জাতীয়

সংসদে বেসরকারি সদস্যদের ৯ বিল পাস

মারিয়া রহমান মে ১২, ২০২৬ 0
জাতীয় সংসদ ভবন। ফাইল ছবি
জাতীয় সংসদ ভবন। ফাইল ছবি

জাতীয় সংসদে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে নেই- এমন সংসদ সদস্যদের বেসরকারি সদস্য বলা হয়। তাদের উত্থাপিত বিলগুলো বেসরকারি বিল হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালের প্রথম সংসদ থেকে দ্বাদশ সংসদ পর্যন্ত বেসরকারি সদস্যদের আনা মোট নয়টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে একটি ছিল বিরোধী দলের সদস্যের উত্থাপিত, আর বাকি আটটি বিল এসেছে ক্ষমতাসীন দল বা জোটের সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে।

মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয় সংসদের ‘বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব’ সম্পর্কিত কমিটির প্রথম বৈঠকে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

সূত্র জানায়, অতীতের ১২টি সংসদের মধ্যে প্রথম, ষষ্ঠ ও দ্বাদশ সংসদে বেসরকারি সদস্যরা কোনো বিল উত্থাপন করেননি। এর মধ্যে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদের মেয়াদ ছিল মাত্র ১২ দিন। প্রথম সংসদের মেয়াদ ছিল ২ বছর ৭ মাস এবং দ্বাদশ সংসদের মেয়াদ ছিল ৬ মাস ৮ দিন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় গত ১২ মার্চ এবং শেষ হয় ৩০ এপ্রিল। প্রথম দিনের বৈঠকেই ‘বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব’ সম্পর্কিত কমিটি গঠন করা হয়।


কমিটির সভাপতি করা হয়েছে নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহানকে। তার সভাপতিত্বে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বেসরকারি সদস্যদের বিলের খসড়া প্রস্তুতে সংসদ সদস্যদের সহায়তা দিতে সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ ড্রাফটিং ইউনিটকে আরও সক্রিয় হওয়ার সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি মো. শাহজাহান ছাড়াও বৈঠকে আরও অংশ নেন কমিটির সদস্য ও আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, আমানউল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, তাহসিনা রুশদীর, মুহাম্মদ নওশাদ জমির, শাহজাহান চৌধুরী এবং নূরুল ইসলাম।

সংসদ অধিবেশন চলাকালে বৃহস্পতিবার সাধারণত বেসরকারি সদস্যদের কার্যদিবস হিসেবে প্রাধান্য পায়, যা ‘বেসরকারি দিবস’ নামে পরিচিত। তবে স্পিকার চাইলে দিনটি সরকারি কার্যদিবস হিসেবেও নির্ধারণ করতে পারেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংগৃহীত ছবি
পেনশন স্কিমে নিবন্ধিত হলেন ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৫ জন

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আওতায় চালু হওয়া চারটি পেনশন স্কিমে মোট ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৫ জন নিবন্ধিত হয়েছেন। প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা নামে নিবন্ধিত ব্যক্তিদের পেনশন তহবিলে মোট জমার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা। মুনাফাসহ এ পর্যন্ত মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ২৭৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, প্রথম একবছরে এই স্কিমে যেখানে যুক্ত হয়েছিল প্রায় পৌনে চার লাখ মানুষ, সেখানে পরের ২০ মাসে এ সংখ্যা বেড়েছে কেবল পাঁচ হাজারের মত। চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত স্কিমগুলোর বিষয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্যই জানিয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের বিষয়ে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান সর্বজনীন পেনশন স্কিমের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করেন। এতে বাংলাদেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৮৫ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত এবং দেশের বয়স্ক জনগোষ্ঠীর নির্ভরশীলতার অনুপাত ২০২৩ সালের ৯.৪ শতাংশ থেকে ২০৫০ সালে ২৪ শতাংশ ও ২০৭৫ সালে ৪৮ শতাংশে উন্নীত হবে। ভবিষ্যতের এই জনমিতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে সর্বজনীন পেনশন স্কিমকে আরও শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। অর্থমন্ত্রী সর্বজনীন পেনশন স্কিমের সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারের প্রতিটি থেকে কমপক্ষে একজন সদস্যকে পেনশন স্কিমের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে স্কিমকে আরো আকর্ষণীয় করতে শরিয়াহভিত্তিক পেনশন স্কিম চালু, নমিনিদের জন্য আজীবন পেনশন সুবিধা বিবেচনা এবং প্রগতি স্কিমে আউটসোর্সিং কর্মীদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন।   সভায় আরো জানানো হয়, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহজশর্তে ঋণ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ছাড়া ৪৫টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিকাশ, নগদ ও টেলিটকের মাধ্যমে চাঁদা গ্রহণের ব্যবস্থা এবং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে সভায় অবহিত করা হয়। অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ অনুযায়ী বেসরকারি খাতের কর্মীদের বার্ধক্যকালীন আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘পেনশন ফান্ড’ গঠন একটি অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। তিনি সর্বজনীন পেনশন স্কিমে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি, প্রচার কার্যক্রম জোরদার, সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দক্ষ ও পেশাদার জনবল নিয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

মারিয়া রহমান মে ১২, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

অটিজমে আক্রান্তদের পূর্ণ মর্যাদায় বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদ ভবন। ফাইল ছবি

সংসদে বেসরকারি সদস্যদের ৯ বিল পাস

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ছবি : সংগৃহীত

বিগত সরকার বিদ্যুৎ খাতে দেশীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে : জ্বালানি মন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি
ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে কিউআর কোড যুক্ত করার নির্দেশ

বিদেশে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ বিভিন্ন আর্থিক নথির সত্যতা দ্রুত ও সহজে যাচাই নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এসংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।  এতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশের ভিসা আবেদনের সময় বাংলাদেশি নাগরিকদের দূতাবাস বা ভিসা সেন্টারে বিভিন্ন ব্যাংক নথি জমা দিতে হয়। তবে তাৎক্ষণিক যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় দূতাবাস ও ভিসা সেন্টারগুলো জটিলতায় পড়ছে। এতে ভিসা প্রক্রিয়ায় সময় ও প্রশাসনিক ব্যয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ সংশ্লিষ্ট নথি ডিজিটালভাবে দ্রুত যাচাইয়ের ব্যবস্থা চালু করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কিউআর কোড স্ক্যান করলে গ্রাহকের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেখা যাবে। এর মধ্যে থাকবে অ্যাকাউন্ট নম্বর, হিসাবধারীর নাম, স্টেটমেন্টের শুরুর ও শেষের স্থিতি এবং নথি তৈরির তারিখ। এসব সুবিধা নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক আরো জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট তথ্য অন্তত ছয় মাস সংরক্ষণ করতে হবে এবং যাচাইযোগ্য অবস্থায় রাখতে হবে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধি মেনে চলতে হবে।

মারিয়া রহমান মে ১২, ২০২৬ 0

সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ-পুশইন রোধে বিজিবি সর্বদা জাগ্রত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

দেশে স্থিতিশীলতা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, শিক্ষার্থীদের জনমত গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের

ছবি: সংগৃহীত
দুর্নীতি ও অপচয় রোধে মানসিকতা পরিবর্তনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দুর্নীতি ও সরকারি অর্থের অপচয় রোধে দেশের মানুষের মানসিক পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, শুধু আইন বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নয়, একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সমাজ গঠনে নাগরিকদের মনোভাব পরিবর্তনও অত্যন্ত জরুরি।   একটি আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে টেকসই করতে হলে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। অপচয় ও অনিয়ম রোধে প্রশাসন যেমন কাজ করছে, তেমনি জনগণকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।   তিনি আরও বলেন, “দুর্নীতি একটি সামাজিক ব্যাধি। এটি দূর করতে হলে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কর্মক্ষেত্র—সব জায়গা থেকেই সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।”   সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ডিজিটাল ব্যবস্থা ও নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে গুণগত মান বজায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু নীতিগত উদ্যোগ নয়, সমাজে নৈতিক মূল্যবোধ জোরদার করা গেলে দুর্নীতি ও অপচয় অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।   প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অনেকে, তবে তারা মনে করেন বাস্তবায়নের জন্য কঠোর নজরদারি ও কার্যকর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

‘জাতীয়তাবাদী আদর্শ’ মন্তব্যে যা বোঝাতে চাইলেন ডিআইজি রেজাউল করিম

ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আজহা ঘিরে ১৪ দিনের বিশেষ নিরাপত্তা নজরদারি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

দলমত নয়, উন্নয়নই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য: তথ‍্য প্রতিমন্ত্রী

0 Comments