বিশ্ব

সেভেন সিস্টার্স রাজ্যে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১৬

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬

ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্য মেঘালয়ের পূর্ব জৈন্তিয়া হিলস জেলার একটি ‘অবৈধ’ কয়লাখনিতে বিস্ফোরণে অন্তত ১৬ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে থাংস্কু এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে। বিস্ফোরণের সময় খনির ভেতরে আরও শ্রমিক ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাদের অনেকে এখনো আটকা পড়তে পারেন। খবর এনডিটিভির।

 

মেঘালয় পুলিশের মহাপরিচালক আই নংগ্রাং জানান, এখন পর্যন্ত ১৬টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বিস্ফোরণের সময় খনিতে মোট কতজন শ্রমিক ছিলেন, তা নিশ্চিত করা যায়নি। উদ্ধার অভিযান চলছে।

পূর্ব জৈন্তিয়া হিলসের পুলিশ সুপার বিকাশ কুমার বলেন, বিস্ফোরণে আহত এক শ্রমিককে প্রথমে সুটংগা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে শিলংয়ের একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খনিটি অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে তাই মনে হচ্ছে। বিস্ফোরণের কারণ এখনও জানা যায়নি। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হবে।

উল্লেখ্য, পরিবেশগত ক্ষতি ও নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ২০১৪ সালে মেঘালয়ে কয়লা খননসহ অবৈজ্ঞানিক খনন কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে জাতীয় পরিবেশ ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি)। পরে সুপ্রিম কোর্টও সেই নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখে পরিবেশগত সুরক্ষা নিশ্চিত করে কেবল বৈজ্ঞানিক ও নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে খননের অনুমতি দেয়।

অবৈধ খননে খুব সরু ও নিচু সুড়ঙ্গ খোঁড়া হয়, যেখানে একজন শ্রমিক কষ্ট করে ঢুকে কয়লা তুলতে পারেন। এই ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতিই দীর্ঘদিন ধরে মেঘালয়ে প্রাণহানির কারণ হয়ে উঠছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
আকাশছোঁয়া বিস্ময়, ২৫০ মিটার উঁচুতে ভবন বানালো চীন

আকাশচুম্বী ভবন মানেই তো তা সোজা ওপরের দিকে উঠে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু চীন এবার তৈরি করেছে এক অভিনব আনুভূমিক ভবন। দ্য ক্রিস্টাল নামের এই কাঠামোটি ৩০০ মিটার দীর্ঘ এবং এটি ভূমি থেকে ২৫০ মিটার উঁচুতে চারটি প্রচলিত খাড়া ভবনের ওপর চমৎকারভাবে দাঁড়িয়ে আছে। এটিই বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম ও সর্বোচ্চ আনুভূমিকা আকাশচুম্বী ভবন।   ব্যস্ত ও জনবহুল চংকিং শহরের ইয়াংজি এবং জিয়ালিং নদীর মিলনস্থলে নির্মিত এই ভবনটি স্থাপত্যশৈলীর দিক থেকে চীনের ইতিহাসেই অন্যতম এক উচ্চাভিলাষী প্রকল্প। হরাইজন্টাল স্কাইস্ক্র্যাপার বা স্কাইব্রিজ অবশ্য পৃথিবীতে নতুন কিছু নয়; সিঙ্গাপুরের মারিনা বে স্যান্ডস কিংবা বেইজিংয়ের লিংক হাইব্রিড এর বড় উদাহরণ। তবে দ্য ক্রিস্টাল যেন সবকিছুকে ছাড়িয়ে গেছে। এটি একই সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক খাড়া টাওয়ারকে যুক্ত করা সর্বোচ্চ স্কাইব্রিজ।   এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম রিয়েল এস্টেট কোম্পানি ক্যাপিটাল্যান্ড-এর তৈরি এই প্রকল্পের প্রাক্কলিত বাজেট ছিল প্রায় ১১০ কোটি ডলার। এর বাইরের আবরণ তৈরিতে প্রায় ৩ হাজার কাচের প্যানেল এবং ৫ হাজার অ্যালুমিনিয়ামের টুকরো লেগেছে। তবে এগুলোকে শূন্যে জোড়া লাগানোই ছিল প্রকৌশলীদের জন্য আসল চ্যালেঞ্জ। ৩০০ মিটার দীর্ঘ এই কাঠামোর সাতটি বড় অংশ প্রথমে মাটিতে তৈরি করা হয়। এরপর অত্যন্ত নিখুঁত হাইড্রোলিক প্রযুক্তির সাহায্যে সেগুলো ২৫০ মিটার ওপরে তুলে জোড়া দেওয়া হয়। বাকি অংশগুলো সরাসরি টাওয়ারগুলোর ওপর বসানো হয়েছে। এই ভবনের কেবল স্টিলের কাঠামোর ওজনই ১২ হাজার টন, যা আইফেল টাওয়ারের ওজনের সমান!   নিচের চারটি ভবনের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের পাশাপাশি দ্য ক্রিস্টাল বিনোদন ও বসবাসের জন্য একটি দারুণ জায়গা। এর মূল আকর্ষণ হলো ১ হাজার ৫০০ বর্গমিটারের কাচের মেঝেযুক্ত ‘এক্সপ্লোরেশন ডেক’, যেখান থেকে চংকিং শহরের মনোরম দৃশ্য দেখা যায়। এ ছাড়া এই স্কাইব্রিজে রয়েছে ছাদবাগান, বার, রেস্তোরাঁ, অনুষ্ঠান আয়োজনের জায়গা, একটি প্রাইভেট ক্লাব এবং দুটি ৫০ মিটার দীর্ঘ ইনফিনিটি পুল। সূত্র: ওডিটি সেন্ট্রাল

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৩, ২০২৬

৫৭৮ নাতি-নাতনি, ১০২ সন্তান, ১২ স্ত্রী নিয়ে মুসার সংসার

দুই পা ছাড়াই এভারেস্ট জয়ের প্রথম বিশ্বরেকর্ড

দুই পা ছাড়াই ইতিহাস গড়লেন, এভারেস্ট জয় করে বিশ্বরেকর্ড

ভোজশালা কমপ্লেক্স। ছবি: সংগৃহীত

আরও এক ঐতিহাসিক মসজিদকে মন্দির ঘোষণা করল ভারত

ছবি : সংগৃহীত
সিরিয়ায় ফের হামলা চালালো ইসরায়েল

সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় দেরা প্রদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তীব্র কামান বা গোলন্দাজ হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী।  শুক্রবার (২২ মে) সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সানার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেরা প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় গ্রামীণ এলাকার ইয়ারমুক অববাহিকায় অবস্থিত মারিয়া ও আবদিন গ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চলকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। ইসরাইলি বাহিনীর ছোড়া কামানের গোলা মূলত ওই অঞ্চলের পশ্চিম সীমান্তের কৃষি জমি ও বনাঞ্চলে আঘাত হেনেছে। সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলে আকস্মিক হামলার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই গোলন্দাজ হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষতি কিংবা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে সানার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।  এই বিষয়ে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।  সূত্র: আনাদোলু

মারিয়া রহমান মে ২২, ২০২৬
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র। ছবি- এএফপি

ছেলের বিয়েতে যোগ দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন পারমাণবিক নীতির নিন্দা জানাল চীন ও রাশিয়া

ছবি: সংগৃহীত

উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো নিষিদ্ধ করলেন খামেনি

ছবি : সংগৃহীত
রাশিয়ার তেল শোধনাগারে একের পর এক হামলা, বাড়ছে জ্বালানি সংকট

সম্প্রতি রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলো লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেনের ড্রোন হামলার কারণে রাশিয়ার প্রায় সব বড় তেল শোধনাগার সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে বলে জানা গেছে।   বুধবার (২০ মে) রয়টার্সের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার মুখে পড়া শোধনাগারগুলোর মোট বার্ষিক সক্ষমতা ৮ কোটি ৩০ লাখ টনের বেশি, যা রাশিয়ার মোট তেল পরিশোধন সক্ষমতার প্রায় এক-চতুর্থাংশ। এসব শোধনাগার দেশটির মোট পেট্রোল উৎপাদনের ৩০ শতাংশের বেশি এবং ডিজেল উৎপাদনের প্রায় ২৫ শতাংশ সরবরাহ করে থাকে। পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে রাশিয়া ইতোমধ্যে এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত পেট্রল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের শুরু থেকে ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর ড্রোন হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে তেল শোধনাগার, পাইপলাইন ও সংরক্ষণাগার। এর ফলে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ রাশিয়ার তেল উৎপাদনেও চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির ফেডারেল বাজেটেও এর প্রভাব পড়ছে। কারণ রাশিয়ার মোট রাজস্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আসে তেল ও গ্যাস খাত থেকে। হামলার শিকার হওয়া প্রধান শোধনাগারগুলোর মধ্যে রয়েছে পশ্চিম রাশিয়ার কিরিশি, মস্কো অয়েল রিফাইনারি, ভলগা নদীর তীরে নিঝনি নোভগোরদ, রিয়াজান ও ইয়ারোস্লাভল এলাকার শোধনাগার। সূত্রগুলো জানায়, রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ কিরিশি শোধনাগারটি গত ৫ মে থেকে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এর বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ছিল প্রায় ২ কোটি মেট্রিক টন। এছাড়া ১ কোটি ৭০ লাখ টন সক্ষমতার নিঝেগোরোদনেফতেওর্গসিনতেজ (নরসি) শোধনাগারেও ২০ মে হামলা চালানো হয়। হামলার পর সেটি আংশিকভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পেরেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায় অবৈধ : যুক্তরাষ্ট্র

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু সরকার। ছবি : সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের গণমাধ্যমে কথা বলায় নিষেধাজ্ঞা

ছবি : সংগৃহীত

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দেশগুলোর দায়িত্ব পুনর্ব্যক্ত করলো জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো

0 Comments