জাতীয়

প্রার্থীদের কাছে অস্ত্র রাখার সঙ্গে আচরণবিধির কোনও বিরোধ নেই: ইসি সচিব

আক্তারুজ্জামান ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫ 0

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থীদের কাছে অস্ত্র রাখার সঙ্গে আচরণবিধির কোনও বিরোধ নেই। প্রয়োজনে নির্বাচনী আচরণবিধি সংযোজন বা বিয়োজন করা হবে। তবে এ বিষয়ে এখনো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়নি।

 

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই কথা বলেন তিনি।

 

তিনি বলেন, ইইউ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইসির সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল আসবে। দলটির নেতৃত্বে থাকবে আইভার্স ইজাবস। মোট ১৭৫ থেকে ২০০ জন পর্যবেক্ষক আসবেন।

 

ইসি সচিব আরও বলেন, ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী পর্যবেক্ষক দলটিকে সুবিধা দেয়া হবে। তবে তাদের প্রটোকল মানতে হবে। এ সময়  কিছু ইকুইপমেন্ট তারা নিয়ে আসবেন বলেও জানান তিনি।

 

প্রসঙ্গত, ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনার পর গত সোমবার রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগের নীতিমালা জারি করে সরকার।

 

লাইসেন্স প্রাপ্তির যোগ্যতা হিসেবে এতে বলা হয়, সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করা ব্যক্তি, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ থেকে যাচাইকৃত নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা এবং অস্ত্র সংরক্ষণের নিরাপদ ব্যবস্থা থাকলে তাদের অস্ত্রের লাইসেন্স দেয়া হবে। এক্ষেত্রে ব্যক্তিগত আয়কর প্রদান শিথিল করা হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদকের সঙ্গে জড়িত, না হলে দেশে এত মাদক আসে কীভাবে: নাসীরুদ্দীন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রধান সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মন্তব্য করেছেন, বর্তমান সীমান্ত পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অলংকারস্বরূপ লাল চুড়ি পরিয়ে রাখা উচিত। কারণ সীমান্তে হত্যাকাণ্ড নিয়ে তাঁদের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া বা বিবৃতি দেখা যায়নি। নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানে সরকার সম্পূর্ণভাবে বিফলে যাচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।   মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানাতে তাঁদের বাসভবনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিহত দুই পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং সান্ত্বনা প্রদান করেন।   এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সরকার ঢাকায় যেমন ব্যর্থ, তেমনি সব ক্ষেত্রেই বিফল। সীমান্তে নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতেও সে ব্যর্থ হয়েছে। আমি সরকারকে বলব, আপনি যদি প্রকৃত জাতীয়তাবাদী হন, তাহলে সীমান্ত রক্ষা আপনার দায়িত্ব। না হলে আপনি ভুয়া জাতীয়তাবাদী। যারা ভুয়া জাতীয়তাবাদী, তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।   কসবা সীমান্তে হত্যার ঘটনায় বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তির সমালোচনা করে তিনি বলেন, সেখানে বাংলাদেশি নাগরিকদের মাদক পাচারকারি বলা হয়েছে। এটি ভারতীয় বয়ান। আমরা ভারতীয় বয়ান থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানাই।   জাতীয় নাগরিক পার্টি সরকার গঠন করলে সমগ্র সীমান্ত এলাকায় খাল খনন করা হবে। যাতে ওপার থেকে মাদক পাচার করা না যায়। যুবসমাজকে ধ্বংস করা যাবে না। সরকারকে বলব, ভারতের অভ্যন্তরে যেসব মাদক কারখানা রয়েছে সেগুলো ধ্বংস করুন।   এসব মাদক পাচার ব্যবসার সঙ্গে বহু সংসদ সদস্য জড়িত আছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর মতে, সংসদে প্রবেশের আগে প্রত্যেকের মাদকাসক্ত কিনা তা পরীক্ষা করা জরুরি। তাঁরা ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। ঢাকায় এত ইয়াবা কেন পাওয়া যায়? কিশোরদের কাছে কেন গাঁজা, ফেনসিডিল পাওয়া যায়? তাহলে বলা যায়, সরকারের স্বরাষ্ট্র বিভাগ ও সংসদ সদস্যরা এসবের সঙ্গে জড়িত। তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিনকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা প্রয়োজন। কারণ তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সঙ্গে সংযুক্ত। না হলে এত মাদক আসে কীভাবে, এটি আমাদের প্রশ্ন। তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যা আরও বৃদ্ধি পেলে এবং সরকার যদি কোনো পদক্ষেপ নিতে না পারে, আমরা ইনশাল্লাহ বাংলাদেশের সবাইকে নিয়ে সীমান্তের দিকে লং মার্চ করবো। দেখবো কে আমাদের ঠেকায়। সরকারকে বলব, এর আগেই উদ্যোগ গ্রহণ করুন। যাতে সীমান্ত হত্যা হ্রাস পায়।   নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করে বলেন, তাঁকে সীমান্তে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছে। আজ তাঁকে তিন জায়গায় প্রতিরোধ করা হয়েছে। চার জনের বেশি যেতে পারব না। আমি তো বাংলাদেশেই দাঁড়িয়ে আছি। যেখানে ইচ্ছা সেখানে যাবো, ঘুরবো। আপনি আমাকে বাধা দেওয়ার কে?   এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ মাহদি, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, কেন্দ্রীয় সংগঠক মিয়াজ মেহরাব তালুকদার, মোস্তাক আহমেদ শিশির, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক আদেল ও স্বাস্থ্য উইং সমন্বয়ক ডাক্তার আশরাফ উদ্দিন।   এর আগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সীমান্তে নিহত দুজনের কবর জিয়ারত করেন। তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। এ সময় সীমান্ত এলাকায় জেলা পুলিশের বিপুলসংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

আবরার আল মামুন সাহাফ মে ১৩, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

পেনশন স্কিমে নিবন্ধিত হলেন ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৫ জন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

অটিজমে আক্রান্তদের পূর্ণ মর্যাদায় বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদ ভবন। ফাইল ছবি

সংসদে বেসরকারি সদস্যদের ৯ বিল পাস

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ছবি : সংগৃহীত
বিগত সরকার বিদ্যুৎ খাতে দেশীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে : জ্বালানি মন্ত্রী

বিগত সরকার দেশের নিজস্ব সম্পদ অবেহালেয় ফেলে রেখে লুটপাট ও বিদেশ থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ব্যবস্থা করে দেশীয় সম্পদ ধংস করেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি পরিদর্শন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, গত ১৭ বছরে 'ফ্যাসিস্ট সরকার' দেশীয় সম্পদকে অবহেলা করে বিদেশি জ্বালানি আমদানিনির্ভর ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। এতে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি এবং মধ্যপাড়া পাথরখনি জনকল্যাণে যথাযথ গুরুত্ব পায়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি খাত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত হলেও বিগত সরকার এ খাতকে ধ্বংস করেছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্দেশনায় দেশীয় সম্পদ কাজে লাগিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই দেশের সম্পদ দেশের মানুষের উপকারে আসুক। দেশ এগিয়ে যাক। বিএনপি জনগণের সরকার হিসেবে দেশীয় সম্পদ আহরণ করে উন্নয়নে কাজে লাগাতে চায়। এর আগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি, তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও মধ্যপাড়া পাথর খনির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমপি, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এমপি, জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাদিক রিয়াজ, দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ানুল হকসহ পেট্রোবাংলা ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সভা শেষে মন্ত্রী ও অতিথিবৃন্দ বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি, বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং মধ্যপাড়া পাথর খনি পরিদর্শন করেন।

মারিয়া রহমান মে ১২, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে কিউআর কোড যুক্ত করার নির্দেশ

সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ-পুশইন রোধে বিজিবি সর্বদা জাগ্রত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

দেশে স্থিতিশীলতা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, শিক্ষার্থীদের জনমত গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত
লেবাননে দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের

  লেবাননে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে উদ্বেগ ও শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।   সরকারি ও কূটনৈতিক সূত্র জানায়, এই ঘটনার পরপরই বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহির দাবি জানানো হয়েছে।   বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দায়িত্ব। লেবাননে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।   Israel-এর সামরিক বাহিনী ও লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের ঘটনা ঘটায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।   অন্যদিকে, নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনাও শুরু হয়েছে।   Lebanon-এ চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে সাধারণ শ্রমিক ও প্রবাসীরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে নিয়মিত নজর রাখছে এবং প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।   এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি ও অপচয় রোধে মানসিকতা পরিবর্তনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

‘জাতীয়তাবাদী আদর্শ’ মন্তব্যে যা বোঝাতে চাইলেন ডিআইজি রেজাউল করিম

ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আজহা ঘিরে ১৪ দিনের বিশেষ নিরাপত্তা নজরদারি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0 Comments