জাতীয়

রাষ্ট্রপতির বিদেশ সফর প্রোটোকলে পরিবর্তন

আক্তারুজ্জামান মে ০৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতির বিদেশ সফর ও দেশে ফেরার সময় অনুসরণীয় রাষ্ট্রীয় প্রোটোকলে পরিবর্তন এনে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিমানবন্দরে উপস্থিত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে।

 

গত ৪ মে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনার বিষয়টি জানানো হয়।

 

নতুন প্রোটোকল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির বিদেশযাত্রা কিংবা স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সময় বিমানবন্দরে এখন থেকে সাতজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি উপস্থিত থাকবেন।

 

তালিকায় রয়েছেন— মন্ত্রিসভার একজন সদস্য, ডিপ্লোমেটিক কোরের প্রধান, স্বাগতিক দেশের মিশন প্রধান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জন বিভাগের সচিব ও রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রাচার প্রধান।

 

এর আগে ২০১৭ সালের ১৬ মে রাষ্ট্রপতির বিদেশ সফর সংক্রান্ত সর্বশেষ রাষ্ট্রাচার নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। সে সময়ের নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির যাত্রা ও প্রত্যাবর্তনের সময় বিমানবন্দরে ১৩ জন কর্মকর্তার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক ছিল।

 

নতুন নির্দেশনার ফলে সেই সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা আরও সংক্ষিপ্ত ও কার্যকর করতেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ সপ্তাহে পদক বিতরণ স্থগিত

এবারের পুলিশ সপ্তাহের প্রথম দিনে দেওয়া হচ্ছে না পুলিশ পদক। বাহিনীর নিয়মিত বার্ষিক এ আয়োজনে বিভিন্ন স্তরের ১০৭ জন সদস্যের পদক পাওয়ার কথা ছিল।   রোববার শুরু হতে যাওয়া পুলিশ সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগের রাত শনিবার পদক স্থগিতের খবর দিয়েছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং তালিকায় নাম থাকা একাধিক কর্মকর্তা।   স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষস্থানীয় একজন কর্মকর্তাও রোববার পুলিশ পদক দেওয়া হবে না বলে নিশ্চিত করেছেন।   এ বিষয়ের ঘোষণা রোববার দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।   পদকপ্রাপ্তদের প্রাথমিক তালিকায় নাম থাকা একজন অতিরিক্ত আইজিপিও শনিবার রাতে এ তথ্য দেন।   কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য এবার পুলিশ সপ্তাহে পদক পাওয়ার কথা ছিল বাহিনীর ১০৭ সদস্যের।   আগের বছরের প্রশংসাযোগ্য কাজের জন্য পদক এবং সরাসরি সরকারপ্রধানের কাছে দাবি-দাওয়া উত্থাপনের জন্য পুলিশের নীতিনির্ধারকররা মুখিয়ে থাকেন পুলিশ সপ্তাহর জন্য।   পদকের তালিকায় নাম থাকা আরও কয়েকজন কর্মকর্তা রোববার পদক দেওয়া হবে না বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন। তারা বলেন, পরে দেওয়া হবে তাদের জানানো হয়েছে।   তালিকায় নাম থাকা ১০৭ জন কর্মকর্তা শনিবারও দিনের বেলা মহড়ায় অংশ নেন। পরে রাতে তারা জানতে পারেন পদক স্থগিতের খবর।   তবে কী কারণে পদক দেওয়া স্থগিত করা হয়েছে তা জানানো হয়নি তাদের।   নির্বাচিত নতুন সরকারের আমলে প্রথম পুলিশ সপ্তাহের বর্ণ্যাঢ্য উদ্বোধনের প্রস্তুতি চলছে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে। পদক প্রদান স্থগিত থাকলেও উদ্বোধন অনুষ্ঠান হবে, যাতে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। পদকপ্রাপ্তদের পদক দেওয়ার কথাও ছিল তার।   নির্বাচনের ডামাডোলে শীতের পুলিশ সপ্তাহ এবছর গিয়ে ঠেকেছে গ্রীষ্মে। তার ওপর পদক প্রদানের আনুষ্ঠানিকতা স্থগিত হওয়ায় মন খারাপের কথা জানিয়েছেন কয়েকজন কর্মকর্তা।   প্রতি বছর পুলিশ সপ্তাহের প্রথম দিনে পদকপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সদস্যদের এই পদক পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী বা সরকারপ্রধান।   কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদকে (পিপিএম) ভূষিত করা হয়ে থাকে।   ২ মে থেকে রাজারবাগে পুলিশ সপ্তাহের মহড়াতে অংশ নেন পদকের তালিকায় থাকা পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা।   অতিরিক্ত আইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা শনিবার রাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আমি খবরটা জেনে পুলিশ সদর দপ্তরে যোগাযোগ করেছি। সেখান থেকে জানানো হয়েছে পদক প্রদান অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

কাপাসিয়ায় পরিবার হত্যাকাণ্ড: ফুরকানকে প্রধান আসামি করে মামলা

ছবি: সংগৃহীত

তরুণদের সুরক্ষায় তামাকপণ্যের দাম বাড়ানোর আহ্বান চিকিৎসকদের

ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতির বিদেশ সফর প্রোটোকলে পরিবর্তন

ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষাখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে পাঠ্যসূচি, শিক্ষাক্রম ও শিক্ষাপঞ্জিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হবে এবং ধাপে ধাপে শিক্ষা খাতে জিডিপির পাঁচ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।   শনিবার রাতে রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া কনভেনশন সেন্টারের স্কাই রেস্টুরেন্টে আয়োজিত আইআইইউএম অ্যালামনাই বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের বার্ষিক সাধারণ সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য শিক্ষার উন্নয়ন অপরিহার্য। তাই শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও আধুনিক করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জানান, সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।   তিনি আরও বলেন, কেবল জিপিএ-৫ অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; নতুন প্রজন্মকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্যেই শিক্ষাব্যবস্থাকে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক কাঠামোয় রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।   ড. মিলন বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে সফল দেশগুলোর অভিজ্ঞতা থেকেও বাংলাদেশ শিক্ষা নিতে চায়। এ ক্ষেত্রে চীন, মালয়েশিয়া ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশের শিক্ষা মডেল অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।   অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর ড. কাজী শাহাদাত কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহা. শুহাদা ওসমান, মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনিন রশীদ, সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিঙ্কন এবং ড. আতিকুর রহমান মুজাহিদ।   এ সময় ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য আইআইইউএম অ্যালামনাই বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের নতুন ১৯ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। ড. মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ সভাপতি এবং ড. এম. তুহিন মিয়া সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।   সহ-সভাপতি হয়েছেন প্রফেসর ড. সেলিম আহমেদ, ড. মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন ও ড. আফরোজা বুলবুল। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ড. একরাম উদ্দিন ও খালিদ হেলাল। কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন গোলাম মর্তুজা এবং সমাজকল্যাণ সম্পাদক হয়েছেন খোরশেদ আলী মন্ডল।   এছাড়া মিডিয়া ও যোগাযোগ সম্পাদক হিসেবে সৈয়দুল হক সাদী, একাডেমিক ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে আব্দুল কাদের জিলানি, ক্যারিয়ার ও নিয়োগ সম্পাদক হিসেবে আসিফ জামিল শাহাদ এবং দপ্তর সম্পাদক হিসেবে ফরহাদ আহমেদ দায়িত্ব পেয়েছেন।   নতুন কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন প্রফেসর ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী, ড. জাকির হোসেন সেলিম, ড. মহিবুল্লাহ, ড. ইব্রাহিম খলিল, ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও হাবিবুল্লাহ হাদী।   একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে অন্তর্ভুক্ত করে সাত সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদও গঠন করা হয়েছে। পরিষদের অন্য সদস্যরা হলেন দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, প্রফেসর আতাউল হক প্রামাণিক, প্রফেসর ড. আবুল হাসান মুহাম্মদ সাদেক, প্রফেসর ড. আবু বকর রফিক, প্রফেসর ড. এ বি এম মাহবুবুল ইসলাম এবং প্রফেসর ড. কাজী শাহাদাত কবির।   প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. সোলায়মান মিয়া এবং নির্বাচন কমিশনার প্রফেসর ড. কাজী শাহাদাত কবির ও প্রফেসর ড. মো. আব্দুল জলিল নতুন কমিটিকে অনুমোদন দেন এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন।

আক্তারুজ্জামান মে ০৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

পুলিশ সপ্তাহ রোববার, শেষ মুহুর্তে স্থগিত পদক প্রদান অনুষ্ঠান

ছবি : সংগৃহীত

তরুণদের তামাক থেকে দূরে রাখতে মূল্যবৃদ্ধির দাবি চিকিৎসকদের

ছবি : সংগৃহীত

কোরীয় বিনিয়োগ আনতে যৌথ উদ্যোগ

ছবি: সংগৃহীত
জনগণের বিশ্বাস ফেরাতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন তারেক রহমান। পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি পেশাদার, দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব পুলিশ বাহিনীর বিকল্প নেই।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর ফলে জনগণের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ ফিরে এসেছে। মানুষ এখন এমন একটি রাষ্ট্র চায়, যেখানে গুম, অপহরণ ও ভয়ভীতির সংস্কৃতি থাকবে না এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।   তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থার সম্পর্ক গড়ে উঠলে দায়িত্ব পালন আরও কার্যকর ও সহজ হয়।   বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দক্ষ ও আধুনিক পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। তিনি বলেন, প্রতিবছরের পুলিশ সপ্তাহ জনগণের আস্থা অর্জনের নতুন অঙ্গীকার হয়ে উঠুক।   মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং ও মাদক বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি।   প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক, বর্তমান ও অবসরপ্রাপ্ত সব সদস্যকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশ পুলিশ সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। বিশেষ করে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদান দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ০৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপিসহ দলের তিন অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী

ন্যায়বিচার নিশ্চিত করুন, সরকার আপনাদের পাশে আছে : বিচারকদের প্রতি আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

লালকুঠির সংস্কার শেষ পর্যায়ে, শিগগিরই উদ্বোধন

0 Comments