খেলাধুলা

এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ, শুধু নিয়মরক্ষার ম্যাচ বাংলাদেশের

আবরার আল মামুন সাহাফ মার্চ ১৯, ২০২৬ 0

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের আর কোনো সম্ভাবনা নেই। 'সি' গ্রুপ থেকে ইতোমধ্যে সিঙ্গাপুর এশিয়া কাপ নিশ্চিত করেছে। তাই ৩১ মার্চ সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচটি শুধুই নিয়মরক্ষার।

বাংলাদেশ দল আগামীকাল রাতে ভিয়েতনামের উদ্দেশ্যে রওনা হবে। আজ সন্ধ্যায় কিংস অ্যারেনায় বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ও কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা আসন্ন দুই ম্যাচ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন।

 

অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বলেন, "আমরা হংকংয়ের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচের প্রথমার্ধে যেমন খেলেছিলাম, তেমনই খেলব। ফরমেশন কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। আমরা আজ সেই অনুশীলনই করব।"

ম্যাচের কৌশল ও পরিকল্পনা সাধারণত কোচ-অধিনায়ক গোপন রাখেন। অধিনায়ক জামাল সেটা খোলাসা করে ভিন্ন কৌশল নাকি গোপনীয়তা ভাঙলেন, খানিকটা ধূম্রজাল সৃষ্টি করলেন।

বাংলাদেশ দল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে। এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অধিনায়ক বলেন, "এক ম্যাচে (হংকং) এ রকম হয়েছে। আমরা নিজেদের খেলা নিয়ে বেশি ভাবছি।"

 

সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে বাংলাদেশ ২৬ মার্চ ভিয়েতনামের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। ভিয়েতনাম র‌্যাংকিংয়ে সিঙ্গাপুরের চেয়ে এগিয়ে। শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত সহায়ক বলে মনে করেন কোচ, "সিঙ্গাপুরের আগে ভিয়েতনাম ম্যাচ আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দুই ম্যাচই তিন পয়েন্টের জন্য খেলব। যা আমরা সচারাচর করি।"

জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড শেখ মোরসালিন খানিকটা ইনজুরিতে ছিলেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার অবস্থা ভালোই মনে করছেন কোচ, "সে আমাদের সঙ্গে যাচ্ছে। টেস্টের পজিটিভ ফলাফল এসেছে। তিন-চার দিনের মধ্যে অনুশীলন করবে এবং দেখা যাক ভিয়েতনাম ম্যাচে কতক্ষণ খেলতে পারবে।"

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
পরিবারের সঙ্গে গৌতম গম্ভীর। ছবি : সংগৃহীত
৩ কোটি টাকার মামলা বিশ্বকাপজয়ী কোচের, কারণ কী?

চাকরির মতো কোচদের দিনকালও কাটে চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে। দলের ভালো পারফরম্যান্সে যেমন প্রশংসা পাওয়া যায়, তেমনি বাজে সময়ে ধেয়ে আসে একের পর এক সমালোচনার তির। শুধু এখানেই শেষ নয়। সামাজিক মাধ্যমে তাদের নিয়ে অসত্য ভিডিও, পোস্ট করা হয়। এমন ঘটনায় এবার মোটা অঙ্কের টাকা মানহানির মামলা করেছেন সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী কোচ গৌতম গম্ভীর।   কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রয়োগ করে বানোয়াট ছবি প্রচার করায় দিল্লি হাইকোর্টে গম্ভীর মামলা করেছেন বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলো অনুমতি ছাড়াই তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে পোস্টার এবং অন্যান্য পণ্য বিক্রি করায় মানহানি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। নাম-পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যেন ভবিষ্যতে এমন অসত্য খবর প্রচার করতে না পারেন, সেবারে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন। ২ কোটি ৫০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন ভারতের কোচ। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা। গম্ভীরের মামলায় ১৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ব্যক্তিগত সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, অ্যামাজন ও ফ্লিপকার্টের মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম এবং মেটা, এক্স কর্পোরেশন ও ইউটিউবের মালিক গুগলের মতো প্রযুক্তি সংস্থা এই তালিকায় রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বেশ কয়েকটি ক্লিপে তাকে এমন সব মন্তব্য করতে দেখানো হয়েছে যা তিনি কখনোই করেননি। পদত্যাগের ঘোষণা হিসেবে উপস্থাপিত ভিডিওটি ২৯ লাখের বেশি ভিউ হয়েছে। আরেকটি ভিডিওতে বিশ্বকাপে সিনিয়র ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণের ব্যাপারে গম্ভীর নাকি মন্তব্য করেছেন। এই ভিডিও ১৭ লাখের বেশি দেখা হয়েছে। ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং টেলিযোগাযোগ বিভাগও গম্ভীরের মামলার সঙ্গে জড়িত। এই মামলাটি ভারতের কপিরাইট আইন, ট্রেডমার্ক আইন এবং বাণিজ্যিক আদালত আইনের বিধানের উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। এতে দিল্লি হাইকোর্টের পূর্ববর্তী সেইসব রায়েরও উল্লেখ করেছে, অভিনেতা এবং প্রাক্তন ক্রিকেটারদের অধিকারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারগুলো বলবৎ করা হয়েছে। এআই সৃষ্ট বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রেও সেটা কার্যকরী হবে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ভারতের প্রধান কোচ হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন গম্ভীর। কোচ হিসেবে ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছেন তিনি। ২০২৩-২৫ চক্রের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের পথেও ভারত অনেকটা এগিয়ে ছিল। কিন্তু নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ভরাডুবি হওয়ায় তা আর সম্ভব হয়নি। এর আগে ক্রিকেটার হিসেবে ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ—দুটি আইসিসি ইভেন্টের শিরোপা জিতেছেন তিনি।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
২০১৫ সালে বিয়ে করেন দিনেশ-দীপিকা। ছবি : সংগৃহীত

আবারও বাবা হলেন কার্তিক, শুভেচ্ছায় ভাসালেন কোহলি-শিখররা

এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ, শুধু নিয়মরক্ষার ম্যাচ বাংলাদেশের

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ নয়, আমরা যুক্তরাষ্ট্র বয়কট করব : ইরান ফুটবল প্রধান

ছবি: সংগৃহীত
মেসির ৯০০তম গোল

আর্জেন্টিনার সুপারস্টার লিওনেল মেসি বুধবার তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ৯০০তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। যদিও তার দল ইন্টার মিয়ামি কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপ থেকে বিদায় নিয়েছে। ন্যাশভিলের সাথে ১-১ গোলে ড্র করার পর অ্যাওয়ে গোলের সুবাদে তারা বাদ পড়ে। ৩৮ বছর বয়সী মেসি ম্যাচের মাত্র সাত মিনিটে গোল করে শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে মিয়ামিকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। তবে ৭৪তম মিনিটে ন্যাশভিলের ক্রিস্টিনা এসপিনোজা সমতা ফেরান। এর ফলে দুই লেগ মিলিয়ে স্কোর দাঁড়ায় ১-১। ম্যাচের বাকি সময় মিয়ামিকে আটকে রেখে টেনেসির দলটি অ্যাওয়ে গোলের সুবিধায় কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে। মেসির গোলের পর যে ম্যাচটি উদযাপনের রাত হওয়ার কথা ছিল, সেটাই মিয়ামির জন্য হয়ে যায় হতাশার। এটি ছিল ফোর্ট লডারডেলের চেজ স্টেডিয়ামে ক্লাবটির শেষ ম্যাচ। ২০২৩ সালে ফ্লোরিডায় যোগ দেওয়ার পর থেকে মেসির এমএলএস চ্যাম্পিয়নদের হয়ে গোলসংখ্যা দাঁড়ালো ৮১।  আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকা কাতালান জায়ান্ট বার্সেলোনার হয়ে ৬৭২টি, ফ্রান্সের পিএসজির হয়ে ৩২টি এবং আর্জেন্টিনার হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচে ১১৫টি গোল করেছেন। ৯০০তম গোলটি আসে তার পেশাদার ফুটবলের প্রথম গোলের প্রায় ২১ বছর পর। ২০০৫ সালে ১৭ বছর বয়সে বার্সেলোনার হয়ে আলবাসেতের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানেরজয়ে তিনি প্রথম গোলটি করেছিলেন। ফুটবল ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে বিবেচিত মেসি এখনো পেছনে ফেলতে পারেননি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোকে, যার ক্যারিয়ার গোলসংখ্যা বর্তমানে ৯৬৫। মেসির ৯০০তম গোলের আগে ইন্টার মিয়ামির কোচ ও তার সাবেক সতীর্থ জেভিয়ার মাশেরানো বলেন, এই গোলসংখ্যা “অবিশ্বাস্য”। তিনি বলেন, “আমি ভাগ্যবান যে তার অনেক গোল খুব কাছ থেকে দেখেছি। এটা সত্যিই সৌভাগ্যের ব্যাপার। ৯০০ গোলের মতো সংখ্যা সত্যিই অবিশ্বাস্য, আর এ কারনেই লিও একেবারেই অনন্য।” বুধবারের ম্যাচটি ইন্টার মিয়ামির জন্য বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল। কারণ এটি ছিল তাদের চেজ স্টেডিয়ামে শেষ ম্যাচ। ২০২০ সালে মেজর লিগ সকারে যোগ দেওয়ার পর থেকে এই স্টেডিয়ামটি তাদের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আগামী মাসে দলটি ২৬,৭০০ আসনের নতুন একটি স্টেডিয়ামে স্থানান্তরিত হবে। এ বছর শেষে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ষষ্ঠবার অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি ইতোমধ্যে ইন্টার মিয়ামির সঙ্গে ২০২৮ মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চুক্তি বাড়িয়েছেন। মেসির গোল করার ক্ষমতা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বার্সেলোনার হয়ে ৭৭৮ ম্যাচে ৬৭২ গোল করেছেন। প্রতি ম্যাচে গড়ে তিনি ০.৮৬ গোল করেছেন এবং ক্লাবটিকে ৩৫টি শিরোপা জিততে সাহায্য করেছেন। পিএসজিতে তিনি ৭৫ ম্যাচে ৩২ গোল করেন এবং দুটি লিগ শিরোপাসহ তিনটি ট্রফি উপহার দিয়েছেন। মিয়ামির হয়ে ৯৬ ম্যাচে তার ৮১ গোল এসেছে। মেসির কল্যাণে দলটি ২০২৩ সালের লিগস কাপ ও ২০২৫ সালের এমএলএস কাপ জিতেছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১৯৬ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা ১১৫। যার মধ্যে ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে দুটি গোলও রয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট গোলসংখ্যায় তিনি এখন রোনাল্ডোর পরেই দ্বিতীয় স্থানে। ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলেকে প্রায়ই ১০০০-এর বেশি গোলের কৃতিত্ব দেওয়া হয়, যদিও সেই সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। অধিকাংশ পরিসংখ্যানবিদ তার মোট গোলসংখ্যা ৭৬২ বলে মনে করেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : রয়টার্স

আর্জেন্টিনার দল ঘোষণা : বাদ পড়লেন কারা, সুযোগ পেলেন কারা

ছবি : সংগৃহীত

পিএসএল খেলার ছাড়পত্র পেলেন কারা

সংগৃহীত ছবি

নেইমারের গোলের পরও হারল সান্তোস

ছবি : রয়টার্স
ইরানের ম্যাচ আয়োজন করতে প্রস্তুত মেক্সিকো

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ইরানের ম্যাচ আয়োজন ইস্যু। যুক্তরাষ্ট্রে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে মেক্সিকো ঘোষণা দিয়েছে, প্রয়োজন হলে তারা গ্রুপ ‘জি’-তে ইরানের ম্যাচগুলো আয়োজন করতে প্রস্তুত। গ্রুপ ‘জি’-তে ইরানের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড ও মিশর। সূচি অনুযায়ী, ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে ইরান। এরপর একই শহরে বেলজিয়ামের বিপক্ষে খেলবে তারা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি ২৬ জুন সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে হওয়ার কথা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য, ইরানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র নিরাপদ নাও হতে পারে, বিষয়টিকে আরো জটিল করে তুলেছে। তার এই বক্তব্য ক্রীড়া ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেনবাম জানিয়েছেন, যদি নিরাপত্তাজনিত কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাচ আয়োজন সম্ভব না হয়, তাহলে তারা ইরানের ম্যাচগুলো নিজেদের দেশে আয়োজন করতে প্রস্তুত। এদিকে ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কোনো অবস্থাতেই তারা বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াবে না। তিনি বলেন, ‘আমরা যোগ্যতা অর্জন করেছি এবং এই আসরে অংশ নেওয়া আমাদের অধিকার। প্রয়োজনে আমরা মেক্সিকোতে ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত।’

মারিয়া রহমান মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

মেসির ৯০০ গোলের মাইলফলক, তবু হতাশায় ইন্টার মায়ামির বিদায়

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপ প্লে-অফে ইতালির বড় ধাক্কা

ছবি : সংগৃহীত

গোলবন্যায় নিউক্যাসলকে ভাসিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বার্সেলোনা

0 Comments