বিশ্ব

রাজনীতির ময়দানে প্রথম ধাক্কাতেই বিজেপিকে ছাড়ালেন বিজয়

মোঃ ইমরান হোসেন মে ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের জাতীয় সংগীত ও জাতীয় স্তোত্র নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশিকা যখন রাজনৈতিক বিতর্কের তুঙ্গে, তখন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে দেখা গেলো এক ভিন্ন চিত্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিতর্কিত নির্দেশিকা মেনে বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত ‘জনগণমন’র আগে পুরো ছয় স্তবকের ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া হয়। এ সময় মঞ্চে বিজয়ের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

 

শনিবার কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে এই গানটি গাওয়া হয়নি। অথচ সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।
গত ২৮ জানুয়ারি ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক নির্দেশিকায় জানায়, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানগুলোতে ১৯৫০ সালে গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত প্রথম দুই স্তবকের পরিবর্তে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা মূল ‘বন্দে মাতরম’-এর ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে। একই সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভা জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দে মাতরম’কে জাতীয় সংগীত ‘জনগণমন’র সমান মর্যাদা দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করে।
কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি একে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি অপমান হিসেবে অভিহিত করে যুক্তি দিয়েছিলেন যে, জাতীয় সংগীতের পরে বন্দে মাতরম বাজানো উচিত নয়।

কংগ্রেসও এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে জানায়, ১৯৩৭ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরামর্শেই সব ধর্মের মানুষের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে গানটির সংক্ষিপ্ত সংস্করণ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে কটাক্ষ করে বলেছিলেন, ‘এটা গভীর পরিহাসের বিষয় যে, যারা আজ জাতীয়তাবাদের রক্ষক দাবি করছে, তারা আগে কখনও বন্দে মাতরম গায়নি।’ বিপরীতে বিজেপি অভিযোগ তোলে, ১৯৩৭ সালে কংগ্রেস সাম্প্রদায়িক এজেন্ডাকে তুষ্ট করতেই গানটি ছোট করেছিল।

কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা নিয়ে বিরোধী শিবিরে যখন ক্ষোভ, তখন বিজয় ও রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে রবিবার সেই নিয়মই অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হলো। অনুষ্ঠানের শুরুতে পুরো বন্দে মাতরম গাওয়া হয়, এরপর গাওয়া হয় জাতীয় সংগীত। সব শেষে বাজানো হয় তামিলনাড়ুর রাজ্য সংগীত ‘তামিল থাই ভালথু’।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
‘যুদ্ধ শেষ হয়নি’, ইরানকে নিয়ে কড়া বার্তা নেতানিয়াহুর

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শেষ হয়নি। কারণ যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগে ইরানের পারমাণবিক উপকরণ, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র এবং সশস্ত্র প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে ধ্বংস করতে হবে। সিবিএস নিউজকে নেতানিয়াহু বলেন, আমরা কিছু জিনিস ধ্বংস করেছি, কিন্তু সেই সবকিছু এখনো রয়ে গেছে, তাই আমাদের কাজ বাকি আছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কীভাবে পারমাণবিক উপকরণ অপসারণ করবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আপনারা আমাকে এই প্রশ্নগুলো করবেন, আমি সেগুলো এড়িয়ে যাব। আমি এটার জন্য কোনো সময়সূচী দেব না। এদিকে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, আমরা ইরানের মজুতকৃত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পরিবহন ও সংরক্ষণ করতে প্রস্তুত। মস্কোতে এক সংবাদ সম্মেলনে পুতিন এই প্রস্তাব দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে পুতিন বলেন, রাশিয়া ২০১৫ সালে ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম স্থানান্তর করেছিল এবং সেই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি করতে মস্কো প্রস্তুত রয়েছে। সূত্র : আল জাজিরা

মোঃ ইমরান হোসেন মে ১০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

আমি বলিনি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হয়েছে: ট্রাম্পের নতুন মন্তব্য ঘিরে উত্তেজনা

ছবি: সংগৃহীত

রাজনীতির ময়দানে প্রথম ধাক্কাতেই বিজেপিকে ছাড়ালেন বিজয়

পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ

কিয়ার স্টারমার। ছবি: সংগৃহীত
ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় কিয়ার স্টারমার, দায়িত্ব ছাড়তে আল্টিমেটাম

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় কাউন্সিল নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির পর এবার নিজের ক্ষমতা ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের জন্য। দলের ভেতর থেকেই তার নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। লেবার পার্টির এমপি ও সাবেক মন্ত্রীরা তাকে সোমবারের (১১ মে) মধ্যে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছেন। নির্বাচনে হেনস্থা হওয়ায় পার্টির হেভিওয়েট পার্লামেন্ট সদস্যরা পদত্যাগ করলে স্টারমারের বিরুদ্ধে আনা হতে পারে অনাস্থা প্রস্তাবও। শনিবার (৯ মে) সাবেক মন্ত্রী ক্যাথরিন ওয়েস্ট রেডিও ফোরের সাক্ষাৎকারে এই আল্টিমেটামের কথা জানানোর পর ওয়েস্টমিনস্টারে তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে। তিনি বলেছেন, সোমবারের মধ্যে স্টারমার দায়িত্ব না ছাড়লে তাকে চ্যালেঞ্জ করা হবে। যুক্তরাজ্যের কাউন্সিল নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির সবচেয়ে বড় লাভ হয়েছে ডানপন্থী দল রিফর্ম ইউকের। ইংল্যান্ডের ১৩৬টি কাউন্সিলের প্রায় ৫ হাজার আসনের মধ্যে রিফর্ম একাই জিতেছে ১৪৫৩টি আসন। অন্যদিকে লেবার পেয়েছে মাত্র ১০৬৮টি। স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসেও ক্ষমতাসীন লেবারকে সমানে সমানে টক্কর দিয়েছে নাইজেল ফারাজের দল। বিশ্লেষকরা বলছেন, অর্থনৈতিক সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, মুসলিম ভোট ব্যাংক হারানো এবং স্থানীয় বিভিন্ন ইস্যু মিলিয়ে লেবারের এই হার হয়েছে। অনেক এমপি এমন ফল আশা করেননি। দলের পরিশ্রমী কাউন্সিলরদের হারিয়ে যাওয়ায় লেবার শিবিরে আত্মবিশ্বাসে বড় ধরনের চিড় ধরেছে। অনেকেই মনে করছেন, এটা ভোটারদের দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ ও হতাশার বহিঃপ্রকাশ। তবে স্টারমারকে সরিয়ে দেওয়া সহজ নয়। লেবার পার্টির নিয়ম অনুসারে তার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে হলে দলের ২০ শতাংশ এমপি, অর্থাৎ অন্তত ৮১ জনের সমর্থন লাগবে। ক্যাথরিন ওয়েস্ট এখন পর্যন্ত ১০ জনের বেশি এমপিকে নিজের পক্ষে আনতে পারেননি। স্টারমারের ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন, বাকি ৭০ জনের সমর্থন পাওয়া তার পক্ষে প্রায় অসম্ভব। তবে আলোচনায় উঠে এসেছে ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যামের নাম। তাকে অনেকে স্টারমারের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে দেখছেন। বার্নহ্যামের সমর্থকরা চাইছেন, স্টারমার যেন পদত্যাগের একটা স্পষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করেন। তবে জটিলতাও আছে। বার্নহ্যাম এখন পার্লামেন্ট সদস্য নন। তাকে প্রথমে উপ-নির্বাচনে জিতে এমপি হতে হবে, তারপর দলের নেতৃত্বের দৌড়ে নামতে পারবেন। বিশ্লেষকদের মতে, এক-দুজন এমপির আপত্তিতে স্টারমারের পতন হবে না। কিন্তু যদি দলের হেভিওয়েটরা একে একে পদত্যাগ করতে শুরু করেন, তাহলে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এদিকে স্টারমার এখনও আত্মবিশ্বাসী। আগামী সোমবার তিনি একটি বিশেষ ভাষণ দেবেন, যেখানে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট করবেন। আর বুধবার পার্লামেন্টের নতুন অধিবেশনে আগামী বছরের কর্মসূচি তুলে ধরবে লেবার সরকার। পরিস্থিতি এখনও ঘোলাটে। আগামী কয়েকদিনেই দেখা যাবে, স্টারমার টিকে থাকতে পারেন নাকি লেবারের অভ্যন্তরীণ ঝড় তাকে ক্ষমতার বাইরে ঠেলে দেবে। সূত্র: বিবিসি 

মারিয়া রহমান মে ১০, ২০২৬ 0
প্রতীকী ছবি

যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাব দিল ইরান

তেল আবিবের রাজপথে ইসরাইলিরা। ছবি: সংগৃহীত

নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও লেবানন হামলা বন্ধের দাবিতে তেল আবিবে বিক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত

সীমান্ত এলাকায় নতুন শরণার্থী সঙ্কটের আশঙ্কায় বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানে গাড়ি বোমা হামলায় নিহত ৩ পুলিশ কর্মকর্তা

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখওয়া প্রদেশে ভয়াবহ গাড়ি বোমা হামলায় অন্তত তিনজন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের পর বন্দুকধারীরা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলিও চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।   শনিবার রাতে বান্নু শহরের উপকণ্ঠে একটি পুলিশ ফাঁড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাদ খান জানিয়েছেন, বিস্ফোরকভর্তি একটি গাড়ি দিয়ে হামলা চালানো হলে ফাঁড়ির ছাদ ধসে পড়ে। সে সময় সেখানে থাকা ১৫ জন পুলিশ সদস্য হতাহত হন।   নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা জানান, বিস্ফোরণের পর জঙ্গিরা ফাঁড়ির ভেতরে ঢুকে পুলিশ সদস্যদের ওপর গুলি চালায়। পরে সহায়তায় আসা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপরও অতর্কিত হামলা চালানো হয়।   পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, হামলায় ড্রোনও ব্যবহার করেছে জঙ্গিরা। ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল ও অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নেয়। বান্নুর সরকারি হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।   ইত্তেহাদ-উল-মুজাহিদীন নামের একটি জঙ্গি জোট হামলার দায় স্বীকার করেছে।   এ হামলার পর পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইসলামাবাদ দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে জঙ্গিরা পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। তবে তালেবান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, জঙ্গিবাদ পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা।

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার উপনির্বাচনে ডানপন্থী দলের কাছে হেরে বিপাকে বিরোধী রক্ষণশীলরা

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সংরক্ষণ করবে রাশিয়া: পুতিন

ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে ইসরাইলি হামলায় লেবাননে নিহত ৯

0 Comments