সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
জ্বালানি ও পরিবেশ গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি গবেষক

মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি গবেষক ড. মো. আবু জায়েদ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক গবেষণায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি লাভ করেছেন মর্যাদাপূর্ণ ‘২০২৬ গ্লোবাল রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড।’   তিনি মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধীনস্থ রিসার্চ সেন্টার ফর ন্যানো-ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড এনার্জি টেকনোলজি (আরসিএনএমইটি)-এর গবেষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। আন্তর্জাতিক এ পুরস্কারটি তাকে প্রদান করা হয়েছে জ্বালানি ও পরিবেশ গবেষণায় অসাধারণ অবদান, আন্তঃবিষয়ক উদ্ভাবন এবং নৈতিক একাডেমিক নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ। তার গবেষণায় শিল্পখাতের বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সমন্বয় ঘটিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় টেকসই ও কার্যকর সমাধান উদ্ভাবনের চেষ্টা করা হয়েছে। ড. মো. আবু জায়েদের গবেষণার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এটি শুধু গবেষণাগারভিত্তিক নয়, বরং শিল্প ও সমাজে বাস্তব প্রয়োগযোগ্য প্রযুক্তি উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে তার কাজ আন্তর্জাতিক গবেষণা মহলে প্রশংসিত হয়েছে। গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষার্থী কল্যাণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলা এবং মূল্যবোধনির্ভর নেতৃত্বের প্রতিও তার অঙ্গীকার তাকে একজন উদীয়মান বৈশ্বিক একাডেমিক নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। গ্লোবাল রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ডসের মুখপাত্র অ্যালেক্স স্টার্লিং বলেন, ড. মোহাম্মদ আবু জায়েদ বৈজ্ঞানিক কঠোরতা, নৈতিক নেতৃত্ব এবং দূরদর্শী উদ্ভাবনের এক অনন্য সমন্বয়ের উদাহরণ। টেকসই জ্বালানি ও পরিবেশগত সমাধান নিয়ে তার কাজই এই পুরস্কারের মূল চেতনাকে প্রতিনিধিত্ব করে। এর আগে ড. মো. আবু জায়েদ ‘ওবাদা ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ’ অর্জন করেও আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। নতুন এই স্বীকৃতি তার গবেষণা ও নেতৃত্বের ধারাবাহিক সাফল্যের আরেকটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এদিকে টেকসই জ্বালানি গবেষণায় বিশ্বসেরার আসন ধরে রেখে নতুন ইতিহাস গড়া সানওয়ে ইউনিভার্সিটির বিশিষ্ট বিজ্ঞানী বাংলাদেশি অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান বলেন, ড. মো. আবু জায়েদ একজন বাংলাদেশি গবেষকের এ অর্জন দেশের জন্যও গৌরবের। আন্তর্জাতিক গবেষণা ও উদ্ভাবনের অঙ্গনে বাংলাদেশি তরুণ গবেষকদের সম্ভাবনা তুলে ধরতেও এ সাফল্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।  

২ ঘন্টা আগে
বিদেশি নাগরিকদের জন্য রেসিডেন্সি কার্ড বাধ্যতামূলক করল মিশর সরকার

মিশর সরকার দেশটিতে অবস্থানরত সব বিদেশি নাগরিককে তাদের আইনগত অবস্থান দ্রুত নিয়মিত করার এবং সদ্য চালু করা স্মার্ট রেসিডেন্সি কার্ড সংগ্রহের আহ্বান জানিয়েছে।    একই সঙ্গে কঠোর সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, বৈধ রেসিডেন্সি বা সরকার-স্বীকৃত অব্যাহতি কার্ড ছাড়া কোনো বিদেশি নাগরিক আর রাষ্ট্রীয় সেবা গ্রহণ করতে পারবেন না।  মঙ্গলবার প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মিশরের জেনারেল ডিরেক্টরেট অব পাসপোর্টস, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি বিভাগ জানায়, দেশটিতে বসবাসরত সকল বিদেশিকে দ্রুত তাদের রেসিডেন্সি পারমিট নবায়ন এবং নতুন স্মার্ট রেসিডেন্সি কার্ড গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করতে হবে।  সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ভবিষ্যতে কেবলমাত্র বৈধ রেসিডেন্সি বা অব্যাহতি কার্ডধারীরাই স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, ব্যাংকিং, চাকরি সংক্রান্ত প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য প্রশাসনিক সেবা গ্রহণের যোগ্য হবেন। এই নিয়ম কার্যত রাষ্ট্রীয় সেবায় প্রবেশাধিকারকে বৈধ অভিবাসন নথির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করছে। যেসব বিদেশি নাগরিক রেসিডেন্সি ফি থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন, তাদেরও বাধ্যতামূলকভাবে তথ্য নিবন্ধন করে সরকার-প্রদত্ত অব্যাহতি কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই উদ্যোগ মূলত রাষ্ট্রীয় সেবা ব্যবস্থাকে ডিজিটাল, সুশৃঙ্খল এবং স্বচ্ছ করার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।  এই কঠোর নীতিমালা ২০২৩ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে মিশরে অবস্থানরত লক্ষাধিক বিদেশি নাগরিক যাদের মধ্যে শরণার্থী, অভিবাসী, শিক্ষার্থী এবং প্রবাসীরাও অন্তর্ভুক্ত তাদের আইনগত অবস্থান নিয়ন্ত্রণ ও হালনাগাদ করা হচ্ছে।  ২০২৩ সালের আগস্টে মিশর সরকার ঘোষণা করে, অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশিদের বৈধতা অর্জনের জন্য ১,০০০ মার্কিন ডলার প্রশাসনিক ফি প্রদান এবং একজন মিশরীয় হোস্টের প্রমাণ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক হবে। পরবর্তীতে এ সময়সীমা একাধিকবার বাড়ানো হয়, যা সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত কার্যকর ছিল।  সরকারি সূত্রগুলো বলছে, এসব নীতিমালা বাস্তবায়নের ফলে এখন দেশজুড়ে রেসিডেন্সি যাচাই প্রক্রিয়া আরও কঠোর করা হয়েছে। এর ফলে অনেক বিদেশি নাগরিক, বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থান করছেন, তারা নতুন নিয়মের আওতায় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন।  স্থানীয় সূত্র ও প্রবাসীদের তথ্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের কিছু নাগরিকও বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই মিশরে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও এ বিষয়ে সরকারিভাবে আলাদা কোনো দেশের পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি, তবে কর্তৃপক্ষ সবাইকে সমানভাবে আইন মানার আহ্বান জানিয়েছে।  আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM) এর তথ্য অনুযায়ী, মিশরে বর্তমানে প্রায় ৯.১ মিলিয়ন বিদেশি নাগরিক বসবাস করছে, যারা ১৩৩টি দেশের নাগরিক। এর মধ্যে সুদান, সিরিয়া, ইয়েমেন ও লিবিয়ার নাগরিকদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি। বিশেষ করে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে সুদানে সংঘাত শুরু হওয়ার পর বিপুল সংখ্যক বাস্তুচ্যুত মানুষ মিশরে প্রবেশ করে, যার ফলে বিদেশি জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।  মিশরীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো জাতীয় ডাটাবেস হালনাগাদ করা, অভিবাসন ব্যবস্থাকে ডিজিটাল কাঠামোর মধ্যে আনা এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপের মধ্যে সরকারি সেবার কার্যকারিতা ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা।  লেখক: শিক্ষার্থী, আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো, মিশর

২ ঘন্টা আগে
২০৩০ বিশ্বকাপে নতুন নিয়ম, চ্যাম্পিয়নস লিগের আদলে ইউরোপের বাছাই

২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দুই স্তরের বাছাইপর্বের প্রক্রিয়া তৈরি করতে যাচ্ছে ইউয়েফা। নতুন এই নিয়মের ফলে সান মারিনো, জিব্রাল্টার কিংবা অ্যান্ডোরার মতো দুর্বল বা ছোট দলগুলোর বিপক্ষে ইউরোপের বড় ফুটবল পরাশক্তিদের আর মাঠে নামতে হবে না।   বাছাইপর্বের একপেশে ও কম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচগুলো বাদ দেওয়ার জন্য ফুটবল বিশ্লেষক ও সমালোচকেরা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছিলেন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৮ নেশনস লিগের র‍্যাঙ্কিংয়ের ওপর ভিত্তি করে শীর্ষ ৩৬টি দেশকে 'লিগ ১'-এর অধীনে ১২টি দল করে মোট ৩টি গ্রুপে ভাগ করা হবে। অন্যদিকে, বাকি ১৮টি দেশ খেলবে সম্পূর্ণ আলাদা একটি টুর্নামেন্টে। ধারণা করা হচ্ছে, এই পদ্ধতি দুর্বল দলগুলোর জন্য আরও বেশি ন্যায়সঙ্গত হবে, যেখানে তাদের ম্যাচ জেতার বা ভালো ফলাফল করার সুযোগ থাকবে অনেক বেশি। বিশ্বকাপের এই বাছাইপর্বের পুরো প্রক্রিয়াটি চ্যাম্পিয়নস লিগের বর্তমান ফরম্যাটের আদলে সাজানো হয়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে যেখানে কোনো কোনো দেশকে ৬টি আবার কোনো কোনো দেশকে ৮টি ম্যাচ খেলতে হয়েছে, নতুন নিয়মে এখন সব দলকেই সমান ৬টি করে ম্যাচ খেলতে হবে। ১২টি দলের একেকটি গ্রুপে থাকা প্রতিটি দল ৬টি ভিন্ন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ৩টি হোম এবং ৩টি অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবে। এই প্রতিপক্ষগুলো নির্ধারণ করা হবে পটের ভিত্তিতে—প্রতিটি পট থেকে দুটি করে দল প্রতিপক্ষ হিসেবে মিলবে। এর ফলে গ্রুপ পর্বের চেনা ফরম্যাট—যেখানে একই গ্রুপের সব দল একে অপরের বিরুদ্ধে হোম ও অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলত—সেই প্রথা উঠে যাচ্ছে। 'লিগ ১'-এর প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ বা সেরা র‍্যাঙ্কিংয়ের দলগুলো সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট পাবে। আর বাকি জায়গাগুলো নির্ধারণ করা হবে প্লে-অফের মাধ্যমে। তবে কতটি দল সরাসরি সুযোগ পাবে, সেই সুনির্দিষ্ট সংখ্যাটি উয়েফা এখনো চূড়ান্ত করেনি। বাকি থাকা তলানির ১৮টি দেশ অংশ নেবে 'লিগ ২'-এ। বর্তমান নেশনস লিগের ফরম্যাট অনুযায়ী হিসাব করলে—'লিগ সি'-র গ্রুপ চ্যাম্পিয়নরা ছাড়া বাকি সব দল এবং 'লিগ ডি'-র ৭টি দেশই মূলত এই স্তরে খেলবে। তবে 'লিগ ২'-এ খেললেও এই ছোট দেশগুলোর সামনেও প্লে-অফের মাধ্যমে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করার সুযোগ থাকবে। ইউয়েফা সভাপতি আলেকসান্দার সেফেরিন বলেন, ‘নতুন এই ফরম্যাট প্রতিযোগিতার ভারসাম্য আরও উন্নত করবে, গুরুত্বহীন বা ডেড ম্যাচের সংখ্যা কমাবে এবং ফুটবলপ্রেমীদের আরও আকর্ষণীয় ও গতিময় এক প্রতিযোগিতা উপহার দেবে। একই সাথে আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডারে অতিরিক্ত কোনো ম্যাচের দিন (ডেট) না বাড়িয়েই এটি সব দলের জন্য চূড়ান্ত পর্বে যাওয়ার সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে।’ উয়েফা আরও ঘোষণা করেছে যে, ২০২৮ সাল থেকে নেশনস লিগের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হবে। নতুন নিয়মে টুর্নামেন্টটি ১৮টি করে দল নিয়ে মোট ৩টি স্তরে বিভক্ত হবে—যেখানে প্রতি ডিভিশনে ৬টি করে দল নিয়ে ৩টি গ্রুপ থাকবে। দলগুলোকে আগের মতোই ৬টি ম্যাচ খেলতে হবে, তবে প্রতিপক্ষ থাকবে ৫টি ভিন্ন দল। এখানে ৬টি করে দল নিয়ে মোট ৩টি পট করা হবে। উদাহরণস্বরূপ—১ নম্বর পটে থাকা একটি দল, একই পটের অন্য একটি দলের বিপক্ষে হোম ও অ্যাওয়ে (নিজেদের মাঠে ও প্রতিপক্ষের মাঠে) ভিত্তিতে দুটি ম্যাচ খেলবে। এর পাশাপাশি ২ নম্বর ও ৩ নম্বর পট থেকে দুটি করে দলের বিপক্ষে (হোম অথবা অ্যাওয়ে ভিত্তিতে) বাকি ম্যাচগুলো খেলবে। তবে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল, ফাইনাল এবং দলগুলোর উন্নতি ও অবনমন প্রক্রিয়া আগের নিয়মেই চালু থাকবে।

২ ঘন্টা আগে
আইপিএলে খেলতে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পেলেন আমির

পাকিস্তানের সাবেক বাঁ-হাতি পেসার মোহাম্মদ আমির যুক্তরাজ্যের পাসপোর্ট পেয়ে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন। এতে সাবেক এই পেসার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।   সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমির ইনস্টাগ্রামে তার জাতীয়তা পরিবর্তনের বিষয়ে একটি পোস্ট পুনরায় শেয়ার করেন। এর আগেও এই ফাস্ট বোলার আইপিএলে খেলার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। ৩৪ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার ব্রিটিশ নাগরিক নারজিস খানকে বিয়ে করার পর দেশটির নাগরিকত্ব লাভ করেন। ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির বিজয়ী আমির এর আগে জানিয়েছিলেন,যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তিনি ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করবেন না। তিনি পাকিস্তানের প্রতি তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের সুযোগের দরজা খোলা রাখেন। গত বছর পাকিস্তানের জিও নিউজের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এই পেসার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, অদূর ভবিষ্যতে তিনি আইপিএলের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন। তিনি বলেন, আগামী বছরের মধ্যে আমি আইপিএলে খেলার সুযোগ পাব এবং সুযোগ পেলে কেন নয়? আমি আইপিএলে খেলব। নির্বাচিত হলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি)-তে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন আমির। একই আলোচনায় পাকিস্তানের সাবেক ব্যাটসম্যান আহমেদ শেহজাদ মন্তব্য করেন, ফ্র্যাঞ্চাইজিটি আমিরের অভিজ্ঞতা থেকে উপকৃত হতে পারে, বিশেষ করে তাদের বোলিং আক্রমণকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে। উল্লেখ্য,পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে তিক্ত রাজনৈতিক সম্পর্কের কারণে ২০০৮ সাল থেকে পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা আইপিএলে অংশগ্রহণ করেছন না। সাবেক অলরাউন্ডার আজহার মাহমুদই একমাত্র পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার যিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও আইপিএলে খেলেছেন।

২ ঘন্টা আগে
প্রতীকী ছবি : সংগৃহীত
জাতীয়
দেশের ইতিহাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২০ মে) রাত ৯টায় সারাদেশে সর্বকালের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড গড়েছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিএলসি)।   পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, রাত ৯টায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ উৎপাদন দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। উৎপাদন হয়েছে ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন ব্যবস্থার সমন্বিত উদ্যোগ, জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি এবং জাতীয় গ্রিডের স্থিতিশীলতার কারণে এই নতুন রেকর্ড সম্ভব হয়েছে। এর আগে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড ছিল ১৬ হাজার ৭৯৪ মেগাওয়াট, যা ২০২৫ সালের ২৩ জুলাই অর্জিত হয়েছিল। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি সারাদেশে সুষ্ঠুভাবে এই রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ সঞ্চালন করেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রসমূহ এবং সংশ্লিষ্ট সব বিতরণ সংস্থার সমন্বিত প্রয়াসে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২১, ২০২৬

গবেষক ড. মো. আবু জায়েদ। ছবি: সংগৃহীত
জ্বালানি ও পরিবেশ গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি গবেষক

মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি গবেষক ড. মো. আবু জায়েদ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক গবেষণায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি লাভ করেছেন মর্যাদাপূর্ণ ‘২০২৬ গ্লোবাল রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড।’   তিনি মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধীনস্থ রিসার্চ সেন্টার ফর ন্যানো-ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড এনার্জি টেকনোলজি (আরসিএনএমইটি)-এর গবেষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। আন্তর্জাতিক এ পুরস্কারটি তাকে প্রদান করা হয়েছে জ্বালানি ও পরিবেশ গবেষণায় অসাধারণ অবদান, আন্তঃবিষয়ক উদ্ভাবন এবং নৈতিক একাডেমিক নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ। তার গবেষণায় শিল্পখাতের বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সমন্বয় ঘটিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় টেকসই ও কার্যকর সমাধান উদ্ভাবনের চেষ্টা করা হয়েছে। ড. মো. আবু জায়েদের গবেষণার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এটি শুধু গবেষণাগারভিত্তিক নয়, বরং শিল্প ও সমাজে বাস্তব প্রয়োগযোগ্য প্রযুক্তি উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে তার কাজ আন্তর্জাতিক গবেষণা মহলে প্রশংসিত হয়েছে। গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষার্থী কল্যাণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলা এবং মূল্যবোধনির্ভর নেতৃত্বের প্রতিও তার অঙ্গীকার তাকে একজন উদীয়মান বৈশ্বিক একাডেমিক নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। গ্লোবাল রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ডসের মুখপাত্র অ্যালেক্স স্টার্লিং বলেন, ড. মোহাম্মদ আবু জায়েদ বৈজ্ঞানিক কঠোরতা, নৈতিক নেতৃত্ব এবং দূরদর্শী উদ্ভাবনের এক অনন্য সমন্বয়ের উদাহরণ। টেকসই জ্বালানি ও পরিবেশগত সমাধান নিয়ে তার কাজই এই পুরস্কারের মূল চেতনাকে প্রতিনিধিত্ব করে। এর আগে ড. মো. আবু জায়েদ ‘ওবাদা ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ’ অর্জন করেও আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। নতুন এই স্বীকৃতি তার গবেষণা ও নেতৃত্বের ধারাবাহিক সাফল্যের আরেকটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এদিকে টেকসই জ্বালানি গবেষণায় বিশ্বসেরার আসন ধরে রেখে নতুন ইতিহাস গড়া সানওয়ে ইউনিভার্সিটির বিশিষ্ট বিজ্ঞানী বাংলাদেশি অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান বলেন, ড. মো. আবু জায়েদ একজন বাংলাদেশি গবেষকের এ অর্জন দেশের জন্যও গৌরবের। আন্তর্জাতিক গবেষণা ও উদ্ভাবনের অঙ্গনে বাংলাদেশি তরুণ গবেষকদের সম্ভাবনা তুলে ধরতেও এ সাফল্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।  

ছবি : সংগৃহীত
বিশ্ববাজারে এক দিনে কয়েক দফায় কমলো তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশাবাদী মন্তব্য করার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কয়েক দফায় কমেছে। সর্বশেষ ৫ শতাংশের বেশি কমে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। বুধবার আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম নেমে এসেছে প্রতি ব্যারেল ১০৫ দশমিক ৭০ ডলারে। বুধবার ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, তেহরান শান্তিচুক্তিতে রাজি না হলে আরও হামলার মুখোমুখি হতে পারে। বিনিয়োগকারীরা ধারণা করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমলে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে আশঙ্কাও কমবে। এর প্রভাবেই তেলের দামে বড় পতন দেখা গেছে।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি : সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালি নিয়ে চীন ও রাশিয়ার যৌথ বিবৃতি, নতুন কূটনৈতিক বার্তা

হরমুজ প্রণালি নিয়ে চীন ও রাশিয়া এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সরবরাহ জলপথে একতরফাভাবে হস্তক্ষেপ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে দুই দেশ।   বুধবার (২০ মে ) ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কিছু নির্দিষ্ট রাষ্ট্র, আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট এবং তাদের মিত্রদের একতরফা পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক নৌপরিবহনকে বাধাগ্রস্ত করছে। এমন হস্তক্ষেপের ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ জলপথের অখণ্ডতা এবং সামগ্রিকভাবে সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য হুমকি সৃষ্টি হয়েছে। যদিও বিবৃতিতে নির্দিষ্ট করে কোনো গুরুত্বপূর্ণ জলপথের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে এটি হরমুজ প্রণালির দিকে ইঙ্গিত করেই দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বন্দরসহ সামুদ্রিক অবকাঠামোতে সহযোগিতা বাজারভিত্তিক ও বাণিজ্যিক নীতির ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত, যাতে রাজনৈতিকীকরণ এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা চেষ্টা এড়ানো যায়। এদিকে, প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল বহনকারী দুটি চীনা ট্যাংকার বুধবার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। কেপলার এবং এলএসজিএ’র শিপিং ডেটা অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের অপরিশোধিত তেলবাহী দুটি চীনা সুপারট্যাংকার পারস্য উপসাগরে দুই মাসের বেশি সময় অপেক্ষার পর বুধবার হরমুজ প্রণালি ত্যাগ করে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে অল্প কয়েকটি জাহাজ এই জলপথ অতিক্রম করেছে, তবে সফলভাবে চলাচল পুনরায় শুরু হওয়া এবং হোয়াইট হাউসের ক্রমশ নরম সুরে অবস্থানের ফলে তেলের দামে সামান্য পতন দেখা গেছে। মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, ইরানের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তি সন্নিকটে রয়েছে, তবে তিনি উল্লেখ করেন যে কোনো চুক্তি হলে তা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখবে। সুত্র : বিবিসি

ছবি : সংগৃহীত
যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে বিশ্বজুড়ে, ইরানের কড়া বার্তা

ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র আবার হামলা চালালে যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আবার সামরিক অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত থেকে মাত্র এক ঘণ্টা দূরে’— এমন মন্তব্যে ইরানের পক্ষ থেকে বুধবার এমন হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন একটি প্রস্তাব দিয়েছে, তবে তাদের প্রকাশ্য বক্তব্যে এমন শর্ত পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে, যেগুলো ট্রাম্প আগেই প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে— হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ, যুদ্ধক্ষতির ক্ষতিপূরণ, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করা এবং অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার। ট্রাম্প সোমবার জানান, তিনি নতুন বোমা হামলার নির্দেশ দেওয়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন, কিন্তু কূটনীতির জন্য আরও সময় দিতে শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন। পরবর্তীতে মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আজ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমি এক ঘণ্টা দূরে ছিলাম।’ ইরান বারবার হুমকি দিয়েছে যে নতুন কোনো হামলা হলে তারা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি থাকা দেশগুলোতে পাল্টা আঘাত হানবে। বুধবার তারা ইঙ্গিত দেয় যে, এবার অঞ্চলটির বাইরেও লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হতে পারে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন পুনরাবৃত্তি হলে প্রতিশ্রুত আঞ্চলিক যুদ্ধ এবার অঞ্চল ছাড়িয়ে বিস্তৃত হবে। এদিকে, জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে নভেম্বরের কংগ্রেস নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি চাপের মুখে রয়েছে। এপ্রিলের শেষ দিকে যুদ্ধবিরতির পর থেকে ট্রাম্পের প্রকাশ্য মন্তব্যে কখনও নতুন করে বোমা হামলার হুমকি, আবার কখনও শান্তিচুক্তি আসন্ন—এমন দাবি শোনা গেছে। মঙ্গলবার তিনি বলেন, যুদ্ধ ‘খুব দ্রুত’ শেষ হয়ে যাবে। গত মাসে অনুষ্ঠিত একমাত্র শান্তি আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বদানকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও অগ্রগতির কথা বলেন। হোয়াইট হাউস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে বেশ ভালো অবস্থানে আছি।’ যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের এই ওঠানামা তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে। যদিও মে মাসের শুরু থেকে সপ্তাহভিত্তিক দাম বাড়ছেই। এক মাস মেয়াদি বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম বুধবার সকালে প্রায় ১.৫% কমে ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারের সামান্য নিচে নেমেছে, তবে এখনও তা গত সপ্তাহের তুলনায় অনেক বেশি।

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নিহত ১৬
মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২০, ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত এবং ১৫ জনের বেশি আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার লেবাননের চিকিৎসা ও স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।   টাইর জেলার দেইর কানুন আল-নাহর শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ ১০ জন নিহত হন। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও হতাহতদের উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসা সূত্র।   এছাড়া কফারসির শহরের আল-মাহফারা এলাকায় একটি বাড়িতে হামলায় দুই নারীসহ চারজন নিহত হন। হামলায় ভবনটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।   নাবাতিয়েহ জেলার হারুফ শহরে পৌর ভবনের কাছে ড্রোন হামলায় একজন নিহত হন। অন্যদিকে বিনত জবেইল জেলার ফ্রুন শহরে মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন হামলায় আরও একজন নিহত হয়েছেন।   এদিন ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান কফাররিমান, কাফরা, কফারদৌনিন, আল-শাহাবিয়া, আল-রাইহান, জাওতার আল-শারকিয়া, আল-কুসাইবা, দেইব্বিন, মারাকা, আল-বাজুরিয়া, আল-মাজাদেল, আল-হাউশ-টাইর এলাকা, দেইর কানুন আল-নাহর এবং নাবাতিয়েহ শহরেও হামলা চালায়।   অন্যদিকে ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক অবস্থানে ধারাবাহিক হামলার দাবি করেছে হিজবুল্লাহ। সংগঠনটি জানিয়েছে, তারা দোভিভ বসতিতে অবস্থান নেওয়া ইসরায়েলি সেনাদের ওপর আত্মঘাতী ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এছাড়া মিসগাভ আম এলাকায় একটি সামরিক যানও ড্রোন দিয়ে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।   ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, মিসগাভ আমের কাছে একটি গাড়িতে হামলায় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।   হিজবুল্লাহ আরও দাবি করেছে, তারা তাইবেহ শহরের একটি ইসরায়েলি সামরিক যোগাযোগযান লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে এবং রেশাফ এলাকায় সেনা ও সামরিক যানবাহিনীর সমাবেশে রকেট নিক্ষেপ করেছে।   সংগঠনটি উত্তর ইসরায়েলের আরব আল-আরামশে গ্রামের পশ্চিমে এবং রাস আল-নাকৌরা নৌঘাঁটিতেও আত্মঘাতী ড্রোনের ঝাঁক ব্যবহার করে হামলার কথা জানিয়েছে। এছাড়া জাল আল-আলাম এলাকায় একটি আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা প্ল্যাটফর্ম ধ্বংসেরও দাবি করেছে তারা।   লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত দেশটিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৪২ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন আরও ৯ হাজার ৩০১ জন।   অন্যদিকে ইসরায়েলি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লেবানন সীমান্তে সংঘর্ষ পুনরায় শুরুর পর থেকে ১ হাজার ৪৩ জন ইসরায়েলি সেনা কর্মকর্তা ও সদস্য আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৯ জনের অবস্থা গুরুতর এবং ১২২ জন মাঝারি ধরনের আহত।   সূত্র : শাফাক নিউজ

ছবি : সংগৃহীত
সাংবাদিকতার আড়ালে গুপ্তচরবৃত্তি, ইরানের পুলিশের হাতে আটক ২
মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২০, ২০২৬

সাংবাদিকতার আড়ালে সামরিক ও স্পর্শকাতর স্থাপনার তথ্য সংগ্রহ করে ‘শত্রুপক্ষের’ কাছে সরবরাহের অভিযোগে রাজধানী তেহরান থেকে দুজনকে আটক করেছে ইরানের পুলিশ। খবর শাফাক নিউজের।   মঙ্গলবার তেহরান গ্রেটার পুলিশ ইনফরমেশন সেন্টার এক বিবৃতিতে জানায়, জটিল গোয়েন্দা অভিযানের মাধ্যমে শহরের পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।   বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযুক্তরা মিডিয়া কর্মীর পরিচয় ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও নিরাপত্তা স্থাপনা সম্পর্কিত গোপন তথ্য সংগ্রহ ও বিদেশভিত্তিক নেটওয়ার্কে পাঠাতেন।   পুলিশের দাবি, আটক ব্যক্তিরা ইরানের ভেতর ও বাইরে পরিচালিত একটি সংগঠিত নেটওয়ার্কের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। তবে তাদের পরিচয়, সংশ্লিষ্ট বিদেশি সংস্থা বা কোন গণমাধ্যমের আড়ালে তারা কাজ করছিলেন, এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।   প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহার করে দেশের বাইরে পরিচালিত একটি অপারেশন রুমের সঙ্গে এনক্রিপটেড যোগাযোগ স্থাপন করেছিলেন। অভিযানের সময় একটি স্টারলিংক রিসিভারও জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।   এর আগে গত ১৪ মার্চ ইরানজুড়ে নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ২৭ জনকে আটক করা হয়। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছিল, আটক ১৩ জনের কাছ থেকে তিনটি স্টারলিংক টার্মিনাল উদ্ধার করা হয়েছিল।

ছবি : সংগৃহীত
বারাকাহ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার নিন্দা কুয়েতের
মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২০, ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অবস্থিত বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কুয়েত। দেশটির মন্ত্রিসভা এ ঘটনাকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছে। খবর শাফাক নিউজের।   মঙ্গলবার কুয়েত সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলা পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগজনক।   এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছয়টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে, যেগুলো বেসামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে পাঠানো হয়েছিল।   আবুধাবির দাবি, ১৭ মে বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা এবং পরবর্তী ঘটনাগুলোর তদন্তে দেখা গেছে, ড্রোনগুলো ইরাকের ভূখণ্ড থেকে ছোড়া হয়েছিল।   তবে ইরাক সরকার এ হামলার নিন্দা জানিয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে।   যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত শুরুর পর থেকে ইরাকভিত্তিক কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী দেশটির ভেতর ও বাইরে বিভিন্ন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার করেছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা।

ছবি : সংগৃহীত
আবার যুদ্ধ শুরু হলে থাকবে বড় চমক : ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২০, ২০২৬

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সতর্ক করে বলেছেন, আবার যুদ্ধ শুরু হলে সেখানে অনেক চমক অপেক্ষা করছে।   বুধবার দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর কয়েক মাস পর যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস বিলিয়ন ডলার মূল্যের বহু যুদ্ধবিমান হারানোর বিষয়টি স্বীকার করেছে।   আরাঘচি দাবি করেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীই প্রথমবারের মতো বহুল আলোচিত এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, যুদ্ধ থেকে আমরা যে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান অর্জন করেছি, তাতে ভবিষ্যতে যুদ্ধ ফিরে এলে আরও অনেক বিস্ময় দেখা যাবে।   অন্যদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, ইরানের সর্বশেষ পাল্টা প্রস্তাবে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যায়নি।   প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতীয় নিরাপত্তা দলের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইরান পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন। সেখানে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা হয়।   সূত্র : শাফাক নিউজ

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
বিশ্ব
অর্থনীতি