সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
সরকারকে প্রায় ৪ লাখ ডোজ পোলিও টিকা দিয়েছে ‘সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন’

 স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০ ডোজ পোলিও টিকা অনুদান হিসেবে প্রদান করেছে চীনের শীর্ষস্থানীয় টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাইন্ডেশন। বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) চলমান কার্যক্রমকে আরও বেশি বেগবান, গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে এই টিকা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ উপলক্ষে আজ (বুধবার) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লী সাওপোং এবং  সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের চিফ বিজনেস ডাইরেক্টর লী নিং ও উপস্থিত ছিলেন। টিকা নিয়ে বাংলাদেশের এই দুঃসময়ে সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের টিকা অনুদানের জন্য চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক খাতের পরম বন্ধু হিসেবে চীন যে বাংলাদেশের পাশে আছে সেটা আবারও প্রমাণিত হল। মন্ত্রী বলেন, হামের টিকার ব্যবস্থা হলেও এখনও ডেঙ্গু, পোলিও ও হান্টাসহ অনেক রোগ চোখ রাঙ্গাচ্ছে। এগুলো মোকাবিলা করা সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ। তবে, পোলিও, যক্ষাসহ যেসব রোগের টিকার প্রয়োজন তার কোনো ঘাটতি নেই। এসব রোগ প্রতিরোধে টিকা কার্যক্রম চলছে। এখন পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত প্রায় সব শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে। বাকিদের শিগগিরই টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, শিগরিরই ‘ভিটামিন-এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন’ শুরু হবে।  সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের চিফ বিজনেস ডাইরেক্টর লী নিং বলেন, ‘বাংলাদেশের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে সহায়তা করতে পেরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সিনোভ্যাকের তৈরি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রি-কোয়ালিফিকেশন যোগ্যতা অর্জনকারী ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮৪ ডোজ পোলিও (এসআইপিভি) ভ্যাকসিন অনুদান প্রদান করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’ তিনি আরও বলেন, আশা করি এই টিকা বাংলাদেশের ইপিআই কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে, শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত এবং দেশের পোলিও নির্মূল কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।  লী নিং জানান, বাংলাদেশের নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে ভবিষ্যতেও সিনোভ্যাক পাশে থেকে দু’দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করে যেতে সিনোভ্যাক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উল্লেখ্য, চীনা টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাকের তৈরি মোট ৭৬,৬১৬ ভায়াল (৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০ ডোজ) পোলিও টিকার চালান এরই মধ্যে ইপিআই সংরক্ষণাগারে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে পরবর্তীতে চাহিদা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন এলাকার টিকাদান কেন্দ্রে  হবে। সিনোভ্যাকের তৈরি পোলিও (পোলিওমাইলাইটিস ভ্যাকসিন, ভেরো সেল, ইনঅ্যাক্টিভেটেড সেভিন স্ট্রেইন-এসআইপিভি)- টিকা ২০২২ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে প্রি-কোয়ালিফিকেশন যোগ্যতা অর্জন করে।  বৈশ্বিক পোলিও নির্মূল প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সিনোভ্যাক ইতোমধ্যে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় একই ভ্যাকসিন সফলভাবে সরবরাহ করে আসছে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকতা, চীনা দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি হোআং মৌচং, সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের হেড অব ইন্টারন্যাশনাল রেগুলেটরি ওয়াং পোং এবং সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই), ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৪৪ মিনিট আগে
অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আগামী ২ বছর সামাজিক স্থিতিশীলতা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বিগত সরকারের (আওয়ামী লীগ) রেখে যাওয়া ভঙ্গুর ও লুটপাটের অর্থনীতিকে পুনরায় স্বাবলম্বী করতে কমপক্ষে আরও দুই বছর সময় প্রয়োজন।  তিনি বলেন, এই সংকটময় সময়ে দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির স্বার্থে জাতীয় পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অপরিহার্য। আজ সকালে রাজধানীর উত্তরা কমিউনিটি সেন্টারে মাসব্যাপী ইসলামী প্রতিযোগিতা ‘আলোকিত মাহে রমাদান’-এর চূড়ান্ত বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।  ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে বিগত (আওয়ামী লীগ) সরকারের লুটপাট করা ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা পেয়েছি। আমাদের প্রতিবছর ৫ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ শোধ করতে হবে। দেশের রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্সের তুলনায় আমদানিতে অনেক বেশি ব্যয় করতে হবে।’ তিনি বলেন, এই বিশাল ঘাটতি ও ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতিকে ঘুরিয়ে দাঁড় করানো এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। আসমান থেকে টাকা আসবে না, আমাদের কঠোর পরিশ্রম ও স্থিতিশীল পরিবেশের মাধ্যমেই এই অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করতে হবে। জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, যারা ভোটারবিহীনভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিল, তারা জনগণের মধ্যে বিভাজন ও ধর্মীয় বিভেদ তৈরি করে ফায়দা লুটতে চেয়েছিল। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় সংসদে আমরা বিরোধী দলের সঙ্গে গঠনমূলক তর্ক-বিতর্ক করছি, এটি অব্যাহত থাকবে।’  তবে সংসদের সেই বিতর্ককে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে, কেউ যাতে রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি। জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, অতীতে এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল যে মাদ্রাসার ছাত্র পরিচয় দেওয়া বা ধর্মীয় পোশাক পরাকেও সন্দেহের চোখে দেখা হতো।  তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার সেই ভয়ের সংস্কৃতি দূর করে, একটি ভারসাম্যপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিত করেছে। এ সময় আলেম-ওলামাদের উদ্দেশ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হতে পারেন। আগামী দুই বছর আমরা যদি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে না পারি, তবে এই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার বাধাগ্রস্ত হবে।’ দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করতে অতীতে পরিকল্পিতভাবে নাটক সাজিয়ে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছিল উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যারা পবিত্র ধর্মে বিশ্বাস করি, তারা অন্য যে কোনো ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাসকেও শ্রদ্ধা করি। এই দেশে হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বাস করছে। কোনো অপশক্তি যেন আমাদের এই ঐক্য বিনষ্ট করতে না পারে।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম-এর খতিব আল্লামা মুফতি আব্দুল মালেক (হাফি) এবং উত্তরা ১২ নং সেক্টর বাইতুন নূর জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী।

৪৬ মিনিট আগে
২৭তম বিসিএসে বাদ পড়া আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

বিভিন্ন কারণে বাদ পড়া ২৭তম বিসিএসের আরও ৯৬ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। আজ বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব সাবিহা ফাতেমাতুজ-জোহরা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মোট ৯৬ জন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ৪৮ জন, পুলিশে ১৩ জন, স্বাস্থ্যে ৪ জন এবং গণপূর্ত ও টেলিযোগাযোগ ক্যাডারে ৩ জন করে নিয়োগ পেয়েছেন। এছাড়া পররাষ্ট্র, আনসার ও সহকারী বার্তা নিয়ন্ত্রক পদে ২ জন করে এবং পরিবার পরিকল্পনা, তথ্য, নিরীক্ষা ও হিসাব, রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্য, কৃষি, সাধারণ শিক্ষা, পরিসংখ্যান, শুল্ক ও আবগারি এবং খাদ্য ক্যাডারে ১ জন করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২৭তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও প্রশাসনিক জটিলতা, মামলা-মোকদ্দমা, যাচাই-বাছাই বা কারিগরি কারণে এই প্রার্থীরা এক সময় নিয়োগ বঞ্চিত হয়েছিলেন। নিয়োগের দাবিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে আইনি ও প্রশাসনিক লড়াই চালিয়ে আসছিলেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনা এবং সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে অবশেষে তাদের নিয়োগের এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) সুপারিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ভিত্তিতে এসব প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্তদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

৫২ মিনিট আগে
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে আজ তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ন চিরাসাওয়াদি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিক্ষক সংকট এবং নেতৃত্বভিত্তিক প্রশিক্ষণ নিয়ে গুরুত্বসহকারে আলোচনা হয়। থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, থাইল্যান্ডের শিক্ষা ব্যবস্থার কার্যকর দিকগুলো সম্পর্কে সরাসরি ধারণা লাভের পর বাংলাদেশ প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষক প্রশিক্ষণ, নেতৃত্ব উন্নয়ন এবং অন্যান্য কারিগরি সহযোগিতার বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে। বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে অনেকগুলো ভালো ফলাফল করলেও সামগ্রিকভাবে শিক্ষার্থীদের শেখার সক্ষমতা আরও উন্নত করার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষক সংকট এবং দক্ষ নেতৃত্বের অভাব অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার মানোন্নয়নে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ প্রাথমিকভাবে থাইল্যান্ডের শিক্ষা ব্যবস্থার একটি পূর্ণাঙ্গ ও বাস্তবভিত্তিক পর্যালোচনা করতে আগ্রহী। এ লক্ষ্যে দুই দেশের শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, শিক্ষা প্রশাসন পর্যবেক্ষণ এবং নেতৃত্বভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সাক্ষাৎকালে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ন চিরাসাওয়াদি প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে থাইল্যান্ডের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন,বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা খাত উন্নয়নে সরকারের যে আন্তরিকতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের শেখার মান বৃদ্ধি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং বিদ্যালয় নেতৃত্ব উন্নয়নে আপনারা যে গুরুত্ব দিচ্ছেন, সেটি খুবই ভালো উদ্যোগ। থাইল্যান্ড বিশ্বাস করে, শিক্ষা খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময় দুই দেশের জন্যই উপকারী হতে পারে। আমরা বাংলাদেশকে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এবং প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা সম্পর্কে সহযোগিতা করতে আগ্রহী। বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এবং থাইল্যান্ডের দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

৫৪ মিনিট আগে
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা

তারেক রহমান এর সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।   বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।   প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আক্তারুজ্জামান মে ১৩, ২০২৬ 0

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের ভেতরে আলোচনা স্থবির হয়ে পড়া এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় এ চিন্তা সামনে এসেছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।   মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মার্কিন সূত্রের বরাতে সিএনএন জানায়, ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়, পেন্টাগনের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের একটি অংশ কঠোর অবস্থানের পক্ষে। তারা মনে করছেন, সামরিক হামলার মাধ্যমে ইরানের অবস্থান দুর্বল করে আবারও আলোচনার টেবিলে ফিরতে চাপ সৃষ্টি করা যেতে পারে।   অন্যদিকে প্রশাসনের আরেকটি অংশ এখনো কূটনৈতিক সমাধানের জন্য শেষবারের মতো সুযোগ দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।   কিছু মার্কিন কর্মকর্তা পাকিস্তানের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের ধারণা, ইসলামাবাদ হয়তো তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগে ট্রাম্প প্রশাসনের অসন্তোষ পুরোপুরি তুলে ধরেনি। বরং ইরানের অবস্থান সম্পর্কে ওয়াশিংটনকে তুলনামূলক আশাবাদী বার্তা দিয়েছে।   এর আগে সোমবার ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাবে ইরানের দেওয়া প্রতিক্রিয়া প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি এটিকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেন।   জবাবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া তাদের প্রস্তাব অতিরঞ্জিত নয়। একই সঙ্গে তারা ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক দাবি তোলার অভিযোগ আনে।

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি : নিউইয়র্ক টাইমস

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি বলে দাবি করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। বরং দেশটি এখনো উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধরে রেখেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে মাসের শুরুতে প্রস্তুত করা গোপন গোয়েন্দা মূল্যায়নে দেখা গেছে, হরমুজ প্রণালির আশপাশে থাকা ইরানের ৩৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির মধ্যে ৩০টিই আবার কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা ফিরে পেয়েছে।   এতে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল হামলার পরও ইরান যুদ্ধের আগের প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও মোবাইল লঞ্চার এখনো ধরে রেখেছে। এছাড়া দেশজুড়ে থাকা ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ আংশিক বা পুরোপুরি সচল রয়েছে।   তবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস এই মূল্যায়নকে খারিজ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরান এখনো আগের সামরিক সক্ষমতা ফিরে পায়নি। তার মতে, যারা মনে করে ইরান তার সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করেছে, তারা হয় বিভ্রান্ত, নয়তো আইআরজিসির পক্ষ নিচ্ছে।   গত ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চলা সংঘাতে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করেছিলেন, হামলায় ইরানের সামরিক শক্তি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।   তবে সংঘাত চলাকালে ইরানও পাল্টা অন্তত ১০০ দফা হামলা চালায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল অঞ্চলজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা।   এর আগে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, দেশটির উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখনো ব্যবহারই করা হয়নি।   এদিকে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি সম্প্রতি দাবি করেন, যুদ্ধবিরতির সময় ইরান যে হারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লঞ্চার পুনরায় প্রস্তুত করেছে, তা যুদ্ধের আগের সময়ের চেয়েও বেশি।   তিনি আরও বলেন, ইরানের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো এখন পারস্য উপসাগর অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও জাহাজকে লক্ষ্য করে প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
একনেকে উঠছে ১৬ উন্নয়ন প্রকল্প, অগ্রাধিকার পাচ্ছে ভোটার ডেটাবেজ সুরক্ষা ও পদ্মা ব্যারেজ

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় আজ ১৬টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। এর মধ্যে ভোটার ডেটাবেজের নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ প্রকল্প সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।   রাজধানীর সচিবালয়ে অনুষ্ঠিতব্য এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন একনেক চেয়ারম্যান তারেক রহমান।   সভায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রায় ৪৯৩ কোটি টাকার একটি প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে, যার লক্ষ্য দেশের নির্বাচনী ডেটাবেজের নিরাপত্তা ও অবকাঠামো শক্তিশালী করা। ‘উপজেলা/থানা, জেলা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয় এবং নির্বাচনী ডেটাবেজের জন্য সার্ভার স্টেশন নির্মাণ’ শীর্ষক এ প্রকল্পে একটি আঞ্চলিক, তিনটি জেলা ও ৪৫টি উপজেলা পর্যায়ে সার্ভার স্টেশন ও কার্যালয় নির্মাণ করা হবে।   বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার তথ্যভান্ডারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। ইভিএম, ব্যালট বাক্স ও ভোটার তালিকা সংরক্ষণেও এ প্রকল্প সহায়ক হবে।   এদিকে আজকের সভার সবচেয়ে বড় প্রকল্প হিসেবে আলোচনায় রয়েছে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ। প্রায় ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজবাড়ীর পাংশায় পদ্মা নদীর ওপর ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।   পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, সুন্দরবন এলাকায় লবণাক্ততা কমানো এবং কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া এখান থেকে ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনাও রয়েছে।   এছাড়া একনেক সভায় আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদনের জন্য তোলা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স নির্মাণ, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বহুতল ভবন উন্নয়ন, মাতৃ ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র উন্নীতকরণ, হাই-টেক সিটি-২ অবকাঠামো নির্মাণ, বিমসটেক সচিবালয় ভবন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবন এবং সাভার ক্যান্টনমেন্ট এ আবাসন কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প।   পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের নকশা পুনর্বিন্যাস ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে প্রস্তাবগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
হরমুজের পাশে ৩০ মিসাইল সাইট পুনরুদ্ধার করেছে ইরান

ইরান হরমুজ প্রণালির আশপাশে থাকা নিজেদের ৩৩টি মিসাইল সাইটের মধ্যে ৩০টি পুনরুদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস। এতে ওই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলো নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকিতে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান এসব সাইটে মোবাইল লঞ্চার ব্যবহার করছে, যার মাধ্যমে দ্রুত বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা সম্ভব। এছাড়া কিছু সাইটে স্থায়ী লঞ্চ প্যাডও রয়েছে, যেখান থেকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে মিসাইল নিক্ষেপ করা যায়।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩টি সাইটের মধ্যে মাত্র তিনটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলে মার্কিন গোয়েন্দাদের ধারণা।   অন্যদিকে রয়টার্স এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার সময় সৌদি আরব গোপনে ইরানের ভেতরে হামলা চালিয়েছে।   রয়টার্সকে দেওয়া পশ্চিমা দুই কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ মাসে সৌদি আরব ইরানের কয়েকটি স্থাপনায় গোপন হামলা চালায়। তাদের দাবি, ইরানের হামলার জবাব হিসেবেই সৌদি এই পদক্ষেপ নেয়।   তবে সৌদি আরব ঠিক কোন স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস, রয়টার্স

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি : নিউইয়র্ক টাইমস
আক্তারুজ্জামান মে ১৩, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি বলে দাবি করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। বরং দেশটি এখনো উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধরে রেখেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে মাসের শুরুতে প্রস্তুত করা গোপন গোয়েন্দা মূল্যায়নে দেখা গেছে, হরমুজ প্রণালির আশপাশে থাকা ইরানের ৩৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির মধ্যে ৩০টিই আবার কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা ফিরে পেয়েছে।   এতে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল হামলার পরও ইরান যুদ্ধের আগের প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও মোবাইল লঞ্চার এখনো ধরে রেখেছে। এছাড়া দেশজুড়ে থাকা ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ আংশিক বা পুরোপুরি সচল রয়েছে।   তবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস এই মূল্যায়নকে খারিজ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরান এখনো আগের সামরিক সক্ষমতা ফিরে পায়নি। তার মতে, যারা মনে করে ইরান তার সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করেছে, তারা হয় বিভ্রান্ত, নয়তো আইআরজিসির পক্ষ নিচ্ছে।   গত ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চলা সংঘাতে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করেছিলেন, হামলায় ইরানের সামরিক শক্তি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।   তবে সংঘাত চলাকালে ইরানও পাল্টা অন্তত ১০০ দফা হামলা চালায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল অঞ্চলজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা।   এর আগে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, দেশটির উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখনো ব্যবহারই করা হয়নি।   এদিকে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি সম্প্রতি দাবি করেন, যুদ্ধবিরতির সময় ইরান যে হারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লঞ্চার পুনরায় প্রস্তুত করেছে, তা যুদ্ধের আগের সময়ের চেয়েও বেশি।   তিনি আরও বলেন, ইরানের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো এখন পারস্য উপসাগর অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও জাহাজকে লক্ষ্য করে প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
ইরানে গোপন হামলা চালায় সৌদি আরব, দাবি রয়টার্সের
আক্তারুজ্জামান মে ১৩, ২০২৬ 0

রয়টার্স জানিয়েছে, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরব গোপনে ইরান-এর ভেতরে একাধিক হামলা চালিয়েছে।   প্রতিবেদনে পশ্চিমা দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়, গত মার্চে সৌদি আরব ইরানের বিভিন্ন স্থানে গোপন হামলা চালায়। এর আগে ইরানের পক্ষ থেকে হামলার জবাবেই এই পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।   প্রথমবারের মতো সৌদি আরব ইরানের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালিয়েছে বলেও ওই কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন। তবে কোন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   আরেক পশ্চিমা কর্মকর্তা জানান, মার্চের শেষ দিকে সৌদি আরব ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। পরবর্তীতে কূটনৈতিক তৎপরতা ও চাপের মাধ্যমে উত্তেজনা কিছুটা কমে আসে।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন, যার পর আঞ্চলিক উত্তেজনা কমতে শুরু করে।   তবে এ বিষয়ে সৌদি আরব ও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।   সূত্র: রয়টার্স

ছবি: সংগৃহীত
অর্থনৈতিক চাপ নিয়ে ভাবি না, আমার অগ্রাধিকার ইরানের পারমাণবিক ইস্যু: ট্রাম্প
আক্তারুজ্জামান মে ১৩, ২০২৬ 0

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বা মূল্যস্ফীতি নিয়ে তিনি “একটুও ভাবেন না”। তার প্রধান অগ্রাধিকার হলো ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে না পারে।   আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরা সূত্রে জানা যায়, ইরান পরিস্থিতি ও যুদ্ধজনিত উত্তেজনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম ও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে কঠিন করে তুলেছে।   চীনে রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, অর্থনৈতিক চাপ বা দাম বাড়া তার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করবে না।   তিনি বলেন, “ইরান বিষয়ে আমার একমাত্র লক্ষ্য হলো তারা যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী না হয়।”   অর্থনৈতিক প্রভাব বিবেচনায় ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সংক্ষেপে “একটুও না” বলেন।   বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বাড়ছে, যা রাজনৈতিকভাবে নতুন বিতর্ক তৈরি করছে।

ছবি: সংগৃহীত
হরমুজের পাশে ৩০ মিসাইল সাইট পুনরুদ্ধার করেছে ইরান
আক্তারুজ্জামান মে ১৩, ২০২৬ 0

ইরান হরমুজ প্রণালির আশপাশে থাকা নিজেদের ৩৩টি মিসাইল সাইটের মধ্যে ৩০টি পুনরুদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস। এতে ওই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলো নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকিতে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান এসব সাইটে মোবাইল লঞ্চার ব্যবহার করছে, যার মাধ্যমে দ্রুত বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা সম্ভব। এছাড়া কিছু সাইটে স্থায়ী লঞ্চ প্যাডও রয়েছে, যেখান থেকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে মিসাইল নিক্ষেপ করা যায়।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩টি সাইটের মধ্যে মাত্র তিনটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলে মার্কিন গোয়েন্দাদের ধারণা।   অন্যদিকে রয়টার্স এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার সময় সৌদি আরব গোপনে ইরানের ভেতরে হামলা চালিয়েছে।   রয়টার্সকে দেওয়া পশ্চিমা দুই কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ মাসে সৌদি আরব ইরানের কয়েকটি স্থাপনায় গোপন হামলা চালায়। তাদের দাবি, ইরানের হামলার জবাব হিসেবেই সৌদি এই পদক্ষেপ নেয়।   তবে সৌদি আরব ঠিক কোন স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস, রয়টার্স

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

বিশ্ব
অর্থনীতি
সারাদেশ
টেলিকম ও প্রযুক্তি