সারাদেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে রাস্তায় মিলল ৫০ এসএসসি পরীক্ষার্থীর খাতা

মারিয়া রহমান মে ১৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁও শহরের ঠাকুরগাঁও জেলা স্কুলের বড় মাঠসংলগ্ন এলাকা থেকে এসএসসি পরীক্ষার প্রায় ৫০টি খাতা উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে রাস্তায় পড়ে থাকা খাতাগুলো দেখতে পেয়ে এক যুবক পুলিশকে খবর দেন।


স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতে জেলা স্কুলের বড় মাঠের পশ্চিম পাশের রাস্তায় ঘোরাঘুরির সময় ওই যুবকের নজরে আসে বেশ কিছু খাতা। পরে কাছে গিয়ে তিনি বুঝতে পারেন, এগুলো এসএসসি পরীক্ষার খাতা হতে পারে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তিনি দ্রুত পুলিশকে অবহিত করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খাতাগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।


তবে কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ এসব খাতা রাস্তায় এল, তা নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. খোদাদাদ হোসেন জানান, রাতের দিকে একজন ব্যক্তি প্রায় ৫০টি খাতা কুড়িয়ে পান এবং পরে পুলিশকে খবর দেন। উদ্ধার করা খাতাগুলো বর্তমানে থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এখন পর্যন্ত খাতাগুলোর মালিক শনাক্ত করা যায়নি।


বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
'কাল বৈশাখীর তান্ডব'
'কাল বৈশাখীর তান্ডব' এক ঘুর্ণি পাকেই উড়ে গেল বসতঘর

‘সন্ধা নামার একটু বাকী। উত্তর-পশ্চিম আকাশে কালো মেঘের ঘনঘটা। রাস্তা থেকে ছাগল-বকরি নিয়ে দৌড়াচ্ছি। শিশুদের বাড়ীতে আসার জন্য ডাকাডাকি করছি। মৃদুমন্দ বিজলী চমকানোর মধ্যে হঠাৎ উত্তর আকাশ থেকে কানে ভেসে এলো ঝড়ো হাওয়ার গর্জন। মনে হচ্ছিল কোনো একটা বিপদ ঘটতে যাচ্ছে। মুহূর্তের মধ্যে প্রবল বেগে একটা ঘুর্ণিপাক ধেঁয়ে আসলো। বাতাসের গর্জন শুনে ভয়ে দোয়া কালাম পড়তে পড়তে চক্ষু বন্ধ করে ছিলাম। ঝড়ো হাওয়ার প্রথম দফার আঘাতটা যেতে না যেতে চোখ খুলে দেখি বসত ভিটেয় কোনো ঘর নেই। আমাদের মাথার উপর থেকে ঘরটা উঁধাও হয়ে গেছে। প্রবল বাতাস আর ভারী বর্ষণের মধ্যে শিশুদের নিয়ে আশ্রয় খোঁজার জন্য ঝুকলাম। আগ বাড়াতেই শূন্য ভিটের উপর মান্দার গাছটা চোখের সামনে ভেঙে পড়লো। বসত বাড়ী সংলগ্ন কাচা রাস্তার বিপরীত পাশে পদ্মা পারে বাঁধা নৌকার দিকে তাকিয়ে দেখি পরিবারের একমাত্র অবলম্বন মাছ ধরার নৌকাটিও ডুবে গেলো। একটি ঘুর্নি পাকেই চোখের সামনে পরিবারের সবকিছু তছনছ হয়ে গেলো। পরে সর্বস্ব হারিয়ে ঝড়ো হাওয়ার বেগ পারি দিয়ে জান বাচাঁবার আশায় শিশুদের নিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলাম পাশের বাড়ীতে।’ এভাবেই কাল বৈশাখীর তান্ডব বিড়বিড় করে বর্ণনা করেছিলেন ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা সদর ইউনিয়নের হাজীডাঙ্গী গ্রামের পদ্মা পারের বসতি হত-দরিদ্র কামাল খানের স্ত্রী জোসনা আক্তার (৪০)। গত বুধবার বিকেলে কাল বৈশাখীর তান্ডবে একমাত্র বসত ঘর, ভিটের গাছপালা ও মাছ ধরার নৌকা হারানোর পর বৃহস্পতিবার দুপুরে উক্ত গৃহিনী কাল বৈশাখীর ভয়াবহতা বর্ণনা দিতে গিয়ে নিজের চোখ ভিজিয়ে ফেলেন। ঝড়ের পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া মমতাজ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেছেন। তিনি বৃহস্পতিবার বিকেলে খোলা আকাশের নিচে বসবাসরত কামাল খানের পরিবারে দুই বান্ডিল ঢেউটিন ও নগদ তিন হাজার টাকা পৌছে দিয়েছেন। এছাড়া কাল বৈশাখীর তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পার্শ্ববতী বালিয়া ডাঙ্গী গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারে এক বান্ডিল ঢেউটিন ও জোসনা মৃধার পরিবারে আরও এক বান্ডিলসহ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারে মোট চার বান্ডিল ঢেউটিন পৌছে দিয়েছেন ইউএনও। এসব ঢেউটিন বিতরনকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া মমতাজ বলেন, ‘উপজেলায় কাল বৈশাখীর তান্ডবে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারে দুই বান্ডিল ঢেউটিন ও নগদ টাকা এবং কম ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারে তালিকা করে এক বান্ডিল করে ঢেউটিন দেওয়া হবে।’ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আকস্মিক কাল বৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে উপজেলার ১৫টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ফসলী মাঠের প্রায় ৫০ একর কলা বাগানের গাছগুলো উপড়ে রয়েছে এবং  প্রায় ৮০ একর ভূট্টা ফসল বিনষ্ট হয়েছে। এছাড়া উপজেলার প্রচুর পরিমাণ ফলজ ও বনজ বৃক্ষাদিসহ বৈদ্যুতিক লাইনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। 

মারিয়া রহমান মে ১৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁওয়ে রাস্তায় মিলল ৫০ এসএসসি পরীক্ষার্থীর খাতা

ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচনের ৪ বছর পর চেয়ারম্যান হলেন শামছুজ্জামান জামাল

ছবি : সংগৃহীত

টিকটক করার অভিযোগে নারীর মরদেহ দাফনে বাধা, এলাকায় উত্তেজনা

ছবি : সংগৃহীত
কোরবানির ৮ ঘণ্টার মধ্যে নগরী বর্জ্যমুক্ত করা হবে : সিসিক প্রশাসক

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পর ৮ ঘণ্টার মধ্যে সিলেট নগরীকে বর্জ্যমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।   তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নগর পরিষ্কার করার প্রতিশ্রুতি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে দেওয়া হয়েছে এবং তা বাস্তবায়নে সিসিক কাজ করছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের মিরাবাজার-আগপাড়া প্রধান সড়কের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ৮ ঘণ্টার মধ্যে নগর পরিষ্কার করতে হলে সবার সহযোগিতা লাগবে। আমাদের কর্মীরা দ্রুত ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করবে। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ব্লিচিং পাউডার ও পলিব্যাগ বিতরণ করা হবে। কোরবানির বর্জ্য ও রক্ত পলিব্যাগে সংরক্ষণ করলে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা দ্রুত তা অপসারণ করবেন। নগরবাসীর সহযোগিতায় আমরা অতি দ্রুত শহরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে চাই। আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নগরের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে অনেকগুলো বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে নগরের সব এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। আপনারা জানেন সিলেট নগরের উন্নয়নের জন্য গত ২ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেট সফর করেছেন। তিনি সিলেটের উন্নয়নের দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এবং ৪ হাজার ৬শ কোটি টাকার বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। একটি দৃষ্টিনন্দন, আধুনিক ও বাসযোগ্য নগর গড়তেই এসব প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নগর উন্নয়নের জন্য আরও বেশ কয়েকটি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় আড়াইশ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে আপনাদের এলাকাতেই প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকার প্রকল্প রয়েছে। খুব শিগগিরই এসব কাজ শুরু হবে। একসঙ্গে সব প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও পর্যায়ক্রমে সব এলাকায় উন্নয়ন করা হবে। নগর পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, শুধু উন্নত রাস্তা বা অবকাঠামো নির্মাণ করলেই হবে না, নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখতেও সবাইকে সচেতন হতে হবে। আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা দিনরাত কাজ করছেন। তবে নাগরিকদের সহযোগিতা ছাড়া একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পুরো নগর পরিষ্কার রাখা সম্ভব নয়। নিজেদের বাড়ির মতোই শহরটাকে ভালোবাসতে হবে। রাস্তাঘাটে ময়লা ফেলা যাবে না। তিনি সামাজিক সংগঠনগুলোকে নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণ বিএনপিকে ম্যান্ডেট দিয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। জনকল্যাণ ও উন্নয়ন নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এ বি এম জিল্লুর রহমান উজ্জ্বল, বিএনপি নেতা মিনহাজুল ইসলাম, আগপাড়া মসজিদের মোতওয়াল্লি আব্দুল ওয়াহিদ তুরণ, সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমদ, মৌমুসী ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা শফিকুল ইসলাম চৌধুরী সাদিক, মান্না চৌধুরী, পাপলু পালসহ এলাকার বিশিষ্টজনরা। এর আগে, মিরাবাজার-আগপাড়া প্রধান সড়কের উন্নয়নকাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই সড়কটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। পরিদর্শনকালে প্রশাসক এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন। তিনি জানান, রাস্তার পাশের ড্রেনও সংস্কার করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও এলাকাবাসীর সহযোগিতার প্রশংসা করেন তিনি।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ১৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ৪ জন

ছবি: সংগৃহীত

পাহাড়ি পশুর হাটে অজ্ঞান পার্টির আতঙ্ক

সংগৃহীত ছবি

সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৪ হাজার

ছবি : সংগৃহীত
একজন পরীক্ষার্থী, তবু কেন্দ্রে ৮ কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন

বগুড়ার শিবগঞ্জে চলতি এসএসসি পরীক্ষার এক কেন্দ্রে দেখা গেল এক ব্যতিক্রমী চিত্র। হিসাব বিজ্ঞান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন মাত্র একজন পরীক্ষার্থী। তবে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দায়িত্ব পালন করেছেন শিক্ষক, পুলিশসহ মোট ৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।    আজ বুধবার উপজেলার গুজিয়া উচ্চবিদ্যালয় এসএসসি কেন্দ্রে এ ঘটনা। পরীক্ষাকেন্দ্রে কক্ষজুড়ে ছিল নীরবতা। একটি বেঞ্চে বসে একাই পরীক্ষা দেন ওই পরীক্ষার্থী।   গুজিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব শাহিনুর আলম জানান, হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষায় এ কেন্দ্রে মাত্র একজন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। পরীক্ষাটি সুষ্ঠু ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে সম্পন্ন করতে দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান।   প্রধান শিক্ষক আরও জানান, ইউএনও ছাড়াও পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন ট্যাগ অফিসার, কেন্দ্র সচিব, কক্ষ পরিদর্শক, সহকারী শিক্ষক, পুলিশ সদস্য এবং দু’জন অফিস সহায়ক ছিলেন।  

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ১৪, ২০২৬
গ্যাসের চুলা। ছবি : সংগৃহীত

টানা দুই দিন ৮ ঘণ্টা করে গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

ছবি : সংগৃহীত

কক্সবাজারে বাসা থেকে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

বিক্রির জন্য আনা ফসল। ছবি: সংগৃহীত

ধলতার নামে ৪২ কেজিতে মণ, ক্ষোভে ফুঁসছেন কৃষকরা

0 Comments