প্রবাসী

গাজা পূর্ণগঠনে কয়েক প্রজন্ম লেগে যাবে: জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ

Unknown অক্টোবর ১২, ২০২৫

 টানা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত গাজা উপত্যকাকে পুনর্গঠনে কয়েক প্রজন্ম সময় লাগবে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের এক বিশেষজ্ঞ। তাঁর মতে, এত ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পর গাজাকে আবার বাসযোগ্য করে তুলতে কেবল অর্থ বা উপকরণই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং মানবিক দায়বদ্ধতার সমন্বয়।

 

জাতিসংঘের ওই বিশেষজ্ঞ বলেন, “গাজার ধ্বংস এখন এমন এক স্তরে পৌঁছেছে, যেখানে শুধু ভবন পুনর্নির্মাণ করলেই হবে না। একটি সমাজের জীবন, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও মানসিক স্থিতি একেবারে ভেঙে পড়েছে। এই সমাজকে পুনর্গঠন করতে হলে কমপক্ষে কয়েক প্রজন্ম সময় লাগবে।”


 
তিনি জানান, গাজার হাসপাতাল, স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি দপ্তর, বাজার এবং আবাসিক এলাকা প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বিদ্যুৎ, পানি সরবরাহ, নিকাশী ব্যবস্থা, এমনকি যোগাযোগ অবকাঠামোও অচল হয়ে পড়েছে। “এখনকার গাজা কার্যত একটি খোলা কারাগার, যেখানে ২৩ লাখ মানুষ বেঁচে থাকার জন্য প্রতিদিন সংগ্রাম করছে,” বলেন ওই কর্মকর্তা।

 

 শিশুদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে 

বিশেষজ্ঞের মতে, গাজার সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে শিশু প্রজন্মের। হাজারো শিশু তাদের পরিবার, ঘরবাড়ি ও স্কুল হারিয়েছে। বহু শিশু মানসিক আঘাতে ভুগছে, কেউ কেউ গুরুতর শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েছে। “যখন একটি প্রজন্মের শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ একসঙ্গে ধ্বংস হয়, তখন পুনর্গঠন কেবল ইট-পাথরের কাজ নয়, এটি এক প্রজন্মের অস্তিত্ব পুনরুদ্ধারের লড়াই হয়ে দাঁড়ায়,” বলেন তিনি।

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা (ইউনিসেফ) এবং অন্যান্য মানবিক সংগঠন জানিয়েছে, গাজায় প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার শিশু পর্যাপ্ত খাদ্য পাচ্ছে না। চিকিৎসা সেবা অপ্রতুল, পরিষ্কার পানির তীব্র সংকট রয়েছে। স্কুলগুলোর ৮০ শতাংশের বেশি ভবন আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে, ফলে লাখো শিক্ষার্থী পড়াশোনা বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে।

 

 মানবিক সংকট আরও গভীর 

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা দপ্তর (OCHA) জানিয়েছে, গাজার প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ এখন খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু অবরোধ, সীমিত রুট এবং অনিশ্চিত যুদ্ধবিরতির কারণে ত্রাণ পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন গড়ে মাত্র কয়েক ডজন ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে পারছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অতি সামান্য।

বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, “গাজার অর্থনীতি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। কর্মসংস্থান নেই, বাজার নেই, এমনকি মানুষের হাতে কেনার মতো অর্থও নেই। হাসপাতালের ওষুধ শেষ হয়ে গেছে, চিকিৎসকরা প্রতিদিন শত শত আহতকে সীমিত সরঞ্জাম দিয়ে সেবা দিচ্ছেন।”

 

 আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান 

তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সতর্ক করে বলেন, “গাজার পুনর্গঠন শুরু না হলে ভবিষ্যৎ আরও ভয়াবহ হবে। এই ধ্বংসযজ্ঞের প্রভাব শুধু গাজার নয়, সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকেও প্রভাবিত করবে।”

জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা আহ্বান জানান, গাজায় অবরোধ তুলে দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে একটি সমন্বিত পুনর্গঠন তহবিল গঠন করতে হবে। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধান ছাড়া কোনো উন্নয়নই স্থায়ী হবে না।

তিনি আরও যোগ করেন, “এখন শুধু ভবন নয়, ভেঙে পড়া সমাজব্যবস্থা, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মানবিক মর্যাদা পুনর্গঠনের সময় এসেছে। গাজাকে বাঁচানো মানে কেবল একটি ভূখণ্ড নয়, একটি প্রজন্মকে বাঁচানো।”

 

 একটি জাতির অস্তিত্ব সংকট 

বিশেষজ্ঞের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, গাজা এখন বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের কেন্দ্রবিন্দু। ধ্বংসস্তূপে পরিণত এই উপত্যকায় প্রতিদিন বেঁচে থাকার সংগ্রামই মানুষের প্রধান কাজ। “এটি কেবল একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকা নয়, এটি মানবতার বিবেকের পরীক্ষা,” বলেন তিনি।

গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর শেষ মন্তব্য—
“যত দিন পর্যন্ত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত না হবে, তত দিন গাজার শিশুরা ভয় আর ক্ষুধার মধ্যে বড় হবে। আর গাজার পুনর্গঠন—এটি কোনো এক দশকের কাজ নয়, বরং কয়েক প্রজন্মের দীর্ঘ সংগ্রাম।”

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

প্রবাসী

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
অস্ট্রেলিয়ার ভিসা নীতিতে নতুন পরিবর্তন, শিক্ষার্থী, ট্রেনিং ও রিজিওনাল ভিসায় নতুন নিয়ম চালু

অস্ট্রেলিয়া সরকার দেশটির অভিবাসন ব্যবস্থা আরও কার্যকর, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক করতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। নতুন নিয়মগুলো বিশেষভাবে শিক্ষার্থী, ট্রেনিং ভিসাধারী, দক্ষ কর্মী এবং স্পনসর নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রযোজ্য হবে।   শিক্ষার্থী ভিসার ক্ষেত্রে আপিল প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। কোনো আবেদনকারী ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর প্রশাসনিক পুনর্বিবেচনা ট্রাইব্যুনালে (এআরটি) আপিল করলে এখন আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে সরাসরি শুনানিতে অংশ নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। জমা দেওয়া নথি ও প্রমাণপত্র পর্যালোচনা করেই কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত জানাবে। এর ফলে দীর্ঘসূত্রতা কমে আবেদন নিষ্পত্তির সময়ও হ্রাস পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   অন্যদিকে ট্রেনিং ভিসা (সাবক্লাস ৪০৭) কর্মসূচিতে নজরদারি বাড়িয়েছে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। ভিসাধারী কর্মী এবং তাদের স্পনসর প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করছে কি না, তা যাচাই করতে বিভিন্ন কর্মস্থলে সরাসরি পরিদর্শনও করা হচ্ছে। ফলে এই ভিসার আওতায় থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ম মেনে কার্যক্রম পরিচালনায় আরও সতর্ক থাকতে হবে।   রিজিওনাল বা আঞ্চলিক কর্মী স্পনসরশিপের ক্ষেত্রেও নতুন শর্ত যুক্ত হয়েছে। কর্মী নিয়োগের জন্য ন্যূনতম বার্ষিক বেতন প্রায় ৮০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার নির্ধারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে ছোট ব্যবসা ও আঞ্চলিক এলাকার নিয়োগদাতাদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।   দক্ষতা মূল্যায়ন সংস্থা ট্রেড রিকগনিশন অস্ট্রেলিয়া (টিআরএ) তাদের স্কিল অ্যাসেসমেন্ট নির্দেশিকাও হালনাগাদ করেছে। যদিও মূল নীতিমালায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি, তবে আবেদনকারীদের সুবিধার্থে নির্দেশনার ভাষা আরও সহজ ও বোধগম্য করা হয়েছে।   এ ছাড়া আগামী অর্থবছরের জন্য পারিবারিক ও প্যারেন্ট ভিসার নির্ধারিত কোটা ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। এর মধ্যে কন্ট্রিবিউটিং প্যারেন্ট ভিসার জন্য ৬,৮০০টি আসন বরাদ্দ রাখা হয়েছে।   সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া সরকার অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও নিয়ন্ত্রিত, স্বচ্ছ এবং যোগ্য আবেদনকারীদের জন্য অধিক কার্যকর করে তুলতে চায়।

আক্তারুজ্জামান জুন ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সাইপ্রাসে বাংলাদেশি যুবক নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পুলিশের বিজ্ঞপ্তি

ছবি: সংগৃহীত

কানাডায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

আমিরাতে পবিত্র আশুরা পালিত হবে ২৫ জুন

ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাংলাদেশি প্রবাসীর

মালয়েশিয়ার পেনাং সিটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আবু হানিফ নোমান (৫৩) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। কর্মস্থলে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।   নিহত আবু হানিফ নোমান ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বাসুটিয়া গ্রামের আবদুল হাইয়ের ছেলে।   পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় পেনাং সিটিতে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় তিনি দুর্ঘটনার শিকার হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।   স্বজনরা জানান, আবু হানিফ ১৯৯২ সাল থেকে মালয়েশিয়ায় বসবাস ও কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রবাসে থেকে তিনি পরিবারের জন্য নিয়মিত অর্থ পাঠাতেন।   তার মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছালে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।   বর্তমানে প্রয়োজনীয় আইনি ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তার মরদেহ দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে।   এদিকে তার মৃত্যুতে স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রবাসী সংগঠনের নেতারা শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

আক্তারুজ্জামান জুন ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

তীব্র গরমে দুপুরে খোলা স্থানে কাজ নিষিদ্ধ করল সৌদি আরব

ছবি: সংগৃহীত

দেশে ফেরার পথে বিমানে স্ট্রোক, চারদিন পর ওমানে প্রবাসীর মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

কাবার কিসওয়ার প্রধান ক্যালিগ্রাফার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুখতার আলম

ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ৩৯ বিদেশি আটক

মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যে পরিচালিত পৃথক অভিযানে ৩৯ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)। সোমবার (১৫ জুন) সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগের সদস্যরা বাতু কেভস এলাকার একটি নাইট মার্কেট (পাসার মালাম) এবং সেলায়াং বারুর একটি আবাসিক বাসস্থানে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিভিন্ন দেশের মোট ৩৯ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অভিবাসন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিদেশি নাগরিকদের বৈধ কাগজপত্র, ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, অবৈধভাবে অবস্থান এবং অন্যান্য অভিবাসন আইন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যাচাই-বাছাইয়ের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন অনুযায়ী তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসী এবং অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, আইন প্রয়োগ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মালয়েশিয়ায় বৈধ কর্মসংস্থান ও বসবাসের জন্য বিদেশি নাগরিকদের প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র ও বৈধ ভ্রমণ নথি সঙ্গে রাখার বিষয়ে নিয়মিত সতর্ক করে আসছে কর্তৃপক্ষ।

মারিয়া রহমান জুন ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কম্বোডিয়ার সাইবার প্রতারণা চক্রের কবল থেকে দেশে ফিরলেন আরও ৫২ বাংলাদেশি

ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ সতর্কতা

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর, ওমানে কর্মী ভিসা চালুর আশা রাষ্ট্রদূতের

0 Comments