খেলাধুলা

টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভাঙার স্বপ্নে জো রুট

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের মালিক শচিন টেন্ডুলকার। দীর্ঘদিন ধরেই অটুট আছে তার ১৫ হাজার ৯২১ রানের বিশ্বরেকর্ড।

 

তবে এবার সেই রেকর্ডে হুমকি হয়ে উঠছেন জো রুট।

 

ইংল্যান্ডের এই অভিজ্ঞ ব্যাটার বর্তমানে টেস্টে করেছেন ১৩ হাজার ৯৪৩ রান। অর্থাৎ সচিনকে ছাড়িয়ে যেতে তার প্রয়োজন আর মাত্র ১ হাজার ৯৭৮ রান।

 

সম্প্রতি দ্য অ্যাথলেটিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শচিনের রেকর্ড নিয়ে কথা বলেছেন রুট।

 

ভারতীয় কিংবদন্তির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘শচিন আমার জন্মের আগেই টেস্ট অভিষেক করেছিল, আবার আমার টেস্ট অভিষেকের সময়ও খেলছিল! তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারই অবিশ্বাস্য। শুধু টেস্ট নয়, ওয়ানডেতেও ৫০টি সেঞ্চুরি করেছে সে।’

 

রুট আরো জানান, তিনি প্রতিনিয়ত নিজের ব্যাটিংয়ে নতুন কিছু যোগ করার চেষ্টা করেন। তার ভাষায়, ‘আমি সবসময় নিজের ব্যাটিং আরো উন্নত করার চেষ্টা করি।

 

যেন ম্যাচের সময় টেকনিক নয়, পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলায় পুরো মনোযোগ দিতে পারি।’

 

২০২০ সালের পর থেকেই দুর্দান্ত ধারাবাহিকতায় রয়েছেন এই ইংলিশ ব্যাটার। বর্তমানে টেস্ট ক্রিকেটের তথাকথিত ‘ফ্যাব ফোর’—বিরাট কোহলি, স্টিভ স্মিথ, কেন উইলিয়ামসন ও রুটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রানও তারই।

 

ইংল্যান্ডের সামনে এখন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। আর সেই সিরিজ থেকেই শচিনের রেকর্ডের দিকে আরো একধাপ এগিয়ে যেতে চাইবেন রুট।

 

২০০ টেস্টে শচিনের সংগ্রহ ১৫,৯২১ রান, যেখানে রয়েছে ৫১টি সেঞ্চুরি। অন্যদিকে ১৬৩ টেস্টেই রুটের ঝুলিতে ৪১টি সেঞ্চুরি ও ১৩,৯৪৩ রান। তাই অনেকের বিশ্বাস, বর্তমান ফর্ম ধরে রাখতে পারলে একদিন হয়তো টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের আসনেও বসতে পারেন ইংল্যান্ডের এই ব্যাটিং তারকা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
এল ক্লাসিকোর আগে কৌশল নিয়ে মুখ খুললেন না মরিনিও, সাংবাদিকদের সঙ্গে রসিকতা

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই এল ক্লাসিকোকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। রোববার (২৫ অক্টোবর) মুখোমুখি হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়ে নিজের পরিকল্পনা গোপন রাখলেন রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হোসে মরিনিও। সাংবাদিকদের একের পর এক প্রশ্নের জবাবে কখনো রসিকতা, আবার কখনো কৌশলী মন্তব্যে আলোচনায় উঠে এলেন পর্তুগিজ এই কোচ।   রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্বে দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করার পর লা লিগায় বড় পরীক্ষার সামনে দাঁড়িয়ে মরিনিও। অন্যদিকে সাম্প্রতিক দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে প্রশংসায় ভাসছে বার্সেলোনা। বিপরীতে সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে মাদ্রিদের দলটিকে।   তবে এসব সমালোচনা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন মরিনিও। তার বক্তব্য, এক সপ্তাহ আগে যারা রিয়ালের বড় পরাজয়ের আশঙ্কা করেছিলেন, তারা নিজেদের ধারণা নিয়েই থাকতে পারেন। বার্সেলোনাকে নিয়ে কে কী প্রশংসা করছে, সেটিও তার ভাবনার বিষয় নয়।   বার্সেলোনার ভালো পারফরম্যান্সের প্রশংসা করলেও নিজের দলকে এখনই তাদের সঙ্গে তুলনা করতে রাজি নন রিয়াল কোচ। মরিনিও মনে করেন, তার দল এখনও গড়ে ওঠার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।   তিনি জানান, মাত্র তিন মাস ধরে খেলোয়াড়দের নিয়ে কাজ করছেন। এর মধ্যে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক বিরতির কারণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করার সুযোগও সীমিত ছিল। ফলে কোচ ও খেলোয়াড়দের মধ্যে বোঝাপড়া তৈরি এবং পরিকল্পনার যথাযথ বাস্তবায়নে আরও সময় প্রয়োজন।   দীর্ঘদিন ধরে ধারাবাহিক সাফল্য পাওয়া একটি দলের সঙ্গে নতুনভাবে গড়ে ওঠা দলের তুলনা করাকে যুক্তিসংগত মনে করেন না মরিনিও।   সংবাদ সম্মেলনে নিজের দাড়ি নিয়েও মজার পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন পর্তুগিজ কোচ। সম্প্রতি তাকে দাড়ি রাখতে দেখা যাওয়ায় এক সাংবাদিক জানতে চান, এটি কোনো সৌভাগ্যের প্রতীক কি না।   জবাবে মরিনিও হাস্যরসের সুরে পাল্টা প্রশ্ন করেন, দাড়ি রাখলে তাকে খারাপ দেখায় কি না। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, ফুটবলে কুসংস্কারে বিশ্বাস করেন না তিনি।   তবে ম্যাচের মূল পরিকল্পনা নিয়ে একেবারেই সতর্ক ছিলেন রিয়াল কোচ। সম্ভাব্য একাদশ, খেলোয়াড় নির্বাচন কিংবা কৌশল সম্পর্কে জানতে চাইলে কোনো তথ্য প্রকাশ করতে রাজি হননি।   তিনি জানিয়ে দেন, ম্যাচের পরিকল্পনা বা শুরুর একাদশ নিয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না। বরং সাংবাদিকদের অন্য প্রশ্ন করার আহ্বান জানান।   রিয়ালের রক্ষণভাগের দুর্বলতা এবং বার্সেলোনার বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু এসব প্রশ্নের উত্তর দিলে নিজের কৌশল প্রকাশ হয়ে যেতে পারে বুঝতে পেরে আবারও রসিকতার আশ্রয় নেন মরিনিও।   এক সাংবাদিককে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনি চালাক, কিন্তু আমি বোকা নই।’   সব মিলিয়ে এল ক্লাসিকোর আগে সংবাদ সম্মেলনে কৌশল প্রকাশ না করলেও নিজের স্বভাবসুলভ আত্মবিশ্বাস, রসিকতা ও কৌশলী জবাবে আলোচনার কেন্দ্রে থাকলেন হোসে মরিনিও।   এখন মাঠের লড়াইয়ে তার পরিকল্পনা কতটা সফল হয়, সেটিই দেখার অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ২৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

তিলক ভার্মার বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে রোমাঞ্চকর জয় ভারতের

আবারও মাঠ কাঁপাবেন ব্রাজিলিয়ান তারকা রোনালদিনহো

ছবি: সংগৃহীত

প্যারিসে অস্থিরতা: পিছিয়ে গেল পিএসজির ম্যাচ

ব্যালন ডি’অরের আগেই মার্কার বর্ষসেরার পুরস্কার জিতলেন কেইন

ব্যালন ডি’অরের জমকালো আয়োজনের আগে আরেকটি ব্যক্তিগত পুরস্কার নিজের করে নিলেন হ্যারি কেইন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কার দেওয়া বার্ষিক ফুটবল পুরস্কারে বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালকে অল্প ব্যবধানে হারিয়ে সেরার স্বীকৃতি পেয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের এই ইংলিশ স্ট্রাইকার।     আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে বসতে যাচ্ছে ব্যালন ডি’অরের আসর। ফুটবলের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারের দৌড়ে কেইন, ইয়ামাল ও কিলিয়ান এমবাপ্পের মতো তারকারা আলোচনায় রয়েছেন। এর আগে মার্কার পুরস্কার জয় কেইনের অর্জনের তালিকায় যোগ হলো নতুন এক সাফল্য।     গত মৌসুমে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স বিবেচনায় নিয়ে বিশ্বের সেরা ১০০ ফুটবলারের তালিকা তৈরি করে মার্কা। সেই তালিকার ভিত্তিতেই দেওয়া হয় তাদের বার্ষিক এই পুরস্কার। আন্তর্জাতিক সাংবাদিক, সাবেক ফুটবলার ও কোচদের নিয়ে গঠিত জুরির ভোটে নির্ধারিত হয় বিজয়ী।     এবারের আয়োজনে মনোনীত ১০০ খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ২২৬ জন ভোটার তাদের পছন্দের সেরা ১৫ জনকে বেছে নেন। ভোটের নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম স্থানের জন্য ৩০ পয়েন্ট, দ্বিতীয় স্থানের জন্য ২৫ এবং তৃতীয় স্থানের জন্য ২৩ পয়েন্ট বরাদ্দ ছিল।     ভোটের ফলাফলে মোট ৩৯৬২ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছেন কেইন। খুব কাছেই ছিলেন ইয়ামাল। বার্সেলোনা ও স্পেনের এই ফরোয়ার্ড পেয়েছেন ৩৯৩৭ পয়েন্ট। অর্থাৎ মাত্র ২৫ পয়েন্টের ব্যবধানে তাকে পেছনে ফেলেছেন বায়ার্ন তারকা।       তালিকার তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরাসি ফরোয়ার্ডের সংগ্রহ ৩৪৪০ পয়েন্ট।     এর মধ্য দিয়ে করিম বেনজেমা, আর্লিং হালান্ড, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও লামিন ইয়ামালের মতো তারকাদের পাশে নিজের নাম যুক্ত করলেন কেইন। ব্যালন ডি’অরের চূড়ান্ত ফল ঘোষণার আগে মার্কার এই পুরস্কার জয় ইংলিশ স্ট্রাইকারের জন্য নিঃসন্দেহে বড় স্বীকৃতি।

মারিয়া রহমান অক্টোবর ২৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বিসিবি একাদশের সঙ্গে ড্রয়ে শেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রস্তুতি ম্যাচ

সংগৃহীত ছবি

ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে এগিয়ে আছেন যারা

ছবি: সংগৃহীত

ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচনে এশিয়ান কনফেডারেশনের সমর্থন

ছবি: সংগৃহীত
তিন লাল কার্ডের উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে আবাহনীর হার

ম্যাচে তখন ১-১ সমতা। এরপর বলের নিয়ন্ত্রণের সময় উইলিয়াম ওলামপিওর চার্জে পড়ে গেলেন মাইকেল বাবাতুন্ডে। শুরু হলো ধাক্কাধাক্কি। এক পর্যায়ে আবাহনীর নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড ওকাচি আচু ছুটে গিয়ে ধাক্কা দিলেন ব্রাদার্স ইউনিয়নের ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার জোনাথন সান্তানাকে। সান্তানাও ফিরতি ধাক্কায় মাটিতে ফেলে দিলেন ওকাচিকে। রেফারি দুজনই দিলেন লাল কার্ড। অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার একটু পর পাওয়া গোল আগলে রেখে আবাহনীকে হারানোর উচ্ছ্বাস নিয়ে মাঠ ছাড়ল ব্রাদার্স ইউনিয়ন।   গোপালগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে শুক্রবার বাংলাদেশ ফুটবল লিগের ম্যাচে আবাহনীকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ব্রাদার্স। ২৭তম মিনিটে আলি রেজা ব্রাদার্সকে এগিয়ে নেওয়ার পর ৫৮তম মিনিটে রবিউল হাসানের গোলে সমতায় ফিরে আবাহনী। এরপর ৭৬তম মিনিটে ব্যবধান গড়ে দেন রেজা।   চলতি লিগে এই প্রথম হারের তেতো স্বাদ পেল আবাহনী। অন্যদিকে ব্রাদার্স পেল প্রথম জয়। চার ম্যাচে আবাহনীর পয়েন্ট ৭। তাদের চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলা ব্রাদার্সের পয়েন্ট ৫।   আবাহনীর রক্ষণের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় ব্রাদার্স। প্রতিপক্ষের অর্ধ থেকে আসা লং পাস রক্ষণভাগ ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে পেয়ে যান রেজা। সহজ টোকায় মাহফুজ হাসান প্রীতমকে পরাস্ত করেন তিনি। এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় গোপীবাগের দলটি।   দ্বিতীয়ার্ধে সমতার স্বস্তি ফিরে আবাহনীর তাঁবুতে। ৫৮তম মিনিটে বক্সের একটু উপরে ইয়াসিন কান ছোট ফ্রি কিক নেওয়ার পর সতীর্থের ব্যাক পাস ধরে জোরাল শট নেন রবিউল। বল চোখের পলকে জালে জড়ায়।   ৮৫তম মিনিটে আলি মিরাদ সরাসরি লাল কার্ড দেখলে ব্রাদার্স পরিণত হয় নয় জনের দলে। তবে, বাকিটা সময় ব্যবধান ধরে রেখেই জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে তারা।   এরপরই ওই লাল কার্ডের কাণ্ডে একটু পরই ব্রাদার্স ফের এগিয়ে যায়। জামাল ভূঁইয়ার লং পাস আবাহনীর আসাদুজ্জামান বাবলু ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে পেয়ে যান রেজা। ঠাণ্ডা মাথায় গোলকিপারের পাশ দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।   দিনের অন্য ম্যাচে ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স ক্লাবকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস অ্যান্ড সোসাইটি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ২৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে চমক দেখাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ হকি দল

সংগৃহীত ছবি

গিলের রেকর্ড ভেঙে দ্রুততম ওয়ানডে ডাবল সেঞ্চুরি হ্যারি ব্রুকের

সংগৃহীত ছবি

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত

0 Comments