খেলাধুলা

সিরিজ হেরে যা বললেন লিটন

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ২৯, ২০২৫

এক ম্যাচ আগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারল বাংলাদেশ দল। এমন সিরিজের হারের কারণ হিসেবে ব্যাটিং ব্যর্থতাকে দায় দিলেন লিটন দাস। দিনের পর দিন ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ হচ্ছেন দলের ব্যাটাররা। যেন কিছুতেই উন্নতির চেষ্টাটুকুও নেই!

 

জাকের আলি অনিক থেকে শুরু করে শামীম পাটোয়ারী, তাওহীদ হৃদয়রা পুরোপুরি ব্যর্থ ছিলেন। দ্বিতীয় ম্যাচে ১৪ রানে হারের পর অধিনায়ক লিটন দাস বলেন, 'হ্যাঁ, অবশ্যই। গত কয়েক সিরিজে আমাদের বোলাররা দারুণ করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, তারা নিজের কাজটা ভালোভাবে করলেও আমরা জিততে পারিনি।'

 

পরে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে লিটন বলেন, 'চট্টগ্রামের মতো উইকেটে ১৫০ রান খুব বড় কিছু নয়। আমরা যখনই ভালো শুরু পেয়েছি, তখনই আউট হয়ে গেছি। যদি শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং চালিয়ে যেতে পারতাম, তাহলে ম্যাচটা অন্যভাবে শেষ হতে পারত।'

 

 

'সমস্যা হচ্ছে, ব্যাটাররা ক্রিজে সেট হলেই আউট হয়ে যাচ্ছে। আমাদের সময় নিয়ে খেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। আমাকেও ১২–১৩ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করা উচিত ছিল।'

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
ফুটবলের দেশ ব্রাজিলে যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে ইসলাম

ফুটবল, সাম্বা নাচ, আমাজন জঙ্গল আর দৃষ্টিনন্দন সমুদ্রসৈকত ব্রাজিল বললেই বিশ্ববাসীর চোখে এই ছবিগুলোই ভেসে ওঠে। দক্ষিণ আমেরিকার সর্ববৃহৎ এই দেশটিকে চেনে না, এমন মানুষ পৃথিবীতে খুঁজে পাওয়া দায়। তবে এই চেনা পরিচিতির বাইরেও ব্রাজিলের বুকে লুকিয়ে আছে এক ভিন্ন আধ্যাত্মিক আবহ।   অনেকের মনেই স্বাভাবিক প্রশ্ন জাগে, খ্রিস্টান প্রধান এই লাতিন দেশে কি মুসলিমরা আছেন? সেখানে কি গড়ে উঠেছে ইসলামের কোনো শক্তিশালী ভিত্তি? উত্তরটি কেবল ইতিবাচকই নয়, বরং চমকপ্রদ। ব্রাজিলে ইসলামের ইতিহাস যেমন প্রাচীন, তেমনি বর্তমান সময়ে দেশটির মুসলিমদের সামাজিক ও ধর্মীয় বিকাশ অত্যন্ত সুসংহত এবং সম্ভাবনাময়।   মুসলিম জনসংখ্যা (২০২৬ সালের পরিসংখ্যান)   ব্রাজিলের সরকারি আদমশুমারি (IBGE) এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থাগুলোর (যেমন ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ) ২০২৬ সালের সর্বশেষ ডাটাবেজ অনুযায়ী, ব্রাজিলে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ৭ লক্ষ ৬৭ হাজার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষের মধ্যে অবস্থান করছে।    ভিন্ন ভিন্ন গবেষণা রিপোর্টের এই পার্থক্যের কারণ হলো, ব্রাজিলের সরকারি শুমারিতে অনেক সময় ধর্ম পরিবর্তনের বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে হালনাগাদ হয় না। তবে ইসলামিক সেন্টারগুলোর দেওয়া তথ্যমতে, বর্তমানে কার্যকর মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১৫ লক্ষের কাছাকাছি, যা ব্রাজিলের মোট জনসংখ্যার প্রায় ০.৭০%।   ২০২৬ সাল অনুযায়ী মসজিদের সংখ্যা   ব্রাজিলে মুসলিমদের ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো সেখানকার মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারগুলো। ২০২৬ সালের বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সমগ্র ব্রাজিলজুড়ে সক্রিয় মসজিদের সংখ্যা প্রায় ১৫১টি। এর পাশাপাশি রয়েছে শতাধিক সালাত কেন্দ্র বা ‘মুসাল্লা’ এবং ইসলামিক কালচারাল সেন্টার। বিশেষ করে সাও পাওলো, পারানা এবং রিও ডি জেনিরোর মতো বড় বড় রাজ্যগুলোতে মসজিদের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।   মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ও এর কারণ লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে ব্রাজিলে ইসলামের প্রসারের গতি বেশ লক্ষণীয়। জনসংখ্যা বৃদ্ধির পেছনে মূলত দুটি প্রধান কারণ কাজ করছে। প্রথমত, অভিবাসন। বিগত শতাব্দীতে সিরিয়া, লেবানন ও ফিলিস্তিন থেকে আসা বিপুল সংখ্যক আরব মুসলিম ব্রাজিলে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতেও মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে মুসলিমরা এখানে আশ্রয় নিয়েছেন।   দ্বিতীয়ত, স্থানীয়দের ধর্ম পরিবর্তন (ধর্মান্তর)। বর্তমানে ব্রাজিলে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রবণতা হলো স্থানীয় ব্রাজিলীয়দের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ। বিশেষ করে ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে লাতিন সংস্কৃতির মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। ফেডারেশন অব মুসলিম অ্যাসোসিয়েশনস ইন ব্রাজিলের তথ্যমতে, গত এক দশকে স্থানীয়দের মধ্যে ইসলাম গ্রহণের হার বহুগুণ বেড়েছে এবং বর্তমানে ব্রাজিলে ১০ হাজারেরও বেশি স্থানীয় নবদীক্ষিত মুসলিম রয়েছেন।   ব্রাজিলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক মসজিদ   ব্রাজিলের ইসলামি ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি বিখ্যাত মসজিদের নাম নিচে আলোচনা করা হলো।   মেসকিতা ব্রাজিল (সাও পাওলো) ১৯২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মসজিদটি কেবল ব্রাজিলেরই নয়, বরং সমগ্র দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে পুরোনো এবং প্রথম মসজিদ। এটি সাও পাওলোর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এবং ব্রাজিলে ইসলামি সংস্কৃতির সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত।   ওমর ইবনুল খাত্তাব মসজিদ (ফজ দো ইগুয়াসু) প্যারাগুয়ে এবং আর্জেন্টিনা সীমান্তের কাছে বিখ্যাত ইগুয়াসু জলপ্রপাতের শহরে এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদটি অবস্থিত। ১৯৮৩ সালে নির্মিত এই মসজিদের স্থাপত্যশৈলী জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদের আদলে তৈরি। এর বিশাল মিনার এবং ধবধবে সাদা রঙের অবয়ব পর্যটকদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।   ইমাম আলী ইবনে আবি তালিব মসজিদ (কুরিতিবো) ১৯৭২ সালে পারানা রাজ্যের রাজধানী কুরিতিবোতে এই মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চমৎকার ইসলামি ক্যালিগ্রাফি এবং গম্বুজবিশিষ্ট এই মসজিদটি ওই অঞ্চলের শিয়া ও সুন্নি উভয় সম্প্রদায়ের মুসলিমদের ঐক্য ও সংস্কৃতির প্রতীক।   ব্রাসিলিয়া ইসলামিক সেন্টার মসজিদ (ব্রাসিলিয়া) ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় অবস্থিত এই মসজিদটি দেশটির রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করে। বিভিন্ন মুসলিম দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ইসলামিক সেন্টারের অধীনে এখানে নিয়মিত বড় বড় সেমিনার ও ধর্মীয় উৎসবের আয়োজন করা হয়।   মুসলিমদের ভৌগোলিক অবস্থান ব্রাজিলের মুসলিমরা মূলত বড় শহরগুলোতেই বসবাস করেন। সাও পাওলো, ফোজ দো ইগুয়াসু, কুরিতিবা, রিও ডি জেনেইরো, ব্রাসিলিয়া এবং বেলো হরিজন্তে মুসলিম জনসংখ্যার প্রধান কেন্দ্র। গবেষণা অনুযায়ী ব্রাজিলের প্রায় সব মুসলিমই নগরাঞ্চলে বসবাস করেন।   ব্রাজিলে ইসলাম আজ আর কোনো বিদেশি বা বহিরাগত ধর্ম নয়, বরং তা দেশটির সংস্কৃতিরই একটি অংশ হয়ে উঠেছে। যদিও মুসলিমরা সেখানে সংখ্যালঘু, তবুও তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা, হালাল খাদ্যের বিশাল বাজার (ব্রাজিল বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ হালাল মাংস রপ্তানিকারক) এবং স্থানীয়দের ক্রমাগত ইসলামে দীক্ষিত হওয়া প্রমাণ করে যে, ল্যাটিন আমেরিকার এই ফুটবল পাগল দেশে ইসলামের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল ও সম্ভাবনাময়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

গোল বাতিলের পর যা বললেন এনদ্রিক, ছুঁয়ে গেল ভক্তদের মন

ছবি : সংগৃহীত

সমালোচনায় বিচলিত নয় পর্তুগাল, রোনালদোর পাশেই সতীর্থরা

ছবি : সংগৃহীত

১১ বছর পর অবসর ভেঙে রোনালদিনহোর প্রত্যাবর্তন! বিশ্বকাপের মাঝেই ইতালির ক্লাব রাভেন্নার সঙ্গে নতুন অধ্যায় শুরু ব্রাজিলীয় কিংবদন্তির

ছবি : সংগৃহীত
যেখানে জার্মানি ও কোত দি ভোয়া সমানে সমান

আসরে দুই দলেরই শুরুটা হয়েছে জয় দিয়ে, সেই ধারা ধরে রাখার লক্ষ্যে মুখোমুখি হচ্ছে জার্মানি ও কোত দি ভোয়া।   টরন্টোয় বিশ্বকাপের ‘ই’ গ্রুপের ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় শনিবার রাত ২টায়। আসন্ন ম্যাচটির আগে দেখে নেওয়া যাক কিছু পরিসংখ্যান: ১০ প্রথম ম্যাচে নবাগত কুরাসাওকে ৭-১ গোলে বিধস্ত করেছে জার্মানি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচ জিতেছে ইউলিয়ান নাগেলসমানের দল। ১৯৭৯ সালের মে থেকে ১৯৮০ সালের জুন পর্যন্ত টানা ১২ ম্যাচ জয়ের পর, তাদের সবচেয়ে লম্বা জয়যাত্রা এটিই। ৭ উল্টো অভিজ্ঞতাও তাদের হয়েছে এই সময়ে। বিশ্বকাপে জার্মানি টানা সাত ম্যাচে জাল অক্ষত (ক্লিন শিট) রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশ্ব মঞ্চে এর চেয়ে বেশি টানা ম্যাচে জাল অক্ষত রাখতে পারেনি তারা কেবল একবার, ১৯৩৪ থেকে ১৯৫৪ সালের মধ্যে ৯ ম্যাচে। ৮ জার্মানির হয়ে সবশেষ চারটি বড় টুর্নামেন্টের (২০২০ ইউরো, ২০২২ বিশ্বকাপ, ২০২৪ ইউরো, ২০২৬ বিশ্বকাপ) প্রতিটিতেই গোল করেছেন একমাত্র কাই হাভার্টজ। এবারের বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে দুটিসহ এই সময়ে মোট আট গোল করেছেন আর্সেনালের এই ফরোয়ার্ড, যা দুই সতীর্থের (জামাল মুসিয়ালা ও নিকলাস ফুয়েলখুগ, দুজনেরই চারটি করে) করা গোলের দ্বিগুণ। ০ চলতি আসরে প্রথম ম্যাচে ৯০তম মিনিটের গোলে একুয়েডরের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানের নাটকীয় জয় পায় কোত দি ভোয়া। বিশ্বকাপের এক আসরে কখনও একাধিক ম্যাচ জিততে পারেনি আফ্রিকার দলটি। ১ বিশ্বকাপে আফ্রিকান দলগুলোর বিপক্ষে জার্মানি তাদের আট ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে হেরেছে (৫ জয়, ২ ড্র)। ১৯৮২ সালে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরেছিল তখনকার পশ্চিম জার্মানি। যদিও সে বছর তারা ফাইনালে উঠেছিল এবং ইতালির বিপক্ষে হেরেছিল। ১ অন্যদিকে, কোত দি ভোয়া বিশ্বকাপে ইউরোপিয়ান দলগুলোর বিপক্ষে চার ম্যাচের একটিতে জিতেছে (১ ড্র, ২ হার)। ২০০৬ সালে গ্রুপ পর্বে সার্বিয়া ও মন্টেনিগ্রোর বিপক্ষে একপর্যায়ে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে ৩-২ ব্যবধানে জিতেছিল তারা। ২ একটি জায়গায় জার্মানি ও কোত দি ভোয়া আছে সমান অবস্থানে। এটি হবে তাদের দ্বিতীয় সাক্ষাৎ, প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে প্রথম। আগের একমাত্র দেখায় ২০০৯ সালের নভেম্বরে প্রীতি ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

রাফিনিয়ার চোট নিয়ে দুশ্চিন্তায় ব্রাজিল, রিপোর্টের অপেক্ষা

হাইতি-ব্রাজিল ম্যাচের দৃশ্য। ছবি : সংগৃহীত

২ ম্যাচ শেষেই নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে ব্রাজিলের ৩ খেলোয়াড়

ছবি : সংগৃহীত

নেইমার আইডল হলেও সেরা খেলোয়াড় মেসি: ইয়ামাল

ছবি : সংগৃহীত
মন্টিয়েলের চোটে স্কালোনির নতুন মাথাব্যথা, রক্ষণে ভরসা এখন মলিনা

বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জে’-তে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা খেল আর্জেন্টিনা। দলের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার গনসালো মন্টিয়েল পেশিতে চোট পাওয়ায় আগামী সোমবারের ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছেন।   স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শারীরিক অস্বস্তি অনুভব করার পর শুক্রবার সকালে বিস্তারিত মেডিকেল পরীক্ষা করানো হয় মন্টিয়েলের। পরীক্ষার ফলাফলে তার পেশিতে চোট ধরা পড়ে এবং চিকিৎসকরা তাকে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের জন্য অনুপযুক্ত ঘোষণা করেন।   মন্টিয়েলের অনুপস্থিতি আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির জন্য নতুন মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডান প্রান্তের রক্ষণভাগে এখন সবচেয়ে সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে এগিয়ে রয়েছেন নাহুয়েল মলিনা।   তবে স্কালোনি কৌশলগত পরিবর্তন আনবেন কি না, সেটি নিয়ে আলোচনা চলছে।   বিশ্বকাপ অভিযান দারুণভাবে শুরু করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় রয়েছে লিওনেল মেসির দল।

মারিয়া রহমান জুন ২০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

স্কটল্যান্ডের কাছে হারলে কি ব্রাজিল বাদ পড়বে? কী বলছে সমীকরণ

সংগৃহীত ছবি

প্যারাগুয়ের বিপক্ষে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিল তুরস্ক

বাংলাদেশ সফর নিয়ে যা জানাল বিসিসিআই

0 Comments