বিনোদন

সোনার বাংলা সার্কাসের একক কনসার্ট ‘বিদায় হায়েনা এক্সপ্রেস’

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ১৬, ২০২৫

ব্যান্ডদল সোনার বাংলা সার্কাস আগামী ১৭ অক্টোবর ঢাকার দ্য রাশিয়ান হাউজে (সাবেক রাশিয়ান কালচারাল সেন্টার—আরসিসি) আয়োজন করতে যাচ্ছে তাদের একক কনসার্ট ‘বিদায় হায়েনা এক্সপ্রেস’। এই লাইভ কনসার্টের মধ্য দিয়েই শেষ হচ্ছে ব্যান্ডটির জনপ্রিয় অ্যালবাম ‘হায়েনা এক্সপ্রেস’–এর সিরিজ একক পারফরম্যান্স।

 

ব্যান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিগগিরই তারা নতুন অ্যালবাম ‘মহাশ্মশান’ প্রকাশ করতে যাচ্ছে। অ্যালবামটি প্রকাশের পর সোনার বাংলা সার্কাস সারাদেশে নতুন গান নিয়ে একক কনসার্টের আয়োজন করবে।

 

‘বিদায় হায়েনা এক্সপ্রেস’ মূলত ব্যান্ডটির জনপ্রিয় অ্যালবাম ‘হায়েনা এক্সপ্রেস’–এর লাইভ পারফরম্যান্স। গত চার বছরে ব্যান্ডটি ঢাকায় তিনবারসহ খুলনা বাদে দেশের প্রায় সব বিভাগীয় শহরে ‘হায়েনা এক্সপ্রেস এক্সপেরিয়েন্স’ কনসার্ট আয়োজন করেছে।

 

ব্যান্ডের ভোকাল, গিটারিস্ট ও গীতিকার প্রবর রিপন বলেন,

“কোনো ব্যান্ডকে ভালোভাবে চেনার উপায় তাদের অ্যালবাম ও একক কনসার্ট। সাধারণ লাইন-আপ কনসার্টে সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে শ্রোতারা অনেক সময় অতৃপ্ত থেকে যান। তাই আমরা নিজেরাই একক কনসার্ট আয়োজন করি—যেখানে পূর্ণ সময় নিয়ে গান পরিবেশন করা যায় এবং আমাদের প্রকৃত শ্রোতারাই উপস্থিত থাকেন। খুলনা ছাড়া সব বিভাগীয় শহরে কনসার্ট করেছি, কারণ খুলনায় উপযুক্ত ভেন্যু পাওয়া যায়নি।”

 

ব্যান্ডের সদস্যরা জানিয়েছেন, কনসার্টের সব টিকিট ইতোমধ্যেই বিক্রি শেষ হয়েছে। এই আয়োজনে ‘হায়েনা এক্সপ্রেস’-এর সব গান ছাড়াও নতুন অ্যালবাম ‘মহাশ্মশান’–এর কয়েকটি গানও পরিবেশন করা হবে। তারা বর্তমানে প্র্যাকটিস প্যাডে প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

 

‘বিদায় হায়েনা এক্সপ্রেস’ কনসার্টে গান ছাড়াও থাকবে নানা চমক—কবিতা, পারফর্মিং আর্ট, জোকারদের অভিনয়সহ আরও অনেক কিছু। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এই কনসার্টে সংগীত, লাইট ডিজাইন ও ভিডিও প্রজেকশন—সবকিছুতেই থাকছে বিশেষ আয়োজন, যেটিকে ব্যান্ডটি বলছে “কনসেপ্টচুয়াল কনসার্ট”।

 

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয় সোনার বাংলা সার্কাসের প্রথম অ্যালবাম ‘হায়েনা এক্সপ্রেস’। ‘এপিটাফ’, ‘অন্ধ দেয়াল’ ও ‘মৃত্যু উৎপাদন কারখানা’–এর মতো গান তরুণ শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ইতিমধ্যে ব্যান্ডটি দেশ-বিদেশে দুই শতাধিক কনসার্টে অংশ নিয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক এমির চূড়ান্ত তালিকায় বাংলাদেশের ‘হাসিনা: ৩৬ ডেজ ইন জুলাই’

বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের ৩৬ দিনের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘হাসিনা: ৩৬ ডেজ ইন জুলাই’ আন্তর্জাতিক এমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেয়েছে।   ২০২৬ সালের ইন্টারন্যাশনাল এমি অ্যাওয়ার্ডের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স বিভাগে চূড়ান্ত মনোনয়ন তালিকায় স্থান পেয়েছে প্রামাণ্যচিত্রটি। এটি আল জাজিরার অনুসন্ধানী বিভাগ ‘আল জাজিরা ইনভেস্টিগেটস’-এর ব্যানারে নির্মিত এবং কাতারের প্রতিনিধিত্ব করছে।   প্রামাণ্যচিত্রটির প্রধান গবেষক ও ইনভেস্টিগেটর হিসেবে কাজ করেছেন বাংলাদেশি সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। মনোনয়নের খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন তিনি।   সায়ের জানান, এই স্বীকৃতি তাকে সম্মানিত ও আনন্দিত করেছে। একই সঙ্গে জুলাইয়ের আন্দোলনের কঠিন সময় পার করা শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ ও তাদের স্বজনদের এই কাজের প্রধান দাবিদার হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।   মনোনয়নের খবরে দেশের নির্মাতাদের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। নির্মাতা ও সাবেক সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সায়ের ও সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। নির্মাতা আশফাক নিপুণও অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন।   আন্তর্জাতিক এমি অ্যাওয়ার্ডের এবারের আসরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের টেলিভিশন, ড্রামা, রিপোর্ট ও প্রামাণ্যচিত্র প্রতিযোগিতা করবে। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের দেশগুলোর নির্মাণকে কেন্দ্র করে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।   আগামী ২৩ নভেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে আন্তর্জাতিক এমি অ্যাওয়ার্ডের ৫৪তম আসর। এবারের মনোনয়ন তালিকায় বিশ্বের ২২টি দেশের বিভিন্ন নির্মাণ ও শিল্পী স্থান পেয়েছেন।

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
মডেল-অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর শিরতাজ জাহান জেবিন। ছবি: সংগৃহীত

বাগদানের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী জেবিন

টালিউড অভিনেত্রী ইধিকা পাল ও জিৎ। ছবি: সংগৃহীত

দেবের পর এবার জিতের সঙ্গে জুটি বাঁধছেন ইধিকা

ছবি: সংগৃহীত

রাতে ভালো ঘুমের জন্য মানুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

ফাইল ছবি
হৃদয় জড়ানো অনুভূতি নিয়ে তমা মির্জার বার্তা

ঢালিউড অভিনেত্রী তমা মির্জা অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আর অভিনয়ের পাশাপাশি মন চলে যায় ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে। ব্যক্তিজীবনের নানা বিষয় নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে তার ভক্ত-অনুরাগীদের শেয়ার করে নেন তিনি। এবার তেমনই একটি পোস্ট শেয়ার করে নিলেন অভিনেত্রী, যা নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হয়ে পড়ে।   এদিকে সম্প্রতি তমা মির্জা করপোরেট জীবনেও পা রেখেছেন। একটি বেসরকারি ব্যাংকে যোগ দেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে নতুন করে আলোচনায় আসেন তিনি। এর মধ্যেই তার নতুন এই পোস্ট ভক্ত-অনুরাগীদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।   এবার কয়েকটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। সেই পোস্টে একটি আবেগঘন ক্যাপশন দিয়েছেন তমা মির্জা। সেই আবেগপ্রবণ পোস্টও ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে কৌতূহল জন্ম নিয়েছে।   পোস্ট করা ছবিতে দেখা গেছে, কালো রঙের ফুলেল নকশার পোশাকে বেশ স্নিগ্ধ সাজে তমা মির্জা। খোলা চুল, কপালে ছোট টিপ, আর মিষ্টি হাসিতে ক্যামেরার সামনে ধরা দিয়েছেন অভিনেত্রী। আর  তার সেই পোস্ট করা ছবির চেয়ে বেশি কৌতূহল জেগেছে তার ক্যাপশন। তিনি লিখেছেন— ‘বোকা আমি নাকি বোকা এ মন, হৃদয় জড়ালে আমায় কখন।’   তমা মির্জার এই আবেগঘন পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে নেটিজেনদের মাঝে নানা আলোচনা। ভক্ত-অনুরাগীরাও মন্তব্যে নিজেদের অনুভূতি জানিয়েছেন। এক নেটিজেন লিখেছেন— ‘ভালোবাসলে মানুষ বোকাই হয়।’ আরেক নেটিজেন লিখেছেন—‘মানুষ না, মনটাই বোকা কিংবা সরল হয়।’

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যরাতে মেকআপহীন ছবি পোস্ট সাদিয়ার

ফাইল ছবি

দুবাইয়ে বর্ষবরণে মঞ্চ মাতাবেন কেটি পেরি

২ হাজার ৪৯০ কোটির ধাক্কা সামলেও ধনীদের তালিকায় শীর্ষে শাহরুখ

রিফাত চৌধুরী
গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিনেতা রিফাত চৌধুরী

একসময় বাংলা নাটকের পর্দায় যার অভিনয় মুগ্ধ করত দর্শকদের, সেই অভিনেতা রিফাত চৌধুরী এখন হাসপাতালের কেবিনে শয্যাশায়ী। গুরুতর অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর শুরুতে বেডও জোটেনি। দুই দিন ফ্লোরে কাটানোর পর অবশেষে মিলেছে কেবিন।     সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি সামনে আসার পর শোবিজ অঙ্গনে রিফাত চৌধুরীর অসুস্থতা ও সংকট নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এরপরই সোমবার রাতে তাকে হাসপাতালের একটি কেবিনে স্থানান্তর করা হয়।     মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন রিফাত চৌধুরী। তিনি জানান, গতকাল সোমবার রাতে আমাকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে। এখন বেড রেস্টে রয়েছি, সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আমার ফাইল দেখে চিকিৎসা শুরু করা হবে।     তবে শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি এখন অভিনেতার সামনে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে চিকিৎসার খরচ।     এ অভিনেতার পাশে শুরু থেকেই রয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ও কবি অমিতাভ অরণ্য। তিনি জানান, রিফাত চৌধুরীর চিকিৎসার জন্য এখন আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন। অভিনেতার নিজের কোনো ব্যাংক বা বিকাশ অ্যাকাউন্ট না থাকায় সহযোগিতা করতে আগ্রহীরা অমিতাভ অরণ্যের বিকাশ পারসোনাল অ্যাকাউন্টে অনুদান পাঠাতে পারবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।     তার কথায়, কেউ যদি সহযোগিতা করতে চান, আমার বিকাশ পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট ০১৯৩৪-৭৪১৪৫০ নম্বরে অনুদান পাঠাতে পারেন। সেটা যথাযথভাবে রিফাত ভাইয়ের কাছে পৌঁছে যাবে।     অমিতাভ অরণ্য আরও জানান, রিফাত চৌধুরী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন ইউনিট-৩-এর দশম তলার ১০৩ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন। বেশিরভাগ পরীক্ষা ইতোমধ্যে করা হয়েছে। বুধবার আরও দুটি পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর মূল চিকিৎসা শুরু হবে।       মূলত পা ও কোমরের সমস্যায় ভুগছেন রিফাত চৌধুরী। ঠিকমতো হাঁটাচলা করতে পারেন না। পরিবার থেকেও বহুদিন ধরে তিনি বিচ্ছিন্ন। ফলে অনেকটা একাকী জীবন কাটাচ্ছিলেন এই অভিনেতা। অসুস্থতার মধ্যেও শেষ পর্যন্ত একাই হাসপাতালে ছুটে যেতে হয়েছে তাকে।

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

সামাজিক মাধ্যম ছাড়ায় আর্থিক ক্ষতি, তবু মানসিক প্রশান্তিতে অভিনেত্রী

সংগৃহীত ছবি

মাতৃত্বের পর বদলে গেছে শরীর, অকপট ক্যাটরিনা

সংগৃহীত ছবি

ভারতের ৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করলেন রাষ্ট্রপতি মুর্মু

0 Comments