আন্তর্জাতিক

কাতারের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে রাজি পাকিস্তান-আফগানিস্তান

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ১৯, ২০২৫ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কাতারের মধ্যস্থতায় তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে আফগানিস্তান ও পাকিস্তান। রোববার (১৯ অক্টোবর) ভোরে এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

 

গতকাল শনিবার দোহায় বৈঠকে বসে দুই দেশের প্রতিনিধি দল। আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের প্রতিনিধিরাও, যারা কাতারের সঙ্গে যৌথভাবে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে।

বিবৃতিতে কাতার জানায়, যুদ্ধবিরতি যেন স্থায়ীভাবে কার্যকর থাকে, সেজন্য পাকিস্তান ও আফগানিস্তান শিগগিরই ফলোআপ বৈঠক করবে।

 

২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা নেওয়ার পর গত দুই সপ্তাহে দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় ও সরাসরি সংঘর্ষ হয়। এতে কয়েকশ মানুষ নিহত এবং কয়েক হাজার মানুষ আহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

দোহা বৈঠকে আফগানিস্তানের নেতৃত্ব দেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোল্লা মোহাম্মদ ইয়াকুব। অন্যদিকে পাকিস্তানের পক্ষে অংশ নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ।

 

পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় ও সহায়তা দিচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগে কাবুলে পাকিস্তানের বিমান হামলার পর সীমান্তে আফগান সেনাদের পাল্টা আক্রমণে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, যাতে প্রাণহানি ঘটে কয়েকশ মানুষের।

এর আগেও দুই দেশ ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। তবে সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পাকিস্তান নতুন করে বিমান হামলা চালায় আফগান সীমান্তে।

আফগানিস্তানের তালেবান সরকার বরাবরই দাবি করে আসছে, তারা কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সমর্থন দেয় না।

 

গত শুক্রবার আফগান সীমান্তবর্তী পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সন্ত্রাসীদের আত্মঘাতী হামলায় সাত পাকিস্তানি সেনা নিহত হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।

সূত্র: রয়টার্স

 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ইরান যুদ্ধের কোনো 'সময়সীমা' নেই, ২০০ বিলিয়ন ডলার চাইল পেন্টাগন

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ইরান যুদ্ধের কোনো "সময়সীমা" নেই এবং যুদ্ধের সমাপ্তির সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে পেন্টাগন কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত ২০০ বিলিয়ন ডলার চেয়েছে।   বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে হেগসেথ সরাসরি অঙ্কটি নিশ্চিত না করলেও বলেন, এটি পরিবর্তন হতে পারে। তিনি বলেন, "২০০ বিলিয়ন ডলারের বিষয়ে, আমি মনে করি সেই সংখ্যাটি নড়তে পারে। স্পষ্টতই, খারাপ লোকদের হত্যা করতে অর্থ লাগে"। তিনি আরও জানান, "আমরা কংগ্রেস এবং সেখানকার লোকজনের কাছে ফিরে যাচ্ছি যাতে আমরা যা করেছি তার জন্য এবং ভবিষ্যতে যা করতে হতে পারে তার জন্য যথাযথভাবে অর্থায়িত হই"।   যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের বার্ষিক বাজেটের চেয়ে এই পরিমাণ বিপুল বৃদ্ধি নির্দেশ করে। চলতি অর্থবছরে কংগ্রেস প্রতিরক্ষা বিভাগের জন্য ৮০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অনুমোদন করেছে। এর ওপর গত বছর ট্রাম্পের কর কাটছাঁট বিলের অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষা বিভাগকে আরও প্রায় ১৫০ বিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছিল। হেগসেথ বলেন, "আমরা কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করতে চাই না"। তিনি যোগ করেন, "আমরা ঠিক ঠাক এগিয়ে যাচ্ছি" এবং ট্রাম্পই সিদ্ধান্ত নেবেন কখন থামতে হবে। "শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের পছন্দেই হবে যে আমরা কখন বলব, 'আমরা যা করতে চেয়েছিলাম তা অর্জন করেছি'"।   তবে কংগ্রেস এ যুদ্ধের অনুমোদন দেয়নি এবং সামরিক অভিযানের পরিধি ও কৌশল নিয়ে ক্রমশ উদ্বেগ প্রকাশ করছে। কংগ্রেস প্রেসিডেন্টের রিপাবলিকান দলের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও, অনেক রক্ষণশীল আইনপ্রণেতা অর্থনৈতিক কঠোরতাবাদী এবং সামরিক অভিযান বা অন্যান্য বিষয়ে বড় ব্যয়ের রাজনৈতিক আগ্রহ কম। বেশিরভাগ ডেমোক্র্যাট সম্ভবত এমন আবেদন প্রত্যাখ্যান করবেন এবং সামরিক কৌশল ও লক্ষ্যের বিস্তারিত পরিকল্পনা দাবি করবেন।   হেগসেথের সঙ্গে কথা বলা শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল ড্যান কেইন জানান, হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধ শুরুর পর ইরান যাতায়াত বন্ধ করে দেওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথে এ-১০ ওয়ারথগ বিমান "দ্রুতগতির আক্রমণকারী নৌযান শিকার ও ধ্বংস" করছে। তিনি আরও জানান, ইরাকে আইএইচ-৬৪ অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করছে এবং কিছু মার্কিত মিত্র তেহরানের বাহিনীর ছোড়া একমুখী ড্রোন প্রতিহত করতে আক্রমণ হেলিকপ্টার ব্যবহার শুরু করেছে।

আবরার আল মামুন সাহাফ মার্চ ১৯, ২০২৬ 0

রাশিয়ার দাবি: লেবাননে সাংবাদিকদের আহত করার ঘটনা 'দুর্ঘটনা নয়'

জ্বালানি স্থাপনায় হামলায় যুদ্ধের নতুন ধাপ

হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপের পরিকল্পনা করছে ইরান

ছবি: সংগৃহীত
জ্বালানি স্থাপনায় হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ব্যাপক হামলা

ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে সৌদি আরব ও কাতার-এর গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।   বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসক্ষেত্র রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি-তে ইরানের মিসাইল হামলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। কাতারের প্রধান এলএনজি প্ল্যান্ট হিসেবে পরিচিত এই স্থাপনাটি উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   কাতার কর্তৃপক্ষ এ ঘটনাকে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার বিরুদ্ধে ‘বিপজ্জনক পরিস্থিতি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে তারা ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ‘পার্সোনা নন গ্রাটা’ ঘোষণা করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।   অন্যদিকে, রিয়াদ-এর তেল পরিশোধনাগারেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।   এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত-এর হাবশান গ্যাস ফ্যাসিলিটি-তেও হামলার পর কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।   এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে। বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্র-এ হামলার ঘটনাও উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।   চলমান এই সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

আক্তারুজ্জামান মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি সৌদি আরবের, সম্মিলিত সামরিক পদক্ষেপের হুমকি

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের জ্বালানি খাতে নতুন হামলা চান না ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত

কাতারের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চলে ইরানের হামলা

রিয়াদে ইরানি মিসাইলের ধ্বংসাবশেষে আহত ৪

সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে নতুন করে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে ইরান। মঙ্গলবার রাতে ছোড়া এসব মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ পড়ে চারজন আহত হয়েছেন। বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, সৌদির সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদে ভূপাতিত করা একটি মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ একটি বাড়িতে পড়ে। এতে চারজন আহত হন। তাদের সবাই এশিয়ার নাগরিক। তবে কোন দেশের সেটি স্পষ্ট করেনি সৌদি। সৌদি এই মিসাইল হামলাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছে।

আবরার আল মামুন সাহাফ মার্চ ১৯, ২০২৬ 0

ইসরাইলের হামলার জবাবে কাতারে ইরানের প্রতিআক্রমণ

দীর্ঘ মোতায়েনের চাপে জেরাল্ড ফোর্ডে আগুন?

ইরানের খার্ক দ্বীপের একটি তেল টার্মিনালের স্যাটেলাইট ছবি

যুদ্ধেও হরমুজ দিয়ে তেল বিক্রি অব্যাহত ইরানের

0 Comments