকর্তাদের এই অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের অর্থনীতি ও তেল রপ্তানির ওপর চাপ ধরে রাখতে যুক্তরাষ্ট্র এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।   এই খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম টানা কয়েকদিন ধরে বাড়ছে এবং এখন তা ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১১ ডলারের বেশি। একইভাবে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দামও ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের কারণে বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আর এই কারণেই তেলের দাম বাড়ছে।

ভলোদিমির জেলেনস্কি। ফাইল ছবি: এপি
ইসরায়েলকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি জেলেনস্কির
মারিয়া রহমান এপ্রিল ২৯, ২০২৬ 0

রুশ দখলকৃত ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড থেকে রাশিয়া কর্তৃক ‘চুরি করা’ শস্য ইসরায়েলি বন্দরে প্রবেশের অনুমতি পাওয়ার অভিযোগ তুলে ইসরায়েলের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এই বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কিয়েভ নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। টাইমস অব ইসরায়েল এ খবর জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি অভিযোগ করেন, এমন শস্য বহনকারী আরেকটি জাহাজ ইসরায়েলের একটি বন্দরে পৌঁছেছে এবং তা খালাসের প্রস্তুতি চলছে। তিনি লিখেছেন, কোন জাহাজ বন্দরে আসছে এবং তারা কী পণ্য বহন করছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ সে বিষয়ে অবগত নয়, এমনটি হওয়ার সুযোগ নেই। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন বেড়েছে। গত মঙ্গলবার ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিলেন। ইসরায়েলের সংবাদপত্র হারেৎজর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অধিকৃত এলাকা থেকে শস্য বহনকারী সন্দেহে প্যানোরমিটিস নামের একটি জাহাজ হাইফা বন্দরে নোঙরের অনুমতির অপেক্ষায় আছে। চলতি বছর এমন চারটি চালান ইতোমধ্যে ইসরায়েলে খালাস করা হয়েছে। তবে ইউক্রেনের এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডন সার ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, শস্য যে চুরি করা, সেটির কোনও প্রমাণ ইউক্রেন দিতে পারেনি। একই সঙ্গে তিনি কিয়েভের বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে কূটনীতি পরিচালনার অভিযোগ করেছেন। জেলেনস্কির দাবি, রাশিয়া সুপরিকল্পিতভাবে ইউক্রেনের অধিকৃত অঞ্চল থেকে শস্য লুট করছে এবং তা ‘দখলদারদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের’ মাধ্যমে রফতানি করছে। তিনি বলেন, এই ধরনের ‘পরিকল্পনা’ ইসরায়েলি আইনের লঙ্ঘন। জেলেনস্কি জানান, এই চালানগুলো ঠেকাতে ইউক্রেন কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিলেও এখনও এমন একটি জাহাজকে আটকানো সম্ভব হয়নি। জেলেনস্কি আরও জানান, কিয়েভ এখন নিষেধাজ্ঞার প্যাকেজ তৈরির কাজ করছে। এই নিষেধাজ্ঞা মূলত ‘যারা সরাসরি এই শস্য পরিবহন করছে এবং যারা এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করছে, এমন ব্যক্তি ও আইনি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে’ প্রয়োগ করা হবে। তিনি আরও বলেন, নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণের জন্য ইউক্রেন ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করবে। গত রাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নও একইভাবে ইসরায়েলে রাশিয়ার শস্যবাহী জাহাজ নোঙরের প্রতিবেদনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সতর্ক বার্তা দিয়েছে। জেলেনস্কি লিখেছেন, ইউক্রেন প্রতিটি রাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। আমরা আশা করি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ইউক্রেনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে এবং আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষুণ্ণ করে, এমন কাজ থেকে বিরত থাকবে।

ছবি : রয়টার্স
মার্কিন পাসপোর্টে ট্রাম্পের প্রতিকৃতি, ঘোষণা পররাষ্ট্র দপ্তরের
মারিয়া রহমান এপ্রিল ২৯, ২০২৬ 0

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি সংবলিত সীমিত সংখ্যক স্মারক পাসপোর্ট তৈরি করা হবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মঙ্গলবার এই খবর জানিয়েছে। মার্কিন নাগরিকরা এই স্মারক পাসপোর্ট নেওয়ার সুযোগ পাবেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, এই সীমিত সংখ্যক স্মারক পাসপোর্টের একটি পেতে কোনো অতিরিক্ত ফি নেওয়া হবে না। পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেছেন, জুলাই মাসে মার্কিন স্বাধীনতা ঘোষণার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে এই পাসপোর্টগুলো বের করা হবে। তবে বিবৃতিতে পাসপোর্টগুলোতে ট্রাম্পের ছবি থাকবে, সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। পররাষ্ট্র দপ্তরের দেওয়া নকশায় দেখা গেছে, পাসপোর্টের ভেতরের একটি পৃষ্ঠায় ১৭৭৬ সালে স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের ছবির বিপরীতে ট্রাম্পের প্রতিকৃতি রয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ট্রাম্পের ছবি সংবলিত একটি স্মারক স্বর্ণমুদ্রা চালুর পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থ দপ্তর জানিয়েছে, কাগজের মুদ্রায় ট্রাম্পের স্বাক্ষর থাকবে। এটি কোনো ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতির মার্কিন মুদ্রায় স্বাক্ষরের প্রথম ঘটনা। গত বছরের শুরুতে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে ট্রাম্পের প্রশাসন ওয়াশিংটনের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভবন, নৌবাহিনীর জন্য পরিকল্পিত এক শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ, ধনী বিদেশিদের জন্য একটি ভিসা কর্মসূচি, সরকার-পরিচালিত একটি প্রেসক্রিপশন ওষুধের ওয়েবসাইট এবং শিশুদের জন্য ফেডারেল সঞ্চয়ী হিসাবের সঙ্গেও তার নাম যুক্ত করেছে।

ছবি : সংগৃহীত
ইরানকে সহযোগিতার অভিযোগে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ২৯, ২০২৬ 0

নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দিয়ে ইরানের ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’কে টিকিয়ে রাখা এবং দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং এ বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডকে সহযোগিতা করার অভিযোগে ৩৫ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতি জানানো হয়েছে এ তথ্য।   যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় জানিয়েছেন, তার মন্ত্রণালয়ের ‘বিদেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ’ এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তবে নিষেধাজ্ঞার কোপে পড়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো কোন দেশের— তা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি কিংবা ট্রেজারিমন্ত্রীর এক্সবার্তার কোথাও উল্লেখ করা হয়নি।   ইরানের তেল বাণিজ্যের ওপর আগে থেকেই একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র; কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে আন্তর্জাতিক বাজারে ঠিকই ইরানের তেল পৌঁছাচ্ছে এবং তেল বিক্রি থেকে দেশটির উপার্জনও অব্যাহত আছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় একপ্রকার ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’ তৈরি করেছে ইরান। এই ব্যবস্থায় তৃতীয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বৈশ্বিক গ্রাহকদের কাছে তেল বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলোর হিসাবে রাখা এবং সেসব হিসাব থেকে অর্থ ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং এ বাহিনীর অভিজাত শাখা আইআরজিসিকে পৌঁছে দেওয়ার যাবতীয় কাজ করে এই তৃতীয় পক্ষ।   ইরানের তেল বাণিজ্য ও বিপনন দেখভালের দায়িত্বে আছে  দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং এ বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।   যে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মার্কিন ট্রেজারি মন্ত্রণালয়— তারা সবাই এই তৃতীয় পক্ষের অধীন, অর্থাৎ পরোক্ষ বা আড়ালে থেকে ইরানের তেল বাণিজ্য থেকে প্রাপ্ত অর্থ ইসরানের সরকার, প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং আইআরজিসির কাছে পৌঁছে দিতে সহযোগিতা করে।   গত বেশ কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে আছে ইরানের তেল বাণিজ্য ও বিপনন। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ এ ব্যাপারটিকে আরও উসকে দিয়েছে। গত ১২ এপ্রিল ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তেহরানের সঙ্গে স্থায়ী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের আগ পর্যন্ত এই অবরোধ থাকবে।   সূত্র : রয়টার্স

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

বিশ্ব
অর্থনীতি
সারাদেশ
টেলিকম ও প্রযুক্তি