পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব গেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। আজ শুক্রবার সস্ত্রীক সৌদি আরব যান তিনি।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সৌদি সরকারের আমন্ত্রণে রাজকীয় অতিথি হিসেবে সেনাপ্রধান এ সফর করছেন।
সফরকালে সেনাপ্রধান পবিত্র মক্কা ও মদিনায় হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। হজ পালন শেষে আগামী ১ জুন তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
এ বছর ৯ জিলহজ ২৬ মে মঙ্গলবার পবিত্র হজ পালিত হবে। পরদিন সৌদি আরবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বরাবরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত ও অসংবেদনশীল মন্তব্য লিখে সমালোচনার মুখে পড়েছেন অনেকবার। কিছুদিন নীরব থাকলেও সর্বশেষ ডাকসু নেত্রী উম্মে সালমার এক পোস্টে অশ্লীল ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে আবার তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছেন রাকসু জিএস সালাহ উদ্দীন আম্মার। জানা গেছে, কয়েক দিন আগে এক পাকিস্তানি শিক্ষার্থীর সঙ্গে ছবি দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন ডাকসু কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে সালমা। সেই পোস্টের কমেন্টসে রাকসুর জিএস আম্মার লেখেন- ‘নিয়ে আসেন আমার জন্য’। এমন অশ্লীল ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যের পর সেই স্ক্রিনশটটি সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়। রাবির একজন নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধির এমন মন্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে বইছে সমালোচনার ঝড়। কেউ কেউ দাবি করছেন আম্মারকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হোক। তিনি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়কে সারা দেশের মানুষের কাছে হেয় করেছেন। ছাত্রদল তাকে ‘উন্মাদ’ আখ্যা দিয়ে মানসিক চিকিৎসার দাবি জানিয়েছে ও তিনি জিএস পদের উপযুক্ত নয় বলে মন্তব্য করেছে। এদিকে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে বৃহস্পতিবার রাতে আম্মার তার কমেন্টসটি ডিলিট করে দেন। তবে ফেসবুকে রাকসু জিএসের কমেন্টেসের স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই সেটি শেয়ার করে নানাবিধ মন্তব্য করেছেন। তারা দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার। স্ক্রিনশটটিতে দেখা গেছে, ডাকসু নেত্রী উম্মে সালমা এক পাকিস্তানি নারীর সঙ্গে ছবি তুলে নিজের ব্যক্তিগত আইডিতে পোস্ট করেন কয়েক দিন আগে। সম্ভবত চীন সফরের সময় উম্মে সালমা সেই ছবিটি তোলেন। ছবির ক্যাপশনে ডাকসু নেত্রী লিখেছেন- বাংলাদেশ+পাকিস্তান। ঢাকা ইউনিভার্সিটি+পিকিং ইউনিভার্সিটি। সেই পোস্টের কমেন্টেসে সালাহ উদ্দীন আম্মার লিখেছেন- ‘নিয়ে আসেন আমার জন্য’। এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনরা ব্যাপক সমালোচনা শুরু করেন। তারা বলছেন, একজন ছাত্র প্রতিনিধির ভাষা কখনই নারীর প্রতি অসম্মান, হেয়প্রতিপন্ন করার মতো হতে পারে না। এমন মন্তব্য নিঃসন্দেহে নিন্দাযোগ্য ও সমাজে নেতিবাচক বার্তা দেবে। ফেসবুকে আম্মারের সমালোচনা করে রাবি শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক নাফিউল জীবন লিখেছেন, ‘সাউয়া’ জিএসের কাছে নারীরা কি শুধুই ভোগের বস্তু? যে ‘সাউয়া-মাউয়া’ ছিঁড়ে ফেলার মতো অশ্লীল স্লোগান দিতে পারে, তার কাছ থেকে এমন মন্তব্য অস্বাভাবিক নয়। রামিসা ধর্ষণ-হত্যা নিয়ে যখন পুরো দেশ এখনও শোকাহত ও আলোচনা-সমালোচনায় ব্যস্ত, তখন একটি দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে ধর্ষণকে উসকে দেওয়া আম্মারের এমন মন্তব্য নিঃসন্দেহে সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। একজন ছাত্র প্রতিনিধির ভাষা কখনই নারীর প্রতি অসম্মান, হেয়প্রতিপন্ন করার মতো হতে পারে না। নিন্দা করছি এমন মন্তব্যের। রাবি শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শেখ নূর উদ্দীন আবীর লেখেন- ৫ আগস্টের পর থেকে আমাদের বোনেরা যেভাবে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন, বারবার তাদের (শিবির) দিকেই আঙুল গেছে। তাদের সাহস এত বেড়েছে যে, তারা এখন নিজেদের আইডি দিয়েই বিভিন্নভাবে সাইবার বুলিং চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের নিজেদের মধ্যে ডাকসু-রাকসুর যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন, এখন দেখা যাচ্ছে তাদের নেত্রীরাই তাদের কাছে নিরাপদ না। আসলে তাদের শিরায় শিরায় সাইবার বুলিং আর নারীদের অসম্মানের সংকল্প প্রবাহমান। ডাকসু নেত্রীর পোস্টে করা আম্মারের মন্তব্যের একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল ইসলাম লেখেছেন, এরাই আবার নারীর নিরাপত্তা চেয়ে ঝটিকা মিছিল করে। ন্যূনতম লজ্জা-শরম নাই, কোথায় কী কমেন্টস করতে হয় সেটাও জানে না। ছাত্র অধিকার পরিষদের রাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আল শাহরিয়া শুভ আম্মারের কমেন্টের স্কিনশটটি শেয়ার করে লিখেছেন- ছাত্রী সংস্থার কাজগুলো কী কী কেউ বিস্তারিত জানলে আমাদের জানাবেন প্লিজ। অসংবেদনশীল যত কমেন্টস আসে সবগুলো শিবিরের নেতাদের। কোটি টাকার টেস্টি স্ট্রিটের স্যান্ডউইচ আর বিরিয়ানির জোরে এসব টিকটকার, ছাপড়িরা শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হয়েছে। আফসোস; আল্লাহ তুমি অন্তত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানটা এদের হাত থেকে রক্ষা কইরো। এই আমাদের চাওয়া। এদিকে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে শুক্রবার রাকসুর জিএস সালাহ উদ্দীন আম্মারের নির্ধারিত মোবাইলে কল দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি। জানা গেছে, রাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বর্তমানে পাকিস্তান সফরে আছেন। দেশে ফিরলে জিএস সালাহ উদ্দীন আম্মারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে রাবি প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে।
বগুড়া পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের বেতার শাখার সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) সকালে পুলিশ লাইন্সের ভেতর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত দেড়টা থেকে শুক্রবার সকাল আটটার মধ্যে যে কোনো সময়ে গলায় রশি দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। নিহত আরিফুল ইসলামের (৩৮) নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পদ্মবিল ঘড়িয়া এলাকার মো. আশরাফের ছেলে। তিনি স্ত্রী রোমা বেগম ও দুই সন্তান রেখে গেছেন। তার বিপি নম্বর ৮৮০৭১২৭৪৮৫। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতের কোনো এক সময়ে পুলিশ লাইন্সের ভেতরে বেতার শাখায় কর্মরত এএসআই আরিফুল ইসলাম গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। শুক্রবার সকালে খবর পেয়ে বগুড়ার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে লাশটি উদ্ধার করে নামানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বেতার শাখার দোতলার একটি কক্ষে সহকর্মীদের সঙ্গে থাকতেন আরিফুল ইসলাম। ওই কক্ষে বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকেও তাকে দেখা যায়। এরপর শুক্রবার সকালে তাকে কক্ষে না পেয়ে সহকর্মীরা প্রথমে ধারণা করেন তিনি নিচতলায় দায়িত্বে আছেন। পুলিশ জানায়, পরে সকাল ১০টার পরও তার খোঁজ না মেলায় পাশের একটি ওয়ার্কশপ কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান সহকর্মীরা। সন্দেহ হলে জানালা দিয়ে উঁকি দিলে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান তারা। খবর পেয়ে পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয় এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ জানান, নিহতের স্ত্রী ও সন্তান গ্রামের বাড়িতে থাকেন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে কোনো পারিবারিক বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঋণসংক্রান্ত চাপের কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি। বগুড়া জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া মুখপাত্র) আতোয়ার রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে এএসআই আরিফুলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এটি আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল শনিবার ময়মনসিংহ সফরে যাচ্ছেন। সফরে তিনি ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ত্রিশালে একটি খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন এবং ময়মনসিংহ জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে সড়ক পথে ত্রিশালের উদ্দেশে রওনা হবেন। দুপুর ১২টায় ত্রিশালে একটি খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। পরে বিকেল ৩টায় ত্রিশালের ঐতিহ্যবাহী নজরুল অ্যাকাডেমি মাঠে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন। বিকেলে তিনি ত্রিশালের নজরুল অডিটরিয়ামে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ও উত্তর জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। প্রধানমন্ত্রী আগমন ঘিরে ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন। জানা যায়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশালে অনেক বছর পর এবার জাতীয় পর্যায়ে জন্মজয়ন্তী পালন করা হবে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। তিন দিনব্যাপী নজরুল জয়ন্তী উপলক্ষে ত্রিশালের নজরুল অ্যাকাডেমি মাঠে বসে মেলা। পাশাপাশি একই মাঠে নজরুল মঞ্চে দিনব্যাপী চলে আলোচনাসভা ও সংস্কৃতি অনুষ্ঠান।