আন্তর্জাতিক

রাশিয়ায় বৈকাল হ্রদে বাস ডুবে ৮ চীনা পর্যটকের মৃত্যু

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

রাশিয়ার সাইবেরিয়ায় বৈকাল হ্রদে বরফ ভেঙে একটি বাস ডুবে আট চীনা পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। রাশিয়ার জরুরি পরিস্থিতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আঞ্চলিক শাখা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

 

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এ ঘটনা ঘটে।

ইরকুত্স্ক অঞ্চলের গভর্নর ইগর কোবজেভ টেলিগ্রাম পোস্টে লিখেছেন, হিমায়িত হ্রদ পার হওয়ার সময় একজন চীনা পর্যটক বাস থেকে বের হয়ে প্রাণে বাঁচতে সক্ষম হন। তিনি বলেন, নিহতদের মধ্যে সাতজন চীনা পর্যটক এবং চালক রয়েছেন। চীনের কনস্যুলেট জেনারেলকে ইতোমধ্যে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

 

রাশিয়ার জরুরি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রায় তিন মিটার চওড়া বরফের ফাটলে বাসটি পড়ে যায় এবং পরে হ্রদের পানিতে তলিয়ে যায়। পরে উদ্ধারকারীরা পানির নিচে ক্যামেরা ব্যবহার করে তল্লাশি চালিয়ে সাতজনের লাশ উদ্ধার করেছেন।

 

আঞ্চলিক প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানিয়েছে, পর্যটকবাহী বাস ডুবে যাওয়ার পর ঘটনা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

 

উল্লেখ্য, বিশ্বের গভীরতম স্বাদুপানির হ্রদ হিসেবে পরিচিত লেক বৈকাল সাইবেরিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। এটি মঙ্গোলিয়ার ঠিক উত্তরে অবস্থিত এবং বিশেষ করে চীনা পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। শীতকালে হ্রদটির বিশাল জলরাশি বরফে ঢেকে যায়। তখন বরফের স্তরে স্ফটিকের মতো স্তম্ভ তৈরি হয় এবং নিচে আটকে থাকা ঢেউয়ের কারণে ভাঙনের বিশেষ ধরনের শব্দ শোনা যায়, যা পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়।

 

বরফ জমে গেলে কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট কিছু বরফ-সড়ক চালু করে, যা নিয়মিত তদারকি করা হয় এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্দিষ্ট ধরনের যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত পথের বাইরে গাড়ি চালানো আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ। মস্কো এবং বেইজিংয়ের মধ্যে পারস্পরিক ভিসামুক্ত ব্যবস্থা চালু করার পর সাম্প্রতিক বছরে বৈকাল হ্রদে চীনা পর্যটকদের সংখ্যা বেড়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন অবরোধ পেরিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার

যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি ও অবরোধ থাকা সত্ত্বেও ইরানের একাধিক তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক জাহাজ ও তেল পরিবহন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ট্যাঙ্কারট্রাকার্স।   বুধবার (১৭ জুন) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাংকার কোম্পানির অন্তত দুটি সুপারট্যাংকার—‘ডিওনা’ ও ‘হিরো-২’—নিরাপদে প্রণালিটি অতিক্রম করেছে। জাহাজ দুটিতে মোট প্রায় ৩ দশমিক ৮ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ছিল।   স্যাটেলাইট চিত্র ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং তথ্য বিশ্লেষণ করে ট্যাঙ্কারট্রাকার্স জানিয়েছে, এটি গত দুই মাসের মধ্যে ইরানের প্রথম উল্লেখযোগ্য অপরিশোধিত তেল রপ্তানি। পরে সংস্থাটি আরও একটি ইরানি ট্যাংকার একই পথ অতিক্রম করার তথ্যও নিশ্চিত করে।   এদিকে দুই দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে সুইজারল্যান্ডের বার্গেনস্টক মাউন্টেন রিসোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। আলোচনায় পারমাণবিক কর্মসূচি, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতা চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো স্থান পেতে পারে।   বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানি তেলবাহী জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু হওয়া আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা কমেছে।   তবে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনা এখনও অনিশ্চিত। দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে ইসরাইলি হামলার খবর সামনে আসায় যুদ্ধ-পরবর্তী স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ আবারও বেড়েছে।   ফলে কূটনৈতিক অগ্রগতি ও আঞ্চলিক উত্তেজনা—দুই বিপরীত বাস্তবতার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন পর্যবেক্ষকদের নজরে রয়েছে।

আক্তারুজ্জামান জুন ১৭, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

হোয়াইট হাউসে ড্রোন ও স্নাইপার হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ করার দাবি এফবিআইয়ের

ছবি : সংগৃহীত

শিগগিরই সামনে আসছে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতার রূপরেখা: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

এআই যুগে ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

ছবি: সংগৃহীত
লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির অংশ: ইরান

ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) গুরুত্বপূর্ণ একটি শর্ত হলো লেবাননে যুদ্ধের অবসান এবং ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, লেবাননে ইসরায়েলের যেকোনো নতুন হামলা বা দেশটির ভূখণ্ডে সেনা উপস্থিতি এই চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি দাবি করেন, এই সমঝোতায় একদিকে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, অন্যদিকে রয়েছে ইরান ও হিজবুল্লাহ।   আরাগচির মতে, ইসরায়েল যদি লেবাননে হামলা চালিয়ে যায় বা দখল বজায় রাখে, তাহলে চুক্তির কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যাবে। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই সমঝোতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর শুরু হবে ৬০ দিনের নতুন আলোচনা, যেখানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। এদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন আশা প্রকাশ করেছেন, এই চুক্তির ফলে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি সেনা পুরোপুরি সরে যাবে এবং দেশটির মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ভিন্ন অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় যেসব এলাকাকে ইসরায়েল নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করে, সেখানে ইসরায়েলি সেনারা অবস্থান অব্যাহত রাখবে। এদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম মারিভ জানিয়েছে, নতুন সমঝোতার আওতায় লেবাননের রাজধানী বৈরুতকে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের জন্য নিষিদ্ধ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। সূত্র : শাফাক নিউজ

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪, কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতাকে স্বাগত জানাল কাতার

ছবি: সংগৃহীত

শান্তি আলোচনার পরবর্তী ধাপ আরও কঠিন হবে : চীন

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ৩০ হাজার কোটি ডলারের তহবিল

যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ইরানের অর্থনীতি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ৩০ হাজার কোটি ডলারের একটি বিশেষ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে এ তহবিলের অর্ধেকেরও বেশি অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে।   ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার অংশ হিসেবে ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে। ‘ইসলামাবাদ মেমোর্যান্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ নামে পরিচিত ওই ১৪ দফা সমঝোতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে পুনর্গঠন তহবিল গঠন।   সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, তহবিলটির মূল লক্ষ্য ইরানের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করা এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করা।   ‘রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ নামে এই তহবিলে সরকারি অর্থ নয়, বরং বেসরকারি খাতের বিনিয়োগই প্রধান উৎস হবে। যুক্তরাষ্ট্র, উপসাগরীয় অঞ্চল, এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার বিভিন্ন কোম্পানি ইতোমধ্যে এতে অংশগ্রহণের আগ্রহ দেখিয়েছে এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠান অর্থও জমা দিয়েছে।   তহবিলের অর্থ মূলত ইরানের জ্বালানি, পরিবহন, লজিস্টিকস, উৎপাদনশিল্প এবং অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে বিনিয়োগ করা হবে বলে জানা গেছে।   রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরান প্রথমে যুদ্ধজনিত ক্ষয়ক্ষতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৪০০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। তবে সেই প্রস্তাব গ্রহণ না হওয়ায় বিকল্প হিসেবে পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকেন্দ্রিক এই তহবিলের ধারণা সামনে আসে।   এ ছাড়া আঞ্চলিক দেশগুলোও ঋণ, ক্রেডিট সুবিধা ও সরাসরি অর্থায়নের মাধ্যমে ইরানের শিল্পকারখানা, তেল শোধনাগার, বিমানবন্দর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে সহায়তা করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।   সমঝোতা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, চুক্তি স্বাক্ষরের পর স্থায়ী শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ৬০ দিনের সময় পাবে।   সূত্র: রয়টার্স

আক্তারুজ্জামান জুন ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

উপসাগরে তেল পাচারে ইরানের ‘চোরাচালান’ কৌশল ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: সংগৃহীত

‘ইরানের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন ট্রাম্প’, উদ্বিগ্ন কট্টরপন্থি রিপাবলিকানরা

ছবি: সংগৃহীত

ভিসা জটিলতায় যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করলেন ইসরায়েলের নিরাপত্তামন্ত্রী বেন-গভির

0 Comments