খেলাধুলা

পিএসএলে মোস্তাফিজের জাদু, তবুও লাহোরের হৃদয়ভাঙা হার

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে করাচি কিংসের কাছে ৪ উইকেটে হেরেছে লাহোর কালান্দার্স। তবে আরও একবার বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। মাত্র ২০ রান খরচায় ১ উইকেট শিকার করেন টাইগারদের এই কাটার মাস্টার। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নামে লাহোর। দুই ওপেনারের ওপেনিং জুটিতে এসেছে মাত্র ৩ রান। ২ বলে ১ রান করে বিদায় নেন ফখর জামান। টিকে থাকা মোহাম্মদ নাঈম ১২ বলে করেন ১৩ রান।

 

তিনে নেমে দলের হাল ধরেন আব্দুল্লাহ শফিক। কার্যকরী ব্যাটিংয়ে ২৪ বলে ৩৩ রানের ইনিংস খেলেন শফিক। দলের ৫৬ রানের মাথাতেই থামেন শফিক। পরের ওভারেই বিদায় নেন ইমন। ১২ বলে ১২ রান করেছেন পারভেজ ইমন।

বাকিরা কমবেশি ধুঁকেছেন। ৩০ বলে ২৮ রান করেছেন হাসিবউল্লাহ খান। এছাড়া সিকান্দার রাজা ২১ বলে করেন ১৯ রান। লেজের দিকের পাঁচ ব্যাটার দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে লাহোর কালান্দার্স। একদম শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে নামা মোস্তাফিজুর রহমান ১ বলে ১ রান করে অপরাজিত ছিলেন।

করাচি কিংসের হয়ে ২টি করে উইকেট শিকার করেছেন মঈন আলী, মীর হামজা এবং অ্যাডাম জাম্পা। ১টি করে উইকেট নেন হাসান আলী, সালমান আঘা এবং আব্বাস আফ্রিদি।

জবাব দিতে নেমে শুরুতেই অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারের উইকেট হারিয়ে ফেলে করাচি কিংস। দলের ১০ রানের মাথাতে ৯ বলে ৮ রান করে বিদায় নেন ওয়ার্নার। তিনে নামা সালমান আলী আঘাও ফিরিয়েছেন একই ওভারে। ২ বল খেলে রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন তিনি। দুজনকেই ফিরিয়েছেন শাহীন শাহ আফ্রিদি।

পাওয়ারপ্লেটা ভালো যায়নি করাচির। জোড়া উইকেট হারিয়ে মোহাম্মদ ওয়াসিম এবং সাদ বেগ মিলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২৭ রান তোলে করাচি কিংস।

পাওয়ারপ্লে শেষে কিছুটা আগ্রাসী ব্যাটিং চালান সাদ এবং ওয়াসিম। ৮ম ওভারে বোলিংয়ে আসেন টাইগার কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান। এসে প্রথম ওভারেই তুলেছেন উইকেট, ফিরিয়ে দেন সাদ বেগকে। প্রথম ওভারে মাত্র ১ রান দেন ফিজ, নেন ১ উইকেট। দলের ৩৯ রানের মাথাতে ২১ বলে ১৯ রান করে বিদায় নেন সাদ।

১১তম ওভারে বোলিংয়ে ফেরেন ফিজ। রান দিয়েছেন ৫, এবারে উইকেট মেলেনি। ১৭তম ওভারে এসে ৫ রান দেন মোস্তাফিজ। ১৯তম ওভারে এসে দিয়েছেন ৯ রান। সব মিলে ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান।

মোহাম্মদ ওয়াসিম ৩৭ বলে ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন। মঈন আলী ২১ বলে করেছেন ১৮ রান। শেষ দিকে আজম খান এবং খুশদিল শাহ টিকে ছিলেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য করাচির দরকার ছিল ১৪ রান। বোলিংয়ে আসেন হারিস রউফ। শুরুতেই বলের আকৃতি পরিবর্তনের জন্য ৫ রান পেনাল্টি করা হয় লাহোরকে, রান যোগ হয় করাচির দলের রানের সাথে। সমীকরণ চলে আসে ৬ বলে ৯ রানে। প্রথম বলেই খুশদিল শাহকে ফিরিয়ে দেন হারিস। বাউন্ডারিতে দারুণ এক ক্যাচ নেন সিকান্দার রাজা। ৫ বলে দরকার ৯ রান। পরের বল হয়েছে ওয়াইড। ৫ বলে দরকার ৮ রান। ক্রিজে নেমেই দারুণ এক চার মেরে সমীকরণ ৪ বলে ৪ রানে নিয়ে আসেন আব্বাস আফ্রিদি। পরের বলেই দারুণ এক ছক্কা, সেখানেই শেষ ম্যাচ। লো স্কোরিং থ্রিলারে ৪ উইকেটে জিতেছে করাচি কিংস।

লাহোরের হয়ে মাত্র ১৮ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়েছেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। ১ উইকেট শিকার করেন মোস্তাফিজুর রহমান। হারিস রউফও নেন ১ উইকেট।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
রোহিত-রিকেল্টনের ঝড়ে ১৩ বছর পর রেকর্ড জয়ে মুম্বাই

অবশেষে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময়ের অপেক্ষার অবসান ঘটাল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ২০১২ সালের পর প্রথমবারের মতো আইপিএলে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয়ের দেখা পেল টুর্নামেন্টের সবচেয়ে সফল দলটি। রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকেল্টনের তাণ্ডবে আজ রেকর্ড গড়েই জিতল মুম্বাই।   প্রথম ম্যাচের মত দ্বিতীয় ম্যাচেও রানবন্যা হলো। এবার আরও বেশি। কলকাতা নাইট রাইডার্স ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচটি হলো মোট ৪৪৪ রানের। যেখানে ৫ বল হাতে রেখে কেকেআরকে ৬ উইকেটে হারায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় আইপিএলের অন্যতম সফল এই দুই দল। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেট হারিয়ে ২২০ রান সংগ্রহ করে কলকাতা। জবাব দিতে নেমে রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকেলটনের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করে ১৯.১ ওভারেই ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় মুম্বাই। টস জিতেছিলেন মুম্বাই অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ঝড় তোলে কেকেআর। দুই ওপেনার আজিঙ্কা রাহানে ও ফিন অ্যালেন। ৬৯ রান করে বিচ্ছিন্ন হন তারা দু‘জন। ১৭ বলে ৩৭ রান করেন ফিন অ্যালেন। আজিঙ্কা রাহানে করেন ৪০ বলে ৬৭ রান। শেষ দিকে ২৯ বলে ৫১ রান করেন অঙক্রিশ রঘুবংশি। ২১ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন রিঙ্কু সিং। মুম্বাইয়ের হয়ে শার্দুল ঠাকুর নেন ৩৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট। জবাব দিতে নেমে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের দুই ওপেনারই মূলত ম্যাচ বের করে নিয়ে আসেন। রায়ান রিকেলটন ও রোহিত শর্মা মিলে গড়ে তোলেন ১৪৮ রানের বিশাল জুটি। ৩৮ বলে ৭৮ রান করে আউট হন রোহিত। ৬টি করে চার ও ছক্কার মার মারেন তিনি। ৪৩ বলে ৮১ রান করেন রায়ান রিকেলটন। ৪টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৮টি ছক্কার মার মারেন এই প্রোটিয়া ব্যাটার। শেষের দিকের ব্যাটারদের আর খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি জয় তুলে নিতে। সূর্যকুমার যাদব ৮ বলে ১৬, তিলক ভার্মা ১৪ বলে ২০, হার্দিক পান্ডিয়া ১১ বলে অপরাজিত ১৮ রান করে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

পিএসএলে মোস্তাফিজের জাদু, তবুও লাহোরের হৃদয়ভাঙা হার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ২ কোটি টাকা অর্থ সহায়তা দিয়েছিল বিসিবি। ছবি : সংগৃহীত

ঢাবির মাঠ উন্নয়নে দেওয়া অর্থ অনুদান নয়, বলছে কর্তৃপক্ষ

ছবি : সংগৃহীত

‘ভুল তথ্য’ ছড়ানোয় ভারতীয় মিডিয়ার ওপর ক্ষুব্ধ স্টার্ক

(বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল
বাংলাদেশের অনুশীলন ক্যাম্প পরিদর্শন বিসিবি সভাপতির

ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে ক্রিকেটারদের প্রস্তুতি দেখতে আজ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলমান জাতীয় দলের ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।   তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আগামী ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সফর করবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।   পরিবারের সাথে সময় কাটাতে এবং ঈদ উদযাপন করতে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়ায় যান বুলবুল। ব্যক্তিগত ছুটি শেষে আজ ভোরে ঢাকায় ফিরেন তিনি।   পরবর্তীতে বোর্ড পরিচালকদের সাথে জাতীয় দলের ফিটনেস ক্যাম্পে যান এবং খেলোয়াড়দের অনুশীলন সেশন পর্যবেক্ষণ করেন বুলবুল। এসময় প্রধান কোচ ফিল সিমন্স এবং ক্রিকেটারদের সাথে আলোচনাও করেন তিনি।   নিউজিল্যান্ড সিরিজকে সামনে রেখে বর্তমানে ফিটনেস ক্যাম্পের মধ্যে আছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। এরপর স্কিল ভিত্তিক অনুশীলন শুরু করবেন তারা।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বকেয়া না দিলে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে কঠোর হবে বিসিবি

ছবি: সংগৃহীত

ভারতকে আটকে গ্রুপ রানার্সআপ বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

শুটিংয়েও ক্যাচ ফেললেন বাবর!

ছবি: সংগৃহীত
সিঙ্গাপুর জয়ের লক্ষ্যেই আত্মবিশ্বাসী কাবরেরা

বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ড পেরিয়ে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া সিঙ্গাপুর এবার প্রতিপক্ষ বাংলাদেশের। হাভিয়ের কাবরেরা তাতে ভড়কে যাচ্ছেন না। বাছাই পেরুনোর স্বপ্ন পূরণ না হলেও শেষটা রাঙানোর স্বপ্ন পূরণে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ।   সিঙ্গাপুরের জাতীয় স্টেডিয়ামে আগামী মঙ্গলবার বাছাইয়ের নিজেদের ষষ্ঠ ও শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল। ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে থেকে বাছাই পেরিয়ে মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া সিঙ্গাপুর প্রথম লেগের দেখায় ঢাকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে জিতেছিল ২-১ গোলে। পাঁচ ম্যাচে একটি জয় ও দুই ড্রয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে তৃতীয় স্থানে আছে বাংলাদেশ। ৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে হংকং। তাদের টপকে দ্বিতীয় হয়ে বাছাই শেষ করতে হলে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই কাবরেরার দলের সামনে। বিকল্প পথে হাঁটতে চাইছেন না বাংলাদেশ কোচও। আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। এখানে আসার আগে আমরা ভিয়েতনামের বিপক্ষে একটি কঠিন পরীক্ষা (ম্যাচ) দিয়ে এসেছি। ভিয়েতনাম ম্যাচের ফলাফলটা অবশ্যই হতাশাজনক ছিল, কিন্তু সেখান থেকে অনেক ইতিবাচক দিক নেওয়ার আছে। একটি উঁচু র‌্যাঙ্কিংয়ের দলের বিপক্ষে খেলা দলের জন্য দারুণ অভিজ্ঞতা ছিল। সেই ম্যাচ থেকে শেখা বিষয়গুলো আমরা সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে কাজে লাগাব। ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ৩-০ গোলের হার পেছনে ফেলতে চাইছেন কাবরেরা। কার্ডের খাড়ায় তপু বর্মন, রাকিব হোসেনের অনুপস্থিতিও বাকিদের দিয়ে পূরণ করে নিতে চাইছেন তিনি। সিঙ্গাপুরে শনিবার প্রথম মাঠের অনুশীলন সেরে নেওয়ার পর ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, কাজেম শাহ কিরমানিকে নিয়েও স্বস্তির খবর দিয়েছেন কোচ। “ফাহিম এবং কাজেম এখন সম্পূর্ণ ফিট এবং সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলার জন্য প্রস্তুত। অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের (তপু ও রাকিব) অভাব সবসময়ই অনুভূত হয়, যারা জাতীয় দলের হয়ে অনেক ম্যাচ খেলেছেন। তবে এটি অন্যান্য খেলোয়াড়দের জন্য একটি বড় সুযোগ যারা এই ধরণের পরিস্থিতিতে আগে খেলার সুযোগ পায়নি। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো জয়। যদি আমরা আমাদের সেরাটা দিতে পারি এবং ছোটখাটো ভুলগুলো (বিশেষ করে সেট পিসগুলোতে) কমিয়ে আনতে পারি, তবে আমরা অবশ্যই ৩ পয়েন্ট অর্জন করতে পারব।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ভারতকে রুখে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ কে?

ছবি : সংগৃহীত

শেষ মুহূর্তে ভালভের্দের পেনাল্টি, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে উরুগুয়ের ড্র

ছবি : সংগৃহীত

গোল করেই চলেছেন ওইয়ারসাবাল, অভিষেকে নজর কাড়লেন মুনিয়োস

0 Comments