অন্যান্য

বাড়িতে একা থাকাকালীন হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ দেখা দিলে করণীয়

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ১১, ২০২৫ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

 

ঢাকা, ১১ অক্টোবর: বাড়িতে একা থাকাকালীন হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক বা হৃদরোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া জীবন রক্ষা করতে পারে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে দ্রুত ও শান্তভাবে কাজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

লক্ষণগুলো শনাক্ত করুন:


হার্ট অ্যাটাকের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে বুকের মাঝখানে চাপ বা ব্যথা, বাম বাহুতে বা কাঁধে ব্যথা, ঘন ঘুমের মতো অনুভূতি, ঘাম ঝরা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব বা শ্বাসকষ্ট। নারী ও বয়সজনিত কারণে কিছু ক্ষেত্রে এই লক্ষণগুলো ভিন্নভাবে প্রকাশ পেতে পারে।

কী করবেন:

1. ডাক্তারি সহায়তা চাইবেন তৎক্ষণাৎ: ৯৯৯ বা স্থানীয় জরুরি হেল্পলাইনে কল করুন। সময় নষ্ট করবেন না।


2. শান্ত থাকার চেষ্টা করুন: হঠাৎ আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত দৌড়ানো বিপজ্জনক হতে পারে। ধীরে ধীরে বসে থাকুন।


3. অ্যাসপিরিন নিলে উপকার হতে পারে: যদি ডাক্তারের পরামর্শ থাকে এবং আপনার কোনো এলার্জি না থাকে।


4. পরিবার বা প্রতিবেশীর সাহায্য চান: যদি ফোনে কেউ সংযুক্ত করা যায়, তাকে আপনার অবস্থান জানান।


5. সঠিক অবস্থানে থাকুন: সম্ভব হলে পিঠের ওপর বা সাপোর্ট সহ বসে থাকুন; শুয়ে থাকলে কিছু ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যেতে পারে।

 

চিকিৎসকের সতর্কবার্তা: সময়ই জীবন। হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে প্রথম ঘণ্টাগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ধরণের বিলম্ব বা অবহেলা গুরুতর জটিলতার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

 

এই পদক্ষেপগুলো মেনে চললে বাড়িতে একা থাকা অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটা কমানো সম্ভব।
 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

অন্যান্য

আরও দেখুন
রাজার ছেলে রাজা, মন্ত্রীর ছেলে মন্ত্রী—এ সংস্কৃতি পাল্টাতে চাই
রাজার ছেলে রাজা, মন্ত্রীর ছেলে মন্ত্রী—এ সংস্কৃতি পাল্টাতে চাই

জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “রাজার ছেলে রাজা হবে, মন্ত্রীর ছেলে মন্ত্রী হবে”—এই প্রথাগত ও স্বার্থান্বেষী রাজনীতির সংস্কৃতিকে আমরা পরিবর্তন করতে চাই। অতীতের রাজনীতি ফ্যাসিবাদ, একনায়কতন্ত্র ও দুর্নীতির জন্ম দিয়েছে। তাই এই রাজনীতিকে লাল কার্ড দেখানোর সময় এসেছে। জামায়াত সব ধর্মের মানুষকে সমান অধিকার দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।   শফিকুর রহমান শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় ফেনীর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, জামায়াতের বিরুদ্ধে কিছু মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে যে ক্ষমতায় এলে কওমি মাদ্রাসা বন্ধ করা হবে। এটি জঘন্য মিথ্যাচার। কওমি মাদ্রাসা আমাদের কলিজা; যারা আলেমদের ভয় দেখায়, তারা মূলত স্বার্থপর। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি। সভায় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন এবং ফেনীর উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়াও কুমিল্লা, নোয়াখালী ও লাকসামসহ বিভিন্ন স্থানে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী সমাবেশে অংশ নিয়ে ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমরা প্রতিশোধের রাজনীতি করি না, আমরা সুনীতির রাজনীতি করি।” জামায়াতের ওপর যে জুলুম হয়েছে, তার বিরুদ্ধে তিনি জানান, “আমরা প্রতিশোধ নেব না, বরং জনগণকে নিরাপদ পরিবেশ দেব।” তিনি দেশের যুব সমাজকে উদ্দীপ্ত করে বলেন, “যারা জীবনের জন্য লড়াই করে, তাদের মেধা ও যোগ্যতা অনুযায়ী সুযোগ দিতে হবে, বেকার ভাতা দিয়ে নয়।” শফিকুর রহমানের নির্বাচনী প্রচারণা বক্তৃতা, ঘরে ঘরে গণসংযোগ, জনসভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করছে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পাইলট হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি অংশগ্রহণ করবেন, যেখানে লক্ষাধিক মানুষ সমাগম হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জামায়াতের নেতারা। এইভাবে জামায়াতের নেতৃত্ব দেশের রাজনীতিতে ন্যায়, সুশাসন ও ধর্মনিরপেক্ষ নীতি প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার বার্তা দিচ্ছে।

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী দেশে দেশে ছড়াতে পারে

ছবি : সংগৃহীত

বেনজির-হারুনের কথা ভুলে যাইয়েন না : হাসনাত আব্দুল্লাহ

ছবি : সংগৃহীত

আল্লাহভীতি মুমিনের অনন্য বৈশিষ্ট্য

ছবি : সংগৃহীত
সাভারে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৮জন গ্রেপ্তার

সাভারের রাজাশন–আকরাইন সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতির প্রস্তুতি চলাকালে পুলিশ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় ডাকাতিতে ব্যবহারের জন্য রাখা দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।   পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে রাজাশন–আকরাইন আঞ্চলিক সড়কের কালিয়াকৈর এলাকার একটি বাঁশঝাড়ে কয়েকজন ডাকাত জড়ো হয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে আটজনকে আটক করা হয়।   গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সাভার পৌর এলাকার রাজাশন গ্যারেজ মহল্লার তোফাজ্জলের ছেলে সানি মিয়া (৩৫), বিরুলিয়া ইউনিয়নের ছোট কালিয়াকৈর এলাকার আবদুল মালেকের ছেলে রাসেদ মিয়া (৩২), একই এলাকার হানিফ মিয়ার ছেলে মাসুদ রানা (৩১), আবুল হাসেমের ছেলে রিপন মিয়া (৩৩), সামাইর এলাকার চান মিয়ার ছেলে শাহিন মিয়া (৩১), তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের পূর্বহাটি উত্তরপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে সোহাবান মিয়া (২৩), একই এলাকার আবু মিয়ার ছেলে নুর নবী (২৭) ও উত্তর মেটকা এলাকার হাছেনের ছেলে ইমন মিয়া (২৫)।   পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযানে দুইটি রামদা, একটি ধারালো ছুরি ও তিনটি সুইচ গিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে। ডাকাতরা সড়কে গাছ ফেলে যানবাহন থামিয়ে ডাকাতির পরিকল্পনা করছিল।   বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আল আমিন বলেন, ‘ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতির চেষ্টা করছিল। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।   উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি ভোরে একই সড়কের কালিয়াকৈর এলাকায় গাছ ফেলে ডাকাতির চেষ্টার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, ধারালো অস্ত্র হাতে কয়েকজন ডাকাত একটি প্রাইভেটকার থামানোর চেষ্টা করলে চালক গাড়ি না থামিয়ে দ্রুত চলে যান। এ সময় ডাকাতদের হামলায় গাড়ির কাচ ভেঙে যায়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
জুবাইদা ইসলাম ইতি। সংগৃহীত ছবি

রাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ছবি : সংগৃহীত

কুমিল্লা নতুন বিভাগ হবে: জামায়াতের আমির

ছবি : সংগৃহীত

জরিপে উঠে এল কে হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত
তরেক রহমানের আহ্বান: গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিন

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি জুলাই সনদের সম্মানে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে বিশাল জনসভায় এই আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি সংস্কার নিয়ে কোনো লুকোছাপা করে না।   তিনি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, অতীতের সরকার আমলে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা লুটপাট হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে সেই লুটের টাকা ফিরিয়ে এনে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাবে। তিনি আরও বলেন, আগে নিশি রাতে ভোট হয়েছে, সেই ভোটের রাজনীতি আর হতে দেবেন না।   জনসভায় তিনি রেজিস্ট্রার এনজিও থেকে ক্ষুদ্র ঋণ নেওয়া যারা পরিশোধ করতে পারছেন না, তাদের ঋণ বিএনপি সরকার গঠন করলে পরিশোধ করবে বলে জানান। তিনি বলেন, রংপুর অঞ্চলকে ঢেলে সাজাতে হবে। এখানে যেমন খনিজ সম্পদ আছে, তেমনি কৃষিতেও সমৃদ্ধ। কৃষিজাত শিল্প-কলকারখানা স্থাপন করা হবে এবং শিল্প উদ্যোক্তাদের আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হবে।   বড় বড় আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই অঞ্চলে স্থাপন করে শিক্ষিত তরুণ-যুব সমাজকে আইটি খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে। এতে রংপুরের আবু সাঈদ ও চট্টগ্রামের ওয়াসিমসহ ১৪শ’ শহীদের স্বপ্ন কিছুটা শোধ হবে।   তারেক রহমান আরও বলেন, আগস্টের ৫ তারিখে দেশের পরিবর্তন চেয়েছে। জনগণ চায় নিরাপদে চলাচল ও ঘুমাতে। তাই জুলাই-বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য এবং ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া প্রয়োজন।   তিনি নেতাকর্মীদের ভোটের পবিত্র আমানত রক্ষার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোরবেলা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ পড়তে হবে এবং ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে, যাতে ভোট ছিনতাই না হয়।   পিছিয়ে পড়া রংপুর অঞ্চল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কে বলেছে রংপুর পিছিয়ে আছে? এখানে খনিজ সম্পদ ও কৃষি সমৃদ্ধ। পরিকল্পিতভাবে এগুলো কাজে লাগালে রংপুর-দিনাজপুর সব চেয়ে সমৃদ্ধ ও উন্নত হবে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে পানি সংকট ও কৃষিতে বিপ্লব ঘটানো হবে। কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণ মওকুফের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।   জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আবু সাঈদসহ নিরীহ ১৪শ’ শহীদকে দেশ ভুলতে পারবে না। পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষায় এই আন্দোলন হয়েছে। তিনি জনগণকে সচেতনভাবে ভোট কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানান।   সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের রংপুর মহানগর কমিটির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য এজেডএম ডা. জাহিদ হোসেন, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু, রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীসহ অন্যান্য নেতা ও প্রার্থীরা।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

সাদিক কায়েমের বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানালেন হামিম

রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে এনসিপি। ছবি : সংগৃহীত

এনসিপির ৩৬ দফা ইশতেহারে কী আছে

ছবি : সংগৃহীত

শীত নিয়ে দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

0 Comments